সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters) Telegram channel photo

সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters)

@seeratulmustaqimPublic Channel

বোনদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইলমে দ্বীন শিক্ষার প্ল্যাটফর্ম। 🌐 Website: https://seeratulmustaqimacademy.blogspot.com

145

Last views

1.7k (1,737 subscribers)
সদস্য
—
Rating
119
Total Posts
Oct 19, 2026, 6:04 PM
আপডেট হয়েছে
Feb 7, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel Nameসিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters)
Username@seeratulmustaqim
Categoryকোর্স এবং লার্নিং
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য1,737
Channel TypePublic Channel
Created৭ ফেব, ২০২৬
Last Updated১৯ অক্টো, ২০২৬ • গত পরশু
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#157196+318
ভাষার র্যাঙ্কিং
#396-1
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#1305+11

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 1.7K30 Days growth: +70.4%
09/2009/2509/3010/0510/1010/1510/19
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
20:09:20261,730
21:09:20261,730
22:09:20261,730
23:09:20261,730
24:09:20261,736
25:09:20261,736
26:09:20261,736
27:09:20261,736
28:09:20261,736
29:09:20261,736
30:09:20261,736
01:10:20261,736
02:10:20261,736
03:10:20261,736
04:10:20261,736
05:10:20261,736
06:10:20261,736
07:10:20261,736
08:10:20261,736
09:10:20261,736
10:10:20261,736
11:10:20261,736
12:10:20261,734
13:10:20261,734
14:10:20261,734
15:10:20261,734
16:10:20261,734
17:10:20261,734
18:10:20261,734
19:10:20261,737
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 30:03:20261,276
Week of 06:04:20261,274
Week of 13:04:20261,268
Week of 20:04:20261,267
Week of 27:04:20261,267
Week of 04:05:20261,260
Week of 11:05:20261,260
Week of 18:05:20261,260
Week of 25:05:20261,253
Week of 01:06:20261,253
Week of 08:06:20261,338
Week of 15:06:20261,338
Week of 22:06:20261,596
Week of 29:06:20261,596
Week of 06:07:20261,596
Week of 13:07:20261,708
Week of 20:07:20261,725
Week of 27:07:20261,722
Week of 03:08:20261,722
Week of 10:08:20261,726
Week of 17:08:20261,726
Week of 24:08:20261,733
Week of 31:08:20261,731
Week of 07:09:20261,731
Week of 14:09:20261,730
Week of 21:09:20261,736
Week of 28:09:20261,736
Week of 05:10:20261,736
Week of 12:10:20261,734
Week of 19:10:20261,737
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20261,267
May 20261,253
June 20261,596
July 20261,722
August 20261,733
September 20261,736
October 20261,737
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20261,737

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1ফিতনা ছোট থাকতে তাকে ছোট মনে করে অবহেলা না করি।1.0K
  2. #2দু'আ ৩০987
  3. #3দু'আ ২৯936
  4. #4❝লোকেরা অভিযোগ করে থাকে যে, নামাযে মন বসে না। আমি বলি খোঁজ নিয়ে দেখো, 902
  5. #5রমযানের আমল:885
  6. #6সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াচ্ছেন, ভালো খাবার দিচ্ছেন, ভালো জামাকাপড় দিচ্ছ850
  7. #7Post #1175819
  8. #8🔴 গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি লিখা!776
  9. #9🔴 https://muslimbangla.com/article/443753
  10. #10শান্তির উপায়739

সাম্প্রতিক পোস্ট

আল্লাহ তায়া’লার মুহব্বত বৃদ্ধির উপায়:

(ক) আল্লাহ তা'আলার নেয়ামতসমূহের কথা চিন্তা করবেন। যেমন- তিনি মানুষ বানিয়েছেন, খাদ্য-পানীয় এবং বসবাসের জন্য এমন সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন যা অনেকের ভাগ্যে জোটে না। অতঃপর আমাদেরকে ঈমানের দৌলত নসিব করেছেন। সেই সাথে নেক আমল করার তাওফীক দিয়েছেন। আরো দান করেছেন প্রয়োজনীয় শারীরিক সুস্থতা।

(খ) আল্লাহর মুহব্বত বৃদ্ধির নিয়তে একটি সময় নির্দিষ্ট করে ১০০ বার কালেমায়ে তায়্যিবা, ১০০ বার ইসতিগফার, ১০০ বার দরূদ শরীফ পড়বেন। এই নিয়তেই গণনা ছাড়া, 'সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার', বিভিন্ন সময়ে পাবন্দীর সাথে পাঠ করবেন।

(গ) যে কোন দ্বীনী কাজ করার সময় আল্লাহর মুহব্বত বৃদ্ধির নিয়ত রাখবেন। যেমন- ওযু করা, সালাম দেওয়া ইত্যাদি আমলের সময় অনুরূপ নিয়ত রাখবেন।

(ঘ) রাসূলে কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত, ছাহাবায়ে কেরামের জীবনী এবং বুজুর্গানে দ্বীনের ইতিহাস পাঠ করবেন।

তোহফায়ে আবরার, পৃষ্ঠা ১১
262000
সবগুলো বিষয়ই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। কারো প্রতি জুলুম করা উচিত নয়। কারণ, কার মাধ্যমে, কোন দিক দিয়ে এর পরিণতি ফিরে আসবে, তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন।

সবসময় আল্লাহর কাছে নত থাকা, নিজের ভুলত্রুটির জন্য ইস্তিগফার করা এবং নেক আমলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা উচিত। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আমাদের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করবেন।

জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন চাইলে ইতিবাচক বিষয় জানা, শোনা, পড়া ও দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কান, চোখ ও জবানের হিফাজত করা জরুরি। আমরা যা দেখি, শুনি ও চর্চা করি, তা আমাদের চিন্তা ও আচরণে প্রভাব ফেলে।


গুনাহ থেকে বাঁচতে শুধু ইচ্ছা করাই যথেষ্ট নয়,গুনাহের দিকে নিয়ে যায় এমন পরিবেশ, সঙ্গ ও উপকরণ থেকেও দূরে থাকা জরুরি।

ভালো মানুষের সাহচর্য গ্রহণ এবং উপকারী কিতাবাদি পড়া উচিত, যেন নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারি, নিজেকে সংশোধন করতে পারি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলতে পারি।

সর্বোপরি, অন্যের দোষ নিয়ে পড়ে থাকার চেয়ে নিজেকে সংশোধনে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। নিজের আমল নিয়ে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আল্লাহর কাছে আমল কবুল হওয়ার দু‘আ করা এবং সবসময় হিদায়াত ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার তাওফীক চাওয়া উচিত।


@Seeratulmustaqim
439000
গত কয়েকদিন ধরে মুহাসাবা সংক্রান্ত কিছু লিখা পড়তে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ!

নিজের জন্য যা ঠিক করলাম, তা আপনাদের সাথে ও শেয়ার করছি -

নিজের মুহাসাবা

দিন শেষে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করি। উত্তরগুলো নিজের কাছেই সৎভাবে দিই ইনশাআল্লাহ!

১. আজ আমার ফরজ আমলগুলোতে কোনো ঘাটতি হয়েছে কি?
২. কোনো ফরজে ঘাটতি হলে তা পূরণ করার চেষ্টা করেছি কি?
৩. আজ কোনো হারাম কাজে জড়িয়ে পড়েছি কি?
৪. কোনো গুনাহ হয়ে থাকলে তাওবা ও ইস্তিগফার করেছি কি?
৫. আজ আল্লাহর স্মরণ ও তাঁর দিকে ফিরে আসায় কোনো গাফিলতি হয়েছে কি?
৬. আজ আমার জিহ্বা কী বলেছে?
৭. আজ আমার পা কোথায় গেছে?
৮. আজ আমার হাত কী করেছে?
৯. আজ আমার চোখ কী দেখেছে?
১০. আজ আমার কান কী শুনেছে?
১১. আমি যা বলেছি, তা কেন বলেছি?
১২. আমি যা করেছি, তা কার জন্য করেছি?
১৩. যে কাজটি করেছি, তা সঠিক পদ্ধতিতে করেছি কি?
১৪. আমার কোনো আমলে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ঢুকে পড়েছে কি?
১৫. আজ কোনো নেক কাজ করার সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দিয়েছি কি?
১৬. আজ এমন কোনো কাজ করেছি কি, যা করা উচিত ছিল না?
১৭. আজ আমার সময় কোথায় ব্যয় হয়েছে?
১৮. আজকের কোনো সময় কি আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল অবস্থায় কেটে গেছে?
১৯. আজ আমার কোনো কথায় কারও কষ্ট হয়েছে কি?
২০. আজ কারও হক নষ্ট করেছি কি?
২১. আজ আমার অন্তরে অহংকার এসেছে কি?
২২. কারও প্রতি হিংসা বা বিদ্বেষ পোষণ করেছি কি?
২৩. আজ আল্লাহর কোনো নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেছি কি?
২৪. আজ আমি যে নিয়ামতগুলো পেয়েছি, সেগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কোথায় ব্যয় করেছি?
২৫. আজ আমার শ্রবণ, দৃষ্টি ও অন্তর এসবের ব্যাপারে আমি কতটা সতর্ক ছিলাম?
২৬. আজকের কোনো ভুলের জন্য নিজের নফসকে ভর্ৎসনা করেছি কি?
২৭. আজ যে ভুল হয়েছে, তা পুনরায় না করার ব্যবস্থা করেছি কি?
২৮. আজকের কোনো আমলকে আমি যথেষ্ট মনে করে আত্মতুষ্টিতে ভুগেছি কি?
২৯. আজ আখিরাতের জন্য কী পাঠিয়েছি?
৩০. আগামীকাল আমার কোন একটি বিষয় অবশ্যই সংশোধন করা দরকার?

আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلْتَنْظُرْ نَفْسٌ مَا قَدَّمَتْ لِغَدٍ
“প্রত্যেক ব্যক্তি যেন দেখে, সে আগামীকালের জন্য কী অগ্রিম পাঠিয়েছে।”

(এটা মনে রাখি অবশ্যই।)

মুহাসাবার মূলনীতি:

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) মুহাসাবার ক্ষেত্রে প্রথমে ফরজের ঘাটতি দেখা, এরপর হারাম কাজের হিসাব নেওয়া ও তাওবা করা, এরপর গাফিলতির হিসাব নেওয়া এবং সবশেষে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজ যাচাই করার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জিহ্বা, পা, হাত, চোখ ও কান সম্পর্কে প্রশ্ন করতে বলেছেন: “এটা করে কী চেয়েছিলাম? কার জন্য করেছিলাম? কীভাবে করেছিলাম?”

আরো বিস্তারিত - ইবনুল কাইয়্যিম, إغاثة اللهفان من مصايد الشيطان,(ইগাসাতুল লাহফান) ১/৮৪, مدارج السالكين (মাদারিজুস সালিকিন)

আর ইমাম ইবনু আবি দুনিয়া (রহ.) তাঁর محاسبة النفس গ্রন্থে হাসান বসরী (রহ.)-এর বক্তব্য বর্ণনা করেছেন:

مَاذَا أَرَدْتُ بِكَلِمَتِي؟ مَاذَا أَرَدْتُ بِأَكْلَتِي؟ مَاذَا أَرَدْتُ بِشَرْبَتِي؟

“আমার কথার দ্বারা আমি কী চেয়েছিলাম? আমার খাওয়ার দ্বারা কী চেয়েছিলাম? আমার পান করার দ্বারা কী চেয়েছিলাম?”

ইবনু আবি দুনিয়া,محاسبة النفس, আসর নং ৪।

@Seeratulmustaqim
449000
عَنِ الْحَسَنِ مُرْسَلًا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:
مَنْ جَاءَهُ الْمَوْتُ وَهُوَ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِيُحْيِيَ بِهِ الْإِسْلَامَ، فَبَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّبِيِّينَ دَرَجَةٌ وَاحِدَةٌ فِي الْجَنَّةِ
(رواه الترمذي)

হযরত হাসান বসরী (রহ.) থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

“যে ব্যক্তির মৃত্যু এমন অবস্থায় আসে যে, সে ইসলামকে জীবিত করার উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণ করছে, তার ও নবীদের মাঝে জান্নাতে মাত্র একটি স্তরের পার্থক্য থাকবে।”
444000
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

الرَّجُلُ عَلَى دِينِ خَلِيلِهِ، فَلْيَنْظُرْ أَحَدُكُمْ مَنْ يُخَالِلُ

“মানুষ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর দ্বীনের ওপর থাকে। অতএব,তোমাদের প্রত্যেকে যেন লক্ষ্য করে সে কাকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানাচ্ছে।”

সুনান আবূ দাঊদ,৪৮৩৩,তিরমিযী, ২৩৭৮

হাদীসখানা শুধু খারাপ সঙ্গ থেকে বেঁচে থাকার জন্য সতর্কতা না।

আমরা কাকে নিজের মানুষ মনে করি, কার সঙ্গে স্বচ্ছন্দে মিশি, কাকে জীবনে জায়গা দিই সেটাও আমাদের ভেতরের মানুষটা সম্পর্কে অনেক কিছু বলে।

মাঝে মাঝে আমরা নিজের সঙ্গের দিকে তাকাই।
সে আমাকে কোন দিকে টানে,আমার বিপদে কেমন উপদেশ দেয়,আমার সুখের সময় কোন দিকে সতর্ক করে সেগুলোও লক্ষ্য রাখি।

@Seeratulmustaqim
708000
জুমআর দিন,
আজকের দিনটা গাফিলতিতে পার করে না দিই।

বেশি বেশি দুরূদ,সূরা কাহাফ তিলাওয়াত, আর দুআর জন্য সময় বের করি।

জুমআর দিনে এমন একটি বিশেষ সময় আছে, যখন কোনো মুসলিম কল্যাণের জন্য দুআ করলে আল্লাহ তা কবুল করেন।
সেটাকে সাধারণত আসরের পর ধরা হয়।

এখন কিন্তু সে সময়টা অনেক অল্প।
তাই খুব দু'আ করি ইনশাআল্লাহ!

@Seeratulmustaqim
641000
মুহাসাবা, নিজের হিসাব আগে নিজে নিই....

حَاسِبُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْلَ أَنْ تُحَاسَبُوا، وَزِنُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْلَ أَنْ تُوزَنُوا.

“তোমরা নিজেদের হিসাব নাও, তোমাদের হিসাব নেওয়ার আগে; আর নিজেদের ওজন করো, তোমাদের ওজন করার আগে।”

উমর ইবনুল খাত্তাব রদিয়াল্লাহু আনহু, ইবনু আবিদ-দুনিয়া, মুহাসাবাতুন নাফস, পৃ. ২, ইমাম আহমদ, আয-যুহদ, নং ৬৩৩।

لَا يَكُونُ الْعَبْدُ تَقِيًّا حَتَّى يُحَاسِبَ نَفْسَهُ كَمَا يُحَاسِبُ شَرِيكَهُ.

“কোনো বান্দা মুত্তাকি হতে পারে না, যতক্ষণ না সে নিজের হিসাব এমনভাবে নেয়, যেমন সে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের হিসাব নেয়।”

মায়মূন ইবনু মিহরান,
জামে‘ আত-তিরমিযী, কিতাবু সিফাতিল কিয়ামাহ, হাদিস ২৪৫৯-এর ব্যাখ্যায় উদ্ধৃত।


@Seeratulmustaqim
690000
ফিতনা ছোট থাকতে তাকে ছোট মনে করে অবহেলা না করি।

আজ যে ফিতনা থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারছি না, কালকে তার চেয়েও বড় ফিতনার সামনে দাঁড়ানোর শক্তি কোথা থেকে আসবে?

নিজেকে বাঁচানোর কাজ এখন থেকেই শুরু করতে হবে।

যে ব্যক্তি আগের ফিতনা থেকে বাঁচতে পারেনি, সে বড় ফিতনা থেকে বাঁচবে.... এমন নিশ্চয়তা কোথায়?

এখন নবীজি ﷺ এর দুইখানা হাদীস পড়ুন।
দাজ্জাল সম্পর্কে, ফিতনা সম্পর্কে....
↓↓↓

হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে দাজ্জালের আলোচনা করা হলে তিনি বলেন:

لَأَنَا لِفِتْنَةِ بَعْضِكُمْ أَخْوَفُ عِنْدِي مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ، وَلَنْ يَنْجُوَ أَحَدٌ مِمَّا قَبْلَهَا إِلَّا نَجَا مِنْهَا، وَمَا صُنِعَتْ فِتْنَةٌ مُنْذُ كَانَتِ الدُّنْيَا، صَغِيرَةٌ وَلَا كَبِيرَةٌ، إِلَّا تَتَّضِعُ لِفِتْنَةِ الدَّجَّالِ

“তোমাদের কারও কারও ফিতনা সম্পর্কে আমি দাজ্জালের ফিতনার চেয়েও বেশি আশঙ্কা করি। আর তার পূর্বের কোনো ফিতনা থেকে যে ব্যক্তি রক্ষা পেল, সে তার ফিতনা থেকেও রক্ষা পেল। দুনিয়া অস্তিত্ব লাভের পর থেকে ছোট কিংবা বড়-- যে ফিতনাই সংঘটিত হয়েছে, তা দাজ্জালের ফিতনার দিকে অগ্রসর হয়েছে।”

মুসনাদ আহমাদ, হাদিস ২৩৩০৪


হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

لِفِتْنَةِ بَعْضِكُمْ أَخْوَفُ عِنْدِي مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ، إِنَّهَا لَيْسَتْ مِنْ فِتْنَةٍ صَغِيرَةٍ وَلَا كَبِيرَةٍ إِلَّا تَتَّضِعُ لِفِتْنَةِ الدَّجَّالِ، فَمَنْ نَجَا مِنْ فِتْنَةِ مَا قَبْلَهَا نَجَا مِنْهَا، وَإِنَّهُ لَا يَضُرُّ مُسْلِمًا، مَكْتُوبٌ بَيْنَ عَيْنَيْهِ: كَافِرٌ، مُهَجَّاةٌ: ك، ف، ر»

“তোমাদের কারও কারও ফিতনা সম্পর্কে আমি দাজ্জালের ফিতনার চেয়েও বেশি আশঙ্কা করি। ছোট কিংবা বড় কোনো ফিতনাই নেই, যা দাজ্জালের ফিতনার দিকে অগ্রসর হচ্ছে না। অতএব, যে ব্যক্তি তার পূর্ববর্তী ফিতনা থেকে রক্ষা পেল, সে তার ফিতনা থেকেও রক্ষা পেল। আর দাজ্জাল কোনো মুসলিমের ক্ষতি করতে পারবে না। তার দুই চোখের মাঝখানে ‘কাফির’ লেখা থাকবে ক, ফা, রা।”

সহিহ ইবনু হিব্বান, ৬৮০৭

@Seeratulmustaqim
1,000000
সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াচ্ছেন, ভালো খাবার দিচ্ছেন, ভালো জামাকাপড় দিচ্ছেন। এতেই কি দায়িত্ব শেষ?

আপনার সন্তান কী শিখছে? কার সঙ্গে মিশছে? মোবাইলে কী দেখছে? কার সঙ্গে কথা বলছে? তার মাথায় কী ঢুকছে?

এসবের খবর রাখার সময় নাই?

আজকাল অনেক বাবা মা সন্তানকে মোবাইল হাতে দিয়ে নিশ্চিন্ত। সন্তান ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল চালাচ্ছে, কিন্তু কী দেখছে তার খবর নাই!

• সন্তান কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে, লক্ষ্য রাখেন।

• মোবাইলে কী দেখছে, কী শুনছে, কার সঙ্গে কথা বলছে, সেদিকেও খেয়াল রাখেন।

• অশ্লীলতা আর বেহায়াপনা এখন সন্তানের হাতের মোবাইলেই ঢুকে যাচ্ছে। “আমার সন্তান এসব করবে না” এই বিশ্বাসে বসে থাকবেন না।

• ছোটবেলা থেকে দীন শেখান। নামাজ, পর্দা, লজ্জাশীলতা, হারাম হালাল, আল্লাহর ভয় এসব শেখান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ

“তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।”

সহিহ বুখারি, ৮৯৩ সহিহ মুসলিম, ১৮২৯

• শুধু পড়াশোনা আর ক্যারিয়ার নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না। চরিত্র নষ্ট হয়ে গেলে সেই বড় ডিগ্রি দিয়ে কী হবে?

• ছেলে মেয়ে বড় হয়ে গেছে, বিয়ের প্রয়োজন হয়েছে, অথচ বাবা মায়ের কোনো মাথাব্যথা নাই। কেন এত দেরি?

• উপযুক্ত দ্বীনদার পাত্র পাত্রী পাওয়া গেলে অযথা বিয়ে পিছিয়ে রাখবেন না। অবশ্যই সন্তানের বয়স, মানসিক প্রস্তুতি, সামর্থ্য এবং দেশের আইন সব বিবেচনায় রাখতে হবে।

• সন্তান ভুল পথে যাওয়ার পর আফসোস করে লাভ নাই। আগে থেকেই খেয়াল রাখুন।

• সন্তানকে একেবারে ছেড়ে দিয়ে পরে সে নষ্ট হয়ে গেলে শুধু সন্তানকে দোষ দিয়ে নিজের দায়িত্ব এড়ানো যাবে না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

مَا نَحَلَ وَالِدٌ وَلَدًا مِنْ نَحْلٍ أَفْضَلَ مِنْ أَدَبٍ حَسَنٍ

“কোনো পিতা তার সন্তানকে উত্তম আদবের চেয়ে উত্তম কোনো উপহার দিতে পারে না।”

জামে‘ আত-তিরমিজি, ১৯৫২

এখনকার সময়ে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় কী জানেন??

সন্তানের পরীক্ষার ফল একটু খারাপ হলে বাবা মায়ের ঘুম হারাম হয়ে যায়।

সন্তান কোন স্কুলে পড়বে, কী চাকরি করবে, কত টাকা আয় করবে এসব নিয়ে কত চিন্তা!

কিন্তু সন্তান নামাজ পড়ে কি না, কার সঙ্গে মিশে, কী দেখে, তার চরিত্র কেমন, আল্লাহকে ভয় করে কি না এসব নিয়ে চিন্তা করার সময় নাই!

দুনিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে এত চিন্তা, অথচ আখিরাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে এত উদাসীনতা কেন?

সন্তান আমাদের আমানত।
তাকে শুধু খাওয়ানো পরানো আর পড়াশোনা করানোই আমাদের দায়িত্ব না।

তার ঈমান বাঁচানো, চরিত্র বাঁচানো, লজ্জাশীলতা বাঁচানো, হারাম থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করাও আমাদের দায়িত্ব।

সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর আফসোস করার আগে আজই খেয়াল করুন।


@Seeratulmustaqim
850000
Photo
কুরআন সংরক্ষণের ইতিহাস জানা দরকার যাতে বুঝতে পারি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম কীভাবে কুরআন আমাদের কাছে অক্ষতভাবে পৌঁছেছে باذن الله।

জুম করলে ফন্ট আরো পরিষ্কার দেখা যাবে।
627000
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন:

وَالصَّلَاةُ مَجْلَبَةٌ لِلرِّزْقِ، حَافِظَةٌ لِلصِّحَّةِ، دَافِعَةٌ لِلْأَذَى، مُطَرِّدَةٌ لِلْأَدْوَاءِ، مُقَوِّيَةٌ لِلْقَلْبِ، مُبَيِّضَةٌ لِلْوَجْهِ، مُفَرِّحَةٌ لِلنَّفْسِ، مُذْهِبَةٌ لِلْكَسَلِ، مُنَشِّطَةٌ لِلْجَوَارِحِ، مُمِدَّةٌ لِلْقُوَى، شَارِحَةٌ لِلصَّدْرِ، مُغَذِّيَةٌ لِلرُّوحِ، مُنَوِّرَةٌ لِلْقَلْبِ، حَافِظَةٌ لِلنِّعْمَةِ، دَافِعَةٌ لِلنِّقْمَةِ، جَالِبَةٌ لِلْبَرَكَةِ، مُبْعِدَةٌ مِنَ الشَّيْطَانِ، مُقَرِّبَةٌ مِنَ الرَّحْمَنِ.

“নামাজ রিজিকের কারণ, স্বাস্থ্যের রক্ষাকারী, ক্ষতি প্রতিহতকারী, রোগ-ব্যাধি দূরকারী, অন্তরকে শক্তিশালীকারী, চেহারাকে উজ্জ্বলকারী, আত্মাকে প্রফুল্লকারী, অলসতা দূরকারী, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে কর্মচঞ্চলকারী, শক্তি বৃদ্ধি করার সহায়ক, বক্ষ প্রশস্তকারী, আত্মার পুষ্টিদানকারী, অন্তরকে আলোকিতকারী, নেয়ামত সংরক্ষণকারী, বিপদ প্রতিহতকারী, বরকত আনয়নকারী, শয়তান থেকে দূরে রাখে এবং রহমানের নিকটবর্তী করে।”

ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)যাদুল মাআদ ৪/৩০৪
495000
হযরত ইবনু আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন

كُلُّ كَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ صَدَقَةٌ، وَعَوْنُ الرَّجُلِ أَخَاهُ صَدَقَةٌ، وَالشَّرْبَةُ مِنَ الْمَاءِ يَسْقِيهَا صَدَقَةٌ، وَإِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ صَدَقَةٌ

“প্রতিটি ভালো কথায় একটি সদকা, ব্যক্তির নিজ (আপন কিংবা দ্বীন সম্পর্কিত) ভাইকে সাহায্য করা একটি সদকা, কাউকে একবার পানি পান করানো একটি সদকা এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক কোনো বস্তু সরানো একটি সদকা।”

আল-আদাবুল মুফরাদ, ৪২২।
513000
Photo
হযরত আবু যর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

كُلُّ تَسْبِيحَةٍ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ تَحْمِيدَةٍ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ تَهْلِيلَةٍ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ تَكْبِيرَةٍ صَدَقَةٌ، وَأَمْرٌ بِالْمَعْرُوفِ صَدَقَةٌ، وَنَهْيٌ عَنِ الْمُنْكَرِ صَدَقَةٌ

“প্রত্যেকবার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলায় একটি সদকা, প্রত্যেকবার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলায় একটি সদকা, প্রত্যেকবার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলায় একটি সদকা, প্রত্যেকবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলায় একটি সদকা, সৎকাজের আদেশ দেওয়া একটি সদকা এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা একটি সদকা।”

সহিহ মুসলিম,১০০৬
541000
আর একটা কথা মনে রাখি,দু‘আ করতে করতে অধৈর্য হয়ে যাবো না।

আমরা অনেক সময় কিছু একটা খুব করে চাই। কয়েকদিন, কয়েকমাস দু‘আ করি। তারপর যখন নিজের মতো করে ফল দেখতে পাই না, তখন মনে হয়, “এত চাইলাম, তবুও তো হলো না।” আস্তে আস্তে দু‘আ করাও কমে যায়।

এটা করবেন না।

নবীজি ﷺ বলেছেন,
يُسْتَجَابُ لِأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجَلْ

“তোমাদের কারও দু‘আ কবুল হতে থাকে, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়ো করে।”

কবুল হতে থাকে!

আরেকবার পড়েন?

কবুল হতে থাকে....

দু‘আ করে সঙ্গে সঙ্গে ফল না পেলেই ধরে নেবেন না যে দু‘আ কবুল হয়নি। আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন। একই দু‘আ অনেকদিন ধরে করলেও সমস্যা নেই। আপনার কাজ চাওয়া, কখন কীভাবে দেবেন সেটা আল্লাহ ভালো জানেন।


আমরা তো জানিই না, কোনটা আমাদের জন্য ভালো, কোনটা এখন দরকার, আর কোনটা একটু পরে হলে ভালো হবে।


তাই কোনো একটা দু‘আ নিয়ে অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করলে হতাশ হবেন না। “আর চাইব না” বলে বসে থাকবেন না। আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন।

আজ জুমআ। একটু সময় বের করুন। দরূদ পড়ুন, ইস্তিগফার করুন, তারপর নিজের প্রয়োজনগুলো নিয়ে দু‘আ করুন।


ছোট্ট এই দু‘আটা খুব ভালো লাগে..
উপরেও লিখেছি -

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي

হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি রহম করুন।

দু‘আ করতে থাকুন। কবুল হতে থাকে ان شاء الله.......
627000
জুমআ'র রাত, দিন।

এই দিনটা চলে যাওয়ার আগে আল্লাহর কাছে আপনার প্রয়োজনগুলো খুলে বলেন। যেসব দু‘আ প্রতিদিন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন, সেগুলো আবার করুন। যেসব গুনাহ ছাড়তে পারছেন না, সেগুলো ছাড়ার তাওফীক চান। নিজের জন্য, পরিবার ও উম্মাহর জন্য দু‘আ করুন।
আর বেশি বেশি দরূদ পড়ি ইনশাআল্লাহ!

আমরা জানি না আর কতগুলো জুমআ আমাদের জীবনে বাকি আছে!

اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي
475000
❝আল্লাহ তোমার সঙ্গে যা কিছু করেন, তাতে সন্তুষ্ট থাকো। কারণ, তিনি তোমাকে কোনো কিছু থেকে বঞ্চিত করেন না-তোমাকে দেওয়ার জন্যই বঞ্চিত করেন। তিনি তোমাকে পরীক্ষা করেন না-তোমাকে রক্ষা ও নিরাপদ রাখার জন্যই পরীক্ষা করেন। তিনি তোমাকে অসুস্থতা দেন না-তোমাকে সুস্থ করার জন্যই দেন। আর তিনি তোমাকে মৃত্যু দেন না-তোমাকে জীবন দেওয়ার জন্যই দেন।

সুতরাং সাবধান! এক পলকের জন্যও যেন তুমি তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট না হও-এমন না হয় যে, এর ফলে তুমি তাঁর দৃষ্টিতে অধঃপতিত হয়ে যাও।❞

মাদারিজুস সালিকীন ২/২০৮
538000
❝একজন মানুষকে যদি দুনিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমগ্র দুনিয়া দিয়ে দেওয়া হয়, অতঃপর তার কাছে মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়, তাহলে তার অবস্থা এমন হবে যেন সে স্বপ্নে এমন কিছু দেখেছিল, যা তাকে আনন্দিত করেছিল, কিন্তু ঘুম থেকে জেগে দেখল - তার হাতে কিছুই নেই।❞

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু), মাদারিজুস সালিকীন ৩/২৪৮-এ উদ্ধৃত
568000
গায়রে মাহরামের প্রতি প্রেমাসক্তি

শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ বলেন,

❝গায়রে মাহরাম নারীর প্রতি প্রেমাসক্তিতে এমন সব ক্ষতি রয়েছে, যার পূর্ণ পরিমাণ বান্দাদের রব ছাড়া কেউ জানেন না। এটি এমন একটি রোগ, যা ব্যক্তির দ্বীনকে নষ্ট করে, এরপর তার বুদ্ধি-বিবেক এবং পরবর্তীতে তার শরীরকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।❞

মাজমূউল ফাতাওয়া, খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ১৩২।


ইবনু তাইমিয়্যার মূল উদ্ধৃতিতে পুরুষের গায়রে মাহরাম নারীর প্রতি ‘ইশক’ বা গভীর প্রেমাসক্তির কথা এসেছে। তবে এই ধরনের হারাম প্রেমাসক্তির ক্ষতি নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

অন্তরের এই আসক্তি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন তা শুধু অনুভূতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং দৃষ্টিতে, কথায়, চিন্তায়, আচরণে এবং শেষ পর্যন্ত দ্বীনের ওপরও প্রভাব ফেলে।

তাই হৃদয়কে এমন সম্পর্ক ও আসক্তি থেকে রক্ষা করা জরুরি। আর যদি কারও অন্তরে এমন টান সৃষ্টি হয়, তাহলে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, হারাম যোগাযোগ ও দৃষ্টির পথ বন্ধ করা এবং নিজেকে সংযত রাখা এটাই নিরাপদ পথ।

আল্লাহ ﷻ আমাদের যাবতীয় হারাম আসক্তি থেকে হিফাজতে রাখুন,আমিন!

@Seeratulmustaqim
669000
Photo
“জেনে রাখুন, কোনো মুসলিম বান্দা যখন মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি অধিক পরিমাণে দুরূদ পাঠ করে, তখন আল্লাহ তার অন্তরকে আলোকিত করেন, তার গুনাহ ক্ষমা করেন, তার বক্ষ প্রশস্ত করে দেন এবং তার কাজ সহজ করে দেন।

সুতরাং বেশি বেশি দুরূদ পাঠ করুন। হয়তো আল্লাহ আপনাদেরকে তাঁর দ্বীনের অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত করবেন, তাঁর নবী ﷺ-এর সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দেবেন এবং জান্নাতে তাঁকে আমাদের সকলের সঙ্গী করে দেবেন।”


বুস্তানুল ওয়ায়েযীন ওয়া রিয়াদুস সামি‘ঈন, ২৮৭।

@Seeratulmustaqim
705000
দাজ্জালের ফিতনা ও সুরা কাহাফ কিভাবে সম্পর্কিত?


দাজ্জাল মানুষকে কয়েকভাবে পরীক্ষা করবে---

▪️বিশ্বাসের পরীক্ষা - খোদায়ী দাবি করবে।

▪️শক্তির পরীক্ষা - তাঁর শক্তি দেখে মানুষের ঈমান টলে যাবে।

▪️সম্পদের পরীক্ষা- প্রচুর সম্পদ দিয়ে পরীক্ষা করবে।

▪️জ্ঞানের পরীক্ষা- তাঁর মনগড়া খবরাখবর প্রচার করবে।

এখন, এ পরীক্ষায় মুমিন উত্তীর্ণ হবে কিভাবে তার বিবরণ আছে সূরা কাহাফে----

✅ উত্তম সঙ্গী নিয়ে চলতে হবে (আয়াত নং ২৮)যে সবসময়ই আল্লাহর স্মরনে উৎসাহ দিবে।

✅আল্লাহর কাছেই কেবল সাহায্য চাওয়া (আয়াত-২৭)

✅দুনিয়া অল্পদিনের এটা মনে রাখা (আয়াত-৪৫)।

✅সকল কাজ একমাত্র আল্লাহর খুশির জন্য করা(আয়াত-১১০)

সর্বোপরি আখিরাতে বিশ্বাস রেখে দুনিয়ার পরীক্ষা গুলোকে তুচ্ছ জানা।

"ফয়জুল কাদীর" বইয়ে ইমাম মুনাভী(مناوى)যা বলেছেন তার সার হচ্ছে --

গুহাবাসী যুবকদের এ কুদরতী ঘটনা যারা জানবে তারা দাজ্জালের ফিতনা দেখে বিভ্রান্ত হবে না,কারণ আল্লাহ তায়া’লার পক্ষে সবই সম্ভব।এছাড়াও এ আয়াতগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করাও দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার উপায়।

আল্লাহ তায়া’লা আমাদের যাবতীয় ফিতনা থেকে মুক্ত রাখুন।

এবং অবশ্যই সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করতে না ভুলি!

সিরাতুল মুস্তাক্বীম
659000
❝লোকেরা অভিযোগ করে থাকে যে, নামাযে মন বসে না। আমি বলি খোঁজ নিয়ে দেখো, ভোজ্য খাদ্যের কোন অংশে হারামের সংমিশ্রণে রয়ে গেছে।❞

হযরত ইবনে আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহু 'এহয়াউ উলুমিদ্দীন' (নামাজের খুশু-খুজু অধ্যায়)।

@Seeratulmustaqim
902000

Showing 30 of 119 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters) টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters) (@seeratulmustaqim) tgdio-এ কোর্স এবং লার্নিং ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ১,৭৩৭ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters) (@seeratulmustaqim) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @seeratulmustaqim-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters) কি ভালো কোর্স এবং লার্নিং চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters)-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ১,৭৩৭ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই কোর্স এবং লার্নিং চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

সিরাতুল মুস্তাক্বীম (A Free Learning Platform For Sisters)-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @seeratulmustaqim পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।