Masud Rana Sagor Telegram channel photo

Masud Rana Sagor

@shekhmasudranaPublic Channel

Masud Rana is a Bangladeshi Author & Social activists

রাজনীতিবাংলাভারত

48

Last views

1.3k (1,330 subscribers)
সদস্য
—
Rating
35
Total Posts
Oct 16, 2026, 1:26 AM
আপডেট হয়েছে
Apr 12, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameMasud Rana Sagor
Username@shekhmasudrana
Categoryরাজনীতি
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য1,330
Channel TypePublic Channel
Created১২ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated১৬ অক্টো, ২০২৬ • ৬ দিন আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#282320-521
ভাষার র্যাঙ্কিং
#645+3
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#6569+9

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 1.3K30 Days growth: -131%
09/1609/2109/2610/0110/0610/1110/15
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
16:09:20261,343
17:09:20261,343
18:09:20261,333
19:09:20261,333
20:09:20261,333
21:09:20261,333
22:09:20261,333
23:09:20261,333
24:09:20261,333
25:09:20261,333
26:09:20261,333
27:09:20261,333
28:09:20261,333
29:09:20261,333
30:09:20261,333
01:10:20261,333
02:10:20261,333
03:10:20261,333
04:10:20261,333
05:10:20261,333
06:10:20261,333
07:10:20261,333
08:10:20261,333
09:10:20261,333
10:10:20261,333
11:10:20261,333
12:10:20261,333
13:10:20261,333
14:10:20261,333
15:10:20261,330
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 06:04:20261,461
Week of 13:04:20261,458
Week of 20:04:20261,458
Week of 27:04:20261,438
Week of 04:05:20261,438
Week of 11:05:20261,438
Week of 18:05:20261,423
Week of 25:05:20261,423
Week of 01:06:20261,423
Week of 08:06:20261,423
Week of 15:06:20261,423
Week of 22:06:20261,423
Week of 29:06:20261,392
Week of 06:07:20261,392
Week of 13:07:20261,392
Week of 20:07:20261,392
Week of 27:07:20261,392
Week of 03:08:20261,392
Week of 10:08:20261,365
Week of 17:08:20261,358
Week of 24:08:20261,358
Week of 31:08:20261,346
Week of 07:09:20261,343
Week of 14:09:20261,333
Week of 21:09:20261,333
Week of 28:09:20261,333
Week of 05:10:20261,333
Week of 12:10:20261,330
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20261,458
May 20261,423
June 20261,423
July 20261,392
August 20261,346
September 20261,333
October 20261,330
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20261,330

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1ইরাককে ধ্বংস করা হলো।1.8K
  2. #2জনতার ভাষা যারা পড়তে জানে তারা বুঝেগেছে জনতা ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে 1.4K
  3. #3ভূমিকম্প চলাকালীন সময়1.4K
  4. #4এবার ইলেকশনে জামায়াত হারার অন্যতম ফ্যাক্টর মিলেনিয়াল প্রজন্ম। বিশেষ কর1.2K
  5. #5উসমান হাদিকে বাঁচতে হবে তার জন্য, তার লড়াইয়ের জন্য।1.2K
  6. #6Post #4601.1K
  7. #7Post #4611.1K
  8. #8ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যারা চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব,1.1K
  9. #9বর্বর পশ্চিমারা শিশু হ*ত্যা করবে। নারী হ*ত্যা করবে। আরেকটি দেশে ঢুকে স1.1K
  10. #10একটিবারের জন্য হলেও পড়বেন প্লিজ।889

সাম্প্রতিক পোস্ট

Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

১৯ অক্টো, ২০২৬, ০৮:৪২

AatchalaBazar.Com অনেক স্বপ্ন,গল্প,পরিকল্পনা তৈরির মিশন। বরাবরের মতো আপনাদের সহযোগিতা কাম্য। এটা শুধুমাত্র বিজনেস নয় আরো বড় কিছু এর উদ্দেশ্য।

পেইজে ফলো দিয়ে যুক্ত হবেন আশাকরি
48005
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

১৫ অক্টো, ২০২৬, ২৩:৪৯

দুর্বল রাষ্ট্র গুলো আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র গুলোর কাছে বিভিন্ন বিষয়ে নত থাকে। জাতীয় নির্বাচনের সময় সেসব দেশের একটা,দুইটা রিকুয়েষ্ট রাখতে হয় দুর্বল রাষ্ট্রের আগত সরকার গুলোকে।
সেজন্য তাদের চয়েজে যুগে যুগে ইনু,মেননদের জনভিত্তি ও কোয়ালিটি না থাকলেও তারা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পেয়ে থাকে।
এই কতিপয় লোক গুলো দেশের নয় বরং আধিপত্যবাদী দেশগুলোর স্বার্থ অনুযায়ী ডিল করে সরকারে,রাষ্ট্রে।
সরকারও তাদের দিয়ে লবিং ঠিক রাখে গোলামির ও স্বার্থের।

এগুলো ওপেন সিক্রেট। তবে এরা জাতির সবচেয়ে ঘৃণিত সন্তানে পরিণত হয়।
1250010
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

১১ অক্টো, ২০২৬, ১৭:২৮

তাদের কর্মকান্ড নিয়ে সমালোচনা আছে কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেওয়া যদি রাষ্ট্রদ্রোহিতা হয় তাহলে সরি টু সে বাংলাদেশ নৈরাষ্ট্র আর আমরাও কেউ নাগরিক নই।

এদেশের সন্তান হয়ে (কবি রবীন্দ্রনাথ কে নয়) রাজনৈতিক রবীন্দ্রনাথ ও রবীন্দ্রনাথ কে কেন্দ্র করে যে কালচারাল আগ্রাসন তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেইটা নিয়ে সমালোচনা করলেও যদি গ্রেফতার হতে হয় এবং নানাবিধ ট্যাগিং সহ্য করতে হয় তাহলে স্বাধীন বাংলাদেশ কোন অর্থে?

রাজনৈতিক সাকিব আল হাসান ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান যদি আলাদা হয় তাহলে রবীন্দ্রনাথ নয় কেনো?

যার ইচ্ছে সে রবীন্দ্রনাথ কে চর্চা করুক ব্যক্তিগতভাবে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ কে যখন কালচারের মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিকভাবে হাজির করা হয় তখন অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলাও মেনে নিতে হবে। কারণ এইটা তো পশ্চিমবঙ্গ নয়।
এমনিতেও, একাডেমিকলি আলাপ করলে দেখা যাবে এদেশ আজও রাষ্ট্রই হয়ে উঠেনি। একদল আত্মমর্যাদাহীন,আত্মঘাতী, ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভোগা উল্লুখদের খোয়াড় হয়েছে মাত্র।

পুনশ্চঃ আর হাসিনার সাথে পারলেও ফ্যাসিজম তৈরির স্কুল আধিপত্যবাদী রবীন্দ্রনাথের সাথে পারবেন না।
এটাই মূলত কালচারাল ফ্যাসিজম। যার শক্তি হাজার গুন। যতদিন কালচারাল ফ্যাসিস্ট দূর না হবে ততদিন প্রকৃত স্বাধীনতা আসবে না।
2120011
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

৩০ সেপ, ২০২৬, ১৩:০৫

সমাজের নেতৃত্ব পর্যায়ের লোকেরা যখন সবাই নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে যায়। গণমানুষের কাছে নিজেদের সম্মান শেষ করে ফেলে।
তখন তারা চায় না সেই সমাজে কেউ একজন সম্মানিত মানুষ থাকুক।
জোটগতভাবে অপচেষ্টা চালায় কিভাবে সম্মানহানি করা যায়।

বাংলাদেশের বর্তমান চিত্র।
368000
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৬ সেপ, ২০২৬, ১২:৩৩

Channel name was changed to «Author, Masud Rana Sagor.»
0000
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৬ সেপ, ২০২৬, ১২:৩৩

বর্বর পশ্চিমারা শিশু হ*ত্যা করবে। নারী হ*ত্যা করবে। আরেকটি দেশে ঢুকে সেদেশের সর্বোচ্চ নেতাকে হ*ত্যা করবে এরপর উদারতা, নারী অধিকার, আধুনিকতা,গনতন্ত্রের সবকও শেখাতে আসবে।

ইউরোপ, আমেরিকা হাজার বছর ধরেই এমন বর্বর, অসভ্য। বর্তমানে বিভিন্ন ইজম,ন্যারেটিভ, ইডিওলজির মুখোশ পরে নিজেদেরকে উন্নত ও সভ্য দেখানোর চেষ্টা করে।
আর এদেশ সহ সারা দুনিয়াতে তারা কলোনিয়াল দাস রেখেগেছে। তারা এখনো তাদের পা চাটে হাজার কিলোমিটার দূর থেকেও।

একেবারে সোজাসাপ্টা হিসাব হলো দুনিয়াতে মুসলিম vs কা*ফের যু*দ্ধ চলে।
আমাদেরকে ধোকা দিতে নানা জিওপলিটিক্যাল,অর্থনৈতিক, হ্যানত্যান গল্প বানানো হয়।
লজ্জা আমাদের নিজেদের জন্যই।
1,0500010
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৬ সেপ, ২০২৬, ১২:৩৩

এবার ইলেকশনে জামায়াত হারার অন্যতম ফ্যাক্টর মিলেনিয়াল প্রজন্ম। বিশেষ করে মিলেনিয়াল পুরুষ। জামায়াত মিলেনিয়ালদের ভোট সবচেয়ে কম পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি পেয়েছে জেনজির ভোট। এইখানে একটা ব্যাপার আছে।

মিলেনিয়ালরা সংস্কার বা নতুন রাজনৈতিক ধারার ব্যাপারে এগনস্টিক। এর মধ্যে একটা গ্রুপ আছে যারা পুরাতন রাজনৈতিক ধারার বেনেফিশিয়ারি। যেই বেনেফিট তারা এই রাজনৈতিক স্ট্রাকচার থেকে পায়, এই স্ট্রাকচার ভেঙে গেলে সেই বেনেফিট তারা পাবে না। ফলে তারা বিদ্যমান সিস্টেমকে টিকায়ে রাখতে চায়। দ্বিতীয় গ্রুপটা হচ্ছে তারা যারা পেসিমিস্টিক। এরা সিম্পলি মনে করে এই সিস্টেম ভাঙা সম্ভব না। স্থির বস্তু স্থির থাকবে, গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকবে। এদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা নাই। এদের কাছে ভাত, কাপড় আর চাকরিই প্রধান ধর্ম। ফলে, এরা করাপ্টেড সিস্টেমকে ভাঙতে চায় না, ভয় পায়। এদের ভয় দীর্ঘকাল বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রেখেছে। আনটিল জেনজি এরাইভড!

এখন জেনজি নিয়ে কথা বলি। জেনজি এনার্জেটিক, স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড এবং অসম সাহসী। ‘আঠারো বছর বয়স মানে না বাধা’ কবিতার মত। জেনজি একটা লম্বা সময় এপলিটিকাল হয়ে ছিলো। কারণ, মিলেনিয়াল প্রজন্ম তাদেরকে একসেস দেয়নি পলিটিক্সে। আর দীর্ঘসময় ফ্যাসিবাদ থাকায় পলিটিকাল স্পেসও ছিলো সংকুচিত। ফলে, জেনজি পলিটিকাল হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু, আল্লাহ জেনজির জন্য একটা বিপ্লব নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। ফলে, জুলাই আসলো, একটা পুরো প্রজন্ম বারুদ পলিটিকাল হয়ে উঠলো। জুলাইয়ের প্রায় দুই বছর পরও তাদের বারুদ জ্বলছে। এই জেনজি রাজনৈতিকভাবে উচ্চাকাঙ্খী। সে পুরনো সিস্টেম, পুরনো রাজনৈতিক স্ট্রাকচারকে ভেঙেচুরে দিতে চায়। নতুন ধারার রাজনীতি চায়। বেনেফিশিয়ারি, এবং পেসিমিস্টিক মিলেনিয়ালকে সে ঘৃণা করে। সে তাদের মত হতে চায় না।

অনেকেই ভাবছেন, এখন আমাদের করণীয় কী। ৫ বছর পর আরেকটা প্রজন্ম উঠে আসবে - জেন আলফা। জেনজির অনেকেই তখন মধ্যবয়স্ক হয়ে উঠবে। জেন আলফারা হবে টগবগে তরুণ। এই জেন আলফা প্রজন্মকে গ্রুমিং করার দায়িত্ব নিতে হবে জেনজিকে। তাদেরকে পলিটিকাল গ্রুমিং করা, নতুন রাজনৈতিক ধারার সাথে পরিচিত করানো, রাজনৈতিক আকাঙ্খা জাগানো – এসব দায়িত্ব জেনজিকে নিতে হবে। আর জেনজির কাছে এজন্য যথেষ্ট রিসোর্স আছে। তাদের কাছে আছে লাল জুলাইয়ের রক্তাক্ত বিপ্লব, ওসমান হাদীর মত বিপ্লবীর ইতিহাস।

প্রিয় জেনজি, বাংলাদেশ তোমাদের কাছে কৃতজ্ঞ। তোমরা কিন্তু থেমো না। পরবর্তী প্রজন্মকে তৈরি করো। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।

আসিফ ভাই।
1,2100024
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৬ সেপ, ২০২৬, ১২:৩৩

ওসমান হাদি শহীদ হবেন এটা তিনি জানতেন। বিচার যে হবে না এটাও বুঝতেন। তবুও নিজের হ*ত্যা বিচার নিজেই চেয়েগেছেন এই কারণ টা একদিন জাতি বুঝবে।
সেই কারণ হলো- ওসমান হাদিকে কেন্দ্র করেই একদিন মহা বিপ্লব ঘটবে এদেশে।
ব্যক্তি ওসমান হাদি আমাদের জন্য হাহাকার হলেও ওসমান হাদি ফিলোসোফি একদিন মুক্তির পথ রচনা করবে ইনশাআল্লাহ।
8670015
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৬ সেপ, ২০২৬, ১২:৩৩

জনতার ভাষা যারা পড়তে জানে তারা বুঝেগেছে জনতা ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।
জুলাই যেমন এক মহাজাগতিক, মিরাকলের মতো ছিলো এবারের ভোটেও সেই বিপ্লবের ছাপ দেখতে পাচ্ছি।

কারো কোনো ইশতেহার, বুদ্ধিজীবী দিয়ে বানানো ন্যারেটিভ, ডিস্কোর্স কোনো কিছুতেই আর কাজ হবে না। অর্গানিক ভাবে ন্যারেটিভ, ডিস্কোর্স জনতা নিজ থেকেই বাস্তবতা অনুযায়ী তৈরি করে নিয়েছে। যেটাকে পরিবর্তন করার সক্ষমতা কোনো বুদ্ধিজীবীদের নাই।

তীর ধনুক থেকে বেরিয়েগেছে।

অনলাইনে পক্ষে-বিপক্ষে মারামারি করেন আর মানুষকে হাতি ঘোড়া দেওয়ার স্বপ্ন দেখান কিংবা মামলা হামলা থেকে বাচাবেন ইত্যাদি যত কথায় বলেন এর কোনো প্রভাব জনপদে জনপদে আর ক্রিয়া করবে না।
মানুষ বাস্তবতা দেখে,বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।

এখন কাজ শুধুমাত্র মানুষের সিদ্ধান্ত যেনো মানুষ নির্ভয়ে প্রয়োগ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা।
মাঠ ধরে রাখতে পারার মতো সেই সক্ষমতা মানুষের সামনে প্রেজেন্ট করতে হবে। মানুষকে সেন্টার পর্যন্ত নির্ভয়ে পৌছিয়ে দিতে হবে।

তাহলেই দেখবেন বড় খেলোয়াড় জনগণ নিজেই।
1,3900014
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

২৭ আগ, ২০২৬, ১০:৩১

ইশরাত মঞ্জিল যে চিনে না তার বাপদাদা যে কলকাতার হিন্দু জমিদার শ্রেণীর জুতা টানতো আর সকাল বিকাল চাবুকের বাড়ি খেয়ে বাবু বাবু করতো সেটা স্পষ্ট।
দাসদের নাতিপুতিরা উত্তরাধিকার সূত্র পেয়েছে মূলত দাসত্বই, গাগতর, পোশাকআশাকের পরিবর্তন আসলেও মগজে কলকাতা ও দিল্লির দাসত্ব গেঁথে আছে। মূর্খ কালিমুদ্দি নামক মেয়েলি অঙ্গভঙ্গি করা মামুনুর রশীদকে কেউ জানিয়ে দিয়েন ইশরাত মঞ্জিল হলো পূর্ব বাংলার চাষাভুষা মুসলিম নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতার সূতিকাগার। আজ এই আইডেন্টিটি ক্রাইসিস ভোগা রাম ছাগলটা হয়তো ইতিহাস জানে না, ইশরাত মঞ্জিল থেকে নবাব স্যার সলিমুল্লাহের হাত ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানে এই মূর্খটা পড়াশোনা করছে। ঢাকার নবাব পরিবারের বাগানবাড়ী ছিলো ইশরাত মঞ্জিল বর্তমান মধুর ক্যান্টিন। তৎকালীন সময় ১৯০৬ সালে ৬লক্ষা টাকা খরচ করে অল ইন্ডিয়া মোহাম্মেডান এডুকেশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ। এরপর ঢাকাকে পূর্ব বাংলার রাজধানী করে বঙ্গভঙ্গ করে কলকাতার আধিপত্যবাদ মুক্ত করেন। আর জিন্নাহ হল হলো বর্তমান হিন্দুত্ববাদী স*ন্ত্রাসী সূর্য সেনের নামে যে হল। সূর্য সেনরা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের নামে পূর্ব বাংলার চাষাভুষাদের রক্তঘামে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য হিস্যার বিরুদ্ধে গিয়ে কলকাতার জমিদার শ্রেণীর লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করেছে। সুইসাইড বম্বিং করে, সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে পূর্ব বাংলাকে হিন্দু জমিদার শ্রেণীর কব্জায় রেখেছে। পূর্ব বাংলার চাষাভুষারা উৎপাদন করতো আর সেই সম্পদ জড়ো হতো কলকাতায়। পূর্ববঙ্গ পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলাদা হলে ফসলের হিস্যা পেতো ও এই অঞ্চলের মানুষ কলকাতামুখী না হয়ে আফিস আদালত, শিক্ষার সুযোগ পূর্ব বাংলায় পেতো। পূর্ববঙ্গের ঢাকা ছিলো সুলতানি যুগ থেকে শহর আর কলকাতা ছিলো তখন ডোবা। সেই কলকাতা হয়ে উঠে চকচকে জাঁকজমকপূর্ণ পূর্ব বাংলার চাষাভুষার রক্তঘামে, আর পূর্ব বাংলা ডুবে যায় অন্ধকারে। সেই দাসত্ব থেকে জিন্নাহ তোর পূর্ব বাংলার গরীব চাষাভুষা বাপদাদাকে হিন্দু জমিদার শ্রেণী ও বৃটিশদের থেকে মুক্ত করে চাষাভুষার ভূমি চাষাভুষাদের হাতে ফিরিয়ে দেয়। জিন্নাহ হলেন শেখ মুজিবের জাতির পিতা, সোভিয়েতপন্থী জুলফিকার আলী ভুট্টোর জাতির পিতা, ইন্দিরা গান্ধীর বাপ জওহরলাল নেহেরু, মহাত্মা গান্ধী ও হিন্দুত্ববাদীদের গাত্রদাহের নাম কায়েদ-এ আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। পূর্ব পুরুষের রক্তজবার ক্ষতের ইতিহাস না জানলে ইতিহাস নিয় পড়াশোনা কর, ইন্ডিয়ার দালালদের মতো মূর্খের মতো হাউকাউ করিস না। দিন বদলে গেছে মানুষ অনেক সচেতন তোদের ইতিহাস একতরফা শুদ্ধ ভাষায় বললেই সত্য হয়ে যায় না।

পুনশ্চঃ লেখাটি ভালো লাগলে সালামি পাঠাতে পারেন। লেখালিখিকে জীবিকানির্বাহের পথ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সালামি দিন দু'হাতভরে।

লেখা: জিহাদী ইহসান
6460015
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

১৯ আগ, ২০২৬, ২৩:৫৩

"বিএনপির অপকর্মের কারণে মানুষ বিকল্প হিসাবে জামায়াত শিবিরকে চুজ করতেছে"-এই বয়ান সম্পূর্ণ সঠিক নয় বরং আংশিক ন্যারেটিভ আর বাকী আংশিক সত্য।
আজকের জামায়াত শিবিরের যে পজিশন তা তাদের কনসিসটেন্সি,কন্টিনিউয়াসলি দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলাফলও বটে।

ফ্যাসিস্ট শাসনে শিবির পরিচয় প্রকাশ পেলেই যেখানে একজন ছাত্রকে হ*ত্যা-নির্যাতন জায়েজ ছিলো। জামায়াত কর্মী মানেই যেকোনো মূহুর্তে ইচ্ছামাফিক গ্রেফতার করা যেতো।
সেই কঠিন মূহুর্তে জামায়াত শিবিরের ছেলেরা
অগণিত ওয়েলফেয়ার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে এবং সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে থাকে।
এছাড়া তারা রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে যেয়ে সমাজের সবচেয়ে কল্যাণকর মানুষ হিসাবেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে।
শহর,নগর,গ্রাম-মহল্লায় তারা অসহায়, বঞ্চিত মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী সেবা দান করে আসছে।
ম্যান টু ম্যান, ডোর টু ডোর তারা গত এক যুগ কাজ করেছে।

এদিকে শিবিরের ছেলেরা আমভাবে দাওয়াত দেওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়াতে।
তারা টার্গেটে করে প্রতিটি ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবি ছেলেদের (রোল ১ থেকে ১০)
মাঝে দাওয়াতি কাজ করা, ইন্টেলেকচুয়াল সাপোর্ট দেওয়া, দরিদ্র হলে ফ্রি কোচিং ও বেতন চালিয়ে নেওয়া ইত্যাদি কাজ করেছে।

আজকে যারা শিবিরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট দিচ্ছে। এদের অধিকাংশ শিবিরের সাথে কোনো না কোনো পর্যায়ে একবারের জন্য হলেও কাছাকাছি এসেছে। আর একটা বিশাল অংশ তো সরাসরি শিবিরের কর্মী।
এছাড়াও ভোটারদের একটা অংশ সরাসরি শিবিরকে এখন অবজার্ভ করার সুযোগ পাচ্ছে। সরাসরি চোখে দেখছে পজিটিভ সেখানে নেগেটিভ ন্যারেটিভ বানিয়ে তো কাজ হবে না। হচ্ছেও না।

শিবির তাদেরই টার্গেট করে দাওয়াতি কাজ করে যারা আগামীতে ভার্সিটিতে চান্স পাবার মতো। এরপর যারা শুধুমাত্র নিজ থেকে হয়তো চান্স পাবার মতো না একটু সাপোর্ট পেলে চান্স পাবে এমন ছেলেদেরকেও মেন্টরিং করে ভার্সিটিতে চান্স পেতে সহযোগিতা করেছে।

ভার্সিটিতে উঠে শিবির কমই হয় বরং শিবির হয়েই বা শিবির মনা হয়েই অধিকাংশ ভার্সিটিতে প্রবেশ করে।

এক যুগ জামায়াত শিবির সাধারণ মানুষের জীবনের সমস্যার সমাধান করেগেছে অকাতরে। নিজের ঘর অন্ধকার রেখে হলেও অন্যর ঘরে আলো দেওয়ার হাজার হাজার উদাহরণ আছে।
বর্তমান উন্মুক্ত পরিবেশে সেসবের ফিডব্যাক পাচ্ছে জামায়াত শিবির।
তাছাড়া অভ্যুত্থান পরবর্তী তাদের পজিটিভ রাজনীতিও মানুষকে মুগ্ধ করেছে। এছাড়া সাধারণ মানুষের বড় অংশ বিশ্বাস করে হাসিনাকে তাড়ানোর পিছনে শিবিরের মেধা ও সাহস অনেক বেশি কাজ করেছে।
অভ্যুত্থান উত্তর দেশে শিবির যত ধরণের নান্দনিক, গুরুত্বপূর্ণ, সময়োপযোগী কাজ করেছে তাতে ছাত্র-জনতার ভেতর অনেক আস্থা তৈরি করেছে। আপনি অন্ততপক্ষে এই বিষয়ে শিবিরের প্যারালাল দেখাতে সক্ষম হবেন না।

সেজন্য শুধু বিএনপির অল্টারনেটিভ হিসাবে জামায়াত শিবিরকে ছাত্রজনতা সমর্থন দিচ্ছে বিষয়টা পুরোপুরি সত্য নয়। তবে অনেকাংশে সত্য। আবার সেই নির্ভরতা ও আস্থাও জাশি দেখাতে পারছে।
8550018
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

১২ আগ, ২০২৬, ১২:৫৬

বাঙলাদেশী জাতীয়তাবাদী,বাংলাদেশপন্থী তোরা কেমনে ক্ষুদিরাম কে সেলিব্রেট করিস ভাই?
সে তো বো*মাবাজি করেছিলো তোদের এই বাঙলা যেনো আলাদা দেশ না হতে পারে সেজন্য। তাও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে অন্যদের হ*ত্যা করে।
বাঙলা যেনো ভাগ না হয় অর্থাৎ বাঙালি মুসলমান যেনো হিন্দু জমিদারদের কাছে বন্দি থাকে সেজন্য ছিলো তার এই বো*মাবাজি।

খোদ আজকের বাংলাদেশ তৎকালীন পূর্ব বাঙলার আরো স্পেসিফিক বললে ঢাকার হিন্দু জমিদার বাড়ি গুলোর সামনে দিয়েও কোনো মুসলমান জুতা পায়ে, মাথার উপরে ছাতা নিয়ে হেটে যেতে পারতো না। এর জন্য শাস্তি পেতো হতো।
ঢাকার ওয়ারীতে বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরি বাস করতো যার নামেই আজকের বলধা গার্ডেন। জাস্ট ইমাজিন করো এই ওয়ারীতে এক সময় মুসলিম প্রবেশ প্রায় নিষিদ্ধ ছিলো।

তোদের দাদা ও পরদাদাদের দাঁড়ি রাখতেও কর দিতে হতো ব্রাহ্মণ্যবাদী জমিদারদের। ইতিহাস না জানা হতভাগারা।

স্কুল কলেজ গুলো তে শুধু মুসলিম হওয়ার কারণে পিছনের বেঞ্চে জায়গা হতো পেয়াজখেকো মুখে গন্ধ এইসব অজুহাতে।

বাপ-দাদাদের শ*ত্রুকে তোরা মাথায় তোলা পাবলিক।
5620016
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৩ আগ, ২০২৬, ১১:২৬

বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়। এটা বাস্তবতা।
দলীয় লোকদের সুবিধা ও জনগণের কিঞ্চিৎ একটা অংশের ভোটের স্বার্থে প্রণয়ন ফ্যামিলি কার্ড প্রজেক্ট ফেল করবে।

কাকে কাকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে মানে শুধু এই হালনাগাদের জন্যই ২ হাজার কোটি টাকা খরচ করতেছে সরকার। এরপর নিয়মিত কিছু মানুষকে নগদ টাকা প্রদান।

এই টাকা টা সরকারের কাছে আসবে কোথা থেকে? যেখানে দেশে হজারো সংকট, ঋণগ্রস্ততা।

এই যে বিদ্যুৎ বিল ডাবল করে দিচ্ছে,গ্যাস,তেল, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি আরো সব নাগরিক সুবিধা পেতে বিঘ্ন ঘটানো হচ্ছে। এটার রেশ পড়বে পুরো জাতির উপরে।
ক্ষোভ জমা হবে সবার বুকে কতিপয় চামচা গুলো ব্যতীত। এই ভুল হাসিনাও করতো শুধু নিজেদের কল্যাণ।

যা ভালো লাগে করেন। মানুষের কিন্তু হাত,মুখ খুলে গেছে এইটা মাথায় রাইখেন শুধু।
621007
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

৩১ জুল, ২০২৬, ১৩:৪৬

বাংলাদেশ একটা দাবার বোর্ডের নাম।
আর সেই বোর্ডের গুটি সবাই। শুধু সাধারণ জনগণ নয় খোদ মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত গুটি হিসাবে ব্যবহার হয়ে যায়।
সেখানে যখন তখন যে কেউ গুটি হিসাবে ব্যবহার হয়ে যাবেন বুঝতেই পারবেন না।

আমাদের কাছে মনে হচ্ছে বিএনপি জামায়াত-এনসিপি কে নিয়ে খেলতেছে।
কিন্তু গভীরভাবে খেয়াল করে দেখলে মনে হচ্ছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি এই ৩ টা দল নিয়ে আড়াল থেকে অন্য কোনো শক্তি খেলতেছে।

যতদিন না লীগরে রাজনীতিতে এন্ট্রি করানো যাচ্ছে এই খেলা দিনে দিনে ততই চরমে উঠবে।

এদেশের এস্টাবলিশমেন্টের বড় অংশ এখনো লীগের দখলেই আছে। এই জায়গা ধ্বংস করতে না পারলে দেশে ন্যূনতম স্থিরতা পাবেন না।
532009
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

২৮ জুল, ২০২৬, ১৯:৩৫

আচ্ছা একটু ভিন্নভাবে ভাবুন তো। জামায়াতের এমপিদের গাটস্ নিয়ে অনেক আলাপ তো হচ্ছে চারিদিক।
বর্তমান জামায়াতের এই এমপিগুলোই ফ্যাসিস্ট আমলে বুক চিতিয়ে লড়াই করা মানুষ। প্রায় সবাই বারবার কারাবরণ করেছেন।
তারা এটাও জানে তাদের কর্মীরা সবচেয়ে ডেডিকেটেড। সমুদ্রে ঝাপ দিতে বললেও দিয়ে দিবে।
তবুও কেনো এমপিরা এমন ক্ষমতা প্রদর্শনে পিছিয়ে আছে?

এমপি হিসাবে না তারা তো জেলা আমির, থানা আমির হিসাবেই অনেক শক্তিশালী ভূমিকা রাখার কথা তাই না?

আমার কাছে দুইটা বিষয় মনে হয়।

১.সম্ভবত জামায়াত তাদের দলীয় এমপিদের পলিসি এভাবেই নির্ধারণ করে দিয়েছে।
জামায়াত সরকারের সাথে এখনই কনফ্লিক্টে যেতে চায় না। তাদের আসন গুলোতে বেশকিছু কাজ উদ্ধার করে নেওয়ার জন্য।
দিনশেষে জনগণ এলাকার উন্নয়নের হিসাব একটু হলেও করবে।
৪ বছর হয়তো এমনই পদ্ধতি ফলো করতে পারে। হয়তো শেষ বছর প্রতিবাদ, লড়াই করে আবারও জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে যাতে দুই দিকই বজায় থাকে।

২. জামায়াত বিএনপি, লীগের মতো শুধুমাত্র বুর্জোয়া, জাগতিক স্বার্থবাদী রাজনৈতিক দল নয়। তারা একটি নির্দিষ্ট মূল্যবোধ ভিত্তিক রাজনীতির কথা বলে, সমাজ-রাষ্ট্রের কথা বলে।
তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে, উচ্ছৃঙ্খল রাষ্ট্রীয় জীবনে শৃঙ্খলার রাজনৈতিক উদাহরণ হতে।
তারা সেক্যুলার ও চলমান বুর্জোয়া রাজনীতি কে মোকাবিলা করতে চাচ্ছে আদর্শভিত্তিক পন্থায়।
যেইটা আসলে বাংলাদেশে খাপ খাচ্ছে না।

দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র, জনগণ এখনো নীতি-নৈতিকতা কিংবা ভদ্রলোকের রাজনীতি ডিজার্ভ করে না কিংবা গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। জামায়াতের মাইনাস পয়েন্ট এখানেই।

এখন সমাধান কি?
5010013
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

১৬ জুল, ২০২৬, ১৬:৫০

Video
গভীর বিষন্নতার সমাধান...
500003
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০৪ জুল, ২০২৬, ১৫:৫০

জামায়াত বাংলাদেশের বিরোধীদল অর্থাৎ ক্ষমতার দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। সরাসরি সুপ্রিম ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কম্পিট করতেছে।
এই বিষয় টাকে ইন্ডিয়া কিভাবে দেখছে? তার অখন্ড ভারত স্বপ্নের সামনে সেইটা কতটা হুমকিস্বরূপ।
এই বিষয় টাকে প্যান-ইসলামিজম ধারণা কে মোকাবিলা করা,ধ্বংস করতে চাওয়া অন্যান্য দেশ, শক্তিগুলো কিভাবে রিড করতেছে?

শুনুন, আপনারা যারা জামায়াত ইসলামিকে ফতোয়া দিতে ব্যস্ত আছেন। জামায়াতের আক্বিদা কি? জামায়াত কতটা সুফিদের দল? কতটা শরিয়া আইন চায় কিংবা জামায়াত বিরোধী দল হিসাবে কতটা পারফেক্ট ইত্যাদি।
এগুলো আমার আপনার কনসার্ন হলেও সারা দুনিয়ার আ*ধিপত্যবাদী, সা*ম্রাজ্যবাদী, ঔ*পনিবেশিক শক্তি গুলো এসব দিয়ে বিন্দু মাত্র ইসলামি শক্তিগুলোকে জাজ করে না।
তারা পরিপূর্ণভাবে খেয়াল রাখে জামায়াত অর্থাৎ ইসলামপন্থী শক্তিগুলো কোন কোন ভূখন্ডে কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠছে। কোন দেশে ক্ষমতার কাছাকাছি চলে গেছে সেগুলো তাদের মৌলিক কনসার্নের বিষয়।
সেই গতিবিধি অনুযায়ী তারা পরিকল্পনা করে ও বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালায়।

আপনার চিন্তা, দর্শন অনুযায়ী এবার জামায়াত নিয়ে আপনার স্টান্ড কি হবে নিজেই ঠিক করুন। জামায়াতে যোগ দেওয়াটা এক্ষেত্রে মূখ্য হবে না।
7380019
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ১৪:৫৯

শহীদ উসমান হাদি ছাড়া আমাদের আপাতত কোনো রাজনীতি নেই,কালচার নেই, আনন্দ নেই,বেদনা নেই,দেশ নেই,সভ্যতা নেই,আলো নেই,আন্দোলন নেই,ভবিষ্যৎ নেই।

আমরা হাদিতেই মুগ্ধ, মগ্ন,বিভোর,মোহিত, বিষ্মিত,একাগ্র।
8560024
Masud Rana Sagor logo
Masud Rana Sagor

০১ মার্চ, ২০২৬, ১৩:৩৩

ইরাককে ধ্বংস করা হলো।
বাঙ্গু মুমিন- সাদ্দাম হোসেন খারাপ শাষক ছিলো।

আফগানিস্তান ধ্বংস হলো।
বাঙ্গু মুমিন- আলহামদুলিল্লাহ, সব খারেজি জ'গি খতম হবে।

লিবিয়াকে ধ্বংস করে দিলো।
বাঙ্গু মুমিন- গাদ্দাফি স্বৈরাচার ছিলো।

লেবানন ধ্বংস হলো।
বাঙ্গু মুমিন- সব দোষ হিজবুল্লার

ফিলিস্তিন শেষ হয়ে গেলো।
বাঙ্গু মুমিন- সব দোষ হামাসের, কি দরকার ইস'রায়েলের সাথে লড়াই করার।

ইয়েমেন ধ্বংস হলো।
বাঙ্গু মুমিন- সব দোষ হুথিদের।

মিশরের পতন হলো।
বাঙ্গু মুমিন- প্রেসিডেন্ট মুরসি বোকা শাষক ছিলো।

ইরানের পতন হচ্ছে
বাঙ্গু মুমিন- আলহামদুলিল্লাহ শিয়ারা জাহান্নামে যাচ্ছে।

পাকিস্তান ধ্বংস হবে
বাঙ্গু মুমিন- আলহামদুলিল্লাহ মুরতাদ ধ্বংস হবে।

তুরস্ক ধ্বংস হবে
বাঙ্গু মুমিন- আলহামদুলিল্লাহ, নাস্তিকরা তার প্রাপ্য বুঝে পাবে।

পশ্চিমারা যখন একটা একটা করে মুসলিম দেশ ধ্বংস করছিলো, বাঙ্গু মুমিনরা তখন সেই দেশের নেতিবাচক দিক প্রচার করে তাদের বিরুদ্ধে ফতোয়া দাড় করানোয় ব্যাস্ত ছিলো। কিন্তু পশ্চিমারা এসব নেতিবাচক দিক খুঁজেনি, হামলার জন্য তাদের মুসলিম পরিচয়ই যথেষ্ট ছিলো।

পশ্চিমারা একটা একটা করে দেশ ধ্বংস করেছে, বাকি মুসলিম দেশগুলো বসে বসে পপকর্ন খেয়ে সেই ধ্বংসযজ্ঞ উপভোগ করেছে। এমনকি অনেক মুসলিম দেশ পশ্চিমাদের সাহায্যও করেছে।

সব তো শেষ, সামনে বাংলাদেশের পালা, নিজের বেলায় কি ফতোয়া দেবেন? সবার ধ্বংস তো উপভোগ করলেন, এবার আপনারে কে বাঁচাবে?

©অনির্বাণ
1,7900033

Showing 30 of 35 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Masud Rana Sagor টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Masud Rana Sagor (@shekhmasudrana) tgdio-এ রাজনীতি ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ১,৩৩০ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Masud Rana Sagor (@shekhmasudrana) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @shekhmasudrana-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Masud Rana Sagor কি ভালো রাজনীতি চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Masud Rana Sagor-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ১,৩৩০ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই রাজনীতি চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Masud Rana Sagor-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @shekhmasudrana পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।