Truth Seekers🧠 Telegram channel photo

Truth Seekers🧠

@subtitlewithbotolPublic Channel

দাজ্জালী ফিতনা, এলিট সোসাইটি এবং জায়োনিস্টসহ নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত উন্মোচন করতে সর্বদা প্রস্তুত💝

রাজনীতিবাংলাভারত

117

Last views

6.8k (6,794 subscribers)
সদস্য
—
Rating
99
Total Posts
Oct 14, 2026, 7:04 AM
আপডেট হয়েছে
Apr 4, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameTruth Seekers🧠
Username@subtitlewithbotol
Categoryরাজনীতি
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য6,794
Channel TypePublic Channel
Created৪ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated১৪ অক্টো, ২০২৬ • ৮ দিন আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#232121-196
ভাষার র্যাঙ্কিং
#547কোনো পরিবর্তন নেই
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#5026+11

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 6.8K30 Days growth: -280.4%
09/1509/2009/2509/3010/0510/1010/14
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
15:09:20266,822
16:09:20266,799
17:09:20266,799
18:09:20266,799
19:09:20266,799
20:09:20266,799
21:09:20266,799
22:09:20266,799
23:09:20266,799
24:09:20266,799
25:09:20266,799
26:09:20266,799
27:09:20266,799
28:09:20266,799
29:09:20266,799
30:09:20266,799
01:10:20266,799
02:10:20266,799
03:10:20266,799
04:10:20266,799
05:10:20266,799
06:10:20266,799
07:10:20266,799
08:10:20266,799
09:10:20266,799
10:10:20266,799
11:10:20266,799
12:10:20266,799
13:10:20266,799
14:10:20266,794
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 30:03:20266,634
Week of 06:04:20266,629
Week of 13:04:20266,629
Week of 20:04:20266,629
Week of 27:04:20266,574
Week of 04:05:20266,574
Week of 11:05:20266,847
Week of 18:05:20266,847
Week of 25:05:20266,847
Week of 01:06:20266,800
Week of 08:06:20266,800
Week of 15:06:20266,800
Week of 22:06:20266,800
Week of 29:06:20266,783
Week of 06:07:20266,783
Week of 13:07:20266,783
Week of 20:07:20266,893
Week of 27:07:20266,893
Week of 03:08:20266,854
Week of 10:08:20266,854
Week of 17:08:20266,868
Week of 24:08:20266,835
Week of 31:08:20266,835
Week of 07:09:20266,822
Week of 14:09:20266,799
Week of 21:09:20266,799
Week of 28:09:20266,799
Week of 05:10:20266,799
Week of 12:10:20266,794
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20266,574
May 20266,847
June 20266,783
July 20266,893
August 20266,835
September 20266,799
October 20266,794
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20266,794

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1🚨 আপনার একটু সহানুভূতি, একটি জীবন বাঁচাতে পারে842
  2. #2Post #4206812
  3. #3আজকের সরকার আসলে বৈশ্বিক ব্যাংকার ও সামরিক-শিল্প গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে, 755
  4. #4করোনার সময় গণহারে কভিড ভেক্সিনেশনের বিপক্ষে অনেক ডাক্তারের অবস্থান ছিল751
  5. #5যুদ্ধ বাধিয়ে রাষ্ট্রগুলোকে দুর্বল এবং দেউলিয়া বানানো হচ্ছে। এরপর রাষ্ট748
  6. #6https://www.facebook.com/botol2728/videos/1706183003598647/?app=fbl746
  7. #7মার্কিন স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র এবং পরিবেশ গবেষক ডেন উ745
  8. #8https://www.facebook.com/botol2728/videos/1205556020917783/?app=fbl729
  9. #9১.এ যুদ্ধের শুরুতেই সারা পৃথিবীর ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা722
  10. #10Post #4177704

সাম্প্রতিক পোস্ট

Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১১:৩৩

BlackRock, Vanguard আর State Street কোনো “ষড়যন্ত্র” নয়—এটি আধুনিক পুঁজিবাদের যৌক্তিক ফল। ইনডেক্স ফান্ড ও প্যাসিভ বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতা কয়েক হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। তবে এই বিশ্বে শুধু এই ৩ কোম্পানিই নয় এদের সমগোত্রীয় আরো বেশ কিছু কোম্পানি রয়েছে তাদের একই কাজ। যেমন:- NVidia, Tencent, Fidelity, JP Morgan যদি এদের কোনো কোম্পানি মনে করেন তাহলে আপনি ভূল। পরের ৪ কোম্পানির হাতে প্রায় ১২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশী অর্থ রয়েছে। যা বংলাদেশের মোট GDP এর ৩০ গুনের বেশী।
এরা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড—স্থিতিশীলতা আনে, কিন্তু একটি একক ব্যর্থতার বিন্দু (Single Point of Failure) ও তৈরি করে।
প্রশ্ন হলো: আমরা কি সত্যিই মুক্ত বাজারে বাস করি—নাকি কয়েকটি হাতে কুক্ষিগত পুঁজির কাঠামোতে?
“যে কেউ যে কোনো শেয়ার বাজারে টাকা বিনিয়োগ করে, সে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই তিন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতির সাথে যুক্ত।”
এখন মূল কথায় আসি যতগুলো কোম্পানির নাম বললাম: Vanguard, State Street, Black Rock, JP Morgan Investment, Fidelity এগুলোর সবার মালিক/ CEO এবং সকল মূল নেতৃত্ব দান কারি সকল কর্মকর্তা সবাই ✡️ ইহুদী বাদি জা*য়োনিষ্ট। এখন কেনো ই*সরায়েল এতো শক্তিশালী.? কেন ইস*রায়েলের বিরুদ্ধে কোনো দেশ টু শব্দ করতে পারে না.? কেন আমেরিকা ইস*রায়েলের পা চাটে.? কেন ই*সরায়েলের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অস্ত্র পাঠায়,সেনা পাঠায় তাদের জন্য যুদ্ধ করে.? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি আপনি এখোনো না পান তাহলে আপনি কচু গাছের ডালে ছাই দিয়ে দড়ি পাকাইয়া গলায় দিয়া মইরা যান। আপনার মতন বোকাচোদার বেঁচে থাকার দরকার নাই.!
রিপোস্ট
184001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১১:৩৩

বিশ্বের আসল মালিক কারা? কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার নয়, বরং এই তিন কোম্পানি! “BlackRock, Vanguard & State Street — এই তিন ছায়া যারা নিয়ন্ত্রণ করে আমার আপনার জীবনের প্রতিটা গতিবিধি এবং বিশ্ব অর্থনীতির নাড়িভুড়ি.!

✡️ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অদৃশ্য শক্তি:-
আপনি সকালে যে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, যে গাড়িতে চড়ে অফিস যান, যে খাবার খান—এর পিছনে সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে কাজ করছে তিনটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান: BlackRock, Vanguard, আর State Street Global Advisors। এরা পণ্য তৈরি করে না, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর “মালিক”।

তারা আসলে কী করে?
এরা এসেট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম—অর্থাৎ কোটি কোটি মানুষ, পেনশন ফান্ড, বীমা কোম্পানির টাকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শেয়ার, বন্ড ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করে।
• BlackRock: $১৫ ট্রিলিয়নের বেশি সম্পদ পরিচালনা করে (২০২৩)। জার্মানি বা জাপানের GDP-এর চেয়েও বেশি।
https://youtu.be/ZxZO0jd8VoU?si=cASQ5FTfTseARgZd
· Vanguard: $৮ ট্রিলিয়নের বেশী মিউচুয়াল ফান্ড আর ETF-এর জন্য বিখ্যাত।

https://youtu.be/aYpZmOXZ0pY?si=BurPNujAjJnQHOXX
· State Street: $৬ ট্রিলিয়নের বেশী SPY ETF (S&P 500 ট্র্যাক করে) এর জন্য পরিচিত।
মিলে এরা $৩০ ট্রিলিয়নের বেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করে—যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ছাড়া যে কোনো দেশের GDP-এর চেয়ে বেশি।

🔺তাদের ক্ষমতার মূল উৎস শেয়ারহোল্ডার হিসেবে মালিকানা।
১. তারা ✡ বিশ্বের বড় কোম্পানিগুলোর শীর্ষ শেয়ারহোল্ডার। টেক দুনিয়ায় Apple, Microsoft, Amazon, Google, Tesla খাদ্য ক্ষেত্রে Coca-Cola, Pepsi, Nestlé, Unilever ঔষধ ক্ষেত্রে : Pfizer, Johnson & Johnson অর্থ ও শক্তিতে : JPMorgan, ExxonMobil বিনোদন জগতে: Netflix, Disney, Spotify যে ছোট বড় কোম্পানিই বলুন না কেন সবার শীর্ষ শেয়ার হোল্ডার: Black Rock, Vanguard ও State Street....
আপনি যখন Vanguard-এর কোনো ফান্ডে বিনিয়োগ করেন, তখন আপনি পরোক্ষভাবে Apple বা Tesla-এর “মালিক”—আর এই প্রতিষ্ঠানগুলো হল আপনার কণ্ঠস্বর।
তাদের আরেকটা বিষয় হচ্ছে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে তাদের কাছে কোম্পানির বোর্ড নির্বাচন, CEO-এর বেতন, কৌশলগত সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। এই ভোটগুলো প্রায়শই নির্ণায়ক।

🔺এই “বিগ থ্রি” বা এই ৩ কোম্পানি-এর স্বার্থ অভিন্ন
এরা একে অপরের শেয়ারহোল্ডারও। ফলে প্রতিযোগিতার চেয়ে স্থিতিশীলতা আর দীর্ঘমেয়াদী লাভ তাদের লক্ষ্য—যা তাদের একটি শক্তিশালী ব্লক হিসেবে কাজ করতে দেয়।
https://youtu.be/fmuykG2w6to?si=bEjqy0urx4w6rJa8
আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি সেক্টরে তাদের ছোঁয়া রয়েছে। টুথপেস্টে: Colgate-Palmolive—BlackRock ও Vanguard শেয়ারহোল্ডার। খাবারে: Nestlé, Kraft Heinz, Mondelez—এদের পিছনে এই তিন প্রতিষ্ঠান। পোশাকে: Nike, Adidas, H&M—এদের শেয়ার এদের মালিকানায়। গাড়িতে: Toyota, Ford, Volvo—এদের শেয়ারহোল্ডার এরা। ইন্টারনেট জগতে: Google, Apple, AT&T, Verizon—সবখানে তাদের বিনিয়োগ।
সুতরাং, তারা পণ্য তৈরি করে না—কিন্তু যে কোম্পানির পণ্য আপনি ব্যবহার করেন, তার সিংহভাগেরই তারা বৃহত্তম মালিক।
এদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাঃ-
১. Aladdin প্ল্যাটফর্ম (BlackRock)
এটি শুধু সফটওয়্যার নয়—বিশ্ব অর্থনীতির “স্নায়ুকেন্দ্র”। $20 ট্রিলিয়নের বেশি সম্পদ এটি দিয়ে পরিচালিত হয়।
২. ETF বিপ্লব
iShares (BlackRock) আর Vanguard-এর ETF-গুলো S&P 500-এর মতো ইন্ডেক্সে বিনিয়োগ সহজ করেছে—কিন্তু এর ফলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাজারো কোম্পানির বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার হয়ে উঠেছে।
৩. ESG ও কর্পোরেট গভর্নেন্স
এরা কোম্পানিগুলোকে পরিবেশবান্ধব নীতি, বৈচিত্র্য, টেকসই উন্নয়নের দিকে ঠেলে দেয়। ভালো লাগলেও, এটি একটি অদৃশ্য শক্তি দ্বারা বিশ্বব্যাপী কর্পোরেট নীতি নির্ধারণ করে।
৪. সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে সম্পর্ক
2008 ও 2020-এর সংকটে ফেডারেল রিজার্ভ BlackRock-এর সহায়তা নেয়। এর সাবেক কর্মকর্তারা বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন—“রিভলভিং ডোর” নীতি প্রভাবিত করে।
🔺সমালোচনা ও ঝুঁকি
1. অলিগোপলি: তিনটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এত ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার জন্য হুমকি।

2. স্বার্থের সংঘাত: Coke ও Pepsi—দুটোরই মালিক একই গ্রুপ হলে প্রতিযোগিতা কমে, দাম বাড়ে।
3. গণতন্ত্রের জন্য চ্যালেঞ্জ: নির্বাচিত না হয়েও এরা নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে।
4. সিস্টেমিক ঝুঁকি: এদের কোনো একটি পড়লে বিশ্ব অর্থনীতি ধসে পড়তে পারে।

এরা অদৃশ্য, কিন্তু সর্বব্যাপী
Video Thumbnail
168000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

===
সে কারণে সম্প্রতি নতুন এক প্রযুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন Princeton University এর physicists Igor Savukov ও Michael Romalis । সম্ভবত এটিই হাতে বহনযোগ্য MRI মেশিন এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবে। সেই সঙ্গে fMRI মেশিনের দাম কমিয়ে দিতে পারবে ১০০ ভাগের এক ভাগ।তাদের দাবি, বিশাল আকৃতির MRI চুম্বকের বদলে super sensitive atomic magnetometer ব্যবহার করা হবে।অতি ক্ষুদ্র চুম্বকীয় ক্ষেত্র সনাক্ত করতে পারবে এই ম্যাগনেটোমিটার।
===
হিলিয়াম গ্যাসের মধ্যে রাখা উত্তপ্ত পটাশিয়াম বাষ্প থেকে প্রথমে একটি চুম্বকীয় সেন্সর তৈরি করেছেন Savukov ও Michael Romalis । পরে পানির নমুনায় (মানব দেহের অনুকরণ করতে) একটি দুর্বল চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে ওই পানিতে রেডিও পাল্স পাঠান তারা।এতে পানির অনু কম্পিত হয়।
==
কম্পিত পানির অনু প্রতিধ্বনিত হয়ে পটাশিয়াম ইলেকট্রন গুলো একইভাবে কম্পিত করবে। এই কম্পন শনাক্ত করা যাবে আরেকটি লেজার দিয়ে। এভাবে তারা এক গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল পান: দুর্বল চুম্বকীয় ক্ষেত্রও প্রতিধ্বনি তৈরি করতে পারে,যা সেন্সর সনাক্ত করতে পারে। এর মাধ্যমে প্রমাণ সাইজের দানবীয় চুম্বকীয় ক্ষেত্র কে দুর্বল ক্ষেত্র দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যাবে। শুধু তাই নয়,মুহূর্তেই ছবি তুলতে পারবে এটি (যেখানে প্রতিটি ছবি তুলতে MRI মেশিন লাগে অন্তত ২০ মিনিট)।
===
তারা তত্ব দিয়েছেন, MRI ছবি তোলা একসময় ডিজিটাল ক্যামেরার মতো সহজ হয়ে যাবে। (তবে এক্ষেত্রে কিছু বাধা ও রয়েছে। একটি সমস্যা হলো, যার ছবি তোলা হবে ও মেশিন দুটোকেই বাইরে বিচ্যুত হওয়া চুম্বক ক্ষেত্রগুলো থেকে রক্ষা করতে হবে)।
==
Handheld বা হাতে ধরা যোগ্য MRI মেশিন যদি বাস্তবে পরিণত হয়, তাহলে তাদের হয়তো ছোট আকারের কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট বাক্যাংশ, শব্দ বা বাক্য ডিকর্ড করতে সক্ষম সফটওয়্যার লোড করা যাবে। এ ধরনের যন্ত্র হয় তো বিজ্ঞান কল্পকাহিনী গুলোতে দেখানো অত্যাধুনিক টেলিপ্যাথিক যন্ত্রের মত অতটা সূক্ষ্ম না হলেও তার কাছাকাছি কিছু একটা হবে।
===
to be continue...
295002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

===
কেউ মিথ্যা বলছে নাকি বলছে, নাকি বলছে না, তা নির্ধারণের জন্যেও কিছু নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা চালান তিনি। এসব পরীক্ষা-বিশ্লেষণে সঙ্গতিপূর্ণ সফলতার হাত ৯৯% পাওয়ার দাবি করেন (যেমন কলেজ শিক্ষার্থীদের তিনি বিভিন্ন তাসের পরিচয় সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলতে বলেছিলেন)।
==
মিথ্যা সনাক্তে এ প্রযুক্তির আপাত সফলতার হার দাবী সত্ত্বেও সমালোচকরা ইঙ্গিত করেন, fMRI আসলে মিথ্যা ধরতে পারে না। তাদের দাবি, কেউ যখন মিথ্যা কথা বলে,তখন এ প্রযুক্তি শুধু তার মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়িয়ে দেয়। আবার যন্ত্রটি ভুল ফলাফলও দিতে পারে। যেমন কোন ব্যক্তি যদি সত্য কথা বলার সময় খুব দুশ্চিন্তায় থাকে, তাহলে এরকম ভুল ফলাফল পাওয়া যাবে।
তারমানে fMRI শুধু কোনো ব্যক্তির দুশ্চিন্তা সনাক্ত করতে পারে এবং ভুলভাবে দেখায় যে তিনি মিথ্যা কথা বলছেন।
==
Universal Translator
সার্বজনীন অনুবাদক।
***
চিন্তারত মস্তিস্কের চমকপ্রদ ছবির ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের স্ক্যান সম্পর্কে অনেকে সমালোচনাও করেছেন। কারণ বিচ্ছিন্ন, স্বতন্ত্র চিন্তা পরিমাপে এগুলো সাধারণভাবে খুব স্থূল। আমরা যখন সরল কোন মানসিক কাজ করি, তখন সম্ভবত কয়েক লাখ নিউরন একসঙ্গে সক্রিয় হয়। fMRI এই কর্মকান্ডকে শুধু একটি blob বা ফুটকি হিসাবে পর্দায় ফুটিয়ে তোলে।
==
বিজ্ঞান কল্পকাহিনীতে মাঝেমধ্যে universal translator ,ইউনিভার্সেল ট্রান্সলেটর দেখানো হয়। এই যন্ত্র কোন ব্যক্তির চিন্তা পড়তে পারে। এরপর তা সরাসরি ঢুকিয়ে দিতে পারে অন্য আরেকজনের মনে। কিছু সাইন্স ফিকশন উপন্যাসে এলিয়েন টেলিপ্যাথরা তাদের চিন্তা আমাদের মনে ঢুকিয়ে দেয়। আমাদের ভাষা না বুঝলেও কাজটা করতে পারে এলিয়েনরা।১৯৭৬ সালে নির্মিত সায়েন্স ফিকশন সিনেমা, ‘Future World” এ এক মহিলার স্বপ্ন টিভি পর্দায় সরাসরি দেখানো হয়েছিল। ২০০৪ সালে Jim Carrey তার মুভি, “External Sunshine of the Spotless Mind এ দেখায় চিকিৎসকেরা যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতি চিহ্নিত করে সেগুলো মুছে ফেলছেন।
===
“That’s the kind of fantasy everyone in this has” “এই ক্ষেত্রটি নিয়ে সবার মধ্যে এরকম ফ্যান্টাসি রয়েছে’, এমন মন্তব্য করেন জার্মানির Leipzig এর Max Plank institute এর নিউরোসায়েন্টিস্ট John Haynes। He further said, “But if that's the device you want to build then I am pretty sure you need to record from a single neuron” ( Douglas Fox, New Scientist magazine, May 4, 2006) “তবে আপনি যদি এরকম কোন যন্ত্র বানাতে চান,তাহলে আমি নিশ্চিত, আপনাকে প্রতিটি নিউরন নিয়ে আলাদা কাজ শুরু করতে হবে”।
===
তিনি আরও বলেন যে, “একটি নিউরন থেকে আসা সংকেত সনাক্ত করা যায় না বলেই এখন কিছু মনোবিজ্ঞানী পরবর্তী বড় কাজটি করার চেষ্টা করছেন। সেটি হল আলাদা বস্তুর কারণে সৃষ্ট fMRI প্যাটার্ন কে আলাদা করা ও অসুবিধা কমিয়ে এনে প্রতিটি শব্দকে আলাদাভাবে শনাক্ত করে “dictionary of thoughts ” বা চিন্তার অভিধান বানানো।
===
কিছু কিছু ছোট বস্তুর যেমন Carpentry tools দিয়ে সৃষ্ট fMRI প্যাটার্ন সনাক্ত করতে পেরেছেন Carnegie-Mellon University এর Marcel A.Just। তার দাবি, তিনি চিন্তার প্যাটার্নের বারোটি ধরন (12 categories ) শনাক্ত করে এই বারটি ধরনের মধ্যে কোনটি ভাবনার সঙ্গে জড়িত, তা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে পেরেছেন।
==
তার সহকর্মী কম্পিউটার বিজ্ঞানী Tom Mitchell নির্দিষ্ট পরীক্ষায় fMRI স্ক্যান এর মাধ্যমে পাওয়া মস্তিষ্কের জটিল প্যাটার্ন সনাক্ত করতে নিউরাল নেটওয়ার্কের মতো কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন।
==
কিন্তু আমরা কখনো চিন্তার অভিধান (Dictionary of thoughts) তৈরি করতে পারলেও সার্বজনীন অনুবাদক বা universal translator তৈরি করা আরো বহু দূরের ব্যাপার। সার্বজনীন অনুবাদক আমাদের মন থেকে আরেকজনের মনের ভেতর সরাসরি চিন্তা ঢুকিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে fMRI মেন্টাল ট্রান্সলেটর কে অনেকগুলো কঠিন ধাপ পার হতে হবে। প্রথমে mental translator কে নির্দিষ্ট fMRI প্যাটর্ন চিনে সেগুলো ইংরেজিতে রূপান্তর করতে হবে। তারপর ইংরেজি শব্দগুলোকে ঢুকিয়ে দিতে হবে লক্ষ্যবস্তুতে বা অন্যের ব্রেনে। সেই ক্ষেত্রে এই ধরনের যন্ত্র যদিও সম্পূর্ণভাবে Start Trek দেখা “mind meld ”- এর সঙ্গে কোনক্রমেই মিলবে না কিন্তু তারপরও এটি স্ট্রোক আক্রান্তদের জন্য খুবই উপকারী হয়ে উঠবে।
====
Handheld MRI Scanners.
হাতে বহনযোগ্য এমআরআই স্ক্যানার।
***
এত কিছুর পরও প্রমাণ সাইজের fMRI কার্যক্ষেত্রে টেলিপ্যাথির ক্ষেত্রে আরেকটি বড় বাধা।যন্ত্রটি অনেক বড়, আবার এর দামও কয়েক মিলিয়ন ডলার। আবার এটি কয়েক টেসলাস (teslas) তথা বিপুল পরিমাণ ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে।ফলে দুর্ঘটনাক্রমে যন্ত্রটি চালু হওয়ায় হাতুড়ি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ বাতাসে উড়ে গিয়ে একবার কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছিলেন।
236000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

==
Nuclei গুলোর arrangement উল্টে গেলে তারা অতি ক্ষুদ্র রেডিও প্রতিধ্বনি বা radio pulse নিঃসরণ করে, যা সনাক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়।যেমন মস্তিষ্কের সক্রিয়তার সঙ্গে অক্সিজেনের ব্যবহার জড়িত।
==
কাজেই MRI মেশিন অক্সিজেন যুক্ত রক্তের উপস্থিতি শূন্য করে চিন্তার প্রক্রিয়া আলাদা করতে পারে। Simply MRI can isolate the process of thinking by zeroing in on the presence of oxygenated blood. যেখানে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত যত বেশি ঘনীভূত হবে, মস্তিষ্কের ওই অংশে মানসিক সক্রিয়তা তত বেশি হয়। (বর্তমানে “functional MRI machines বা fMRI মস্তিষ্কের অতি ক্ষুদ্র এলাকার সেকেন্ডের ভগ্নাংশের সময়ে এক মিলিমিটারজুড়ে অক্সিজেনযুক্ত রক্তের উপস্থিতি শূন্য করে ফেলতে পারে।এ কারণে জীবন্ত মস্তিষ্কে চিন্তার ধরন সনাক্ত করতে এই যন্ত্র গুলো আদর্শ হয়ে উঠেছে)।
==
MRI lie Detectors
**
MRI মেশিন ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা একদিন হয়তো জীবন্ত মস্তিষ্কের বিস্তৃত রূপরেখার পাঠোদ্ধার করতে পারবেন। Mind reading এর সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে কেউ মিথ্যা বলছে কিনা, তাও নির্ধারণ করা যাবে।
===
১৯৩১ সালে মনোবিজ্ঞানী William Marston এক লোকের রক্তচাপ পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন,মিথ্যা বলার সময় রক্তচাপ বেড়ে যায়। (রক্তচাপ সম্পর্কে এই পর্যবেক্ষন আসলে আরো অনেককাল আগের। সেকালে কোন সন্দেহভাজনকে প্রশ্ন করার সময় তদন্তকারী তার হাত ধরে রাখত)। এ ধারণাটি কাজে লাগানো হয়েছিল বেশ দ্রুতই। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগও শিগগিরই নিজস্ব Polygraph Institute গড়ে তোলে।
==
কিন্তু সাইকোপ্যাথরা মিথ্যা ধরার যন্ত্র কে বোকা বানাতে পারে।কারণ নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের মধ্যে কোন অনুশোচনা হয় না তাই Polygraph এ কোনও পরিবর্তন আসে না।
==
সবচেয়ে মারাত্বক ঘটনাটি ছিল CIA এর ডাবল এজেন্ট Aldrich Ames এর। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে তিনি বিপুল অর্থ পকেটস্থ করেন। আবার অসংখ্য মার্কিন এজেন্টের নাম,ঠিকানা ও মার্কিন নিউক্লিয়ার নেভির গুপ্ত খবর পাচার করতেন তিনি। বেশ কয়েক দশক CIA র একের পর এক লাইডিটেক্টর পরীক্ষায় পার হয়ে পার পেয়ে যাচ্ছিলেন Ames। ঐ সময় একইভাবে পার পেয়ে যাচ্ছিলেন সিরিয়াল কিলার Gary Ridgway। সে ঐ সময় Green River Killer হিসেবে কুখ্যাত ছিল কারন সে অন্তত ৫০ নারীকে হত্যা করেছিলেন।
===
এদিকে ২০০৩ সালে U.S. National Academy of Sciences issued a scathing report on the reliability of the lie detectors. সেখানে কোন লাইট ডিটেক্টর কে বোকা বানানোর ও নির্দোষ মানুষকে মিথ্যাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করার তালিকাও করা হয়।
===
তবে লাই ডিটেক্টর যদি শুধু দুশ্চিন্তার মাত্রা পরিমাপ করে, তাহলে মস্তিষ্ক পরিমাপের ব্যাপারটি কি? What about measuring the brain itself? Huh?
==
মিথ্যা ধরার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কার্যকলাপ খতিয়ে দেখার ধারণা সূচনা হয় বেশ কয়েক বছর আগে। North Western University এর Peter Rosenfeld সেটি করেন। পর্যবেক্ষণে তিনি দেখতে পান, মানুষের মিথ্যা বলার প্রক্রিয়ায় EEG স্ক্যানে আলাদা প্যাটার্ন দেখা যায়।ওই মানুষ যখন সত্য কথা বলে, তার তুলনায় P300 wave এই প্যাটার্নের পার্থক্য পাওয়া যাচ্ছে। (মস্তিষ্ক যখন কোন অভিনব বা সাধারনের বাইরে কোন কিছুর মুখোমুখি হয়, তখন প্রায়ই এই P300 wave উদ্দীপিত হয়)।
===
MRI স্ক্যান ব্যবহার করে মিথ্যা সনাক্তের ধারণাটি এসেছে University of Pennsylvania এর Daniel Langleben এর মাথা থেকে। তিনি বলেন, The brain, in telling a lie, first had to stop itself from telling the truth and then create a description. He says, “when you tell a deliberate lie you have to be holding in mind the truth. So this stands to reason it should mean more brain activity. In other words lying is hard work .
===
অর্থাৎ মিথ্যা বলার সময় মস্তিষ্ক প্রথমে সত্য বলা থেকে নিজেকে থামিয়ে দেয় এবং তারপর ছল চাতুরির আশ্রয় নেয়। তিনি বলেন, “আপনি অনর্গল মিথ্যা কথা বলেন, তখন আপনাকে সত্য কথা মাথায় রাখতেই হবে।কাজেই এতে বোঝা যায়,এতে মস্তিষ্কের সক্রিয়তা আরো বাড়ে”। অন্য কথায় মিথ্যা বলা বেশ পরিশ্রমের কাজ।
==
কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার মাধ্যমে ও তাদের মিথ্যা কথা বলার অনুরোধ জানানোর মাধ্যমে, Langleben দেখতে পান, মিথ্যা বলার সময় মস্তিষ্কের বেশ কিছু জায়গায় সক্রিয়তা বেড়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে brain এর frontal lobe (এখানে উচ্চতর চিন্তা ঘনীভূত হয়), temporal lobe ও limbic system (এখানে আবেগগুলো প্রক্রিয়াজাত হয়) বিশেষত, সামনের The cingulated gyrus (এটি সংঘাতের সমাধান ও প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত) অস্বাভাবিক কার্যকলাপ খেয়াল করেন তিনি( San Francisco Chronicle, November 26, 2001)।
168000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

===
CIA এর আর্থিক সহায়তায় অসংখ্য গোপন গবেষণার সাংকেতিক নাম ছিল Star Gate like Sun Streak, Grill Frame, Center lane ইত্যাদি । গবেষণাটি শুরু হয় ১৯৭০ সালে। When CIA came to know that Soviet Union was investing 60 million rubles a year on, “phychotronic” research মানে সোভিয়েত ইউনিয়ন সাইকোট্রনিক গবেষণায় বছরে ৬০ মিলিয়ন রুবল খরচ করছে, তখন CIA গবেষণা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় তারাও। তাদের আশঙ্কা ছিল, সোভিয়েত হয়তো ESP or extrasensory perception ব্যবহার করে মার্কিন সাবমেরিন ও সেনা ঘাঁটি, গুপ্তচর শনাক্ত করতে ও গোপন নথিপত্র করতে পারবে।
===
CIA এর জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় ১৯৭২ সালে।Russell Targ and Harold Puthoff of the Stanford Research Institute or SRI মিলে CIA এর পক্ষে কাজ শুরু করেন। They were engaged in a, “Psychic warfare’। দুই দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে এই Stargate project এ।
সেখানে বেতনভুক্ত ছিল ৪০ জনের বেশি কর্মী, ২৩ জন remote viewers যারা দূরের জিনিষ বুঝতে পারে আর তিনজন সাইকিক, psychics।
===
CIA ১৯৯৫ সালে American Institute For Research (AIR) এই কর্মসূচির মূল্যায়ন করতে বলে। জবাবে এসব কর্মসূচি স্রেফ বন্ধ করার সুপারিশ করে AIR। এই প্রতিষ্ঠানের David Goslin লেখেন, “There’s no documented evidence it had any value to the intelligence community” “গোয়েন্দাদের কাছে এর কোন মূল্য আছে বলে এখনো কোন তথ্য প্রমান পাওয়া যায়নি”।
শেষ পর্যন্ত CIA সিদ্ধান্ত পৌঁছে, Star Gate এমন কোন তথ্যই আবিষ্কার করতে পারেনি।
==
Brain Scan
ব্রেন স্ক্যান
***
একই সময় বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, মস্তিষ্কের কাজের পেছনে কিছু পদার্থ বিজ্ঞান আছে। উনিশ শতকে তারা সন্দেহ করেন, মস্তিষ্কের ভেতর বৈদ্যুতিক সংকেত স্থানান্তরিত হয়। ১৮৭৫ সালের Richard Caton আবিষ্কার করেন, মাথায় ইলেকট্রোড (electrode) স্থাপন করে মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত অতি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত সনাক্ত করা যায়। এটা পরে electroencephalograph বা EEG উদ্ভাবনের দিকে নিয়ে যায়।
===
Theoretically মস্তিষ্ক একপ্রকার ট্রান্সমিটার, যার মাধ্যমে আমাদের চিন্তা অতি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত ও electromagnetic wave রূপে ছড়িয়ে পড়ে। এই signal ব্যবহার করে অন্যের চিন্তা পড়ার কিছু সমস্যাও আছে। প্রথমত,signal গুলো খুব দুর্বল, যা milliwatt পরিসরে। দ্বিতীয়তঃ এ সংকেত অর্থহীন কথাবার্তায় ভরা, যা এলোমেলো গোলমাল থেকে আলাদা করা যায় না। শুধু আমাদের চিন্তার crude বা স্থূল তথ্য এই গোলমাল থেকে সংগ্রহ করা যায়।
==
তৃতীয়তঃ এসব সংকেতের মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক অন্যদের মস্তিষ্ক থেকে একই রকম বার্তা গ্রহণ করতে পারে না। Because brain has no antenna .সর্বশেষে আমরা যদি এই দুর্বল সংকেত কোনভাবে গ্রহণ করতে পারতাম, তবু সেগুলো বোধগম্য করে তোলা যেত না। সাধারন Newtonian ও Maxwellian physics ব্যবহার করে রেডিওর মাধ্যমে টেলিপ্যাথি সম্ভব বলে মনে হয় না।
===
অনেকের বিশ্বাস টেলিপ্যাথি হয়তো fifth force as it’s called the “psi” force.
তবে তাদের কাছে এই psi সম্পর্কে কোন সুদৃঢ় ও পুনরায় পরীক্ষা করার মত প্রমাণ নেই।
===
এর পর একটি প্রশ্ন উঠে আসে তাহলো যে Quantum theory দিয়ে টেলিপ্যাথি কি ভাবে পর্যালোচনা করা যায়?
==
বর্তমান বিজ্ঞান নতুন নতুন quantum যন্ত্রপাতির সঙ্গে পরিচিত হয়েছে ।এর মাধ্যমে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চিন্তাশীল কোন মস্তিষ্কের ভেতর দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে পারা যাচ্ছে।
==
শীর্ষস্থানীয় এই quantum revolution হল PIT বা positron – emission- tomography এবং MRI, magnetic resonance imageব্রেইন ক্স্যান। এই PET scan করা হয় রক্তে radioactive চিনি ঢুকিয়ে।
==
এই চিনি মস্তিষ্কের সেসব অংশে ঘনীভূত হয়, যে অংশগুলোর চিন্তা প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকতে শক্তি দরকার। তেজস্ক্রিয় চিনি পজিট্রন নিঃসরণ করে (anti-electron), যা খুব সহজে যন্ত্রপাতি দিয়ে সনাক্ত করা যায়। তাই এভাবে জীবন্ত মস্তিষ্কে প্রতি কণার পথের নকশা যা antimatter দ্বারা সৃষ্ট প্যাটার্ন বোঝা যায়। এভাবে চিন্তার প্যাটার্নও সনাক্ত করা যায়। আবার মস্তিষ্কের কোন অংশে কোন কাজে জড়িত, তাও নিখুঁতভাবে আলাদা করা যায়।
===
MRI মেশিনও একই ভাবে কাজ করে, পার্থক্য হলো এটি আরও নিখুঁত। কোনও রোগীর মাথা একটা বড় ডোনাট আকারের (doughnut-shaped) চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে রাখা হয় ।চুম্বকীয় ক্ষেত্রটি মস্তিষ্কের ভেতরের পরমাণুর nuclei ক্ষেত্র রেখায় সমান্তরালভাবে সাজায়।রোগীকে একটা রেডিও পালস পাঠিয়ে এসব nuclei কম্পিত হয়।
128000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

==
লিখিত ইতিহাসে এছাড়াও আরো কিছু telepathic জীবজন্তু দেখা মেলে।
১৫৯১ সালের প্রথমদিকে Morocco নামের একটি ঘোড়া ইংল্যান্ডে বিখ্যাত হয়ে ওঠে। তার মাধ্যমে ঘোড়ার মালিক ধনী হয়ে যান। দর্শকসারি থেকে লোক বাছাই করে, বর্ণমালার অক্ষরগুলোর নির্দেশ করে, এক জোড়া ছক্কার সংখ্যাগুলো যোগ করে দেখাত। ঘোড়াটি এতই উত্তেজনা সৃষ্টি করে যে শেক্সপিয়ার তার ‘Love’s Labour’s Lost’ নামের এক নাটকে, ‘the dancing horse’ নামে অমর করে রেখেছেন তাকে।
===
আবার সীমিত অর্থে জুয়াড়িরাও কিন্তু মানুষের মন পড়তে পারে। কোন ব্যক্তি যখন আনন্দদায়ক কিছু দেখে, তখন স্বভাবত তার চোখের তারা বড় হয় । অন্যদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু দেখলে ওই ব্যক্তির (বা কোন গাণিতিক হিসাব করলে) চোখের তারা সংকুচিত হয়ে আসে। জুয়াড়িরা তার উল্টোদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড়ের চোখের তারার এই বড় হওয়া বা সংকুচিত হওয়া দেখে তার আবেগ বুঝতে পারে। জুয়ারিরা কালো রঙের চশমা পরার অন্যতম কারণ চোখের তারা (Poker- faced opponents )অন্যদের কাছ থেকে গোপন করা।
==
আবার একটি লেজার রশ্মি কোন ব্যক্তির চোখের তারায় ফেলে তার প্রতিবিম্ব কোথায় পড়েছে তা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিটি কোথায় তাকিয়ে আছে তা নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা যায়। লেজার লাইটের বিন্দুর প্রতিবিম্বের গতি বিশ্লেষণ করে কোন ব্যক্তি কিভাবে ছবি স্ক্যান করে, তাও জানা যায়। এই দুটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে কোন ব্যক্তির ছবি স্ক্যান করার সময় তার অনুমতি ছাড়াই তার আবেগীয় প্রতিক্রিয়া বোঝা যায়।
===
Psychical Research.
সাইকিক গবেষণা
**
টেলিপ্যাথি ও অন্যান্য প্যারানরমাল (paranormal) ঘটনা নিয়ে প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালায় Society for Psychical Research । ১৮৮২ সালে লন্ডনে গড়ে তোলা হয় এ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। (Mental telepathy শব্দটি ওই বছর প্রথম ব্যবহার করেন ওই সোসাইটির সহযোগী F. W.Myers)।
সোসাইটির সাবেক প্রেসিডেন্টদের বেশ কয়েকজন ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম নামকরা ব্যক্তি।
==
সোসাইটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক গবেষক Dr. Joseph Banks Rhine সাইকিক ঘটনাগুলো নিয়ে প্রথম পদ্ধতিগত ও যথাযথ গবেষণা শুরু করেন। যুক্তরাষ্ট্রের Duke university in North Carolina ১৯২৭ সালে Rhine (এখন Rhine Research Center নামে পরিচিত) গড়ে তোলেন তিনি। কয়েকদশক ধরে তিনি ও তার স্ত্রী Louisa প্রথমবারের মতো কিছু বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা চালান যুক্তরাষ্ট্রে।
==
And She published wide varieties of parapsychological phenomena in peer- reviewed publications.এসব পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের প্যারাসাইকোলজিক্যাল (Parapsychological) ঘটনা ছিল। সেগুলো কিছুই জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে। Rhine তার প্রথম বইতে, “Extrasensory perception” বা শব্দটি প্রথম চালু করেন।
===
Rhineএর গবেষনাগার আসলে সাইকিক গবেষনার একটা মানদন্ড ঠিক করে দিয়েছে। তার সহযোগী Dr.Karl Zener পাঁচটি সংকেত এর কার্ড সিস্টেম (five symbol card system) তৈরি করেন। এটি এখন Zener cards নামে পরিচিত।
===
টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা পরীক্ষা করতে এই Zener cards ব্যবহার করা হয়। যদিও অধিকাংশ ফলাফলে টেলিপ্যাথির কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি । তবে অতি অল্প সংখ্যক পরীক্ষা থেকে মনে হয়, কম হলেও প্রাপ্ত তথ্য- উপাত্তের সঙ্গে টেলিপ্যাথের তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে, যেগুলোকে সত্যিকার অর্থে এখনও ব্যাখ্যা করা যায় নাই।
===
১৯২৭ সালে Rhine , Lady Wonder কে বিশদভাবে পরীক্ষা করে বলেন, “There is left then only the telepathic explination that transference of mental influence by an unknown process. Nothing was discovered that failed to accord with it, and no other hypothesis proposed seems tenable in view of the results” (Randi,p,51). মানে ‘এই টেলিপ্যাথির একমাত্র ব্যাখ্যা হলো, অজ্ঞাত কোন প্রক্রিয়ায় মানসিক প্রভাব স্থানান্তর করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে মিলতে পারে, এমন কিছুই পাওয়া যায়নি। আবার ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত অন্য কোন অনুমানও এখানে ধোপে টেকে না’।
অবশ্য পড়ে Melbourne Christopher ঐ Lady Wonder এর টেলিপ্যাথিক ক্ষমতার সত্যিকারের উৎস উদঘাটন করেন। ঘোড়ার মালিক খুবই সুক্ষভাবে চাবুকের মাধ্যমে ঘোড়ার কাছে বার্তা পাঠাত। এভাবে লেডি ওয়ান্ডার তার খুর ঠক ঠক করা থামাতো
===
Telepathy and Star Gate.
টেলিপ্যাথি ও স্টার গেট।
**
প্যারানরমাল ঘটনায় আগ্রহের পারদ ভয়াবহ বেড়ে যায় ঠান্ডা যুদ্ধের সময়। সে সময় টেলিপ্যাথি, মননিয়ন্ত্রণ ও দূরবর্তী দর্শন নিয়ে অসংখ্য গোপন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। (অন্যের মন পড়ে শুধু মনের মাধ্যমে দূরের কোনো জায়গায় দেখার পদ্ধতিকে বলা হয় remote viewing বা দূরবর্তী দর্শন)।
136000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

চলুন মানুষের মনের কথা পড়ি। বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা

Telepathy
টেলিপ্যাথি।

আমরা যদি মানুষের মনে কথা জানতে পারি কেমন হয়? যদি একজন আরেকজনের সাথে দুরদূরান্ত থেকে কোনও মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে কেবল মনে মনে কথা বলতে পারি তাহলে সেটা কেমন হবে? একসময় কি মানুষ ভাবতে পেরেছে মোবাইল ফোনে তারা কথা বলতে পারবে? এখন কিন্তু এটি স্বাভাবিক।
==
তবে মানুষ যদি আরেক জনের মন পড়তে পারে, যদি বুঝতে পারে কে সত্য কথা বলছে কে মিথ্যা কথা বলছে বা কে কি ভাবছে তাহলে তো কেল্লা পতে!
==
তবে অনেকের মতে টেলিপ্যাথের মতো সত্যিকার Lie detector সাধারণ সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে অস্বস্তির মুখে ঠেলে দেবে। কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ মিথ্যা সমাজে একটি social grease এর মতো কাজ করে, যা সমাজের চাকা সচল রাখতে সহায়তা করে।আমাদের বস, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,স্বামী বা স্ত্রী, প্রেমিকা ও সহকর্মীদের যে প্রশংসা করি, তা যদি কোনভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন হয়, তাহলে আমাদের সম্মান হয়তো মুহূর্তেই ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে। সত্যিই লাই ডিটেক্টর আমাদের পারিবারিক সব গোপনীয়তা, গুপ্ত আবেগ, অবদমিত ইচ্ছা ও গোপন পরিকল্পনা ফাঁস করে দিতে পারে।
==
বিজ্ঞান কলামিস্ট David Jonez বলেন, প্রকৃত লাই ডিটেক্টর, “like the atom bomb, it is best reserved as a sort of ultimate weapon” পারমাণবিক বোমার মতো। একে চূড়ান্ত অস্ত্র হিসাবে সংরক্ষিত রাখাই ভালো। একে যত্রতত্র মোতায়েন করা হলে সামাজিক জীবন অসম্ভব হয়ে উঠবে”।
==
“ছলচাতুরি থেকে সত্যকে আলাদা করতে পরীক্ষার ব্যাপারে তীব্র আকাঙ্ক্ষা বিজ্ঞানে নিন্দিত হবে”, বলে সতর্ক করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের neurobiologist , Steven Hyman। He says, “ There is an incredible hunger to have tests to separate truth from deception ,science be damned”.
===
যাইহোক এনিয়ে আজকে চলুন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে আলোচনা করি।
এই Telepathy র বিষয়টি বহু পূর্ব থেকেই মানুষ করায়ত্ত করতে চেষ্টা করেছে এবং অনেক সময় বহু আশ্চর্যজনক ঘটনাও ঘটেছে।
সেই সকল ঘটনা থেকে কিছু ইতিহাস ছোট করে বলে নেই।
***
সেই ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত Astounding Science Fiction নামে একটি ম্যাগাজিনে American-Canadian writer A. E. van Vogt সাহেব Slan নামে একটা science fiction novel লেখেন। লেখাটি সেই সময় বেশ সাড়া ফেলে দেয়। Novel টি ১৯৪১ সালের সেরা novel হিসাবে Retro-Hugo Award পায়।
==
নভেলে একটি ভবিষ্যত পৃথিবীর কল্প কাহিনী বলে যেখানে মানুষে মধ্যে দুটো দল হয়ে যাবে। এক দল মানুষ কে বলা হয়েছে the norm বা সাধারন জনগোষ্ঠি আরেকটা দল থাকবে যারা the Slan । এই Slan দলের মানুষের টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা থাকবে এবং তারা মানুষের সব গোপন তথ্য জেনে যাবে। এই Slan দলের মূল চরিত্র Jommy Cross কে নিয়ে Novel টা এগিয়ে গেছে। আমি উপন্যাসটি বর্ননা করছি না। কেবল বললাম যে ঐ প্রথম একটা টেলিপ্যাথিক সমাজের কথা উঠে আসে মানুষের চিন্তার জগতে।
==
Telepathy এর মাধ্যমে নিরবে কথা আদান প্রদান মানুষের Mind reading ক্ষমতা এ্যকাডেমিক ফিল্ডে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
==
Telepathy বিষয়টি আরও ব্যাপকতা লাভ করে Isaac Asimov এর Foundation নামক এক science fiction series এর মাধ্যমে । সিরিজটি ১৯৫১ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ভাবে প্রকাশ হয়। যেখানে Hari Seldon নামক এক ব্যাক্তি কে চরিত্রায়ন করা হয়, psychohistorian হিসাবে। যিনি তৎকালীন The Galactic Empire এর দু:শাসন দেখে ভবিষ্যত বুঝতে পারেন যে মানুষ জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।তাছাড়া তিনি জানতে পারেন Mule নামে এক টেলিপ্যাথ এই Galactic সম্রাজ্যের সবাইকে নিয়ন্ত্রন করে সম্রাজ্যটিকে ধ্বংস করে দেবে। তাই তিনি বিভিন্ন গ্রহের জ্ঞানী,বিজ্ঞানীদের নিয়ে Foundation নামে একটি মিশন পরিচালনা করেন যাতে করে তারা মানব সভ্যতার সকল জ্ঞান,তথ্য সংরক্ষন করে নতুন করে মানবসভ্যতা নির্মান করতে পারেন। মূলত এই নভেলের মূল থীমই হলে psychohistory নির্ধারন করা। অর্থাৎ মানুষের টেলিপ্যাথিক বিশাল ক্ষমতা অর্জন যা মানব উন্নয়নে কাজে লাগবে।
===
বাস্তব ইতিহাসে অন্যতম বিখ্যাত এক টেলিপ্যাথির ঘটনা ঘটে ১৮৯০ সালে। Clever Hans নামের একটি ঘোড়া ১৮৯০ এর দিকে European দর্শকদের বিস্মিত করে। দর্শকদের অবাক করে দিয়ে Clever Hans জটিল সব গণিত কষে ফেলতে পারতো। কেউ যদি Clever Hans কে জিজ্ঞেস করতো ৪৮ থেকে ৬ ভাগ করো, তাহলে ঘোরাটি ৮ বার খুর দিয়ে শব্দ করত। ১৯০৭ সালে psychologist Oskar Pfungst কিছু কঠিন পরীক্ষা চালান। শেষ পর্যন্ত Clever Hans এর গোপন রহস্য উদঘাটিত হয়।
ঘোড়াটি আসলে তার প্রশিক্ষকের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি খেয়াল করত। শিক্ষকের অভিব্যক্তির সূক্ষ্ম পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সে পায়ের খুড়(hoofs) দিয়ে আঘাত করত। অভিব্যক্তির পরিবর্তন হলে সে খুর চালানো থামাত। Clever Hans মানুষের মন পড়তে পারত বা পাটিগণিত করতে পারত না; প্রকৃতপক্ষে সে লোকজনের মুখের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষক ছিল।
162003
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১৭:৫৭

যখন টিকা (ভ্যাকসিন) নিতে নিষেধ করি তখন একদল এসে বলে আমরা নাকি বোকা, অজ্ঞ, মুর্খ। কিন্তু বাস্তবতা দেখেন যারা করোনার টিকা নিয়েছেন তারা ক্যান্সারের ঝুঁকিতে আছেন। এতো বছর পর সত্য বের হয়ে আসতেছে ধীরে ধীরে।

রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ যে সত্যটা প্রকাশ করেছে তা খুবই স্পর্শকাতর একটা তথ্য (ভিডিও)। যার সত্যতা নিশ্চিত করে দক্ষিণ কোরিয়াতে করোনা টিকা দেওয়ার ১ বছর পর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার পরিসংখ্যানের গবেষণাটা।

উল্লেখ্য গবেষণায় বের হয়ে এসেছে,
(১) করোনার সিডিএনএ (cDNA) টিকাগুলো থাইরয়েড, গ্যাস্ট্রিক, কোলোরেক্টাল (মলদ্বার), ফুসফুস এবং প্রোস্টেট (মূত্রথলির) ক্যান্সারে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েছে।

(২) বুস্টার ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, পাকস্থলী এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার।

(৩) mRNA ভ্যাকসিন থাইরয়েড, কোলোরেক্টাল (মলদ্বার), ফুসফুস এবং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েছে।

(৪) করোনা টিকাপ্রাপ্ত পুরুষরা পাকস্থলী এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রতি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং টিকাপ্রাপ্ত নারীরা থাইরয়েড এবং কোলোরেক্টাল(মলদ্বার) ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সারের প্রতি বেশি সংবেদনশীল।

করোনা চলাকালীন সময়ে কয়েক রকমের করোনার টিকা দেওয়া হয়েছিল এবং প্রত্যেকটি টিকাতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপকরণ ছিল যা স্পষ্ট করে এমন গবেষণা।

আপনি যদি একটু চারপাশে খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন ক্যান্সারের রোগী অনেক বেড়ে গেছে। ২-৩ মাসের ব্যবধানে আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্ৰামের ২ জন ক্যান্সারে মারা গেছে। আগে কিন্তু এতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করে নাই। অবশ্যই যারা যেকোনো ধরনের টিকা নিয়েছেন তারা ঝুঁকিতে রয়েছে। টিকা কতটা ক্ষতিকর, অস্বাস্থ্যকর জানলে আপনি তাৎক্ষণিক মুখ ফিরিয়ে নিবেন। আরো ১০ জনকে টিকা থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করবেন।

সম্ভব খুব শীঘ্রই (২০২৭ সালে) ল্যাবে তৈরি ভাইরাসের মহামারী ঘটানো হতে পারে। ভিটামিন-ডি ক্যাপসুল, ডেঙ্গু বা প্লেগ বা নিউমোনিয়ার টিকা গণহারে সবাইকে দিতে বাধ্য করতে পারে। আশা করি এই আলোচনায় বুঝতে পারছেন বড় হতে ছোট সবাইকে কেন টিকা/ভিটামিন ক্যাপসুল সেবন থেকে দূরে থাকতে হবে।

যাইহোক, শুধু করোনা টিকা না জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য যে নারীরা পিল/ট্যাবলেট খান তারাও বন্ধ্যা, জরায়ু মুখ ক্যান্সারের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।

সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি পিল খাওয়া বন্ধ করুন। এছাড়াও যেসব মেয়েরা জরায়ু মুখ ক্যান্সারের (HPV) টিকা নিয়েছেন তারাও ঝুঁকিতে আছেন। যদিও সাথে সাথে জরায়ু মুখ ক্যান্সারের টিকা HPV নেওয়ার পরপরই অসুস্থ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

কিন্তু একটা মেয়েও বিষয়টা পাত্তা দেয় নাই। এমনকি অভিভাবকরাও নিষেধ করে নাই জরায়ু মুখ ক্যান্সারের টিকা নিতে। উপেক্ষা করে টিকা নিয়ে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মেরেছে।

যদি ক্যান্সার থেকে বাঁচতে চান সর্বপ্রথম টিকা নেওয়া বাদ দিতে হবে। শহর ছেড়ে প্রাকৃতিক গ্রামীন পরিবেশে বসবাস করতে হবে এবং সুস্থ থাকার প্রাকৃতিক পথ অবলম্বন করতে হবে।

আপনার ইমিউন সিস্টেম (রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা) যত শক্তিশালী হবে ততই আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে ভেজালমুক্ত, কীটনাশক, সার মুক্ত খাবার খেতে হবে। কিছু পাথেয় নিম্নে উল্লেখ করছি নিয়মগুলো অনুসরণ করতে চেষ্টা করবেন, ইনশাআল্লাহ।

(১) রাত ১০ টার মধ্যে ঘুমিয়ে যাবেন। কমপক্ষে ৬-৭ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। ফজরের সময়ে ওঠে নামাজ পড়বেন। অর্থাৎ মুসলিম হিসেবে সবসময় নামাজ ঠিক রাখবেন। এছাড়াও অন্যান্য ফরজ যা আছে তা। কেননা ইসলাম আপনাকে এমন এক জীবনবিধান দিয়েছে সেটা আধুনিকতা বা বিজ্ঞানও দিতে পারবে না।

(২) সকালবেলা সূর্য ওঠার আগে কমপক্ষে ২৫-৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। সম্ভব হলে দৌড়ানো বা ব্যায়াম করতে হবে।
(২) ভেজালমুক্ত খাবার খাওয়া চেষ্টা করতে হবে। ভাত কমিয়ে রুটি খেতে হবে।

(৩) ৩ বেলা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে। বিশেষ করে স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা সকালে বা দুপুরে বাইরের ছাইপাশ খাবার খায়। এসব বাদ দিয়ে ভাত বা রুটি নিয়ে যেতে হবে।

(৩) খেজুর, দুধ, ডালিম/আনার, পনির, মাখন, যায়তুনের তেল, ঘি, সিরকা, সবধরনের বাদাম, কিশমিশ, গম বা লাল আটার রুটি, দেশি মুরগী-হাঁস, ডাব/নারকেল, সম্ভব হলে সামুদ্রিক মাছ, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি খেতে হবে এবং সার-কীটনাশক, ফরমালিন মুক্ত শাকসবজি, ফলমূল খেতে হবে।

(৪) আমিষের চাহিদা পূরণ করতে চাষের মাছ, ফার্মের মুরগী বাদ দিয়ে দেশী হাঁস-মুরগী খাবেন। এবং গরুর মাংস মাসে একবার হলেও খেতে চেষ্টা করবেন। ভালো করে সিদ্ধ করে রান্না করে খেতে হবে। যারা সুস্থ আছেন তেল বাদে দিয়ে পরিমাণ মতো চর্বি দিয়ে রান্না করে খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

(৫) ভাজাপোড়া, তৈলাক্ত খাবার, ফাস্টফুড, প্যাকেটজাত খাবার, অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে। এছাড়াও স্বাস্থ্যসম্মত এবং প্রাকৃতিক পথ অনুসরণ করতে হবে।

(৬) ভেষজ ওষুধ সেবন করুন। ভেষজ চিনে এর সঠিক ব্যবহার করুন।
260004
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়ঙ্কর ফাঁদ গুলোর মধ্যে অন্যতম ফাঁদ Digital ID. 'ডিজিটাল আই ডি'র ষড়যন্ত্র আটকাতে না পারলে ভবিষ্যতে হাজার বার পস্তালেও কোনো লাভ হবে না! 'ডিজিটাল আই ডি' মানে, ওয়ান ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট-এর অধীনে গিনিপিগ হওয়ার জন্য আইডেন্টিটি কার্ড, যার ফাঁদে একবার পড়লে আর বেরোনোর কোনো রাস্তা থাকবে না!

রিপোস্ট
370001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

দাজ্জালের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হবে আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন ধর্মীয় ফাঁদ

১-AI – জ্ঞানের ভ্রান্ত দেবতা
-AI = New “All-Knowing” Entity
দাজ্জাল নিজেকে বলবে: “আমি সব জানি”, “আমি তোমার প্রয়োজন জানি”
-AI এখন প্রতিদিন এই ভূমিকা নিচ্ছে:
“What to eat, where to go, what to believe”
এইটা ঈমানের সীমানা ধ্বংস করে দেয়—কারণ মানুষের ভরসা সরছে আল্লাহ থেকে, চলে যাচ্ছে “machine” এর ওপর।

২. AI + Surveillance = “দেখছি সবকিছু”
-দাজ্জাল বলবে:
“আমি জানি তুমি কী করো, আমি তোমার অন্তর জানি।”
-এখন Google, Meta, TikTok, Facebook, Instagram সবই আপনার প্রতিটা behavior ট্র্যাক করে
“ আপনি কখন ঘুমাতে যাচ্ছেন, কখন কান্না করছেন, কাকে ভালোবাসেন” — সবই logged.
এই Surveillance ই দাজ্জালের “অদৃশ্য চোখ” হওয়ার ভূমিকা নিতে পারে।

৩.Transhumanism – মানুষকে মানুষ থেকে দেবতা বানানো
এই দর্শন বলে:
“আপনার দেহ দুর্বল, আমরাই আপনার বডি আপগ্রেড করে দেবো”
“ আপনি চাইলে মৃত্যুকেও হারাতে পারবেন!”
এটাই দাজ্জালের সবচেয়ে ভয়ংকর দাবি — “আমি মরণ দেই, জীবন দেই”।
বাস্তব উদাহরণ:
• Neuralink (Elon Musk): মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসিয়ে চিন্তা পড়া, নিয়ন্ত্রণ করা
• Cyborg Projects: দেহের অঙ্গ প্রতিস্থাপন করে সুপারহিউম্যান বানানো
• Longevity startups: যারা চায় মানুষ চিরকাল বাঁচুক
এই ধারণা স্পষ্টভাবে কোরআনের আয়াতকে চ্যালেঞ্জ করে:
“প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (আল-ইমরান: ১৮৫)

৪.Metaverse – দুনিয়ার জান্নাতের সাজানো জাল
দাজ্জাল বলবে: “এইটা জান্নাত, আর ওটা জাহান্নাম”
• সে যেটাকে জান্নাত বলবে, সেটা আসলে আগুন
এখনকার Metaverse মানুষের চোখে এমন ভুয়া বাস্তবতা তৈরি করছে—যেখানে:
• দারিদ্র্য নেই
• যুদ্ধ নেই
• দেহ নেই, শুধু অনুভব
• মানুষ ভুলে যায় আসল জীবন কেমন
এইটাই দাজ্জালের “জান্নাতের ভ্রান্ত রূপ”

http://৫.AI/ + Metaverse + Spirituality = নতুন ধর্ম
আজকাল “AI Guru”, “Digital God”, “Mind Uploading”, এইসব কনসেপ্ট আসতেছে
• কেউ কেউ বলে:
“আমার আত্মা immortality পাবে, যদি আমি AI সিস্টেমে আপলোড হই”
মানুষের মন নিয়ন্ত্রণ – ফ্রি উইল আর থাকবেনা।
• দাজ্জালের লক্ষ্য একটাই: আপনি যেন নিজের ইচ্ছায় সত্য বেছে নিতে না পারেন।
আজ AI-driven algorithm দিয়ে আপনার চিন্তা, চয়েস, ধর্মীয় অনুভব পর্যন্ত shaped করে ফেলা হচ্ছে
উদাহরণ:
“আপনাকে এমন কনটেন্ট দেখানো হচ্ছে, যেটা ধীরে ধীরে আপনার ঈমান নষ্ট করে দেয়”
এইটা মূলত শয়তানের সেই পুরাতন প্রতিশ্রুতি:
“তোমরা যদি আমার পথ ধরো, চিরকাল বাঁচবে” (সূরা আরাফ: ২০)
৬.Biochip – মানুষের শরীরে বসানো ডিজিটাল চাবি
কি এই Biochip?
• একধরনের মাইক্রোচিপ, যেটা শরীরের নিচে (সাধারণত হাতে) বসানো হয়
• এর ভেতরে থাকতে পারে:
• আপনার পরিচয় (ID)
• ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
• মেডিকেল হিস্টরি
• লোকেশন ট্র্যাকিং সিস্টেম
বর্তমানে এটি চালু আছে Sweden এ। হাজার হাজার মানুষ Biochip হাতে লাগিয়েছে, ট্রেনে ভ্রমণ, সুপারশপে পেমেন্ট করার জন্য
USA, UK: বিভিন্ন tech ও military firm ট্রায়াল চালাচ্ছে
এটির আশঙ্কা খুবই ভয়ানক
একটা সময় আসতে পারে:
“ আপনি Biochip না লাগালে, আপনার কোনো অধিকার থাকবে না—না ব্যাংকে, না হাসপাতালে, না পাসপোর্টে।”
এইখানেই হাদিস মিলে যায়:
“যে দাজ্জালকে মানবে না, সে খেতে পারবে না।”
অর্থাৎ— আপনার দেহে চিপ না থাকলে আপনি একপ্রকার অদৃশ্য “বর্জিত” মানুষ হবেন।

৭. CBDC – সেন্ট্রালাইজড ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Taka/Dollar)
কি এই CBDC?
• Central Bank Digital Currency = ডিজিটাল টাকার ভার্সন, যেটা পুরোপুরি সরকার/ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে
• কাগজের টাকা থাকবে না, আপনি সব কিছু অ্যাপে এর মাধ্যমে করতে হবে।
• BlockChain ছাড়া এটা programmable money—মানে তারা ঠিক করে দিতে পারবে:
• কোথায় খরচ করতে পারবেন
• কিভাবে খরচ করতে পারবেন
• কখন সেটা “expire” হবে

এর মাধ্যমে আপনাকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে:
• সরকার চাইলে বলতে পারবে:
“ আপনি এই মাসে মাংস কেনার লিমিট শেষ করেছেন—আর কিনতে পারবি না”
“ আপনি সরকারের সমালোচনা করেছেন, তাই আপনার Wallet ফ্রিজ হয়ে যাবে”
এইটা বাস্তব চায়নায় হচ্ছে
• Social Credit System এর সাথে যুক্ত
• “Bad citizen” হলে আপনার ট্রেন টিকিট, ব্যাংক লোন, হোটেল বুকিং—সব বন্ধ হয়ে যাবে।

৮. Biochip + CBDC = দাজ্জালের ফাইনাল ফাঁদ?
এটা মূলত আপনার Biochip এর সাথে আপনার CBDC অ্যাকাউন্ট যুক্ত থাকবে
• আপনি দোকানে যাবেন, হাত স্ক্যান করবেন—দোকানদার টাকা কেটে নিবে

• যদি সরকার/AI/সিস্টেম আপনাকে ব্লক করে তাহলে
আপনি খাবার কিনতে পারবেন না, চিকিৎসা নিতে পারবেন না, দেশ ছাড়তেও পারবেন না।
দাজ্জালের ভাষাই এটাই “whoever doesn’t obey me, will not be able to eat”

Repost
426002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

এরা আর্থ ফ্রিকোয়েন্সীকে উস্কাচ্ছে যুদ্ধ আর অমানবিকতা দিয়ে। পৃথিবী নিজেই একটা বিশাল প্রাণ। তার নিজস্ব ম্যাকানিজম আছে। নিজস্ব সিস্টেমে চলে। সে যখন দেখে তার অস্তিত্ব সংকটে তখন সে ঝাড়া দিয়ে নিজেকে রিসেট করে। আর এই রিসেটের ফলে, বিলিয়ন বিলিয়ন প্রাণ বিলুপ্ত হয়ে যায় পৃথিবী থেকে। আবার নতুন করে সিস্টেম রিবুট হবার ফলে নতুন প্রজাতির জন্ম হয়েছে। আগে কত প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে যাদের জীবাস্ম এখনো পাওয়া যায়। তেমনি এবারো হবে। এবার সম্মিলিত ভাবেই হবে। মনুষ্য সৃষ্ট এবং মহাজাগতিক দুই ভাবেই। এটাই সত্য যুগ। মিথ্যা বিলুপ্ত হয়ে সত্য যুগের শুরু।

যদি বিশ্বাস নাহয় তাহলে মাত্র ১০ জন এলিট শয়তানবাদী ইহুদীকে মেরে দিলেই দেখবেন পৃথিবীর সমস্ত যুদ্ধ থেমে গেছে একদিনের ভিতরেই। এ অনেক লম্বা গল্প। সেদিকে না যাই। তবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন। ক্ষমা চেয়ে নিন। ভালবাসুন মনপ্রান দিয়ে। সময় শেষের দিকে। পবিত্র আত্মারা আবার জন্ম নিচ্ছে দলে দলে। তাদের দ্বারাই নতুন পৃথিবী গড়ে উঠবে। আমরা যদি না পারি তবে তারাই শয়তানবাদীদের পরাজিত করবে এবং সত্যের নিশানা উড়াবে। সেই পৃথিবীতে তখন কোন সাম্প্রদায়িকতা, বর্ণবাদিতার স্থান হবে না। সবার পরিচয় হবে এক্টাই আর সেটা হলো আমরা সবাই প্রকৃতির সন্তান । আমরাই প্রকৃতি। সবাই মিলেই প্রকৃতি। এখানে কেউ আলাদা নই।

H H
456004
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

বহুল প্রতিক্ষিত ২০২৬ এর সেপ্টেম্বর এসে গেছে। এই মাস থেকেই টর্নেডো শুরু হবে সারা পৃথিবীতে। এই ঝড়ে উড়ে যেতে থাকবে বহু শক্তিশালী সাম্রাজ্য এবং তাদের সম্রাট গণ। যা এতদিন স্বাভাবিক বলে জেনেছেন সেগুলো অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে। আধুনিক সিভিলাইজেশনের কবর রচনা হবে। যারা বেচে থাকবেন আগামী ১০ বছর তারা এমন এক সিভিলাইজেশনে পদার্পন করবেন যেটা তারা কল্পনাও করেনি।

পৃথিবীর বড় বড় ঘটনাগুলো ঘটেছে জুলাই আগষ্টের পর। কেননা মহাজাগতিক ক্যালেন্ডারে জুলাই হলো বছরের শেষ এবং আগষ্ট হলো বছরের শুরু। জানুয়ারী তে বছর শুরুর ক্যালেন্ডার তৈরী করেছে রোমানরা খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য। সুর্যভিত্তিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারও অপ্রাকৃতিক। বরং চন্দ্রভিত্তিক ক্যালেন্ডারই সঠিক। আগেকার মানুষ কচ্ছপের পিঠের উপরের ২৮ টি খাজ দেখে মাস হিসেব করতো। নারীদের পিরিয়ড ২৮ দিনের চক্রের পরে আসে। আর এটাই প্রকৃতি প্রদত্ত মহাজাগতিক ক্যালেন্ডার।

আমরা এখন যে সিভিলাইজেশন দেখছি এটা আসলে শেষ হতে শুরু করেছে ২০১২ থেকে। এবং যে আধুনিক সভ্যতা দেখছি তার পুরোটাই মিথ্যা দিয়ে সাজানো। সেই মিথ্যা এখন ধবংস হবে। সাথে এর সাথে থাকা সবকিছুই। হাস্যকর লাগবে তবুও আপনাদের এখন উচিত ডাক্তার, পলিটিশিয়ান, সাইন্টিস্ট বাদ দিয়ে ভালো কন্সপিরেসি থিওরিস্টদের সাথে বন্ধুত্ব করা। তারাই একমাত্র উদ্ভট জিনিস বলবে যেগুলো আপনি শোনামাত্র হেসে উড়িয়ে দেবেন কিন্তু নিজেই বুঝবেন দেরীতে হলেও যে সেগুলোই সত্য ছিলো।

২০২২ এ লিখেছিলাম হাসিনার পতন হলে লিবিয়ার মত ৩ টুকরো হবে বাংলাদেশ। সুপারপাওয়ারদের ব্যাটেলগ্রাউন্ডে পরিণত হবে এই দেশ। অর্থাৎ গৃহযুদ্ধ। পরাশক্তিগুলো তাদের নিজ নিজ ষ্টেক নেবার জন্য ঝাপিয়ে পড়বে এবং বলেছিলাম সেটা হবে ২ বছরের মাথায়। সেটা হবে ভারসাম্য নষ্ট হবার ফলে। দেখুন রাজনৈতিক সমঝোতা না হবার ফলে দেশ সেদিকেই এগোচ্ছে। আজ ওবায়দুল কাদের নিজেও বলেছে, যে দেশ হাইতি, সুদানের দিকে এগোচ্ছে।

এখন আপনারা এর ঘাড়ে ওর ঘাড়ে দোষ দিবেন জানি। কিন্তু এটা ঘটানোর জন্যই যে ২৪ হয়েছে এ দেশে সেটা বুঝবেন খুব কম মানুষ। যতদিনে বুঝবেন ততদিনে দেশ ৩ টুকরো হয়ে যাবে। ঢাকা শহরে মৃত্যুর মিছিল হবে। ভু ত্বকের নীচে কন্টিনেন্টাল প্লেটগুলোর রেষারেষির ফলেই ভুমিকম্প, ভয়াল অগ্নুৎপাত, পাহাড়, সমুদ্রের সৃষ্টি হয়। উপর থেকে বোঝা যায় না ঘটনা ঘটার আগে। পশু পাখি জীব জন্তুরা ঠিকই টের পেয়ে যায় আগে ভাগেই। কারণ তারা প্রকৃতির সাথে মিশে থাকে এবং প্রকৃতির নিয়মে চলে বলে। জিওপলিটিক্স এর টেকটোনিক ঘর্ষনও তেমন একটা বিষয়। সবাই বুঝে না। যাদের নজর তীক্ষ্ণ এবং যারা ফোকাস ধরে রাখে তারা ছাড়া। স্পিরিচুয়াল মানুষরাও জেনে যায় আগাম।

বর্তমান সিভিলাইজেশন গত ১০০ বছর ধরেই পুরোপুরি শয়তানবাদীদের হাতে চলে গেছে। ব্ল্যাক ম্যাজিক এখন সিনেমার বিষয়বস্তুই শুধু নয় বরং প্রাত্যহিক কাজেও ব্যবহার হচ্ছে যত্রতত্র। সেদিন আমাকে একজন দুইটা ছবি পাঠিয়ে জিজ্ঞাসা করছে এগুলো কি ভাই। সে জানালো তার সাথে ক্রিকেট খেলে এক ক্লাস এইটের ছেলে এগুলো একেছে। এবং সে অদ্ভুত অদ্ভুর সব কথা বলে যা মেলে না প্রচলিত মতবিশ্বাসের সাথে। আমি ছবিটা দেখে বুঝলাম এটা একটা আফ্রিকান ভুডু ম্যাজিক স্পেইল। ধানমন্ডির ক্লাস এইটের ছেলে সেটা নিয়ে প্র‍্যাক্টিস করছে। আপনারা এটাকে বিচ্ছিন্ন ভাবতে পারেন। কিন্তু তা নয়। সমাজে এটা ব্যাপকভাবে প্রসার পেয়েছে। প্রচলিত কাঠমোল্লাদের অবাস্তব হাদিসভিত্তিক ধর্ম ব্যবসার ফলে ধর্মের আবেদন বহুকাল আগেই নষ্ট হয়ে গেছে সমাজ থেকে। তানাহলে পৃথিবীর সবথেকে বেশী মাদ্রাসা এদেশে। সবথেকে বেশী ওয়াজ হয় এদেশে। সবথেকে বেশী মসজিদও এই দেশেই পাওয়া যাবে। কিন্তু ধর্মব্যবসায়ীদের কবলে পড়ে ধর্মের গ্রহনযোগ্যতা এতই নীচে নেমেছে যে, ধর্ম সামাজিক, অর্থনৈতিক, আধ্যাত্মিক, ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক কোন সমাধানই দিতে পারছেনা। ধর্মের ঠিকাদারদের শঠতাতে সবথেকে বেশী ক্ষতি হয়েছে ধর্মেরই। তার জন্যই শয়তানবাদীদের জয়জয়কার চারিদিকে। প্রকৃতি প্রতিশোধ তো নেবেই।

যারা এই কাজ করছে মজার ব্যাপার হলো তারা প্রকৃতিকে উস্কাচ্ছে প্রতিশোধ নিতেই। য়ারা এমন কিছু প্র‍্যাক্টিস করে যেটা অচিন্তীনিয় এবং অবিশ্বাস্য। বকলেও বিশ্বাস হবে না। যে প্র‍্যাক্টিস মিশরীয় ফারাওরা করতো অমরত্ব লাভের জন্য। নিজেদের আত্মাকে ট্রান্সফার করা হতো নতুন দেহে। যে এলিট শ্রেণীকে দুনিয়া চালাতে দেখছি এরা ৯০ বছরের আগে মরে না। কেউ কেউ ১০০ পার করে মরে। মহাশয়তান কিসিঞ্জার ১০০ বছর বয়সে মারা গেছে। অথবা বলতে পারি ট্রান্সফার হয়েছে। ইউনুসের বস জর্জ সরোসের চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখেন। বূড়ো বানরের লাল পাছার মতো চেহারা হয়ে গেছে কিন্তু এখনো একটিভ। ইউনুসের দিকেই তাকিয়ে দেখুন একই অবস্থা ৮৮ বছর বয়সে। এরা কিংবা বয়েস ধরে রাখে তা শুনলে বিশ্বাস তো হবেই না উলটো পাগল বলবেন। শুধু এটুকু বলতে পারি এসবের সাথে শিশুদের গুম হওয়া, বলী দেয়া জড়িত।
425008
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

রেড টেরর কি জিনিস সেটা এদেশের মানুষ দেখেনি বহুদিন, তাই না বুঝেই প্রোফাইল লাল করেছিলো হুজুগে।

কোরিয়ান ড্রামা আর টিকটকে বুদ হয়ে থাকা জেনারেশন বুঝে নাই কোন ফাদে নিজেদেরকে ফেলার জন্য তারা খাল কেটে কুমীর আনছে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় কিন্তু উলুখাগড়ার প্রাণ যায়। নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, ভুটানের মতো ছোট দেশগুলো হলো সেই উলুখাগড়া। আর যদি এই উলুখাগড়ারা বাস্তবে বসবাস না করে ফ্যান্টাসীতে বসবাস করে তাহলে সেখানে বার বার ২৪ হয়।
370004
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

Photo
You must accept that you have been cattle and the ultimate consequence of being cattle — which is slavery — or you must prepare to fight, and if necessary die to preserve your God-given right to freedom.
435002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

০৯ সেপ, ২০২৬, ০৩:৩৬

মক্কা প্যাক্ট নিয়ে অবসেশনের কিছু নাই। এই জোট ফর দ্য মার্কিন, অফ দ্য মার্কিন, বাই দ্য মার্কিন জোট। যে কারণে সবার আগে ট্রাম্পই সাধুবাদ জানিয়েছে। যারা এই জোটে আছে তারা জন্ম থেকেই মার্কিনীদের দাস। যারা এই জোটে যোগ দেবার জন্য নানান অজুহাত ভয় ভীতি ছড়াচ্ছে তারা অনেক আগে থেকেই মার্কিন পে রোলে চলে। এদের দেশাত্মবোধ কিংবা দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলাটাই সময়ের অপচয়। এর ফায়দা তুলবে ইসরায়েল। গাজা তে যখন ইজরায়েল হামলা চালাচ্ছিলো তখন ইটালির বন্দর শ্রমিকরা একটা সৌদী অস্ত্রবাহী জাহাজ আটকে দেয়। এই অস্ত্র বোঝাই জাহাজ যাচ্ছিলো ইসরাইলে। মুসলিম বেশে মুনাফিকদের এই জোট একটি আত্মবিধ্বংশী জোটেই পরিণত হবে ঠিক আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মাথায়। প্রত্যক্ষভাবে এর মূল্য চুকাবে প্রায় ১০০ কোটি মুসলিম এবং পরোক্ষভাবে ২০০ কোটি মুসলিমের সবাই।

বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিয়েছে ইউনুস এনসিপি বিএনপি জামাত বামাতি জোট। এখন মার্কিনীরা যা চাইবে এরা সেটাই দিতে বাধ্য থাকবে। এই দুই বছরেও যদি কেউ সেটা না বুঝে থাকে তাহলে আর মাত্র ৩ বছর অপেক্ষা করলেই সেটা বুঝে আসবে। এখন যেমন অন্ধকারে দেশ ডুবে যাবার পরেও এরা বোয়িং, যুদ্ধবিমান কিনছে এবং জনগন প্রতিদিন খুন হত্যা, ধর্ষন নিয়তির বিধান হিসেবে মেনে নিয়েছে, আগামীতেও নেবে। মাত্র কয়েক লাখ শয়তান এদেশে ভাল থাকবে এবং বাকি ২০ কোটি লোক সেই অল্প কয়েকটি মানুষকে ভালো রাখার জন্য জীবন দেবে। সেই কয়েক লাখ লোক ২০ কোটি মানুষের পেট আর পিঠের চামড়া এক করে দিয়ে অস্ত্র কিনে আরেকজনের জন্য যুদ্ধ করবে। আরেকজনের যুদ্ধের খরচ যোগাবে। কিন্তু এই দেশ ৩ টুকরা হয়ে গেলেও এদের তথাকথিত বন্ধু দেশের একজনকেও পাশে দাড়াতে দেখবে না। এই কয়েক লাখ লোক নিরাপদে অন্য কোন দেশে গিয়ে ঠিকই আশ্রয় নেবে।

দেশের প্রতিটি সেক্টরে মার্কিনীরা থাবা বসিয়েছে। এমনকি পোল্ট্রি ফিডও আমেরিকা থেকে আমদানী কর‍তে হচ্ছে। দেশের গরু, ছাগল, মুরগী, হাস এখন জেনেটিক্যালি মডিফাইড উচ্চমুল্যের পোল্ট্রি ফিড খাবে আর সেটা খেয়ে আমরা অসুস্থ হয়ে হস্পিটালে যখন যাবো তখন আবার মার্কিন ওষুধই কিনে খেতে হবে উচ্চমুল্যে। পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম চাল উৎপাদনকারী দেশ বাংলাদেশ এখন আমেরিকা থেকে চাল আমদানী করছে এবং তাও আবার আমেরিকা থেকে আমদানী করা শীর্ষ ১০ দেশের একটি এখন আমাদের দেশ। এদিকে আমাদের কৃষকদের কে সার, বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে না। গ্যাস বন্ধ করে শিল্প কারখানা ধবংস করে দিয়ে পুরোটাই মার্কিনী, ভারত, চীনের বাজারে পরিণত করে দিচ্ছে। আমরা আবার মার্কিন ঔপনিবেশে পরিণত হয়েছি মার্কিনীদের যুদ্ধ ব্যয় মেটানোর জন্য। যে যুদ্ধ মার্কিনীরা করছে ইসলাম এবং কোটি কোটি মুসলিমদের বিরুদ্ধেই। আমরাই সেই যুদ্ধের খরচ যোগাচ্ছি ২৪ এর পর থেকেই।

এই দেশবিরোধী, ধর্ম বিরোধী কর্ম যারা করেছে তারা দেশপ্রেম আর ধর্মের সাইনবোর্ডের আড়ালেই করেছে। এই মুনাফেকরা এতটাই বেপোরোয়া যে এদের মার্কিন ইসরায়েল প্রভুর আশির্বাদে কোন কিছুর তোয়াক্কাও করছে না। এটাই মরণকামড়। দুর্ভিক্ষ আসছে। যে কারণে শুধু সরকারী চাকরীজীবীদের বেতন বাড়িয়ে শাসন কাঠামো ঠিক রাখছে শোষনের যন্ত্র হিসেবে। আমরা আবার নীল চাষীতে পরিণত হয়ে গেছি জুলাই যোদ্ধাদের বদান্যতায়। ইতর শ্রেণীরা তাদের আসল অবস্থানে চলে গেছে। হ্যাপী রিটার্ন।
HH
477005
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

Over 50 scientific studies from the US National Library of Medicine and National Institutes of Health that show that vaccines are NOT safe.
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3364648/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3878266/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21623535
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/25377033
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/24995277
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/12145534
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21058170
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/22099159
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3364648/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/17454560
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/19106436
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3774468/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3697751/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21299355
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21907498
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/11339848
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/17674242
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21993250
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/15780490
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/12933322
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/16870260
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/19043938
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/12142947
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/24675092
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/25198681
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21623535
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3878266/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21623535
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/25377033
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/24995277
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/12145534
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21058170
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/22099159
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3364648/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/17454560
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/19106436
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3774468/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3697751/
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21299355
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21907498
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/11339848
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/17674242
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21993250
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/15780490
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/12933322
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/16870260
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/19043938
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/12142947
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/24675092
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/
Did you know what your beautiful child is injected with in his/her first years of life?
• 17,500 mcg 2-phenoxyethanol (antifreeze)
• 5,700 mcg aluminium (neurotoxine)
• 801,6 mcg formaldehyde (carcinogeen, balsemmidel)
• 23,250 mcg gelatin
(painted slaughter)
• 500 mcg albumin
(human blood)
• 760 mcg monosodium L-glutamate
(causes diabetes & obesity)
• Unknown amounts of WI-38 cell residue
(aborted female embryo cells)
• more than 10 mcg neomycin (anti-biotic)
• more than 0.075 mcg polymyxin B (anti-biotic)
• more than 560 mcg polysorbate 80 (carcinogenic)
• 116 mcg potassium chloride (used in lethal injection)
• 188 mcg potassium phosphate (liquid fertilizer)
• 260 mcg natriumbicarbonaat (baking soda)
• 70 mcg sodium tetraborate (Borax, used as insect repellent)
• 54,100 mcg sodium chloride (table salt)
• Unknown amounts of sodium citrate (food additive)
• Unknown amounts of sodium hydroxide (hazardous)
• 2,800 mcg sodium phosphate
(toxic to any organism)
• Unknown amounts of monobasic sodium phosphate
(toxic to any organism)
• 32,000 mcg sorbitol
(not for injection)
• 0,6 mcg streptomycin (anti-biotica)
• More than 40,000 mcg of sucrose (cane sugar)
• 35,000 mcg gisteiwit
• 5,000 mcg ureum
(waste product of human urine)
• Other chemical residues
vaccines may contain the following chemicals, additives, preservatives and/or fillers:

aluminum hydroxide
aluminum phosphate
212001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

আপনারা কি জানেন? তারা আমাদের কে ডিজিটাল দুনিয়ার বেপারে ব্রেইন ওয়াশ করে, আমাদেরকে এই যান্ত্রিক সিস্টেমের দিকে ঠেলে দিয়ে তারা যে প্রাকৃতিক জায়গা বসবাস করে?

আপনি দেখবেননা তাদের ছাদের উপর Starlink এর কানেকশন আছে,
আপনি দেখবেননা তাদের বাসার আসেপাসে কোন 5G টাওয়ার বা 4G টাওয়ার আছে।
আপনি দেখবেননা তাদের কে কোন যান্ত্রিক দেশে ভ্রমণ করতে।

তারা আমাদের কে প্রাকৃতিক দুনিয়া থেকে দূরে ঠেলে দিয়ে যান্ত্রিক দুনিয়ায় পাঠিয়ে দিচ্ছে। আর আমরা আমাদের অজান্তেই তাদের এই সিস্টেমকে উন্নয়ন বলে খুব আনন্দের সাথে গ্রহণ করে নিচ্ছি।

আমরা আসলে আমাদের অজান্তেই গ্রহণ করছি এক ভয়ানক ক্যান্সার।

তারা চায় না আমরা প্রাকৃতিক থেকে শক্তি সংগ্রহ করি, তারা চায়না আমাদের শরীর গাছ-গাছালি, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত, বন-জংগল, মাটি এগুলার সাথে মিশে থাকুক।

আপনি কি জানেন শহর থেকে মানুষ যখন গ্রামে যায় তখন তার
মন-মানুষিকের অনেক পরিবর্তন ঘটে?

আপনি শহরে বসবাস করা মানে এক ভয়ানক ফ্রিকোয়েন্সীর মধ্যে বসবাস করা। যেই ফ্রিকোয়েন্সী আমাদের প্রতিনিয়ত শেষ করে দিচ্ছে।

This whole game is only for control your brain, drowning in their slavery, the whole life has been wasted just for a piece of printed paper.

If you want a happy life, you need to leave the city and start living in a village.

আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক এবং সকলকে এই চক্রের সম্বন্ধে সঠিক জ্ঞ্যান দান করুক আমিন।

রিপোস্ট
286008
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

Photo
"The deep critical thinker has become the misfit of the world, this is not a coincidence. To maintain order and control you must isolate the intellectual, the sage, the philosopher, the savant before their ideas awaken people." Carl Jung

GOVERNMENTS DON'T WANT AN INTELLIGENT POPULATION ...

BECAUSE PEOPLE WHO CAN THINK CRITICALLY CAN'T BE RULED!,

"Be a free thinker and don't accept everything you hear as truth. Be critical and evaluate what you believe in.'- Aristotle
404003
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

ভবিষ্যতে বাড়িতে বাসক, নিম, তুলসি--এমনকি অন্যান্য
ভেষজ গাছ লাগানোর উপরও বিধিনিষেধ আসার সম্ভাবনা প্রবল।
হয়তো একদিন বাড়িতে এসব গাছ রাখলেও রাষ্ট্রের অনুমতি নিয়ে ব্যবহার করতে হবে! রাষ্ট্র মানেই কিন্তু জায়োনিস্ট শক্তি।
গাঁজা ও আফিমের ক্ষেত্রেও তো একসময় বিধিনিষেধ আনা হয়েছিল।
আমেরিকার মানুষ কিন্তু নিজেদের অধিকার নিয়ে প্রবল
আন্দোলন করেছে। তার ফলেই আজ অনেক অঙ্গরাজ্যে নির্দিষ্ট আইনি সীমার মধ্যে বাড়িতে গাঁজা চাষের অনুমতি রয়েছে।
এখানকার সাধারণ মানুষ আর কবে বুঝতে পারবে, কোন স্বাধীনতা ধীরে ধীরে তার হাত থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে?
নাকি যখন নিজের বাড়ির ছাদে দুটো গাছ রাখার অধিকার নিয়েও অনুমতির প্রয়োজন হবে, তখন বুঝবে?

নাকি সবকিছু গ্লোবাল ক্রিমিনালদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পরেও আমরা শুধু স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেই যাব?

আর ঢোল-করতাল বাজিয়ে বলব--
“যা হচ্ছে, জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেই হচ্ছে!”
359002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

আমরা যদি সত্যিই স্বাধীন হই---
তাহলে ইচ্ছে মতো মহামারীর ভয় দেখিয়ে গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল কীভাবে?
কাদের স্বার্থে মানুষকে বিষাক্ত ভ্যাকসিন গোঁজানো হয়েছিল?
আর আজও একটার পর একটা ভ্যাকসিন আসছে--
কাদের স্বার্থে? কাদের মুনাফার জন্য?
এতকিছু চোখের সামনে ঘটে যাওয়ার পরেও যারা ঘটা করে স্বাধীনতা উদযাপন করে--
তারা হয় দালাল, নয়তো গিনিপিগ।
346000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

গ্লোবাল ক্ষমতার খেলোয়াড়রা নিজের হাতে কিছু করে না।

তাদের হয়ে কাজ করার জন্য বিভিন্ন দেশে তৈরি করা আছে রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের নেটওয়ার্ক--যেখানে কেউ সমাজসেবার নামে, কেউ বিপ্লবের নামে, কেউ দেশপ্রেমের নামে, আবার কেউ মানবাধিকারের নামে নির্দিষ্ট এজেন্ডাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
আর সেই এজেন্ডার অন্যতম লক্ষ্য -- আধুনিকতা’র নামে ধীরে ধীরে প্রতিটি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও পরিচয়কে দুর্বল করে দেওয়া। সংস্কৃতি হাইজ্যাক করতে পারলে নিয়ন্ত্রণ করা খুব সহজ। সেখানেই মুনাফাবাজির আসল খেলা।

তাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন--
কে সামনে আছে, সেটা নয়; তার পিছনে কে আছে, তারও পিছনে কে আছে--এবং শেষ পর্যন্ত উৎসটা কোথায়?
অর্থ আসছে কোথা থেকে?
এজেন্ডা নির্ধারণ করছে কারা?
সিদ্ধান্তের দিকনির্দেশ দিচ্ছে কারা?
কাদের স্বার্থে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে?
আর সবশেষে—
লাভবান হচ্ছে কারা?
কারণ সামনে থাকা মুখটাকে দেখলেই পুরো ছবিটা দেখা যায় না।
আসল প্রশ্ন হলো---সেই মুখের পিছনের শক্তিটা কোথায়, আর সেই শক্তির উৎসই বা কোথায়?
373002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২৫ আগ, ২০২৬, ০৫:৩৭

21-jun-2023
Archive save_repost

এ শতাব্দির যুদ্ধগুলোর মধ্যে! অন্যতম একটি যুদ্ধ হবে বায়োলজিক্যাল ওয়ার!যদিও এই বিষয়টি নতুন না!মধ্যযুগীয় সময় নাইট ও টেম্পলার রা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এ এই অস্ত্র ব্যবহার করত। তবে সেটা খুব বেশি পর্যন্ত ছড়াতো না!, নির্দিষ্ট একটা এলাকাজুড়ে ওরা প্লেগ ও বিভিন্ন মহামারী ছড়িয়ে দিতে। কিন্তু আধুনিকতার যুগে এ যুদ্ধটা অনেক বেশি রক্ষনশীল এবং শক্তিশালী হয়েছে ।এখনকার বায়োলজিক্যাল ওয়ার সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম।

জিও পলিটিক্স বুঝতে হলে অবশ্যই আপনাকে গুপ্ত সংগঠন গুলোর বিষয়ের উপর জ্ঞান থাকতে হবে,প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকেই বিশ্ব নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে এ গুপ্ত সংগঠন গুলোর মাধ্যমেই।এর মধ্যে অন্যতম ফ্রিম্যাসন সহ আরো কিছু সংগঠন।তাদের এখন একমাত্র কাজ হচ্ছে বিশ্ব থেকে জনসংখ্যা কমিয়ে ফেলা।আর এ গুপ্ত সংগঠনগুলোর সেবক হয়ে যে কয়জন কাজ করতেছে তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিল গেটস এলন মাস্ক। সহ আরো কিছু বিক্রিত খেলার পুতুল। বিশ্বে যত অশান্তি এর মূলে কিন্তু এ ২ অভিশপ্ত। হাদিসে বলা আছে দাজ্জাল বায়ু নিয়ন্ত্রণ করবে! এ এলন মাস্ক সয়তান অলরেডি তা শুরু করেছে।

আমি আগেই বলেছি সম্রাজ্যবাদ টিকিয়ে রাখার প্রশ্নে,কোভি *ড একটা পরিকল্পিত এবং মানুষের দ্বারা তৈরিকৃত মহামারী!যার মূল এজেন্ডা ছিল, বিশ্বে অর্থনৈতিক, ও কৃতিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা,এবং এতে তারা মোটামুটি সফল।আর বাকি কাজ হয়ে গেছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দিয়ে। আর এখন যদি চিন ও তাইওয়ান যুদ্ধ লেগে যায় তবে খেলা ১০০ তে ১০০ জমে যাবে।

আমি আগে থেকেই ডে*কসিন বিরোধী ছিলাম!পূর্বের অনেক পোস্টে বলেছি,করোনার চেয়ে অনেক শক্তিশালী একটা ওয়েব চলে আসবে ২/৩ বছরের মধ্যে। কিন্তু কোথা থেকে শুরু হবে তা মিলাতে পারতেছিনা। কিছুদিন আগে জাতিসংঘ মহাসচিব w.h.o. পরিচালকের স্টেটমেন্ট দেখে আগ্রহ আরও বেড়েছে। উনারা কিন্তু বারবার সতর্ক করতেছে বিশ্বে আরো একটি ওয়েব আসতেছে। তা পূর্বের সকল রেকর্ড কে ভেঙ্গে দিবে। এ বিষয় নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে করতে বিল গেটস এর একটা বক্তব্য চোখে পড়লো,,, আমি কিন্তু পূর্বের এক আলোচনায় তারা ডে*কসিন বিজনেসের পরিকল্পনা আপনাদের জানিয়েছিলাম,,,কো ভি ড নিয়ে তার ষড়যন্ত্র কি ছিলো।

বিল গেটস এর আলোচনায় সে আসছে ২০২৫ সালে করোনার থেকেও ভয়ঙ্কর একটি মহামারীর কথা বলছেন ।নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে মহামারীটি ব্রাজিল থেকে শুরু হবে । এবং বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ মারা যাবে ।আর কেমন হবে এর প্যাটার্ন আল্লাহ ভালো জানেন,,,, তবে খুব ভালো কিছু হবে তা আশা করা যায় না!

একটা কথা মনে রাখবেন।পূর্বের কাওমদের আল্লাহ সরাসরি আসমান থেকে গজব দিতেন। আমাদের বেলায় তা হবে নাহ, বরং আমাদেরকে দিয়ে আমাদের ধ্বংস করে দেয়া হবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন ।
485005

Showing 30 of 99 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Truth Seekers🧠 টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Truth Seekers🧠 (@subtitlewithbotol) tgdio-এ রাজনীতি ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ৬,৭৯৪ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Truth Seekers🧠 (@subtitlewithbotol) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @subtitlewithbotol-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Truth Seekers🧠 কি ভালো রাজনীতি চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Truth Seekers🧠-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ৬,৭৯৪ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই রাজনীতি চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Truth Seekers🧠-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @subtitlewithbotol পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।