আমি লুবনাকে কোলে করে রুমে নিয়ে আসলাম। আসতে করে ওকে আমার বেড এ সুইয়ে দিলাম। একটু দূরে সরতে গেলেই ও আমার গলা টেনে ধরে। বলে যে আমাকে জড়িয়ে রাখো। কী আর করা। বেড এ নগ্ন গায়ে দুই মানব মানবী জরাজরি করে একজন আরেক জনের উষ্ণতা অনুভব করতে লাগলাম।
লুবনা: (বুকে আঙুল দিয়ে আঁকিবুকই করতে করতে) তুই আমার বড় ভাই না হলে ভালো হতো। তোকে বিয়ে করে সারাজীবনের জন্য নিজের করে রাখতাম।
আমি: বিয়ে না করতে পারলেও তুই সারা জীবনের জন্য আমার। আমি তোর প্রথম ছিলাম থাকবও সব সময়।
লুবনা: ইস! তোর বিয়ে হয়ে গেলে তোর বউ তোকে দিবে আমাকে আদর করতে!?
আমি: দেবে না কেন! বউ কে জানিয়েই বা আদর কেন করতে হবে হু?
লুবনা: তুই বউ এর সাথে সেক্স করে আমার সাথে আবার করবি।
আমি: কেন করব না!? যখনই তোর ভাইয়ের আদর দরকার হবে তখনই পেয়ে যাবি।
এটা শুনে লুবনা আরও কাছে সরে আসলো। ঠোঁট এ ঠোঁট রেখে কামনাময় কিস দেওয়া শুরু করলো। আমিও সেই আহ্বানে সারা দিয়ে লুবনার পরিচিত শরীরে হাত বুলাতে লাগলাম। ওর দুধ পাছা কোনো কিছুই বাদ যাচ্ছে না। সারা শরীর ওর ঘামে ভিজে মিষ্টি গন্ধ হয়ে আছে। আমি লুবনা কে জিজ্ঞাস করলাম তোর শরীর কতটা আমাকে চায়? লুবনা বলল নিজেরই বুঝে নাও না। লুবনা নিজেই আমার এক হাত তার পুষিতে নিয়ে গেলো। লুবনার পুসি আবার নতুন করে জোয়ার নিয়ে এসেছে। যৌবনের জোয়ার। আমি লুবনার কানে কানে বললাম যে “আই ওয়ান্ট টু টেস্ট ইউ।” ও আমাকে বলে যে “অল ইয়োর্স।” আসতে আসতে ওর ঠোঁট থেকে আদর করতে করতে গলায় নামলাম। সেখান থেকে চাটতে চাটটি বুকে। বুকের দুই পাশে দুই বোটাতে ঠোঁট বুললাম। লুবনার সারা শরীরে শিহরন খেলে গেলো। আস্তে আস্তে বুক থেকে নাভিতে গিয়ে ঠেকলাম। লুবনার গভীর গোল একটা নাভি। শাড়ি পরার সময় যে কোন ছেলের কামনার বিষয় হয়ে দাড়ায়। নাভিতে গিয়ে জিহ্বা দিয়ে আদর করে দিলাম। তার পরে আসতে আসতে আরও নিচে নামতে থাকলাম। সেই আকাঙ্ক্ষিত স্থান। পুসি এর কাছাকাছি আসতেই লুবনার পুসি এর সেই চির চেনা ঘ্রাণ নাকে লাগলো। হালকা কালো লোমের ভিতরে হালকা গোলাপী। লুবনার রসে মাখামাখি হয়ে আছে। অন্ধকারে না দেখতে পেলেও গন্ধ তার অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে। পুষির কাছে যেতেই লুবনা মাথার চুল ধরে পুসিতে চেপে ধরলো আমার মুখ। আমিও লুবনার দুই পা আমার কাঁধের উপরে তুলে নিয়ে আস্তে আস্তে পুষির বাইরের অংশ এর স্বাদ নিতে থাকলাম। সেই আগের ইনোসেন্ট পুসি আর নেই এটা। এ কয় বছরে ভাইয়ে আদরে পরিপক্ব একটা সেক্স মেশিন হয়ে গেছে যেন। আস্তে আস্তে বাহিরের দিকে বাদ দিয়ে ভিতরে খাওয়া শুরু করলাম। লুবনা দুই হাত দিয়ে তার পুসি









