Hope Study Telegram channel photo

Hope Study

@hopestudy24hoursPublic Channel

দ্বীনি বিষয়ে বড় বড় পোস্ট এবং বিস্তারিত জানার ইচ্ছে যাদের তারা যুক্ত হতে পারেন ইন শা আল্লাহ... মূল চ্যানেল: @Hope24hours @HopeDM

ধর্মবাংলাভারত

19

Last views

781 (781 subscribers)
সদস্য
—
Rating
19
Total Posts
Oct 17, 2026, 11:54 PM
আপডেট হয়েছে
May 10, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameHope Study
Username@hopestudy24hours
Categoryধর্ম
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য781
Channel TypePublic Channel
Created১০ মে, ২০২৬
Last Updated১৭ অক্টো, ২০২৬ • ৪ দিন আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#30159+131
ভাষার র্যাঙ্কিং
#116+1
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#400-2

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 78130 Days growth: +7911.3%
09/1809/2309/2810/0310/0810/1310/17
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
18:09:2026702
19:09:2026702
20:09:2026724
21:09:2026724
22:09:2026724
23:09:2026724
24:09:2026724
25:09:2026724
26:09:2026724
27:09:2026724
28:09:2026724
29:09:2026724
30:09:2026724
01:10:2026724
02:10:2026724
03:10:2026724
04:10:2026724
05:10:2026724
06:10:2026724
07:10:2026724
08:10:2026724
09:10:2026724
10:10:2026724
11:10:2026724
12:10:2026724
13:10:2026724
14:10:2026724
15:10:2026724
16:10:2026724
17:10:2026781
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 04:05:2026501
Week of 11:05:2026501
Week of 18:05:2026501
Week of 25:05:2026501
Week of 01:06:2026501
Week of 08:06:2026501
Week of 15:06:2026501
Week of 22:06:2026501
Week of 29:06:2026501
Week of 06:07:2026564
Week of 13:07:2026564
Week of 20:07:2026564
Week of 27:07:2026564
Week of 03:08:2026564
Week of 10:08:2026564
Week of 17:08:2026584
Week of 24:08:2026584
Week of 31:08:2026671
Week of 07:09:2026702
Week of 14:09:2026724
Week of 21:09:2026724
Week of 28:09:2026724
Week of 05:10:2026724
Week of 12:10:2026781
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
May 2026501
June 2026501
July 2026564
August 2026584
September 2026724
October 2026781
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
2026781

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর দেয়া সেই পুরো ভাষণ শুনুন বাংলায় | Jinnah 1.9K
  2. #2ঢাকা স্ট্রিম-বাংলা স্ট্রিম: ইসলামবিদ্বেষের নতুন ঠিকানা (নতুন প্রথম আলো1.9K
  3. #3কাশ - মিরে হাজারও নারীকে dhorষণ করেছে ইন্ডিয়ান সেনারা। এমনও হয়েছে একদি1.7K
  4. #4বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয় ১৭৯৩ সালে। ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ল1.5K
  5. #5Post #1301.4K
  6. #6দূর্গা পূজার ইতিহাস- যেভাবে ইংরেজদের হাত ধরে এলো দূর্গা পূজা- [https:/938
  7. #7প্রোপাগান্ডা মুভি বানিয়ে কীভাবে নিজ দেশের একটি গোষ্ঠীকে ‘আদারিং’ করে ত402
  8. #8আজারবাইজানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণে রয়েছে এক অদ্ভুত দ্বিমুখিতা। আর্মেনিয়ার 318
  9. #9কয়েক বছর আগে নায়িকা পরিমনিকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তিনি বলেছিলেন—আল্লাহ275
  10. #10ভিডিওতে যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে সেটা কোনো এআই নয়। বরং ২০০০ সালের ২৮ সেপ্275

সাম্প্রতিক পোস্ট

Hope Study logo
Hope Study

২১ অক্টো, ২০২৬, ১৫:১৯

জীবনের শেষ অধ্যায়ে এক কবির নিঃসঙ্গ ট্র্যাজেডি!
.
বাংলা সাহিত্যে ফররুখ আহমদ এমন একজন কবি, যিনি অবহেলিত-দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের হাহাকারকে কবিতায় ধারণ করেছিলেন। অথচ জীবনের শেষ অধ্যায়ে তাঁকেও পার করতে হয়েছিল দারিদ্র্য, অসুস্থতা, পারিবারিক শোক ও পেশাগত অনিশ্চয়তার কঠিন সময়। যাঁর কবিতায় ছিল মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা, তাঁর নিজের জীবনের শেষ দিনগুলোই হয়ে উঠেছিল এক বেদনাদায়ক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।
.
১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরার মাঝাইল গ্রামে জন্ম নেওয়া ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেন মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে। ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে লেখা তাঁর ‘লাশ’ কবিতা তাঁকে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি বাংলা কবিতায় স্বতন্ত্র স্থান অধিকার করে। সাহিত্যিক স্বীকৃতিও তিনি পেয়েছিলেন। কিন্তু সাহিত্যিক খ্যাতি যে একজন মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, তাঁর শেষ জীবন তারই এক মর্মান্তিক উদাহরণ।
.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ফররুখ আহমদের কর্মজীবনে সংকট দেখা দেয়। তিনি ঢাকা বেতারে কাজ করতেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর চাকরি চলে যাওয়ার ঘটনা তাঁর আর্থিক অবস্থাকে আরও দুর্বল করে দেয়। বিষয়টি শুধু একজন কবির কর্মহীন হয়ে পড়ার ঘটনা ছিল না; এর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল তাঁর পরিবারের ভরণপোষণ এবং অসুস্থতা ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর সামর্থ্য।
.
কবির এই সংকটের কথা সাহিত্যিক আহমদ ছফাও তুলে ধরেছিলেন। গণকণ্ঠ পত্রিকায় তাঁর লেখা ‘ফররুখ আহমদের কী অপরাধ’ শীর্ষক প্রতিবেদন কবির চাকরি-সংক্রান্ত সংকট নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা তৈরি করে। তিনি সেখানে লিখেছিলেন-

“খবর পেয়েছি বিনা চিকিৎসায় কবি ফররুখ আহমদের মেয়ে মারা গেছে। এই প্রতিভাধর কবি যাঁর দানে আমাদের সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়েছে—পয়সার অভাবে তাঁর মেয়েকে ডাক্তার দেখাতে পারেননি, ওষুধ কিনতে পারেননি। কবি এখন বেকার।”
.
ফররুখ আহমদের শেষ জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিকগুলোর একটি ছিল তাঁর পরিবারের দুর্দশা। তাঁর এক মেয়ে মারা গিয়েছিল চিকিৎসার অভাবে। একই সময়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবনেও আর্থিক দুর্দশা তো ছিলই। তাঁর এক ছেলে চিকিৎসাবিদ্যা পড়ছিলেন, কিন্তু অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায় সেই পড়াশোনাও।
.
একজন বাবার কাছে সন্তানের অসুস্থতা ও মৃত্যু এমনিতেই অসহনীয়। তার ওপর চিকিৎসার সামর্থ্য না থাকাটা যে কত নির্মম, সেটা সে বাবাই বুঝতে পারে।
.
ফররুখ আহমদের শেষ জীবনের আর্থিক দুরবস্থা নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবরণগুলোর একটি পাওয়া যায় তাঁর বন্ধু আবু রুশদের স্মৃতিকথায়। কবি জীবনের শেষ দিকে অর্ধাহার ও বিনা চিকিৎসায় দিন কাটিয়েছেন। তাঁর অনুরাগীরা সাহায্য করতে চাইলেও তিনি বারবার তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে লিখেছেন আবু রুশদ।
.
সাহিত্যিক আহমদ ছফাও কবির মৃত্যুর পর তাঁর আত্মমর্যাদার প্রসঙ্গটি নিয়ে লিখেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ছফা ফররুখ আহমদের ব্যক্তিত্ব ও তাঁর সময়-সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আরও জটিল মূল্যায়ন করেছিলেন।
.
১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকার ইস্কাটন গার্ডেনের বাসায় মৃত্যুবরণ করে মুসলিম রেনেসাঁর এই অগ্রদূত। তাঁর বয়স তখন ছিল ৫৬ বছর।
19000
Hope Study logo
Hope Study

২১ অক্টো, ২০২৬, ১৫:১৯

Photo1/2
18000
Hope Study logo
Hope Study

২১ অক্টো, ২০২৬, ০৯:১০

.
আমরা সাক্ষা দিচ্ছি..
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
"আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসুল।"
.
رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا وَرَسُولًا
"আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে নবী ও রাসুল হিসেবে সানন্দচিত্তে গ্রহণ করেছি।" - মুহাম্মদ আফসার
166000
Hope Study logo
Hope Study

২১ অক্টো, ২০২৬, ০৯:১০

এই সময়ের কিছু জরুরী কথা
.
এক].
উম্মতের কোনো একজন সদস্য শি/রক করে জাহান্নামে চলে যাক—এটা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো সহ্য করতেন না। "মানুষ ইমান আনছেনা—এই দুঃখে তিনি মর্মপীড়ায় ভুগতেন। সেখানে উম্মতের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ পূজা ও শিরকের মাধ্যমে জাহান্নামের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, এটি কোনো আনন্দের খবর নয়। এতে আমরা আনন্দিত নই; বরং বিব্রত, দুঃখিত এবং মর্মাহত।
.
তবে আমাদের দাবি হলো; ঈমান ও শিরকের মাঝে ইলমিভাবে কোনো অস্পষ্টতা রাখা যাবে না। তাওয়ীলাতের কুয়াশা দিয়ে ঈমানের স্বচ্ছতায় কোনো প্রকার ধোঁয়াশা তৈরি করা যাবে না। দরদ ও সহমর্মিতার রেখা টেনে ঈমান-ইসলামের অকাট্য বিষয়গুলোকে ঝাপসা করে দিলে উম্মত বাঁচবে না ভাই; বরং দলে দলে আরও বেশি করে জাহান্নামের দিকে যাবে। অনেকে বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে জান্নাতে নেয়ার ফিকির করতেন আর আমরা সবাইকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিচ্ছি। তাদের জানা দরকার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে জান্নাতে নিতেন ঈমান ও আকিদার ইলম এবং তার ওপর আমল দিয়ে; শিরককে ঈমান বলে নয়। আমি আবারো বলছি শিরককে ইমান বলে নয়।
.
উম্মতকে বাঁচানোর সঠিক তরিকা হলো—শিরককে শিরক বলা এবং এর পরকালীন ভয়াবহতাগুলো সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা, যাতে উম্মত সতর্ক হতে পারে। যখন ফতোয়া হবে, মূর্তিপূজার শুভেচ্ছা দিলে বা দেবী দুর্গার বন্দনা গাইলেও ঈমান যায় না—তখন মানুষ শিরকের প্রতি দুঃসাহসী হয়ে উঠবে এবং অগণিত উম্মতকে তাদের অজান্তেই জাহান্নামের পথে টেনে নিয়ে যাবে। যা এখন ঘটে চলেছে।
.
দুই].
যে আদর্শের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে নেতৃস্থানীয়রা দলে দলে শিরকের দিকে ধাবিত হচ্ছে, সেই আদর্শের নাম ‘সেক্যুলারিজম’ (ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ)। তাই ব্যক্তি বা দল এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়; গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই আদর্শের টুটি চেপে ধরা এবং এর চলমান উদাহরণগুলো খুলে খুলে আলোচনা করা। আদর্শিক জায়গায় যদি আঘাত করা না যায়, তাহলে পূজার সিজন শেষে এই কট্টর সেক্যুলাররাই ঈদের সিজনে টুপি পরে পাক্কা মুসিলম হয়ে যাবে। আর আমরাও নিয়ম করে তিনবেলা ধোকা খেতে থাকবো। তাই সেক্যুলারিজমের মূল চরিত্র এবং তার কুফরি দাবি দাওয়াগুলো—জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। এটাই জাতিকে বাঁচানোর প্রাথমিক পথ।
.

তিন.
শিরক ও কুফরের ব্যাপারে ইসলামের সিদ্ধান্ত হলো—ইসলাম এই জমিনে এর উৎসব তো দূরের কথা, সাধারণ অবস্থায়ও তা মেনে নেয় না। তবে জোর করে নয়; কারণ জোর করে কাউকে ঈমানদার বানানো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, বরং তা হতে হবে সিস্টেম বা ব্যবস্থার মাধ্যমে। এখন যেমন পরাজিত হয়ে মুসলিমরা কুফরি ব্যবস্থার গ্যাঁড়াকলে পড়ে ঈমান হারাচ্ছে, ঠিক তেমনি কুফরও পরাজিত হয়ে নিজ জায়গা থেকে সরে আসবে। এটাই ইসলামের সোনালী যুগের ইতিহাস, এটাই কুরআনের ভাষ্য।
.

কিন্তু ইসলাম যদি প্রতিষ্ঠিত না থাকে এবং রাষ্ট্র যদি সেক্যুলার হয়, তবে ইসলামী রাষ্ট্র থাকলে যে মূলনীতি প্রয়োগ করা হতো; (জিজিয়া দিয়ে ধর্ম পালনের অধিকার) তা এখানে চলবে না। এখানে কী করতে হবে তা নিন্মোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত—‘
.
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ
.
‘‘তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোনো অন্যায় বা অসৎ কাজ হতে দেখে, তবে সে যেন তার হাত দিয়ে পরিবর্তন করে। আর যদি সেই সামর্থ্য না থাকে, তবে সে যেন তার মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে। আর যদি সেই সামর্থ্যও না থাকে, তবে সে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে (এবং তা দূর করার আকাঙ্খা রাখে)। আর এটি হলো ঈমানের সবচেয়ে দুর্বল স্তর।" (সহিহ মুসলিম: হাদিস নম্বর ৪৯ -ঈমান অধ্যায়)।
.
"মুসলিমদের শিরক করতে বিরত থাকার নসিহত করতে গিয়ে মুশরিকদের শিরকের অধিকার নিশ্চিত করার চেয়ে আমার কাছে চুপ থাকাই উত্তম। আমরা কাউকে যেমন মদ, জিনা বা চুরির অধিকার দিতে পারি না, ঠিক তেমনি শিরকের অনুমোদনও দিতে পারি না। আমরা বলতে পারি না—‘তোমরা যত পারো উৎসব করে শিরক করো।’ এটি নবীজির পুরো জীবনের দাওয়াতি দরদ ও অনুভূতির সাথে যায় না; এমনকি মানুষের প্রতি মানুষের দরদের জায়গা থেকেও তা মেলে না।" (সুরা তাওবার বিষয়বস্তুর কথা আলোচনা না-ই বা করলাম)।
.
চার].
.
আল্লাহর জমিনে শিরক হোক—তা আমরা চাই না। কেবল দলগত মুসলিম বা আক্ষরিক অর্থে ইসলামী আকাঙ্খা থেকে নয়; বরং রাসুলের উম্মতের প্রতি পূর্ণ দরদ ও জাহান্নামের ভয়াবহতার উপলব্ধি থেকেই আমরা এটা চাই না। তাই পৃথিবীর সমস্ত অমুসলিমদের প্রতি আমাদের আহ্বান—হে বনি আদমের সন্তানেরা! তোমরা ইসলামে এসো। ইসলাম তোমাদেরও দ্বীন, তোমাদেরও জীবনবিধান। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরো পৃথিবীর জন্য রহমত, সমগ্র মানবজাতির কল্যাণকামী। তাঁর ওপর ঈমান আনো, আল্লাহকে এক বলে মেনে নাও। নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।
160000
Hope Study logo
Hope Study

১৭ অক্টো, ২০২৬, ১৬:১৬

Photo1/2
ঢাকার মধ্যে কম খরচে ঝামেলা বিহীন বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে চাইলে National Institute of Laboratory হাসপাতাল টি বেস্ট। যেই পরীক্ষা গুলো 2960 টাকায় করেছি সেগুলো পপুলারে বা বারাকাহ তে করতে গেলে প্রায় 12-14 হাজার টাকা লাগতো !! অনলাইনে টিকেট কেটে খুব সহজেই ঝামেলা ছাড়া টেস্ট করা যায় ।

- কপিড
221004
Hope Study logo
Hope Study

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১৮:১২

Photo1/2
5-year-old Samar Hassan screaming and covered in her parents' blood after U.S. soldiers fired on her family's car in Tal Afar, Iraq, on January 18, 2005.
238005
Hope Study logo
Hope Study

১৬ অক্টো, ২০২৬, ০৯:৫১

আজারবাইজানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণে রয়েছে এক অদ্ভুত দ্বিমুখিতা। আর্মেনিয়ার সাথে কারাবাখের যুদ্ধ শুরু হলে ইলহাম আলিয়েভ সামরিক পোশাক পরে সামনে আসেন। তখন এই লড়াইকে তুলে ধরা হয় মুসলিম বিশ্বের মর্যাদা ও অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে। সহযোগিতা চাওয়া হয় তুরস্ক, পাকিস্তানসহ পুরো মুসলিম বিশ্বের কাছে। অথচ সংকট কেটে গেলেই বদলে যায় দৃশ্যপট।

গাজায় যখন হাজার হাজার মুসলিম শিশু নিহত হচ্ছে, তখন ইসরায়েলের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় চল্লিশ শতাংশ যোগান দিয়ে যাচ্ছে আজারবাইজান। এমনকি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইরানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর জন্য নিজেদের মাটিতে ইসরায়েলি বাহিনীকে ঘাঁটি করার সুযোগ দিয়েছে বাকু। বাইরে মুসলিম উম্মাহর আবেগকে ব্যবহার করে ভূরাজনৈতিক সুবিধা আদায়, গোপনে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানে জ্বালানির যোগান এবং দেশে ফিরে মুসলিম মেয়েদের মাথা থেকে হিজাব খুলে নেওয়া, এই হলো আজকের মুসলিম বিশ্বের সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রগুলোর আসল চেহারা। উম্মাহর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এরা পাহারা দেয় পশ্চিমা প্রভুদের স্বার্থ।

কিন্তু ফেরাউনের প্রাসাদেও মূসা (আ) এর আওয়াজ ওঠে। হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান ও নিজামি গঞ্জভির উত্তরসূরি আজারবাইজানের তাওহিদি জনতা ও সাহসী কিশোরী বোনেরা আলিয়েভের এই জুলুমের সামনে মাথা নত করেনি। মচকে গেছে, কিন্তু ভেঙে পড়েনি।

বাকু থেকে শুরু করে দেশের কোণায় কোণায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের দাবানল। হিজাবি সহপাঠীদের স্কুল থেকে বের করে দেয়ার প্রতিবাদে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে রাস্তায় নেমে এসেছে। জন্ম নিয়েছে এক অভূতপূর্ব জাগরণ। যেসব মেয়েরা সচরাচর হিজাব পরত না, তারাও আজ জালিম সরকারের মুখের ওপর জবাব দিতে মাথায় ওড়না ও স্কার্ফ বেঁধে হিজাবি বোনদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০১০ সালেও একবার স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ করতে গিয়ে আজেরি মুসলমানদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়েছিল এই সরকার। জেল জুলুম আর পুলিশি নির্যাতন চালিয়েও সেদিন তারা ককেশাসের মানুষের দিল থেকে দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা মুছতে পারেনি। আজও পারবে না।

সত্তর বছরের সোভিয়েত লৌহযবনিকা যে ঈমানকে মাটির নিচে দাফন করতে পারেনি, কিছু পশ্চিমাপন্থী সেক্যুলার পুতুলের কাগুজে ফরমান সেই ঈমানকে নিভিয়ে দিতে পারবেনা, ইনশাআল্লাহ। আজারবাইজানের হিজাবি বোন ও মায়েদের এই লড়াই কেবল এক টুকরো কাপড়ের লড়াই নয়। এ লড়াই যুগের হুবাল ও তার স্থানীয় গোলামদের বিরুদ্ধে তাওহিদের আত্মমর্যাদার লড়াই।

জুলুমের রাত যত গভীরই হোক, ভোরের আলো ফোটা কেউ থামাতে পারে না। ককেশাসের সিংহহৃদয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা একা নয়, গোটা উম্মাহর দোয়া ও কলিজার স্পন্দন তাদের সাথে আছে। জালিমের তখত একদিন ভাঙবেই। শিরওয়ান ও বাকুর আসমানে আবারও সগৌরবে উড়বে তাওহিদের নিশান।

ইকবাল যেমনটা বলেছিলেন,

জাহা মে আহলে ঈমা সুরতে খুরশিদ জিতে হ্যায়,
ইধার ডুবে উধার নিকলে, উধার ডুবে ইধার নিকলে। - মুহাম্মদ নূর
318002
Hope Study logo
Hope Study

১৬ অক্টো, ২০২৬, ০৯:৫১

স্কুলের ফটকে দাঁড়িয়ে কাঁদছে ছোট্ট মেয়েটা। পিঠে নীল রঙের ব্যাগ। মাথায় সাদা হিজাব বাঁধা। দারোয়ান তাকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। আরেক শ্রেণিকক্ষে একদল শিশু তাদের প্রিয় শিক্ষিকাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। শিক্ষিকা মাথা থেকে হিজাব খুলতে রাজি হননি। তাই আজ থেকে তার স্কুলে আসা নিষিদ্ধ।

দৃশ্যটা ফ্রান্স কিংবা ইউরোপের কোনো শহরের নয়। এটা ঘটছে আজারবাইজানে। তেলসমৃদ্ধ এ দেশটির পঁচানব্বই ভাগ মানুষই মুসলমান।

কাস্পিয়ান সাগরের তীর ও ককেশাসের উঁচু পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে আজারবাইজান। প্রাচীন গ্রন্থে এ অঞ্চল পরিচিত ছিল আররান ও শিরওয়ান নামে। হিজরি প্রথম শতাব্দীতেই এখানে ইসলামের আগমন ঘটে। ২২ হিজরি মোতাবেক ৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর শাসনামলে মুসলিম বাহিনী এ অঞ্চলে প্রথম প্রবেশ করে। সেনাপতি সুরাকা ইবনে আমর, হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা) এবং বুকাইর ইবনে আবদুল্লাহর হাত ধরে এখানকার মাটিতে উড়ে তাওহিদের পতাকা। পরবর্তী সময়ে উসমান ইবনু আফফান (রা) এর যুগে হাবিব ইবনে মাসলামা আল ফিহরি ও সালমান ইবনে রাবিআ আল বাহিলির অভিযানের মাধ্যমে অঞ্চলটি খিলাফতের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। ৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত শামাখির প্রাচীন জামে মসজিদ এবং দেশটির উত্তর সীমান্তে দারবান্দে অবস্থিত কিরখলার বা চল্লিশ শহীদের কবরস্থান আজও সাহাবি ও ইসলাম পরবর্তী যুগের মুজাহিদদের স্মৃতি বহন করে চলেছে।

খিলাফতের ছায়ায় আজারবাইজান একসময় হয়ে উঠেছিল জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন ও সাহিত্যের অন্যতম কেন্দ্র। ৮৬১ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় সাতশ বছর এখানে শাসন করেছে মুসলিম শিরওয়ানশাহ রাজবংশ। দ্বাদশ শতাব্দীতে আতাবাক শাসকদের সময়ে গানজা, নাখচিভান ও বাকু হয়ে উঠেছিল ইলম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। এই মাটিতেই জন্মেছিলেন কবি হাকিম জামালউদ্দিন নিজামি গঞ্জভি, ফালাকি শিরওয়ানি ও খাকানি শিরওয়ানি। এখানেই বেড়ে উঠেছেন ইশরাকি দর্শনের প্রবক্তা শিহাবউদ্দিন সোহরাওয়ার্দী এবং খালওয়াতিয়া তরিকার প্রসিদ্ধ সুফি সাইয়িদ ইয়াহইয়া শিরওয়ানি আল বাকুভি। উসমানি সালতানাত থেকে শুরু করে মুঘল ভারতবর্ষ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল তার আধ্যাত্মিক প্রভাব। বাকুর শিরওয়ানশাহ প্রাসাদ প্রাঙ্গণে এখনো তার মাজার রয়েছে। শাফেয়ি ফিকহ ও উসুলের ইমাম আবু বকর আল বাযযাযি, মুফাসসির আবুল আব্বাস শিহাবউদ্দিন আহমাদ আল আরদাবিলি কিংবা জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফজলুল্লাহ আশ শিরওয়ানির মতো মনীষীরাও ছিলেন এই অঞ্চলের সন্তান।

সেলজুক সুলতান আল্প আরসালানের সময় থেকে শুরু করে উসমানি খিলাফতের শেষ দিন পর্যন্ত আজারবাইজান ছিল দারুল ইসলামের উত্তরের দুর্ভেদ্য প্রাচীর। ১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বরে রুশ বলশেভিক ও আর্মেনীয় দাশনাক বাহিনীর হাত থেকে বাকুর মুসলমানদের রক্ষা করতে ছুটে এসেছিল উসমানি সেনাপতি নূরী পাশার নেতৃত্বাধীন ককেশাস ইসলামি বাহিনী। হাজারো উসমানি ও আজেরি সৈন্যের প্রাণের বিনিময়ে আযাদ হয়েছিল বাকু। এরপর দীর্ঘ সত্তর বছর ককেশাসের ওপর চলে সোভিয়েত শাসন। কমিউনিস্টরা বাকুর ঐতিহাসিক বিবি হেবাত মসজিদ ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয়। তাজা পীর মসজিদকে পরিণত করে গুদামঘরে। সেই দুঃসময়েও আজেরি মুসলিম মায়েরা হাল ছাড়েননি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাটির নিচের গোপন কক্ষে তারা সন্তানদের কুরআন শিখিয়েছেন। ধরে রেখেছেন নিজেদের দ্বীন ও পরিচয়।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটেছে বহু বছর আগে। কিন্তু বাকুর ক্ষমতায় বসে থাকা শাসকগোষ্ঠীর মানসিকতা বদলায়নি। সোভিয়েত ঘরানার রাজনীতিতে বেড়ে ওঠা ইলহাম আলিয়েভের সরকার এখন নতুন করে দাঁড়িয়েছে ইসলামি নিদর্শনের বিরুদ্ধে।

২০২৬ সালের ৭ জুলাই শিক্ষা আইন সংশোধন করে আজারবাইজানের সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ ঘোষণা করা হয়। ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা হয় নতুন নির্দেশনা। সেখানে বলা হয়, স্কুল ইউনিফর্মের সমতা ও ধর্মনিরপেক্ষ মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক কোনো পোশাক পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবে না। শাসকগোষ্ঠী আইনের ভাষায় সরাসরি হিজাব শব্দটি উল্লেখ করার সাহস পায়নি। কিন্তু উদ্দেশ্য বুঝতে কারো বাকি থাকেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ইসলামি পোশাকের চিহ্ন মুছে ফেলাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। সর্বশেষ ৬ অক্টোবর আরেকটি নির্দেশনার মাধ্যমে শিক্ষিকাদের মাথার স্কার্ফও নিষিদ্ধ করা হয়। এর পাশাপাশি ইসলামি বিভিন্ন দিবসের স্মরণে আয়োজিত মজলিসগুলোর ওপরও আরোপ করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।

আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলোর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো, তারা মুখে ব্যক্তিস্বাধীনতার কথা বলে। কিন্তু সেই স্বাধীনতা কেবল তাদের নির্ধারিত ছকের ভেতরেই সীমাবদ্ধ। কোনো মুসলিম নারী যখন নিজের বিশ্বাসের জায়গা থেকে মাথায় এক টুকরো কাপড় জড়াতে চান, তখন রাষ্ট্রের সব মেকি উদারতার মুখোশ নিমিষেই খসে পড়ে। সংবিধান ও আইনের দোহাই দিয়ে তখন কেড়ে নেওয়া হয় তার ব্যক্তিগত অধিকার। প্রকৃতপক্ষে ধর্মনিরপেক্ষতা কোনো নিরপেক্ষ দর্শন নয়। এটি নিজেই একটি স্বতন্ত্র জীবনব্যবস্থা, যা অন্য কোনো আদর্শের প্রকাশকে সহ্য করতে পারে না।
234001
Hope Study logo
Hope Study

১৬ অক্টো, ২০২৬, ০৯:৫১

Photo1/2
180000
Hope Study logo
Hope Study

১৩ অক্টো, ২০২৬, ২২:০১

ইসলামকে ভালোবাসা আর ইসলামের সাথে জীবন যাপন করা এক জিনিস নয়। যে আল্লাহর জন্য কিছু ছাড়তে জানেনি, সে কোনোদিনও উপলব্ধি করতে পারবে না ঈমান কী, আখিরাতের পুরস্কার কেমন! - সংগৃহীত
239004
Hope Study logo
Hope Study

১৩ অক্টো, ২০২৬, ২২:০১

কয়েক বছর আগে নায়িকা পরিমনিকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তিনি বলেছিলেন—আল্লাহ এসব সহ্য করবেন না! তারও আগে সাফা কবির নামে একজন অভিনেত্রী বলেছিলেন, তিনি পরকালে বিশ্বাস করেন না। অতঃপর তার ভক্তকুলের গালিগালাজ শুরু হওয়ার পর তিনি যে আল্লাহকে বিশ্বাস করেন না, সেই আল্লাহর কাছে বিচার দিলেন।

লেখাটি পরিমনি বা সাফা কবিরকে নিয়ে নয়, তবে তাদের সারাবছর আল্লাহর অবাধ্যতা এবং বিপদে পড়ে আল্লাহকে, ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই পক্রিয়াটি আবহমান কাল ধরে চলে আসা এবং চলমান বাঙালি ধর্মবিশ্বাসের সার সংক্ষেপ বলা যায়।

ধর্ম বলে আমাদের মধ্যে যেটা আছে সেটা হলো ধর্মীয় কিছু আচার অনুষ্ঠান এবং এই ধর্মের প্রতি আমাদের আবেগ। কিন্তু এই আবেগ আবার নিজের ধর্মের অবাধ্যতাকে নিজের কাছে এবং মানুষের কাছে বৈধতা দেয়া, এবং একই সাথে নিজেকে প্রবোধ দেওয়ার মতো।

এই আবেগী ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে আল্লাহর অস্তিত্বটা অনেকটা আলাদিনের চেরাগের মতো। প্রতিনিয়ত সে নিজের খেয়ালখুশিমতো জীবন চালিয়ে যাবে, অতঃপর যখন বিপদে পড়বে, আলাদিনের চেরাগ তো আছেই—ঘষা দিলেই যা চাইব তা হাজির হয়ে যাবে!

মানুষের এই আবেগের ভয়েই অভিনেত্রী ধর্মের প্রতি আবেগ দেখায়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননায় ফ্রান্সের ব্র্যান্ডের ঘড়ি ভাঙচুর করে তার ভক্তদের দেখায়, কিন্তু সেই একই অভিনেত্রী সারাটা জীবন ধরে আল্লাহ-রাসূলের অবাধ্যতা করে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে সেই অভিনেত্রী কিংবা তার আবেগী ভক্তিকুল কারও সমস্যা নেই। ভক্তকুল আবার অভিনেত্রীরা ফেসবুকে বেপর্দা ছবি দিলে সেখানে পর্দা করার নসিহত দেবে। ধর্মপ্রাণ ভক্ত চায় অভিনেত্রী নাটক-সিনেমা করবে, আইটেম গানে নাচবে, আবার পর্দা করে ফেসবুকে ছবিও দেবে, দুই চারটা আল্লাহ-রাসূলের কথাবার্তা বলবে, যেন সে মাশাআল্লাহ, সুবহানআল্লাহ কমেন্ট করে আসতে পারে এবং নিজের এই লুইচ্চামিতে একটু ধর্মীয় ফ্লেভার এড করতে পারে!

ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও পাবেন যেখানে এডিট করে ছবি দেওয়া হয়, একটা বাচ্চা কুরআন তিলাওয়াত করছে বা গজল গাইছে, আর পাশেই শাহরুখ খান, সালমান খান বা তাদের পছন্দের কোনো নায়ক নায়িকার এডিট করা কান্নার ছবি। কিংবা কোনো জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো এর বিচারকের ছবি। ভক্তকুল জাহিলিয়াতও ছাড়তে পারে না, আবার ধর্মের প্রতি যে আবেগ সেটাকেও মুছে ফেলতে পারে না। জাহিলিয়াতের কারণে অপরাধবোধ থেকেও তারা জাহিলিয়াত আর ধর্মীয় আবেগের মিশেলে এই হাস্যকর খিচুড়ি তৈরি করে।

এই যে দুনিয়াজুড়ে কোটি কোটি মুসলিম, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই ইসলামের জন্য আমাদের কিছুটা ভালোবাসা আছে সত্য, কিন্তু এই ইসলামের সাথে আমাদের জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই।
হোটেলের নাম দেখবেন মক্কা, মদীনা, আল্লাহর দান ইত্যাদি, কিন্তু দেখবেন হোটেলের মালিক, কর্মচারী কেউ নামাজ পড়ে না। সে এই নামগুলো দিয়েছে ইসলামের প্রতি তার আবেগ থেকে, চর্চা থকে নয়। সিডির যে দোকানটাতে সকাল বেলা সূরাহ আর রহমানের দরাজ গলার তিলাওয়াত চলে, কিছুক্ষণ পরেই সেই দোকানেই ডিস্কো চলে। ঈদের দিন অশ্লীল সিনেমা রিলিয করে হুজুর ডেকে আল্লাহর সাহায্য চায়। হিজাবি মেয়েটার বয়ফ্রেন্ড আছে, জাস্ট ফ্রেন্ডের নামে ছেলে-মেয়ে অবাদ মেলামেশা আছে, ব্যাংক থেকে "লাভ" হিসেবে সুদ আছে, "গিভ এন্ড টেক" নামে ঘুষ আছে...আর সপ্তাহে একবার জুমার নামাজ আছে!

এখানে ধার্মিকতা হলো নিজের বস্তুবাদী এবং ভোগবাদী সত্তার জন্য একটি সেফ জোন, যেখানে বিনা বা স্বল্প পরিশ্রমে জীবনের ভালো জিনিসগুলো অর্জন করা যেতে পারে। আলাদিনের চেরাগের মতো হুট করে জীবনের সমস্যাগুলো মিটিয়ে ফেলা যেতে পারে। এ জন্য তার ধর্ম তাকে পীরের কাছে নিয়ে যায়, গাছে সুতা বাঁধতে বলে, কচ্ছপকে কাঁঠাল খাওয়াতে বলে। এই ধর্মে কোনো পরকালমুখিতা নেই। আছে কেবল পার্থিব সুখ শান্তি আর সমৃদ্ধি অর্জনের বাসনা।

একটা পরিসংখ্যান দেখেছিলাম বাংলাদেশে ৮৬% মানুষ নাকি শরিয়া চায়! আবার খোঁজ নিলে দেখা যাবে এদের মধ্যে ৫% এরও কম মানুষ নিয়মিত মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে। তার মানে এই ৮৬% মানুষ বুঝেশুনে, শরিয়ার লক্ষ্য উদ্দেশ্য উপলব্ধি করে এই মত দিয়েছে, এমন না। ভালোভাবে ইনভেস্টিগেট করলে দেখা যাবে বেশিরভাগই আবেগ থেকে বলেছে। মুখে মুখে আল্লাহ-রাসূলের কথা বললেও, মিলাদে আশেকে রাসূল হয়ে বুক চাপড়ালেও তাকে আল্লাহর আনুগত্যের কথা বললে সে ভ্রুকুঞ্চিত করবে। যে শরিয়া চাচ্ছে, শরিয়া কায়েম হলে যখন দেখবে সে নিজেই শাস্তি পাচ্ছে, সবার আগে সে-ই এর বিরোধিতা করবে।

ইসলাম হলো আমাদের রবের কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া। এই দুনিয়াতে যারা জান্নাত কিনে নিয়েছিলেন তাদের সাথে জান্নাতে থাকতে চাওয়ার প্রবল ইচ্ছে অন্তরে ধারণ করে স্রোতের বিপরীতে ছুটতে থাকা। আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর শক্ত হয়ে জমে থাকা। আখিরাতে আল্লাহর কাছ থেকে অনন্ত সুখের এক জান্নাতের আশায় এই দুনিয়ার জাহিলিয়াত থেকে নিজেকে আগলে রাখা, ছেড়ে আসা।
275005
Hope Study logo
Hope Study

১৩ অক্টো, ২০২৬, ১১:৪২

বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয় ১৭৯৩ সালে। ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস রাষ্ট্রীয়ভাবে এই সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে তিনটা স্তর তৈরি হয়েছিল—রাষ্ট্র, ভূমিপ্রভু বা জমিদার, ভূমিদাস বা কৃষক। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে সরকার তালিকাভুক্ত জমিদারদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব আদায় করত। কৃষকদের কাছে গিয়ে খাজনা আদায়ের ঝামেলা ছিল না। রাষ্ট্রের প্যারা নেই। চিল!

নতুন বন্দোবস্তে জমিদাররা তাদের মনমতো খাজনা আদায় করত প্রান্তিক কৃষকদের থেকে। কারোর এতে বাধা দেওয়ার অধিকার ছিল না। জমিদারদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করত খাজনার হার। আইনি কোনো বাধ্যবাধকতা তো ছিলই না, উপরন্তু সরকার জমিদারদেরকে ভূমির ওপর গুরুত্বপূর্ণ স্বত্ব ও যেকোনো হারে রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা প্রদান করত।

খাজনা অপরিশোধিত থাকলে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হত। প্রথম দিকে ফলানো ফসল দ্বারা খাজনা আদায়ের নিয়ম থাকলেও সেটা গভীর ষড়যন্ত্রে বাতিল হয়। কাঁচা টাকা ছাড়া খাজনা দেওয়া যেত না। কৃষকদের হাতে নগদ টাকা থাকত না। রাষ্ট্রের বে-ইনসাফি এবং জমিদারদের অসহনীয় শোষণে তারা প্রায়ই রিক্তহস্ত থাকত। মাঠে ফসল ফললেই তাদের মুখে এক চিমটি হাসি ফুটত। অন্যথায় রাজ্যসমান দুঃখকষ্ট চেপে ধরত ক্ষীণকায় কৃষকদেরকে। অদৃশ্য হায়েনার এই আক্রমণ থেকে বাঁচতে তখন তারা সুদী ঋণ নিত। সেই ঋণও দিত জমাদার মহাজনরা।

এখানে একটা মজার নুক্তা আছে। ঠাকুর পক্ষের লোকরা বলেন যে, নওগাঁ জেলায় 'পতিসর কৃষি সমবায় ব্যাংক' স্থাপন করে রবিন্দ্রনাথ মানবিক উদারতার পরিচয় দিয়েছিলেন তখন। অথচ তিনি যে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য অর্থাৎ ১ লাখ ৮ হাজার টাকার পুরোটা এই কৃষি সমবায় ব্যাংকে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি তার বইয়ের রয়্যালটি এবং আমেরিকায় বক্তৃতা দিয়ে প্রাপ্ত অর্থ থেকে আরও ৯ হাজার টাকা এই ব্যাংকে জমা দিয়ে মূলধন বাড়িয়ে তা থেকে ১২.৫% সুদে যে কৃষকদের মাঝে ঋণ দিতেন, সেই কথা তারা কখনো বলেন না।

ঠাকুরও সুদী ব্যবসা করতেন। কুড়িয়ে-গুছিয়ে সব টাকা মূলধন বানিয়ে সুদী ব্যবসাকে ব্যাংকের চাদরে মুড়িয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ তিনি দিয়েছিলেন। অন্যান্য মহাজনদের সাথে তার পার্থক্য গ্রামীনফোন-বাংলালিংকের মতো। দুটো কোম্পানিই ব্যবসায়ী। জাস্ট পলিসি ম্যাকিং-এ চালাকি করেছে মাত্র।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারও এই জমিদারি কাঠামোর রাজসিক অংশ ছিল। তার পিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুর ও পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময় থেকেই পরিবারের জমিদারি স্বার্থ বিস্তৃত ছিল। রবীন্দ্রনাথ নিজেও জোড়াসাঁকোর জমিদারি এস্টেট পরিচালনা করেছেন। কোন যুক্তিতে তাকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে গড়ে ওঠা জমিদার শ্রেণির বাইরে রাখবেন? তিনি যে শ্রেণীগতভাবে জমিদার ও উঁচুতলার 'ভদ্রলোক' সমাজের স্বার্থেরই প্রতিনিধিত্ব করেছেন আমৃত্যু—এই রূঢ় বাস্তবতা অস্বীকার করার ন্যুনতম কারণ কী খুঁজে পাবেন। অন্ধ হলে ঘুমন্ত সাপ ধরে লাঠি বলে চালিয়ে দিতে পারবেন হয়ত।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথের সক্রিয় ভূমিকা ও 'রাখিবন্ধন' কর্মসূচিকে কীভাবে আপনি বাঙালি মুসলিমদের সাথে সহাবস্থান করাবেন? পূর্ববঙ্গের মানুষের অর্থনৈতিক ও শিক্ষার সুবিধার বিপরীতে কলকাতার এলিটদের এই অবস্থানকে যারা ঘৃণা না করবে তারা কীভাবে বাংলাদেশী হয়, সেটাই বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে, রঠা মহোদয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক বিরোধিতা করেন নি—কিন্তু তিনি কি কখনো পূর্ববঙ্গের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সক্রিয় উদ্যোগ বা প্রকাশ্য সমর্থন দিয়েছিলেন? একটা প্রমাণ কেউ খুঁজে বের করতে পারবে না। তিমি পশ্চিমবঙ্গের 'বাবু সংস্কৃতি'র বাইরের কেউ ছিলেন না।

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যে পূর্ববঙ্গের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পল্লীজীবনের বর্ণনা পাবেন। মোহাচ্ছন্ন করার মতো কাব্য-গদ্য পাবেন। কিন্তু স্থানীয় কৃষক সমাজের অন্তর্জীবন, শোষণের গভীর রাজনৈতিক চিত্র এবং উঠতি মধ্যবিত্তের সামাজিক আকাঙ্ক্ষা তার সাহিত্যে তেমন একটা পাবেন না। এটি মূলত কলকাতার উচ্চবর্ণ ও উচ্চবিত্ত সংস্কৃতির দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখা গ্রামীণ সমাজ চিত্র। রঠা সেই দৃষ্টিভঙ্গির বাইরের কেউ ছিলেন না।

আচ্ছা, তিনি কি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের দোসর ছিলেন, না কি শত্রু? - নজরুল ইসলাম
1,510001
Hope Study logo
Hope Study

১১ অক্টো, ২০২৬, ০৭:৫৯

Video
ভিডিওতে যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে সেটা কোনো এআই নয়। বরং ২০০০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আল আকসা প্রাঙ্গণে ঠিক এভাবেই দখলদার ইসরাইলি বাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে এবং পিতার বাহুর নিচে আশ্রয় নিয়ে বাঁচতে চেষ্টা করা আল দুররাকে হত্যা করে।

এবার আপনি বলুন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরেই শুরু হয়েছিলো সব?
2750010
Hope Study logo
Hope Study

০৮ অক্টো, ২০২৬, ১১:৫০

Video
প্রোপাগান্ডা মুভি বানিয়ে কীভাবে নিজ দেশের একটি গোষ্ঠীকে ‘আদারিং’ করে তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে? কীভাবে বছরের পর বছর ধরে তৈরি করা এই ন্যারেটিভ শেষ পর্যন্ত তাদের ওপর নির্যাতনকেও বৈধতা দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করছে?

আজ মুসলিমদের বিরুদ্ধে যে ঘৃণা, বৈষম্য ও নির্যাতন আমরা দেখছি, তা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে চলা মুসলিমবিরোধী প্রোপাগান্ডা, সিনেমা, মিডিয়া ন্যারেটিভ ও ঘৃণার রাজনীতিতে বিনিয়োগের ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ভারতের মুসলিমদের প্রতিনিয়ত নিজেদের প্রমাণ করতে হয় তারা ভারতের নাগরিক, তারা দেশকে ভালোবাসে, তারা এই দেশেরই অংশ।

এই ভিডিওতে দেখিয়েছি, কীভাবে প্রোপাগান্ডা মুভি মানুষের চিন্তা ও অনুভূতিকে প্রভাবিত করে, একটি গোষ্ঠীকে ‘অন্য’ হিসেবে উপস্থাপন করে এবং ধীরে ধীরে তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাকে স্বাভাবিক করে তোলে। @HopeStudy24hours

🛑ওয়ার্নিং- মিউজিক ও নারী
402000
Hope Study logo
Hope Study

০৭ অক্টো, ২০২৬, ১৩:৩২

Video
ঢাকা স্ট্রিম-বাংলা স্ট্রিম: ইসলামবিদ্বেষের নতুন ঠিকানা (নতুন প্রথম আলো-ডেইলিস টার)
.
ভিডিওটি সবাই শেয়ার করে সত্যের সাথে থাকুন। @HopeStudy24hours
1,860000
Hope Study logo
Hope Study

২৯ সেপ, ২০২৬, ১৭:২২

কাশ - মিরে হাজারও নারীকে dhorষণ করেছে ইন্ডিয়ান সেনারা। এমনও হয়েছে একদিনেই ৫০০/৬০০ মুসলিম নারীকে ভারতিয় সেনা ক্যাম্পে তুলে নিয়ে রেই- ,প করে হttan করেছে। সে সঙ্ক্রান্ত অনেক তথ্য আছে ওপেন সোর্সে। সেখানে স্বাধীনতা আন্দোলন দমনে ভারতের অন্যতম প্রধান একটি অস্ত্র হলো এই রেই- ,প। কয়েক বছর আগেও আসিফা বানু নামে এক ৮ বছরের বাচ্চাকে ১১ জন ইন্দু মিলে রেই- ,প করে হttan করে। সব গুলো জানোয়ার ছিলো ইন্ডিয়ান সরকারী কর্মকর্তা!

আর সেই ইন্ডিয়ার সাথে তালেবালের পিতলা খাতিরকে যারা মেনে নেয় তারা আর যাই হোক মুসলিম হতে পারে না! আই ডোন্ট বিলিভ দিস! কয়েকটি লিংক দিলাম, পড়ে নিজের জ্ঞান বাড়াতে পারেন!

-
কাশ- মিরে ইন্ডিয়ান বাহিনীর একদিনে ১০০০ মুসলিম নারীকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে রে, ইপ করার ন্যাক্কারজনক ইতিহাস। যদিও পশ্চিমা মানবাধিকার সংস্থা গুলো ৬০০-৬৫০ হিসেব করে কিন্তু আসলে তা ১০০০+ ছিলো। এখানে পড়ুন 👇
https://www.bbc.com/news/world-asia-41268906

৮ বছর বয়সী আসিফা বানুকে অপ,হ, রণ করে নিয়ে কাশ- মিরে নিযুক্ত ১১টা হিন্দু ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা ড্রা- গা খাইয়ে রে, ই-প করে হ, ট্যাঁ করে। আর সেই ডান্ডিয়ার সাথে তালেবাল পিরীতি মারায়।
https://www.bbc.com/news/world-asia-india-43722714

উইকিপিডিয়ার এই আর্টিকেলে সবচেয়ে কম রে, ই-পের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। বলতে পারেন ৮০-৮৫% ই হাপিশ করে ফেলেছে তবুও কাশ-মিরে ইন্ডিয়ান বাহিনীর ন্যাক্কারজনক রে, ই-পের ঘটনা লুকাতে পারেনি! এদের জন্য তালেবালের মায়া নেই? এরা মুসলিম না?
https://en.wikipedia.org/wiki/Rape_during_the_Kashmir_conflict

ভারতজুড়ে কিভাবে সিস্টেম্যাটিক্লি মুসলিমদের দমন করা হচ্ছে তার একটি সদ্য উদাহরণ পশ্চিমবঙ্গ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ক্ষমতা হারানো মাত্রই বিজেপি কি শুরু করেছে দেখুন!
https://www.dailyamardesh.com/world/india/amd4b1qndt3o6.

@HopeStudy24hours
1,740002
Hope Study logo
Hope Study

২৯ সেপ, ২০২৬, ১৭:২১

Photo1/4
1,360000
Hope Study logo
Hope Study

১৯ সেপ, ২০২৬, ১৯:১৩

Video
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর দেয়া সেই পুরো ভাষণ শুনুন বাংলায় | Jinnah Speech | Dhaka University | Jugantor @HopeStudy24hours
1,880000

Showing 19 of 19 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Hope Study টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Hope Study (@hopestudy24hours) tgdio-এ ধর্ম ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ৭৮১ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Hope Study (@hopestudy24hours) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @hopestudy24hours-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Hope Study কি ভালো ধর্ম চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Hope Study-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ৭৮১ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই ধর্ম চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Hope Study-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @hopestudy24hours পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।