Bangladesh Telegram channel photo

Bangladesh

@bangladeshPublic Channel

Bangladeshi nature, culture, fashion, news and more.

2.5k

Last views

7.9k (7,900 subscribers)
সদস্য
—
Rating
34
Total Posts
Oct 21, 2026, 5:43 PM
আপডেট হয়েছে
Apr 3, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameBangladesh
Username@bangladesh
Categoryবিশ্ব সংবাদ
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য7,900
Channel TypePublic Channel
Created৩ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated২১ অক্টো, ২০২৬ • ৮ ঘণ্টা আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#171230+252
ভাষার র্যাঙ্কিং
#425+3
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#1203+22

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 7.9K30 Days growth: +470.6%
09/2209/2710/0210/0710/1210/1710/21
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
22:09:20267,853
23:09:20267,853
24:09:20267,853
25:09:20267,853
26:09:20267,853
27:09:20267,853
28:09:20267,853
29:09:20267,853
30:09:20267,853
01:10:20267,853
02:10:20267,853
03:10:20267,853
04:10:20267,853
05:10:20267,853
06:10:20267,853
07:10:20267,853
08:10:20267,853
09:10:20267,853
10:10:20267,853
11:10:20267,853
12:10:20267,853
13:10:20267,878
14:10:20267,878
15:10:20267,878
16:10:20267,878
17:10:20267,878
18:10:20267,878
19:10:20267,878
20:10:20267,878
21:10:20267,900
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 30:03:20268,532
Week of 06:04:20268,494
Week of 13:04:20268,415
Week of 20:04:20268,415
Week of 27:04:20268,340
Week of 04:05:20268,340
Week of 11:05:20268,270
Week of 18:05:20268,270
Week of 25:05:20268,270
Week of 01:06:20268,179
Week of 08:06:20268,179
Week of 15:06:20268,179
Week of 22:06:20267,991
Week of 29:06:20267,991
Week of 06:07:20267,991
Week of 13:07:20267,951
Week of 20:07:20267,951
Week of 27:07:20267,951
Week of 03:08:20267,926
Week of 10:08:20267,926
Week of 17:08:20267,899
Week of 24:08:20267,848
Week of 31:08:20267,848
Week of 07:09:20267,869
Week of 14:09:20267,853
Week of 21:09:20267,853
Week of 28:09:20267,853
Week of 05:10:20267,853
Week of 12:10:20267,878
Week of 19:10:20267,900
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20268,340
May 20268,270
June 20267,991
July 20267,951
August 20267,848
September 20267,853
October 20267,900
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20267,900

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1Welcome 202662.4K
  2. #2এমবিবিএস লেভেলে ফরেনসিক মেডিসিনে আমরা যে সব ঘৃণ্য সেক্সচুয়াল পারভারশন61.8K
  3. #3মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-নারী প্লাটুনের সদস্যদেরকে রাস্তার দুপাশে দাঁ55.9K
  4. #4Merry Christmas 2025! 🎄53.0K
  5. #5রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ধরা হয় ৫। আর আশ্চর্50.5K
  6. #6লোকটার বয়স ৩৮ বছর।44.4K
  7. #7একদিন বাংলাদেশ এরকম সুন্দর হবে এই আশায় বসে থাকুন সবাই34.4K
  8. #8বাশার আল-আসাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন অ34.0K
  9. #9কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে বাসচাপায় এক অটোরিকশা 33.4K
  10. #10♦️সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিনা আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ং32.8K

সাম্প্রতিক পোস্ট

Bangladesh logo
Bangladesh

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১৭:১১

Video
Granny of the Year 🎉
2,490006
Bangladesh logo
Bangladesh

০৯ সেপ, ২০২৬, ২০:০৫

pinned Deleted message
0000
Bangladesh logo
Bangladesh

০৯ সেপ, ২০২৬, ২০:০৫

Photo
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-নারী প্লাটুনের সদস্যদেরকে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ তাদেরকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছে। এই প্লাটুনের বেশির ভাগ নারী সদস্যই একাত্তরের রণাঙ্গনে গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।
55,9000074
Bangladesh logo
Bangladesh

২২ আগ, ২০২৬, ০৯:৩৬

Video
29,0000032
Bangladesh logo
Bangladesh

১৮ আগ, ২০২৬, ২০:১০

Video
Did you know one of the world's most infamous coffees begins with an animal's digestive system?

This is kopi luwak, a coffee made using coffee beans that have passed through the digestive system of the Asian palm civet. The civet eats ripe coffee cherries, but the beans inside aren't completely digested. After being naturally deposited, the beans are collected, cleaned, dried, and roasted.

The digestion can alter the beans' chemistry, contributing to the distinctive characteristics associated with kopi luwak.
Would you actually try it?
29,0000017
Bangladesh logo
Bangladesh

১৯ জুন, ২০২৬, ০৪:৩৩

Photo1/2
লোকটার বয়স ৩৮ বছর।
ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল খেলতাম, সে এখন মাঠে নামলে পাঁচ মিনিটে হাঁটু ধরে বসে পড়বে। আর মেসি? ৩৮ বছর বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরে গেছে।

তিনটা গোল। ১৭ মিনিটে, ৬০ মিনিটে, ৭৬ মিনিটে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০।
কিন্তু শুধু এইটুকু বললে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

মেসি এই হ্যাটট্রিক দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টা গোল করে ফেলেছে। মানে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। আর মাত্র একটা গোল করলেই একা দাঁড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের শীর্ষে।

এই লোকটা ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসার খরচ দিতে পারছিল না পরিবার। বার্সেলোনা ট্রায়ালে গিয়ে একটা ন্যাপকিনে কন্ট্র্যাক্ট সই করিয়ে এনেছিল মাত্র এই কারণে যে কোনো কাগজ ছিল না হাতের কাছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে এসে একের পর এক ফাইনাল হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে। কোপা আমেরিকা ফাইনাল হেরেছে। একবার না, তিনবার। অবসরও নিয়েছিল হতাশায়। তারপর ফিরে এসেছে। ২০২১ এ কোপা জিতেছে। ২০২২ এ বিশ্বকাপ জিতেছে।

আর এখন ৩৮ বছর বয়সে আবার মাঠে। আবার হ্যাটট্রিক।
কোচ স্কালোনি ম্যাচের পর বলেছেন, এটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই।
ভাষা না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ যা দেখছি সেটা শুধু ফুটবল না। এটা একটা জীবনের গল্প।
কিন্তু এই গল্পটা তোমার জীবনের সাথে কীভাবে মেলে সেটাই আসল কথা।

তুমি হয়তো এখন কোনো একটা কাজ করছো। ডেভেলপমেন্ট শিখছো, ডিজাইন শিখছো, ব্যবসা করার চেষ্টা করছো, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছো। আর বারবার মনে হচ্ছে হচ্ছে না। ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হচ্ছো, প্রজেক্ট ফেল করছে, রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না।

মেসি কিন্তু এই জায়গাতেই ছিল। শুধু সে একটা কাজ করেছে যেটা বেশিরভাগ মানুষ করে না। সে থামেনি। হেরেছে, উঠেছে। আবার হেরেছে, আবার উঠেছে। অবসর নিয়েছে, আবার ফিরে এসেছে। আমরা ট্রল করেছি। আর প্রতিবার ফেরার সময় আগের চেয়ে ভালো হয়ে ফিরেছে।
৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এমনি এমনি হয় না। এইটার পেছনে আছে বিশ বছরের ঘাম, শত শত ট্রেনিং সেশন, হারের রাতে ঘুম না আসা, আবার সকালে উঠে মাঠে যাওয়া।
ডেডিকেশন মানে এইটাই।

ডেডিকেশন মানে একদিন মন ভালো থাকলে কাজ করা না। ডেডিকেশন মানে মন খারাপ থাকলেও, ক্লান্ত থাকলেও, মনে হচ্ছে কিছুই হচ্ছে না তারপরেও প্রতিদিন একটু একটু করে এগোনো।

মেসি যদি ২০১৬ সালে অবসরের পর সত্যি সত্যি চলে যেত, আমরা কখনো ২০২২ এর বিশ্বকাপ জয় দেখতাম না। আর আজকে এই হ্যাটট্রিক তো কল্পনাই করা যেত না।
তোমার জীবনেও এমন একটা মুহূর্ত আসবে যখন মনে হবে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে মেসির কথা মনে করো।

লোকটার বয়স ৩৮। মাঠে নেমেছে। হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরেছে।
তোমার অজুহাতটা আবার কী ছিল?
44,4000060
Bangladesh logo
Bangladesh

১৪ জুন, ২০২৬, ২১:৩৩

Photo1/2
🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟

আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভারার ৯৭তম জন্মবার্ষিকী। ছোটবেলা থেকেই আমি তাকে সাহস, ত্যাগ এবং ন্যায়বিচার ও সাম্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে দেখেছি।

চে এর জীবন ছিল তার অসাধারণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নত বিশ্বের জন্য তার নিরলস সাধনা দ্বারা সংজ্ঞায়িত। নিপীড়িতদের প্রতি তার অঙ্গীকার, বিপ্লবী পরিবর্তনের প্রতি তার বিশ্বাস এবং তার আদর্শের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার ইচ্ছা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। কিউবান বিপ্লবে তার ভূমিকা হোক বা বলিভিয়ায় তার প্রচেষ্টা, চে-এর প্রভাব অনস্বীকার্য এবং চিরস্থায়ী।

চে এর সম্পর্কে আমি যা সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করি তা কেবল তার রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তার চরিত্রের সত্যতা এবং শক্তি। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ এবং বিপদ সত্ত্বেও তার নীতি অনুসারে জীবনযাপন করার ক্ষমতা তাকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবে আলাদা করে। এমন একজন নেতা যিনি প্রতিকূলতার মুখেও এমন একটি বিশ্বের জন্য লড়াই করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যেখানে স্বাধীনতা এবং সাম্য বিকশিত হতে পারে।

আজ আমরা যখন তাকে স্মরণ করছি, তখন আমরা কেবল একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকেই নয়, বরং প্রতিরোধ, সততা এবং ত্যাগের এক অবিচল চেতনাকে সম্মান জানাচ্ছি। আমি সর্বদা চে গুয়েভারাকে একজন মহান নেতা হিসেবে বিবেচনা করব এবং সেই শ্রদ্ধা ও প্রশংসা আমার কাছে আজীবন থাকবে।
29,8000018
Bangladesh logo
Bangladesh

২৫ মে, ২০২৬, ০৮:৫০

Photo
রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ধরা হয় ৫। আর আশ্চর্যজনকভাবে, যদি কোনো ছাত্র একটিও উত্তর না লিখে খাতা জমা দেয়, তবুও সে পায় ২।

প্রথমদিন মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আমি যখন এই নিয়ম জানলাম, তখন সত্যিই বিস্মিত হলাম। আমার কাছে মনে হলো, কেউ যদি কিছুই না লিখে, তার তো প্রাপ্য শূন্য হওয়া উচিত।

আমি কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলাম ড. থিওদর মেদ্রায়েভকে, “স্যার, একজন ছাত্র কিছু না লিখে ২ পাবে, এটা কিভাবে যুক্তিযুক্ত?”

মেদ্রায়েভ হাসলেন। তারপর শান্ত গলায় বললেন, “শূন্য মানে যার কোনও অস্তিত্ব নেই। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, ততক্ষণ সে শূন্য কীভাবে হয়? ভেবে দেখো, একজন ছাত্র কত ত্যাগ স্বীকার করে প্রতিদিন সকালে ক্লাসে আসে। হয়তো কনকনে শীতের মধ্যে সে ভোরে ঘুম থেকে উঠেছে, লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে বাসে, ট্রামে কিংবা ট্রেনে দাঁড়িয়ে এসেছে। খালি খাতা জমা দিলেও সে ক্লাসে এসেছে, মানে চেষ্টা করেছে। এখন বলো, আমি কীভাবে তাকে শূন্য দিই?”

তিনি আরও বললেন, “ছাত্রটি হয়তো উত্তর লিখতে পারেনি। কিন্তু তাই বলে তার সব প্রচেষ্টা বৃথা যাবে? সে যে রাত জেগে পড়াশোনা করেছে, নোটবুক কিনেছে, বই খুলে চেষ্টা করেছে, সেই শ্রম কি আমরা অবহেলা করবো?

না বাবা, মানুষ শূন্য নয়। শূন্য দিলে আমরা তার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেবো, তার ভেতরের আগুন নিভিয়ে দেবো। আর আমরা শিক্ষক হিসেবে চাই, ছাত্র যেন বারবার উঠে দাঁড়াতে পারে, হেরে না যায়।”

আমি নির্বাক হয়ে শুনছিলাম। সেই মুহূর্তে আমার ভেতরটা কেঁপে উঠল। বুঝলাম, শিক্ষা মানে শুধু নম্বর বা খাতার উত্তর নয়, শিক্ষা মানে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা, তার প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়া।

মেদ্রায়েভ সেদিন আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য শিখিয়েছিলেন— শিক্ষা শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, শিক্ষা হচ্ছে মানবিকতার চর্চা।

শূন্য নম্বর অনেক সময় ছাত্রদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা হয়ে দাঁড়ায়। খাতায় শূন্য দেখে তারা ভয় পায়, আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ধীরে ধীরে পড়াশোনার প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি হয়। অথচ একজন শিক্ষকের দায়িত্ব হলো ছাত্রকে উত্সাহিত করা, তাকে বোঝানো— "তুমি পারবে, আবার চেষ্টা করো।"

যখন আমরা একটি খালি খাতার জন্যও ন্যূনতম নম্বর দিই, তখন আমরা আসলে বলি— "তুমি শূন্য নও, তুমি এখনও যোগ্য। তুমি ব্যর্থ হওনি, শুধু সফল হতে পারোনি। আবার চেষ্টা করো।"

এটাই হলো আসল শিক্ষা।

শিক্ষকের হাতেই ছাত্রের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই শিক্ষকেরা যদি একটু মানবিক হন, যদি নম্বরের বাইরেও ছাত্রদের প্রচেষ্টা দেখতে শেখেন, তবে অনেক হতাশ ছাত্র হয়তো নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারবে।

আমার কাছে মনে হয়েছে, এই গল্পটা শুধু রাশিয়ার নয়, সারা বিশ্বের শিক্ষকদের শোনানো উচিত। কারণ শূন্য নম্বর কখনো শিক্ষা নয়, শূন্য নম্বর মানে কাউকে শেষ করে দেওয়া। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, তার প্রাপ্য অন্তত একটি আশ্বাস, একটি স্বীকৃতি।

রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র এটি লিখেছে, নাম জানা নেই।

আপনিও এই লেখাটিকে শেয়ার করুন আপনার প্রিয় শিক্ষকের কাছে, যাতে শিক্ষাব্যবস্থায় একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তন আসে।

#মানুষকোনদিনশূন্যনয় #শিক্ষারদর্শন #StudentMotivation #শিক্ষকওশিক্ষার্থী #EducationPhilosophy #মানবিকশিক্ষা #InspirationForStudents #PositiveEducation #চেষ্টারস্বীকৃতি #MotivationalStory #LifeSavingSkills #lifestylephotography #lifestylefacts #Ananimesh #facts #motivationdaily #storytelling #stories #motivation #story #motivational #storytime #weeklyinspiration
50,5000043
Bangladesh logo
Bangladesh

২৫ মে, ২০২৬, ০৮:৫০

Photo
♦️সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিনা আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভেতর মারিনা স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস। লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।

♦️সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিনাকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিনার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!

♦️মারিনা কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিনাকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।

♦️ ১৯৯৮ সালে জার্মানিতে চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না। প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

♦️লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!

♦️মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানা কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?

♦️রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে, একটা মানুষের কাউকে ঘৃণা, অপছন্দ বা অত্যাচার করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। একজন মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকজনকে হিংসা করে, ক্ষতি করে, তার বদনাম রটায়, কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর এবং ভণ্ড। তাহলে প্রশ্ন জাগে, এই দুনিয়ায় কি ভালো মানুষ বলে কেউ নেই? হ্যাঁ, আছে হাতেগোনা দুচারজন। বাকিরা সুযোগের অভাবে ভালো।
32,8000031
Bangladesh logo
Bangladesh

২৫ মে, ২০২৬, ০৮:৫০

Photo
বাংলাদেশের ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন (অক্টোবর ৭১) সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা প্রবেশের মুহূর্তের একটি ফটো।
photographer সন্তোষ বসাক এই দুর্লভ ছবিটি তুলেন।

ছবিতে আছেন ৯৯ বছরের একজন বৃদ্ধা এবং তার ৭৯ বছর বয়সী সন্তান।

বসাক সেই লোকটিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন,
'কে এই বৃদ্ধা মহিলা? '
উত্তরে লোকটি জানান,
'তিনি আমার মাতা। আমার মা !
এখন একটি শিশুর মতো। তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। এই অবস্থায় আমি তাকে ছেড়ে কিভাবে যাই!! '
★উল্লেখ্য, এই ছবিটি পরবর্তীতে World Press Photo 1972 পুরস্কার লাভ করে।
23,5000040
Bangladesh logo
Bangladesh

২৫ মে, ২০২৬, ০৮:৫০

Photo
সপ্তাহের নয়… মাসেরও নয়… বছরের সেরা ছবি! 🌟
একটি ছবি যা সারা দুনিয়ার দেখা উচিত! ❤️ 🩹

আর হ্যাঁ, এটা কোনো এডিট করা এআই ছবি নয়, যেটা লাখো লাইক পায় শুধু “হ্যাপি বার্থডে” বলার কারণে…
এই ব্যক্তি একজন প্রকৃত যোদ্ধা সে যে দেশেরই হোক না কেন।… সমগ্র পৃথিবীর গর্ব! ❣️

✨ “ক্লান্ত যোদ্ধার বুকে শান্তির আশ্রয়…”

🐾 “যুদ্ধের মাটিতে, ভালোবাসার স্পর্শ।”

❣️ “এরা আমাদের গর্ব, এরা আমাদের শক্তি।”

🌿 “যেখানে যুদ্ধ, সেখানেও মানবতা বেঁচে থাকে।”
27,1000044
Bangladesh logo
Bangladesh

১৫ মে, ২০২৬, ০৪:২০

Video
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত সফট পাওয়ার ব্যবহার করেননি কারণ দলের মধ্যে অনেকগুলো গাদ্দার ঢুকে পড়েছে তাদেরকে ধরার জন্য। কোন দেশদ্রোহী রেহাই পাবে না কারণ এখন শো টাইম
27,6000027
Bangladesh logo
Bangladesh

১৩ মে, ২০২৬, ১৭:৫০

Video
Like share and subscribe please
24,000002
Bangladesh logo
Bangladesh

১৩ মে, ২০২৬, ০৭:৫৯

Video
like,share and subscribe please
21,3000014
Bangladesh logo
Bangladesh

১০ মে, ২০২৬, ১৭:০০

Photo
বাশার আল-আসাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। দেশটিতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার প্রধান এ খবর জানিয়েছেন।
34,0000024
Bangladesh logo
Bangladesh

১০ মে, ২০২৬, ১৭:০০

Photo
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে বাসচাপায় এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন।
33,4000017
Bangladesh logo
Bangladesh

১০ মে, ২০২৬, ১৭:০০

Photo
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক আবদুল মান্নানের বাড়িতে গত শনিবার পল্লী বিদ্যুতের স্থানীয় কার্যালয় থেকে বিদ্যুৎ বিলের একটি অনুলিপি পাঠানো হয়। বিল দেখে তিনি আঁতকে ওঠেন। বিষয়টি বিদ্যুৎ অফিসে জানালে বিষয়টি একজন কর্মকর্তার ভুল হয়েছে জানিয়ে তা সংশোধন করে নতুন বিলের কাগজ দেওয়া হয়েছে।
28,800005
Bangladesh logo
Bangladesh

০৩ মে, ২০২৬, ০৩:০৮

Photo1/2
দুই বছর আগের কথা চিন্তা করেন—তখন এই দেশের মানুষের দাবি আছিল চার লেন-আট লেনের মহাসড়ক, উড়াল সড়ক, মেট্রোরেলে চইড়া অফিস যাওয়া, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়া জ্যাম ছাড়াইয়া ওড়া! পদ্মা সেতুর মতো অকল্পনীয় হাজারো স্বপ্ন তখন চোখের সামনে সত্যি হইতাছিল।
রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ, গভীর সমুদ্র বন্দর, আইটি পার্ক আর উপজেলায় উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়া মানুষ ভাবতো—উন্নয়নের এক মহাকাব্য লেখা হইতেছিল শহর থেইকা গ্রামে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আছিল ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ’। #VisionBangladesh

আর এখন? দুই বছর পরের সিনারিও দেখেন—মানুষের দাবি এখন কোন নর্দমায় আইসা ঠেকছে! মানুষের এখনকার আর্তনাদ হইলো—
“ভাই, ২ লিটার তেল দে, গাড়ি চালামু...৫ লিটার অকটেন দে বাইক চালামু, ডেলিভারি দিমু, সংসার খরচ লাগবো।

“আমার বাচ্চাটারে হামের টিকা দে, নাইলে তো মইরা যাইবো...”

“সারাদিনে অন্তত ১০-১২ ঘণ্টা কারেন্ট দে, গরমে তো সিদ্ধ হইয়া গেলাম...”

“সেঁচের পানি আর সার দে, নাইলে তো না খাইয়া মরতে হইবো...”

“চাল-ডালের দাম একটু কমা, ওষুধের দাম কমা—সংসার আর চলে না।

আগে শেখ হাসিনার আমলে দরিদ্র মানুষ কী পাইতো? নিজের এক টুকরা জমি পাইতো, লগে ইটের তৈরি পাকা ঘর! ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রজেক্ট দিয়া মানুষ নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতো। প্রণোদনা পাইতো, গরিব, বৃদ্ধ, বিধবা, বেকার।

আর এখনকার ভণ্ড সরকার কী দিতাছে? মাসের শেষে ওই ২১০ টাকার ‘ফকিন্নির’ কৃষক কার্ড! ফ্যামিলি কার্ড, গ্যাস কার্ড—কার্ডের পর কার্ড ধরায়া দিতেছে, কিন্তু পেটে ভাত নাই, জীবনে স্বস্তি নাই।

আগে মানুষ দেশের উন্নয়ন আর বড় স্বপ্ন নিয়া আলোচনা করতো। হাজারো বিদেশি কোম্পানি এসে ইনভেস্ট করত, পাসপোর্ট এর মান উন্নত দেশের পাশাপাশি চলে এসেছিল।
আর এখন ভিসা দিতে চাচ্ছে না।

আর এখনকার আলোচনার বিষয় হইলো—কাইলকা জিন্দা থাকমু তো? আগে আলোচনা আছিল আকাশছোঁয়া অগ্রগতি, আর এখন হইলো কোনোমতে টিকে থাকা।

তাই প্রশ্নটা এক্কেরে সোজাসাপ্টা—পতনটা আসলে কার হইলো? হাসিনা তো মাথা উঁচু কইরাই গেছে, কিন্তু পতনটা হইলো এই দেশের আর তোদের মতো সাধারণ মানুষের জীবনের। উন্নয়নের জোয়ার থেইকা টাইনা তুইলা তোদের এক্কেরে কার্ডের ভিক্ষারি বানায়া ছাড়লো এই ‘সুদখোর’ গুষ্টি।
কারণ দেশ উন্নত থাকলে দেশের ইনফ্রাস্ট্রাকচার যোগাযোগ ব্যবস্থা সবকিছু উন্নতি থাকলে এনজিও কোম্পানি ফতুর হয়ে যাবে, সুদের ব্যবসা উঠে যাবে। দেশের ভিতরে গরিব থাকলে বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে আনা যাবে এবং সেখান থেকে তাদের টাকা ইনকাম করা ধান্দা থাকবে।

এখন কার্ড চাবায়া ক্ষিদা মিটা, আর ভুলটা বোঝার চেষ্টা কর যে আসলে কী হারাইলি! ✌️

✍️__বারখার ডাইরি (পৃষ্ঠা ৩২৩৯)

শুভ সকাল।
23,0000043
Bangladesh logo
Bangladesh

৩০ এপ্রি, ২০২৬, ১২:৩৮

Photo1/2
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ।

আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে।

১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি।

১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে।

বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব।

১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক।

আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে।

ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া।

পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না।

তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।

ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ।

ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই।

এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।
14,4000011
Bangladesh logo
Bangladesh

২৮ এপ্রি, ২০২৬, ২১:২২

Photo1/2
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে চালু, এটি এক নতুন যুগের সূচনা।
আজ সারা বাংলাদেশ আনন্দিত, গর্বিত এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের উন্নয়নের প্রতীক।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন।
গ্রাম থেকে শহর, আলো পৌঁছে যাবে প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্বপ্নে।
আরও একটি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা আমাদের অগ্রযাত্রাকে করবে আরও গতিশীল।
এই সাফল্য প্রমাণ করে, ঐক্য থাকলে বাংলাদেশ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে।

#RooppurNPP #NuclearPower #EnergySecurity #PoweringBangladesh #Rosatom #BangladeshRussiaFriendship
11,6000016
Bangladesh logo
Bangladesh

২৮ এপ্রি, ২০২৬, ০৩:৫২

Photo
আমি চয়নিকা চৌধুরী তখন ক্লাশ টেন এ পড়ি।
পুরান ঢাকায় থাকি।ঘটনা এবং চেহারা পুরোটাই মনে আছে।তখন পেপার আর বিটিভির যুগ।আর আমার প্রি টেষ্ট পরীক্ষা চলছিল।
তিনিই বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পাইলট ছিলেন।
রোকসানা।পুরো নাম কানিজ ফাতেমা রোকসানা।
১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের আকাশে ঘটেছিল এমন এক ট্র্যাজেডি, যা আজও ইতিহাসের পাতায় রক্তাক্ত দাগ হয়ে আছে..."
৫ আগস্ট, ১৯৮৪। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফকার F27—বিমান নম্বর S2-ABJ। আবহাওয়া ছিল ভয়াবহ। ঝড়, বজ্রপাত, আর একদমই দেখা যাচ্ছিল না রানওয়ে।”

তিনবার অবতরণের চেষ্টা—তিনবারই ব্যর্থ। আর শেষবার, ৫৫০ মিটার আগেই বিমানটি আছড়ে পড়ে এক জলাভূমিতে। ৪৯ জনের প্রাণহানি ঘটে। তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট—কানিজ ফাতেমা রোকসানা।”

“মাত্র ৫,০০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেই নারী পাইলটের স্বপ্ন ছিল আকাশে জায়গা করে নেওয়ার। কিন্তু সেই আকাশই তার শেষ গন্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।”

“তাকে ভুলে গেছি আমরা অনেকেই... কিন্তু তার আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন আজও প্রেরণা হয়ে বেঁচে আছে।
পরপারে ভালো থাকবেন।
❤️🇧🇩✈️

(Collected)
24,2000023
Bangladesh logo
Bangladesh

২৮ এপ্রি, ২০২৬, ০৩:৫২

Photo
In our world, we bury the dead.
We light candles. We say words. We try to make peace.

But in the wild?
There are no eulogies. No soft goodbyes.
Only instinct, silence, and things left unspoken.

Yet somehow… this little bird stayed.
Pressed against the body of one it likely loved.
Not for food. Not for safety.
But for something harder to name.

We like to think emotions are ours.
That pain belongs to poets, and mourning is a human luxury.
But nature tells another story.

Here, on the hard ground, no one’s watching.
No camera crew. No crowd.
And still — it mourns.

Maybe not with tears.
Maybe not with understanding.
But with presence.

Because even in the wild, the heart knows what it lost.
And sometimes, even the smallest creatures
carry the heaviest feelings.

---

#WildGrief #NatureKnowsPain #AnimalEmotions #MoreThanInstinct #GriefIsUniversal #CronusCaptions
20,4000027
Bangladesh logo
Bangladesh

২৫ এপ্রি, ২০২৬, ২০:০৫

Photo1/2
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অট্টালিকার চূড়ায় বসে, হাতে ক্যামেরা নিয়ে, মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো উচ্চতা থেকে একটি ছবি তুলছিলেন তিনি। তাঁর নির্ভীক মনোভাব এবং যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত, তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যুদ্ধ সংবাদদাতাদের একজন এবং লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম মহিলা ফটোগ্রাফার। এই ছবিটি ফটোগ্রাফির প্রতি তাঁর সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যেখানে তিনি প্রায়শই নিখুঁত শটটি পাওয়ার জন্য নিজেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতেন। তাঁর কাজ কেবল ইতিহাসকেই নথিভুক্ত করেনি, বরং সাংবাদিকতা ও ফটোগ্রাফিতে নারীদের জন্য বাধাও ভেঙেছে।
11,7000010
Bangladesh logo
Bangladesh

০৩ এপ্রি, ২০২৬, ১৫:১০

Photo1/2
Donald Trump said he would “send Iran back to the Stone Age.”
Sounds like someone still stuck in the Stone Age mentally, confusing reckless threats with leadership.
When noise replaces intelligence, even a microphone can look more qualified than the man using it.
19,2000014
Bangladesh logo
Bangladesh

০৩ এপ্রি, ২০২৬, ১৩:১০

Telegram is a platform that reveals everyone's secrets, but it is not the owner who does it, but the users. That's why platforms like Telegram are very important. I am always by Telegram's side. Are you there?
17,300006
Bangladesh logo
Bangladesh

২১ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৩

Photo1/2
25,4000028
Bangladesh logo
Bangladesh

২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮

Photo1/2
This is not about choosing sides anymore.
Not about who supports Iran or who stands with the US and Israel.
What we are witnessing is something far more dangerous.
A conflict that is no longer limited to two or three countries.
It’s already pulling in multiple nations, and even those who are not directly involved are starting to feel the impact.
If this continues, the damage will not just be military.
It will be economic, humanitarian, and psychological.
And recovering from it will take years, maybe decades.
The real question is not who has more weapons.
Not who will win or who will lose.
The real question is,
who will have the courage to stop this?
Because in war, those who fight often become nothing more than names on a list of the dead.
And those who cheer for war from a distance are, in truth, the biggest fools of all.
Someone, somewhere, needs to say it clearly:
Enough. Stop this war.

#StopTheWar #NoWar #PeaceNow #PrayForPeace #WorldPeace #CeasefireNow #StopWarNow #HumanityFirst #WarIsNotTheAnswer #GivePeaceAChance #NoMoreWar #PeaceOverWar #DiplomacyNotWar #SaveLives #StopViolence #GlobalPeace #EndTheWar #WarKills #ChoosePeace #StandForPeace #PeaceForAll #StopTheConflict #PrayForHumanity #VoicesForPeace #EndWarNow
31,2000014
Bangladesh logo
Bangladesh

০১ জানু, ২০২৬, ০৯:১৪

Video
Welcome 2026
62,40000100
Bangladesh logo
Bangladesh

২৫ ডিসে, ২০২৫, ১১:২৬

Photo1/2
Merry Christmas 2025! 🎄
May this Christmas fill our hearts with love, kindness, and hope.
As we celebrate the end of 2025, let us pray for a better future.
May 2026 bring peace to the world and happiness to all people. ✨🌍
Wishing everyone a joyful and blessed 🎄🎁
53,0000024
Bangladesh logo
Bangladesh

১৯ নভে, ২০২৫, ১৮:২২

Photo1/2
এমবিবিএস লেভেলে ফরেনসিক মেডিসিনে আমরা যে সব ঘৃণ্য সেক্সচুয়াল পারভারশন পড়েছি তার মধ্যে Zoosadism একটি এমন বিষয় যা কখনো ভুলে যাওয়ার মতো না এবং আমাদের প্রফেসররাই আমাদের স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মানুষ কতটা নীচে নামতে পারে
সেই জ্ঞান মাথায় রেখেই যখন ঢাকায় জীবন্ত বিড়ালের চোখ উপড়ে নেওয়ার ঘটনা দেখলাম তখনই বুঝে গেলাম এটি কোন সাধারণ ঘটনা না এটি কোন পাগলের কাজ না এটি কোন ব্ল্যাক ম্যাজিক না এটি কোন গবেষণা না
এটি স্পষ্টভাবে সংগঠিত অপরাধ এবং এর পিছনে টাকা আছে বড় অংকের টাকা আছে

অনেকে Zoosadism শব্দটি চিনেন না কিন্তু গুগলে সার্চ করলেই দেখা যাবে পশুকে নির্যাতন করে যৌন উত্তেজনা পাওয়াই এর সংজ্ঞা যারা এসব দেখে বা করে তারা বিকৃত মানসিকতার গভীর অন্ধকারে থাকে এবং এদের কাছে কুকুর বিড়াল গরু ছাগল সবকিছুই শুধুই শিকার
আমি যত খুঁজেছি ততই পরিষ্কার হয়েছে এই ঘটনার পেছনে এমন একটি চক্র আছে যারা ডার্ক ওয়েবের অবৈধ বাজারে কনটেন্ট বিক্রি করে বড় অংকের ইনকাম করছে

ডার্ক ওয়েবে রেড রুম নামে যে সব কন্টেন্টের কথা শোনা যায় সেগুলো নিয়ে অনেক গল্প আছে আর সেসব জায়গায় অপরাধীরা লাইভ স্ট্রিমে অত্যাচার দেখিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে টাকা কামায় দর্শকরা আরও অত্যাচার চাইতে চাইতে টাকা দেয় এই ব্যবসা যতই লুকানো হোক বাস্তবতা হলো সাইবার জগতে অপরাধীরা লুকাতে চায় আর টাকা কামাতে চায়

ইউরোপ আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া এসব দেশে প্রাণী নির্যাতন করলে মুহূর্তেই আইন এসে ধরে ফেলে কারণ সেখানে মানুষ আর প্রাণীর জীবনের মূল্য সমান আর দেশে দেশে এনিমেল রাইটস এক্সট্রিমলি অ্যাকটিভ তাই সেখানে এই ধরনের নোংরা ব্যবসা টিকে না
কিন্তু বাংলাদেশে রাস্তা ভরা কুকুর বিড়াল ঘুরে বেড়ায় এবং অপরাধীরা জানে এখানে সুযোগ আছে বিশেষ করে বিড়াল খুব সহজেই খাবার দেখিয়ে তুলে নেওয়া যায় কোন শব্দও হয় না কুকুরকে ধরা কঠিন কারণ কুকুর চিৎকার করলে লোকজন জড়ো হয়ে যায় কিন্তু বিড়াল নেওয়া অত্যন্ত সহজ
এই দুইটি বিষয় একত্র করলেই বোঝা যায় কেন অপরাধীরা বাংলাদেশকে টার্গেট করতে পারে
এখানেই এই চক্র তাদের স্বার্থ হাসিল করছে এবং এটি একদমই কোন মানসিক রোগীর খেলা না এটি পরিষ্কারভাবে মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা

এতদিন যা দেখেছি পড়েছি তার আলোকে আমার চোখে এক ইঞ্চি সন্দেহও নেই যে এটি একটি পেশাদার সংগঠিত অপরাধচক্র এবং তারা জানে কোথায় সুযোগ কোথায় ঝুঁকি কম এবং কোথায় প্রাণী বেশি সহজে পাওয়া যায়

সবশেষে একটা কথা স্পষ্ট করে বলছি এই ব্যাপারটা নিয়ে চুপ থাকিনি
আমি যেখানে যেখানে ফোন দেওয়ার দরকার ছিল সব জায়গায় ফোন দিয়েছি এবং একে একে সব ঘটনার ব্যাখ্যা করেছি প্রথমে কেউই গুরুত্ব দেয়নি তারা ভেবেছে কোন মানসিক বিকারগ্রস্ত গ্রুপের কাজ অথবা কোন আজব ধরনের রিসার্চ
কিন্তু বিস্তারিত বলার পর তারাও বুঝেছে বিষয়টি কতটা সিরিয়াস এবং তারা আশ্বস্ত করেছে যত দ্রুত সম্ভব এই চক্রকে ধরার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে
আমার বিশ্লেষণ আমি উন্মুক্ত করে দিয়েছি কারণ এটা সবার জানা উচিত, এমনিতে আমি জ্ঞান পাপী, কাউকে জ্ঞান দিতে পছন্দ করি না কিন্তু নিরীহ বিড়ালদের টর্চার করে যে বিজনেস করছে যে চক্র কুলাঙ্গার বাইনচোদের বাচ্চারা এই ব্যাপারটা লুকিয়ে রাখলে অপরাধ আরও বাড়বে এছাড়াও এটা বিশ্লেষণ হলেও এটা একটা পাবলিক অ্যাওয়ারনেস

তারপরে বিড়াল আমার অত্যন্ত প্রিয় আমার ছয়টা বিড়াল এবং বাড়ির বাইরের আশেপাশের যত বিড়াল আসে কুকুর আসে তাদের খাবার আমি দেই এবং এদের পিছে আমার সামর্থের থেকেও বেশি খরচ করি কারণ আমি এদেরকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি‌ কারণ এরা নিষ্পাপ, নিরীহ এবং সর্বহারা।

#PETA
#WorldAnimalProtection
#RSPCA
#HumaneSocietyInternational
#ASPCA
#IFAW
#FourPaws
#BornFreeFoundation
#CompassionInWorldFarming
#AnimalsAsia
#InternationalAnimalRescue
#AnimalEquality
#MercyForAnimals
#TheHumaneLeague
#WSPA
#FriendsofAnimals
#AnimalDefendersInternational
#BestFriendsAnimalSociety
#WildlifeSOS
#WWF
#PAWFoundation
#Obhoyaronno
#FurryFriendsFoundationBD
#CareForPawsBD
#ProdiponAnimalWelfare
#FriendsofAnimalBD
#AnimalRescueDhaka
#PawsofBangladesh
#BangladeshAnimalRescueTeam
#DhakaAnimalWelfare

Dr.F.R.R
61,8000068

Showing 30 of 34 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Bangladesh টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Bangladesh (@bangladesh) tgdio-এ বিশ্ব সংবাদ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ৭,৯০০ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Bangladesh (@bangladesh) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @bangladesh-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Bangladesh কি ভালো বিশ্ব সংবাদ চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Bangladesh-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ৭,৯০০ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই বিশ্ব সংবাদ চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Bangladesh-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @bangladesh পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।