RRTI Telegram channel photo

115

Last views

1.2k (1,192 subscribers)
সদস্য
—
Rating
41
Total Posts
Oct 16, 2026, 7:01 AM
আপডেট হয়েছে
Apr 14, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameRRTI
Username@rrtiiqbal
Categoryনিউজ আপডেট এবং সংবাদপত্র
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য1,192
Channel TypePublic Channel
Created১৪ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated১৬ অক্টো, ২০২৬ • ৬ দিন আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#304452-665
ভাষার র্যাঙ্কিং
#708-1
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#4095-5

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 1.2K30 Days growth: -151.2%
09/1709/2209/2710/0210/0710/1210/16
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
17:09:20261,207
18:09:20261,204
19:09:20261,204
20:09:20261,204
21:09:20261,204
22:09:20261,204
23:09:20261,204
24:09:20261,204
25:09:20261,204
26:09:20261,204
27:09:20261,204
28:09:20261,204
29:09:20261,204
30:09:20261,204
01:10:20261,204
02:10:20261,204
03:10:20261,204
04:10:20261,204
05:10:20261,204
06:10:20261,204
07:10:20261,204
08:10:20261,204
09:10:20261,204
10:10:20261,204
11:10:20261,204
12:10:20261,204
13:10:20261,204
14:10:20261,204
15:10:20261,204
16:10:20261,192
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 13:04:20261,281
Week of 20:04:20261,281
Week of 27:04:20261,267
Week of 04:05:20261,267
Week of 11:05:20261,267
Week of 18:05:20261,256
Week of 25:05:20261,256
Week of 01:06:20261,256
Week of 08:06:20261,256
Week of 15:06:20261,256
Week of 22:06:20261,256
Week of 29:06:20261,247
Week of 06:07:20261,247
Week of 13:07:20261,247
Week of 20:07:20261,247
Week of 27:07:20261,247
Week of 03:08:20261,247
Week of 10:08:20261,247
Week of 17:08:20261,228
Week of 24:08:20261,228
Week of 31:08:20261,216
Week of 07:09:20261,207
Week of 14:09:20261,204
Week of 21:09:20261,204
Week of 28:09:20261,204
Week of 05:10:20261,204
Week of 12:10:20261,192
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20261,281
May 20261,256
June 20261,256
July 20261,247
August 20261,216
September 20261,204
October 20261,192
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20261,192

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1আসসালামু আলাইকুম,622
  2. #2ইউনুস ম্যাজিক 🔥536
  3. #3Post #2426522
  4. #4আমাদের মগজ ও হৃদয়ে ক্রিকেটকে দেশ প্রেমের সাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয503
  5. #5আল্লামা ইকবাল ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন নবী মুহাম্মদ স. এর সাথে সাক্ষাৎ।432
  6. #6সাদি মুহম্মদ একজন মুসলিম ছিলেন। আমরা দেখলাম তাঁর মৃত্যুতে আগুনের পরশমণ427
  7. #7বিএনপি যে সরকার গঠন করলো সেটাও সংবিধান পরিপন্থী ঢাবির শিক্ষিকা কি এই ই423
  8. #8আপাতত পুরাতন বই নিয়েই আছি ! তবে নতুন বই এর অপেক্ষায়! বইগুলো পাওয়া যা405
  9. #9Post #2435403
  10. #10Post #2446390

সাম্প্রতিক পোস্ট

RRTI logo
RRTI

২২ সেপ, ২০২৬, ১১:০৭

Photo1/2
International Conference on Knowledge Integration and Educational Leadership (ICKIEL) 2026

Venue: Ahsanullah University of Science and Technology (AUST).

Join us and be part of this international academic gathering!

Registration link: https://forms.gle/v3WEhrbwjCTPrcdGA

Registration Deadline: 27 September 2026

#ICKIEL2026 #BIIT #USIM #AUST #InternationalConference
115000
RRTI logo
RRTI

০৬ সেপ, ২০২৬, ২০:৪৭

Photo1/2
আওয়ামীলীগ কি ধীরে ধীরে দেশ বিরোধী হয়ে উঠতেছে? জুলাই গণহ-ত্যার পর তাদের বেপরোয়া হয়ে ওঠা আমাকে একদম ভাবায় না। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিজেদের অর্জন দাবি করে তারা দেশ বিরোধী ন্যাচারে পুরোপুরি প্রবেশ করতেছে। তারা আর কাউকে রাষ্ট্রের কর্তা সত্তার ভূমিকায় থাকতে দিতে চায় না। শেখ হাসিনা অনেক বার বলেছে এই দ্যাশ আমার বাবা স্বাধীন করেছে তাই এই দ্যাশ আমার।

রাষ্ট্রের কর্তা সত্তার ভূমিকায় যাওয়ার জন্য লীগ কি দিল্লি, রাশা ও স্রাইলের কাছে সাহায্য চাইবে? আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের থেকে এর আগে অনেক বক্তব্য পাওয়া গেছে যেখানে তারা ভা*রতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে। ইন্টেরিমের সময়ে তারা বার বার জুলাই পন্থীদের ভয়ও দেখিয়েছে।

আপনার কাছে এই ধরনের বক্তব্য যতই হাস্যকর হোক না কেনো, লীগ রাষ্ট্রের কর্তা সত্তার আসনে ফিরতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে। জুতা চেটে হলেও, দেশের মাটি বেঁচে হলেও রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল করতে চাইবে।

তবে জুলাই পন্থীরাও বসে থাকবে না। মনে রাইখেন তারানায়ে হালিম আপা!

#July #JusticeForHadi #July2024 #NCP #BNP
191000
RRTI logo
RRTI

০৬ সেপ, ২০২৬, ০৪:৩৫

Photo
২১ এপ্রিল বটতলায় আপনিও আমন্ত্রিত।
294004
RRTI logo
RRTI

০৬ সেপ, ২০২৬, ০৪:৩৫

Photo
এসব ফিরে আসা মানে জুলাইকে ব্যর্থ হিসেবে দেখানো। জুলাই ছিল শহীদ আর আহত গাজিদের উপহার। আমরা সেই জুলাই হেফাজত করতে সক্ষম হইনাই। যাদের জন্য জুলাই ব্যর্থ হয়েছে তাদের জীবন যাপন দেইখা মরতে চাই।
343004
RRTI logo
RRTI

০১ সেপ, ২০২৬, ১০:২৮

Photo1/2
Join us for an engaging discussion on “The Road to Rohingya Repatriation: The Role of Bangladesh and Global Stakeholders” with veteran humanitarian and development professional Fadlullah Wilmot.
📅 1 September 2026 (Tuesday)
🕔 5:00–6:00 PM
📍 Hall Room, BIIT, Uttara, Dhaka
213001
RRTI logo
RRTI

২৩ জুল, ২০২৬, ২২:৫০

Photo1/2
লাল জুলাই আইসা পড়ছে❤️

📕 কাঁটাবন কনকর্ড, বাতিঘর ও রকমারিতে পাওয়া যাবে!

📌 বুক রিভিউর প্রথম ২০ জনের জন্য থাকছে বই উপহার।
Rokomarilink
ইকবাল, ফুকো ও জুলাই বিপ্লব: আবদুল কাদের জিলানী - Iqbal, Foucault and July Revolution: Abdul Kader Zilani | Rokomari.com https://share.google/AamWqgn73WjdsEyfF
377007
RRTI logo
RRTI

০১ জুল, ২০২৬, ১০:২৯

সাদি মুহম্মদ একজন মুসলিম ছিলেন। আমরা দেখলাম তাঁর মৃত্যুতে আগুনের পরশমণি গান গাওয়ার হলো ।

এরপর রবীন্দ্র কালচার ঘিরে প্রতিষ্ঠিত ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সভাপতি সানজিদা খাতুনের মৃত্যুর পর ঘন্টা খানেক ধরে তার লাশকে ঘিরে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া হলো। শত শত ভক্তরা সানজিদা খাতুনের লাশ সামনে নিয়ে বিদায় জানালেন। ১৯৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হয়। ষাটের দশকে বেতার ও টেলিভিশনে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কলিম শরাফী ছায়ানট গড়ে তোলেন যেখানে সুফিয়া কামালকে সভাপতি এবং ফরিদা হাসানকে সম্পাদক করেন। প্রথমদিকে গান শেখানোর পশাপাশি গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। তবে ১৯৬৪ সালে, বাংলা ১৩৭১ পহেলা বৈশাখ রমনায় নববর্ষ পালন করে ছায়ানট । এরপর ধীরে ধীরে হিন্দু কালচারের প্রতিটি অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে উদযাপন করা হয় । যে কোন উদযাপনে রবীন্দ্র সংগীত উপজীব্য করে কালচারাল কার্যক্রম মূলত কালচারাল প্রভুত্বের শামিল। তাই ছায়ানট অনুরাগীরা রবীন্দ্র সংগীত কেন্দ্রিক যে কালচারের হর্তা কর্তা তা মূলত রাবিন্দ্রিক কাল্ট।

মোস্তফা মনোয়ার ছিলেন গোলাম মোস্তফার ছেলে। গোলাম মোস্তফা ছিলেন মুসলিম জাগরণের অন্যতম কবি। রাসূল স. এর উপর তাঁর লেখা বিশ্বনবী ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় জীবনী। গোলাম মোস্তফার "ইসলাম ও কমিউনিজম", "আমার চিন্তাধারা" ছিল তাঁর গভীর চিন্তার ফসল। চল্লিশের দশকে যারাই ইসলাম ও মুসলিম সাংস্কৃতির পক্ষে ছিলেন তাদের সন্তানরা একাত্তর পরবর্তী সেকুলার ও বামপন্থী রাজনৈতিক দর্শনের সাথে যুক্ত হন। যেমন আবুল হাসিম, আবুল মনসুর আহমদ, ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ যাদের সন্তানরা বাবার চিন্তার বিপরীতে রাজনৈতিক বয়ান উৎপাদন করেন। মোস্তফা মনোয়ারের মৃত্যু পরবর্তী তার লাশ ঘিরে দিজেন্দ্রলাল রায়ের গান গাওয়া হলো। মোস্তফা মনোয়ার একজন গুণী শিল্পী ছিলেন। গত মাসে এক পোডকাস্টে কুরআন নিয়ে কথা বলতে দেখেছিলাম। তিনি হয়তো শেষ জীবনে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।

উনিশ শতকে রাজা রামমোহনের(১৭৭২-১৮৩৩) হাত ধরে হিন্দু ধর্মের বাইরে গিয়ে নতুন ধর্ম চিন্তার কথা ভাবা হয় । এই উনিশ শতকেই বঙ্কিমের(১৮৩৮-১৮৯৪) হাতে নতুন ধর্মের রূপ তৈরি হয় । যা পরবর্তীতে দেশ ভক্তিতে রূপ নেয় । ধর্ম অর্থাৎ দেশ সেবা এবং ঈশ্বর অর্থাৎ দেশ এই মন্ত্রে হিন্দু জাতীয়তাবাদ প্রচার ও প্রসার করল । এরমধ্যেই রবীন্দ্রনাথের(১৮৬১-১৯৪১) জন্ম । রবীন্দ্রনাথ নাথ ,স্বামী ও প্রভু সম্বোধনে গান লিখেছেন । তবে তার গানে ভিন্ন ভিন্ন অনুষঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে । কখনো আকুতি কখনো বাসনা কখনো করুনা প্রকাশ পেয়েছে । আরো গভীর পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় এসবের পেছনে বেদ ও উপনিষদের প্রভাব রয়েছে প্রকট ।

মোটের উপর বলতে গেলে বাংলাদেশে যে রবীন্দ্র কালচার তা মূলত কাল্ট হিসবে প্রচার ও প্রসার হচ্ছে । যা বাংলাদেশের মুসলমানদের মনস্তত্ব ও আচারে ধীরে ধীরে গেথে যাচ্ছে । এক সময় এদেশের মুসলিমদের ধর্মচর্চার সাথে রাবিন্দ্রিক কাল্ট অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছি।
ব্যক্তি ,সমাজ ও রাষ্ট্রে যা নিছক সংস্কৃতি ও সভ্যতা সমপর্যায়ের বললে ভুল হবে না। ধরেন আপনি রাবিন্দ্রিক কালচার বয়কট করলেন তার মানে এই নয় যে এই কালচার বিলুপ্ত হয়ে যাবে । যারা বিরোধীতা করছে বরং তারাই রাষ্ট্রের মূল ধারায় প্রান্তিক হয়ে যাচ্ছে । আর দিন দিন এটা আরো প্রবল হয়ে উঠবে বলে মনে হচ্ছে । চারুকলা ,ছায়ানট ,সংগীত ইনস্টিটিউট, শিল্পকলা, একাডেমি এসব মূলত রাবিন্দ্রিক কালচারের কেন্দ্র পর্যায়ের। তবে এই কালচার সমাজ ও রাষ্ট্রের সাথে যে সমন্বয় ঘটিয়েছে তাতে স্রেফ রাবিন্দ্রিক কালচার আর কালচার পর্যায়ে নাই তা এখন সভ্যতা পর্যায়ভুক্ত । এখানে সেক্যুলারিজম খুব গুরুত্বের সাথে কাজ করছে । এখানে আগুনের পরশমণি অথবা ধনধান্যে পুষ্পভরা গান গেয়ে যে কালচার তার উদ্দেশ্য অভিন্ন। রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্মণ্য ধর্ম, মানব ধর্ম অথবা সেক্যুলার ধর্মের ধর্ম গুরু এটা কম প্রাসঙ্গিক । এখানে তার চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হচ্ছে রবীন্দ্র সভ্যতা যারা হুমকি মনে করছে তাদের সভ্যতা নির্মাণের খোরাক কি !

এই রাবিন্দ্রিক কালচার মোকাবিলায় আপনার রসদ কি ? অথবা আপনি কি ধরনের সংস্কৃতি ও কালচার দিয়া রাবিন্দ্রিক কাল্ট মোকাবিলা করবেন ? রাবিন্দ্রিক কাল্ট বিরোধীতার চেয়ে নিজেদের চিন্তা ও দর্শনের পুনর্গঠন জরুরী । আপনি কারো পিছে পড়ে থাকলে কখনোই সামনে পৌঁছাতে পারবেন না । তাই নিজস্ব চিন্তার যথাযথ মূল্যায়ন করে সংস্কৃতি ও সভ্যতার পাটাতন তৈরি ছাড়া এদেশের মুসলিমদের রাবিন্দ্রিক কাল্ট থেকে মুক্তি মিলবে না । জুলাই যে বিপ্লবের স্পিরিট তৈরি করে গেছে সেই স্পিরিট ধারণ করে একটা কালচার গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সকল শহীদ ও যোদ্ধাদের লাল সালাম। জুলাই মোবারক।
427004
RRTI logo
RRTI

২৭ জুন, ২০২৬, ২১:৪৮

Video
324000
RRTI logo
RRTI

২৭ জুন, ২০২৬, ২১:৪৮

কোন যুক্তিতে আওয়ামীলীগকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে- সারা হোসেন

১। সারা হোসেন জানেন না হাসিনা সরকার ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা অফিসার হত্যাকাণ্ড দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন ।

২। সারা হোসেন জানেন না ২০১৩ সালের ৫ ই মে হেফাজত কর্মীদের উপর হাসিনা সরকার ক্রাকডাউন করে নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছিল । রাতের অন্ধকারে ধর্মপ্রাণ মানুষের উপর বর্বর হামলার মাধ্যমে শাপলা চত্ত্বর রক্তাক্ত করেছিল। সেই সময়ে শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে শাপলা চত্বরের ক্রাকডাউন নিয়ে মিথ্যাচার করে বলেছিল "সেদিন হেফাজত কর্মীরা রঙ মেখে শুয়ে ছিল"।

৩। সারা হোসেন জানেন না জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় পরবর্তী জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মীদের উপর ক্রাকডাউন চালিয়েছিল স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জামায়াত নেতাদের জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করে হাসিনা ফ্যাসিবাদের সূচনা করেছিল।

৪। সারা হোসেন জানেন না ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীরা কিভাবে রাষ্ট্রের পুলিশের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন।

৫। সারা হোসেন জানেন না ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসিনার জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনী দিয়ে স্কুলের বাচ্চাদের রক্তাক্ত করা হয়েছিল ।

৬। সারা হোসেন জানেন না ২০১৯ সালে বুয়েট সোনার ছাত্রলীগ ফেসবুকের একটি পোস্ট কেন্দ্র করে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল ।

৭। সারা হোসেন জানেন না মুজিব শত বর্ষে ভাস্কর্য আর সৌন্দর্য বর্ধনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়। মা ক্ষুধার যন্ত্রনায় নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছিল; অন্যদিকে মুজিবের ভাস্কর্য নির্মানের পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফ্যাসিবাদী সরকার।

৮। সারা হোসেন জানেন না এমপি-মন্ত্রী, মেয়র , কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, মেম্বর থেকে প্রতিটি রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ত্রাণ ও টাকা চুরির পাশাপাশি করোনায় সময় টিকা বানিজ্য করেছিল।

৯। সারা হোসেন জানেন না ২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ নির্বাচনে রাতে ভোট ডাকাতি; দিনের ভোট রাতের মাধ্যমে, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছিল ।

১০। সারা হোসেন জানেন না জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দশ, পাঁচ, দুই, এক বছর মেয়াদে গুম থাকার পর অনেকেই মুক্তি লাভ করেছিল। এখনো শত শত মানুষ গুম আছে। যাদের খবর তাদের পরিবারের জানা নেই। সারা হোসেনের কাছে গুমের অপরাধ অপরাধ না।

১১। জুলাইয়ে ১৪০০ শহীদের রক্তে একটা রক্তাক্ত গণহত্যার ইতিহাস লেখা হয়েগিয়েছে। সারা হোসেনরা জানেন না এই গণহত্যা, এই রক্তের নেশা কার ছিল!

হাসিনা গোটা দুনিয়ার সামনে তার উন্নয়নমূলক ফ্যাসিবাদ পবিত্র ও কল্যাণকর হিসেবে প্রচার করেছিল। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কাছে পরাজিত হয়ে ৫ ই আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যায়। এখন চলছে লীগ পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া। তবে কালচারাল ফ্যাসিস্ট, সুশীল, বুদ্ধিজীবি, নারী সিম্পাথি সহ নানা ধরনের রূপ ধরে লীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তবে গণহত্যার অভিযোগ কাঁধে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগের পুনরুজ্জীবন অসম্ভব বলে মনে করি।
307001
RRTI logo
RRTI

২০ জুন, ২০২৬, ১৮:২৮

Photo1/2
258004
RRTI logo
RRTI

২০ জুন, ২০২৬, ১৮:২৬

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ১৭ জুন যুগান্তর-এ প্রকাশিত “কালচারাল রোডম্যাপ” নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। এ ধরনের আলোচনা আমরা প্রায়ই করে থাকি। দিল্লি ও আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডা আমাদের কাছে বহু আগেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যখন ‘কালচারাল ফ্যাসিজম’; এর ন্যারেটিভ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন, তখন বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। ফারুকীর বক্তব্য আরও একটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ; তিনি জুলাইয়ের স্পিরিটকে ধারণ করার চেষ্টা করেছেন। সেই সূত্র ধরেই আলোচনা শুরু করা যাক।

ফারুকী বলেছেন, কোনো দেশকে দীর্ঘমেয়াদে উপনিবেশে পরিণত করতে চাইলে প্রথমে তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হয়। আমার মতে, আওয়ামী লীগ ও দিল্লির যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে এই কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যে যত ধরনের রাজনৈতিক ও আদর্শিক উপাদান প্রবেশ করানো সম্ভব ছিল, তার প্রায় সবই করা হয়েছে। এই কাজে আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবীরা যুগের পর যুগ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও মুজিব-কাল্টকে ধর্মের কাছাকাছি, কখনো কখনো ধর্মের চেয়েও পবিত্র কিছু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মানুষকে বোঝানো হয়েছে যে আওয়ামী লীগের পবিত্রতার উৎস ১৯৫২, ১৯৬৯ ও ১৯৭১। ফলে গত পঞ্চান্ন বছর ধরে সমাজের একটি বড় অংশ এই পবিত্রতার বয়ানের মধ্যে নিমজ্জিত থেকেছে। খুব কম মানুষই নিজেকে প্রশ্ন করেছে; আসলে একটি রাজনৈতিক দল কীভাবে ধর্মীয় পবিত্রতার সমতুল্য হয়ে উঠতে পারে?

মানুষের মগজধোলাইয়ের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দক্ষতা ছিল অসাধারণ। তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসচর্চা যেন ১৯৭১, ১৯৬৯ কিংবা সর্বোচ্চ ১৯৫২ পর্যন্ত গিয়ে থেমে যায়। এর আগের ইতিহাস যেন তাদের কাছে গুরুত্বহীন। বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক অভিনয় নয়; বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি বুদ্ধিবৃত্তিক নির্মাণ। আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা এমনভাবে ইতিহাসকে নির্মাণ ও প্রচার করেছেন যে মানুষ অজান্তেই সেই বয়ান গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের দিকে তাকালেও একই চিত্র দেখা যায়। কয়েক দশক ধরে এই ক্ষেত্রের বড় অংশ আওয়ামী রাজনৈতিক আধিপত্যের মধ্যে বেড়ে উঠেছে। তাদের কাছে একটিই চশমা ছিল; যার নাম ‘প্রগতিশীলতা’; আর সেই প্রগতিশীলতার সংজ্ঞাও নির্ধারিত হতো আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে। ফলে আওয়ামী লীগের বাইরে অবস্থানকারী প্রায় সবাইকে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ হিসেবে চিহ্নিত করার একটি ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

আমি ২০০৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত শাহবাগ ও পাবলিক লাইব্রেরি এলাকায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, শাহবাগকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কতটা একমুখী রাজনৈতিক আধিপত্যের মধ্যে পরিচালিত হতো। ফ্যাসিবাদী সময়ের বহু ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী আমি। সে প্রসঙ্গ অন্য কোনো সময় বিস্তারিত বলা যাবে।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, ফ্যাসিবাদী আমলে সংঘটিত হত্যা, গুম, দমন-পীড়ন ও ক্র্যাকডাউনের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বড় অংশ নীরব ছিল। কেউ কেউ শুধু নীরবই থাকেননি; বরং সেই শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, মিছিল করেছেন, উল্লাস করেছেন এবং রাষ্ট্রের সহিংসতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

জুলাই-পরবর্তী সময়ে আমরা এই সাংস্কৃতিক কাল্টের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারিনি। আমার কাছে এটি আমাদের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যর্থতা।
286000
RRTI logo
RRTI

১৮ জুন, ২০২৬, ১০:২১

Bangladesh Institute of Islamic Thought (BIIT) proudly presents a one-semester course on World Civilizations & Global Encounters, instructed by Prof. Abdullah al-Ahsan, PhD. Registration Deadline: 15 June 2026 Course Starts: 20 June 2026 Eligibility: Postgraduate…
245000
RRTI logo
RRTI

১০ জুন, ২০২৬, ১৭:৩৪

Photo1/2
Bangladesh Institute of Islamic Thought (BIIT) proudly presents a one-semester course on World Civilizations & Global Encounters, instructed by Prof. Abdullah al-Ahsan, PhD.

Registration Deadline: 15 June 2026
Course Starts: 20 June 2026
Eligibility: Postgraduate (Master's & PhD)
Registration Fee: BDT 1000
Limited seats available. Register now.
Link: https://forms.gle/jh2wQUPFHVHHnRpQ8
339004
RRTI logo
RRTI

০৯ জুন, ২০২৬, ১৭:০৯

Photo1/2
Assalamu Alaikum,

This is a kind reminder about today's Memorial Webinar on Shah Abdul Hannan (Rh.).

Date: 9 June 2026 (Tuesday)
Time: 9:15 PM (BD Time)

Zoom Link: https://us02web.zoom.us/j/3582642960

We look forward to your participation.

Jazakumullahu Khairan.
257000
RRTI logo
RRTI

০২ জুন, ২০২৬, ২০:৪১

Photo1/2
জুলাই-পরবর্তী ওসমান হাদি হ ত্যাকাণ্ড যে একটি পরিকল্পিত ঘটনা ছিল, তা আমরা শুরু থেকেই উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম। আন্তর্জাতিক শক্তি, ডিপ স্টেট এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সমন্বিত স্বার্থ ও ইচ্ছার প্রতিফলন এই হ ত্যাকাণ্ডে ছিল; এ বিষয়টি মোটেও অস্পষ্ট ছিল না।

আমরা জানি না, হাদির হত্যার ন্যায়বিচার আদৌ প্রতিষ্ঠিত হবে কি না। তবে তিনি যে নতুন রাজনৈতিক চেতনা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধভিত্তিক সংগ্রামের সূচনা করে গেছেন, সেই লড়াই ও চর্চা অব্যাহত থাকবে। ব্যক্তি হাদি হয়তো আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ ও স্বপ্ন ভবিষ্যতের পথচলায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। ইনকিলাব কমরেড।
291002
RRTI logo
RRTI

০২ জুন, ২০২৬, ১২:৪৭

Photo1/2
‘ইকবাল, ফুকো ও জুলাই’ গ্রন্থটি জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের অসমাপ্ত রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রূহানি অভিজ্ঞতাকে বোঝার একটি প্রচেষ্টা। ইকবাল ও ফুকোর চিন্তার আলোকে জুলাইয়ের তাৎপর্য, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে অন্বেষণ করাই এ গ্রন্থের মূল উদ্দেশ্য।
খুব শীঘ্রই বের হচ্ছে ,,
281005
RRTI logo
RRTI

১৬ মে, ২০২৬, ২১:২৬

Photo1/2
জুলাই ও ইকবাল নিয়া দৈনিক আমার দেশের সাহিত্য পাতার আমার লেখাটি পড়তে পারেন। জুলাই পরবর্তী ইকবাল আলাপ আরো সুনির্দিষ্ট হইয়া উঠবে বলে আমার বিশ্বাস। আমার আপকামিং "জুলাই, ফুকো ও ইকবাল" গ্রন্থে বিস্তারিত থাকবে। যাই হোক লেখাটি পইড়া মন্তব্য জানাবেন।
লিঙ্ক: https://www.dailyamardesh.com/literature/essay/amdnjp5kilfiz
323006
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

ফারসি ভাষা ও সাহিত্য কেবল একটি ভাষাগত ঐতিহ্য নয়; এটি মানবসভ্যতার এক মহৎ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। বিশ্বসাহিত্যে ফেরদৌসি (৯৪০-১০২০) -এর মহাকাব্যিক চেতনা, হাফিজ (মৃত্যু; ১৩৮৯) -এর আধ্যাত্মিক প্রেম, শেখ সাদী (১২১০-১২৯১) -এর নৈতিক দর্শন, জালালুদ্দিন রুমি (১২০৭-১২৭৩) -এর মরমী উপলব্ধি এবং ওমর খৈয়াম (১০৪৮-১১৩১) -এর যুক্তিবাদী জীবনচিন্তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। এই মহৎ সাহিত্যধারা কেবল পারস্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং ভারতীয় উপমহাদেশ, বিশেষত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

বাংলার জনপদে ফারসি ভাষার প্রভাব ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত। মধ্যযুগে ফারসি ছিল প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা ও শিক্ষার ভাষা। মোগল আমল থেকে শুরু করে ব্রিটিশ শাসনের প্রারম্ভিক পর্যায় পর্যন্ত ফারসি ছিল রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের প্রধান মাধ্যম। ফলে এ ভাষা কেবল রাজদরবারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সমাজের সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক পরিসরে গভীরভাবে প্রবেশ করেছে।
বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে ফারসির অবদান বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ভাষাবিদ ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯) -এর মতে, বাংলা ভাষায় দুই হাজারেরও বেশি ফারসি শব্দ ব্যবহৃত হয়; অন্যদিকে গোলাম মকসুদ হিলালী (১৯০০-১৯৬১) তাঁর গবেষণায় এই সংখ্যা প্রায় আট হাজার বলে উল্লেখ করেছেন। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে বাংলা ভাষা ও ফারসি ভাষার গভীর আন্তঃসম্পর্ক।
ফারসি ভাষার বিকাশের ইতিহাসও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আবেস্তা, প্রাচীন ফারসি, পাহলভি এবং আধুনিক ফারসি; এই চারটি পর্যায়ে ভাষাটি বিবর্তিত হয়েছে। হযরত ওমর (রা.) (৫৮৩-৬৪৪) -এর শাসনামলে মুসলিম বাহিনী কর্তৃক পারস্য বিজয়ের পর আরবি ভাষার প্রভাবে ফারসি নতুন রূপ লাভ করে এবং ধীরে ধীরে এটি এক সমৃদ্ধ সাহিত্যভাষায় পরিণত হয়। এই ভাষাতেই রচিত হয়েছে বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য রত্নসমূহ।

বাংলার সঙ্গে ইরানের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সূচনা সুলতানি আমলে। সুলতানি আমলে বাংলার মুসলিম সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ (শাসনকাল:১৩৮৯-১৪১১) পারস্যের কবি হাফিজ সিরাজিকে সোনারগাঁয়ে আমন্ত্রণ জানান; যা বঙ্গ-ইরানীয় সম্পর্কের এক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত। কবি হাফিজ সুলতানকে বাংলায় আসার অপারগতা জানিয়ে একটি কবিতা পাঠিয়েছিলেন। তবে তাঁর কবিতার মাধ্যমে ইরানের শিরাজ থেকে বাংলার সোনারগাঁও জনপদের সাথে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন তৈরি করে।
পরবর্তীকালে সুফি সাধকদের মাধ্যমে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বাংলায় ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। খাজা মইনুদ্দিন চিশতি (১১৪৩-১২৩৬) -এর মতো সুফি ব্যক্তিত্বগণ ভারতবর্ষে এসে ইসলামের মানবতাবাদী ব্যাখ্যা প্রচার করেন, যা ফারসি ভাষার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। সুফিবাদের এই মানবিক দর্শন বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব বিস্তার করে।

মোগল আমলে ফারসি ভাষার প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। প্রশাসন, সাহিত্য, ইতিহাসচর্চা; সব ক্ষেত্রেই ফারসি ছিল প্রধান ভাষা। এ সময় বহু ইরানি কবি, আলেম ও সাহিত্যিক ভারতে আগমন করেন এবং এখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের রচনাবলি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে।
ঢাকার নবাব পরিবারও ফারসি সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাজা আবদুল গনি (১৮১৩–১৮৯৬) ও খাজা সলিমুল্লাহ (১৮৭১–১৯১৫) -এর সময় ঢাকায় ইরানি সংস্কৃতি, উৎসব ও জীবনধারার ব্যাপক প্রচলন ঘটে। মুহররম, নওরোজ, তাজিয়া প্রভৃতি অনুষ্ঠান এই সময়েই জনপ্রিয়তা লাভ করে। একই সঙ্গে ফারসি কবিতা রচনাও এ পরিবারের মধ্যে বিশেষভাবে চর্চিত হয়।
বাংলা সাহিত্যে ফারসি প্রভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) -এর রচনা। তাঁর কবিতা ও গানে ফারসি শব্দ ও ভাবধারার ব্যবহার বাংলা সাহিত্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তবে উপমহাদেশে প্রজ্ঞান চর্চায় ইরান গবেষণায় ড. মুহাম্মদ ইকবাল (১৮৭৭-১৯৩৮) -এর The Development of Metaphysics in Persia (১৯০৮) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ইকবাল তাঁর প্রজ্ঞান চর্চায় ইরান গবেষণায় পারস্যের জ্ঞানচর্চার উৎপত্তি ও বিকাশ তুলে ধরেছেন। একইভাবে বহু বাঙালি সাহিত্যিক ফারসি সাহিত্য অনুবাদের মাধ্যমে পারস্য ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।

আধুনিক যুগে ফারসি ভাষা ও সাহিত্যচর্চা কিছুটা সীমিত হয়ে পড়লেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে Persian Studies বা Iranology নামে এই বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে এই চর্চা তুলনামূলকভাবে সীমিত, যা পুনরুজ্জীবনের দাবি রাখে। ফারসি সাহিত্য মানবতার এক অনন্য বার্তা বহন করে। সাদীর বিখ্যাত “বনি আদম” কবিতায় যে মানবিক ঐক্যের কথা বলা হয়েছে, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। এই সাহিত্য মানুষকে নৈতিকতা, সৌন্দর্যবোধ ও আধ্যাত্মিকতার পথে উদ্বুদ্ধ করে।
162001
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

Photo
আইপিএল এর পশাপাশি পাকিস্তান প্রিমিয়ার লীগ খেলা চলছে। পিএসএলে বাংলাদেশের পাঁচ থেকে ছয়জন ক্রিকেটার খেলার সুযোগ পেয়েছে। মুস্তাফিজ ইস্যুতে গোটা দেশে আইপিএল বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। দেশের চেয়ে ক্রিকেট বড় নয়। সবার আগে দেশ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পিএসএল নিয়ে এই দালাল মিডিয়াকে কোন নিউজ করতে দেখবেন না। আর যদি করেও সেটা নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরে করবে। এরা আবার দেশ প্রেমের প্রধানতম সাইনবোর্ড লাগিয়ে রাখে।

মতি আর মাহফুজরা আগে গোপনে দিল্লির দালালি করতো। এখন আর গোপনে দালালি করে না। ঘোষণা দিয়ে দালালি করে যাচ্ছে। জুলাই পরবর্তী হীনমন্য ও বেকুব ছাত্রনেতারা মতি আর মাহফুজের দোকানে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে।১৬ বছরে হাসিনার ফ্যাসিবাদ গড়ে তোলার পেছনের মাস্টরমাইন্ড এই লিল্লি স্টারেরা। সেই দালালদের দোকানে গিয়ে নিজেদের জাতে উঠাতে চাইছিল।

বিপ্লব পরবর্তী একটা দেশে প্রকাশ্যে ভিন দেশের এজেন্সি মাথা উঁচু কইরা থাকে; এইটা ভাবতে পারেন!
2830010
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

Photo
403003
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

কেবল বিএনপি এবং আওয়ামীলীগ এই রাষ্ট্রের কর্তা সত্তা হয়ে ভাগ বাটোয়ারা করে খাইতে চায়। বিষয়টি এমন একবার তোমরা খাও একবার আমরা খাবো। জুলাই আইসা দেশী রাজনীতে লীগ কোনঠাসা হইয়া গেছে। তবে লীগ যে কোন বন্দোবস্তের মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করবে। এই ক্ষেত্রে লীগ বন্ধু নির্বাচনে ভুল করে নাই!

চলমান রাজনীতিতে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ প্রাসঙ্গিক করতে চায়। এই প্রাসঙ্গিকতার উদ্দেশ্য রাষ্ট্রের কর্তা সত্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া। সেই সাথে জামায়াতের চেয়ে লীগের গুপ্ত অবস্থান তৈরি করতে চায়। বিএনপি জানে জুলাই পরবর্তী লীগ আপাতত ক্ষমতায় যাওয়ার মতো সমর্থন পাবে না। তাই বিএনপি লীগের রাজনীতিতে ফেরা থ্রেট হিসেবে দেখছে না। বিএনপি জুলাই ইস্যুতে; জামায়াত ও এনসিপিকে থ্রেট মনে করে। ২০২৬ নির্বাচন পরবর্তী জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান সেকুলার পাড়ায় ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। সেই ভয় থেকেই ডিপস্টেট হয়তো সেকুলার ঘেষা জাতীয়তাবাদী বিএনপি ও কট্টর সেকুলার লীগকে ভাগাভাগি রাজনীতি করার পরামর্শ দিয়েছে।

আগামী দিন গুলোতে জামায়াতের ক্ষমতার রাজনীতি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। সেই চ্যালেঞ্জ ডিপস্টেট ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মোড়লদের সাথে। জামায়াত এই খেলা ডিল করতে পারবে কি পারবে না, সেটা সামনের দিন গুলোতে দেখা যাবে।

জামায়াত ও এনসিপি আগামী দিন গুলোতে সাংঘর্ষিক মত ও দিমতের মধ্য দিয়ে আগাবে। জামায়াত জুলাই আক্রে ধরে রাজনৈতিক বয়ান যেমন উৎপাদন করতে চায়। তেমনি এনসিপিও জুলাইয়ের কর্তা সত্তা হয়ে রাজনৈতিক লিগেছি তৈরি করতে চায়। এখানে উভয়ের লক্ষ্য অভিন্ন। অন্যদিকে বিএনপি ও আওয়ামীলীগ আগামীতে এক হয়ে উঠবে। এই এক হয়ে ওঠা মূলত ক্ষমতা ভাগাভাগি করার জন্য। লীগ একাত্তরের ভাগ কাউকে ই দেবে না। লীগ যতদিন রাজনীতি থেকে দূরে থাকছে ততোদিন একাত্তর বিএনপির কাছে আমানত! লীগ সেই সময়ের অপেক্ষা করবে যতদিন ৫ ই আগস্ট পুলিশ হত্যা দিবস করতে না পারবে। বিএনপির মনে রাখতে হবে লীগ ততক্ষণ পাশে থাকবে যতক্ষণ ৩৬ শে জুলাইকে টেনে নামাইতে না পারবে।

আগামী রাজনীতি জামায়াত ও এনসিপির জন্য কঠিন হবে।
372000
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

Photo
আপাতত পুরাতন বই নিয়েই আছি ! তবে নতুন বই এর অপেক্ষায়! বইগুলো পাওয়া যাবে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ এর যে যে স্টলসমূহেঃ

বিআইআইটি পাবলিকেশন, ১৫৮-১৫৯ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

একাডেমিয়া পাবলিকেশন হাউজ লি. ২৬৭-২৬৮, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট, ৪৭০-৪৭১
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ।
405004
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

Photo
বিএনপি যে সরকার গঠন করলো সেটাও সংবিধান পরিপন্থী ঢাবির শিক্ষিকা কি এই ইঙ্গিত ই দিলো? প্রথম আলোর ন্যারেটিভ জুলাই এর পক্ষে থাকবে আপনি এই ধন মাথায় নিয়া ঘুমান কেমনে বুঝে আসে না। হায় খালিদ তোমরা যা ভালো মনে করো। জুলাই তোমাদের পোদ ও তোমাদের। তাই পুনাপুনিও তোমাদের।
423001
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

Photo
ইউনুস ম্যাজিক 🔥
536008
RRTI logo
RRTI

২৯ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৪৯

Photo
আসসালামু আলাইকুম,
​ইনকিলাব পাঠচক্রের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে আমাদের প্রথম বই আলোচনা সভায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

​📘 আলোচ্য বই: ডেড রেকনিং (Dead Reckoning)
✍️ মূল লেখক: শর্মিলা বসু
🗣️ আলোচক: আব্দুল কাদের জিলানী (লেখক ও গবেষক)
​📅 তারিখ: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (সোমবার)
⏰ সময়: সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট
📍 স্থান: ওসমান হাদি অডিটোরিয়াম (Leiviskätie 4 K, 00400 Helsinki)

​বই পাঠ এবং গঠনমূলক আলোচনায় আপনার উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে প্রাণবন্ত করবে। ইনকিলাব পাঠচক্রের এই আয়োজনে সকলের উপস্থিতি কাম্য।
​ধন্যবাদ।
622004
RRTI logo
RRTI

২৭ এপ্রি, ২০২৬, ১৩:০১

Photo1/2
390005
RRTI logo
RRTI

২৭ এপ্রি, ২০২৬, ১৩:০১

শেরে বাংলা একে ফজলুল হক অল ইন্ডিয়া মুসলিম এডুকেশনাল কনফারেন্সে সভাপতির ভাষণে এই বক্তব্য দেন যেখানে তিনি মুসলিম শিক্ষা সংস্কৃতি ও সভ্যতার সংকট তুলে ধরেন। শেরে বাংলা বলেন মুসলিম সাংস্কৃতি ও ইসলামী নিদর্শন মুছে সেখানে হি"ন্দু কালচারাল ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ধা প্রকল্পের শিক্ষা "প্রতিটি ধর্মই সত্য এবং কোনো ধর্মই অন্য ধর্মের তুলনায় শ্রেষ্ঠ নয়"। শেরে বাংলা বলেন এই বক্তব্য ইসলামকে প্রত্যাখ্যান করার শামিল।

শেরে বাংলা বলেন ভারতের ইসলামী শিক্ষার মূলমন্ত্র তিনটি বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। এক. স্বাধীনতা। দুই. ঐক্য। তিন. উন্নয়ন। তিনি বলেন যে শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলমানের ভাষা, সংস্কৃতি, শরিয়াহ ও ঐতিহ্যের পূর্ণ স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে না, তা মুসলমানদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

১৯৩৯ সালে কলকাতার মোহাম্মদ আলী পার্কে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক উর্দুতে যে বক্তৃতা দেন সেটা খুতবায়ে সদারত নামে পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। উর্দু বক্তব্যটি সংগ্রহ করতে আমার এক প্রফেসর সহযোগিতা করেছে। বইটি অনুবাদ করেছেন Kazi Akram বিশেষ কৃতজ্ঞতা ভাই। বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের নাতনি এ কে ফ্লোরা। আমি কেবল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। যাই হোক। খুব শীঘ্রই বইটি পাঠকের কাছে দিতে পারবো।
303002
RRTI logo
RRTI

২৪ এপ্রি, ২০২৬, ১৩:৪৩

রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র আওয়ামীলীগই একটা প্যাকেজ রাজনীতি করে। একদিকে তাদের রাজনৈতিক দর্শন, কালচার,বুদ্ধিজীবি,চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও একনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী যেমন রয়েছে তেমনি আন্তর্জাতিক লবিং, ডিপস্টেট ও বিশ্বস্ত প্রশাসনও রয়েছে। ধরেন রাজনৈতিক দর্শন হিসেবে তারা মুজিব কাল্ট মনে প্রাণে ধারণ করেন। আওয়ামী বুদ্ধিজীবিরা কালচারাল সাইট নিজেদের দখলে রেখে সংস্কৃতিক অঙ্গন নিজেদের করে রেখেছে। তাদের কাঠামোর বাইরে আপনার কাজের গ্রহণযোগ্যতা সীমিত। উদিচি, ছায়ানট, বাংলা একাডেমি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, গ্রন্থাগার অধিদপ্তর সহ রাষ্ট্রের অন্যান্য সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হাসিনার ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এরপর আসেন সংবাদপত্র। বিশিষ্ট সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা পর্যন্ত এজেন্সির সাথে যুক্ত হয়ে ফ্যাসিবাদের কাঠামো মজবুত করেছিল। এরপর নাটক সিনেমা ও খেলোয়াররা প্রত্যক্ষভাবে ফ্যাসিবাদি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। এরপর প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আন্তর্জাতিক সমর্থন ও ডিপস্টেটের কৌশলী সিদ্ধান্ত ফ্যাসিবাদী ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করেছিল। এক কথায় আওয়ামীলীগ একটা শক্তিশালী প্যাকেজ রাজনীতি করে।

এবার আসেন অন্যান্য রাজনৈতিক দল কি রাজনীতি করে সেটা দেখি। বিএনপি দুর্বল বুদ্ধিবৃত্তিক বুদ্ধিজীবিতা আপহোল্ড করে।
তাদের বুদ্ধিজীবিরা কালচারালি লীগের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে। লীগের তৈরি করা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর তারা রাষ্ট্রীয় পলিসি তৈরি করে। দিন শেষে ভূমি দখলের রাজনীতির বাইরে রাজনীতি করতে দেখি না। প্রতিটি ফ্যাসিবাদী প্রতিষ্ঠান লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে। জাস্ট এতটুকু।

এরপর জামায়াতের অবস্থা আরো ভয়াবহ। আওয়ামী মিডিয়া লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপির সেবা দেবে, তবে জামায়াতের হয়ে সে কোন দিন কাজ করবে না সেটা স্পষ্ট। আদর্শিক ভাবে জামায়াত শক্তিশালী তবে রাজনৈতিক জ্ঞানের চেয়ে তাদের সাংগঠনিক জ্ঞান ভালো। তাই দিন শেষে ভূমি দখলের রাজনীতি ছাড়া নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি আর হয়ে ওঠে না। জামায়াতের মিডিয়া লাগে না। বুদ্ধিজীবি লাগে না। প্রশাসন লাগে না। আন্তর্জাতিক লবিং লাগে না। ডিপস্টেটের ক্ষমতার হাত মাথায় রাখা লাগে না। দিন শেষে তাদের সাথে কথা বলে পারবেন না। তারা বলবে তারা বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করে। তারা ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতি করে। রাজনৈতিক দর্শন, কালচার,বুদ্ধিজীবি,চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও একনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী ছাড়া ক্ষমতার রাজনীতি অসম্ভব। সেই সাথে আন্তর্জাতিক লবিং, ডিপস্টেট ও বিশ্বস্ত প্রশাসনের হাত মাথায় থাকা লাগবে। যদি ডিপস্টেট মুলা ঝুলিয়েও থাকে তাহলে সেই মুলা উগ্র জাতীয়তাবাদী মুলা সেটা বোঝার ক্ষমতা কি আছে! এই মুলা আরেকটা ফ্যাসিবাদি বন্দোবস্তের দিকে যাচ্ছে কিনা সেটা কে জানে!
293003

Showing 30 of 41 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

RRTI টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

RRTI (@rrtiiqbal) tgdio-এ নিউজ আপডেট এবং সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ১,১৯২ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে RRTI (@rrtiiqbal) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @rrtiiqbal-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

RRTI কি ভালো নিউজ আপডেট এবং সংবাদপত্র চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে RRTI-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ১,১৯২ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই নিউজ আপডেট এবং সংবাদপত্র চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

RRTI-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @rrtiiqbal পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।