বিশ্বের খবর Telegram channel photo

বিশ্বের খবর

@bisserkhoborPublic Channel

মিডিয়া হলো যুদ্ধের অর্ধেক বা তার চাইতেও বেশি! বেশি বেশি শেয়ার করুন ধন্যবাদ 💕 আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ https://www.facebook.com/Obohela.Official0?mibextid=ZbWKwL

181

Last views

2.3k (2,349 subscribers)
সদস্য
—
Rating
17
Total Posts
Oct 16, 2026, 5:36 AM
আপডেট হয়েছে
Apr 13, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel Nameবিশ্বের খবর
Username@bisserkhobor
Categoryবিশ্ব সংবাদ
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য2,349
Channel TypePublic Channel
Created১৩ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated১৬ অক্টো, ২০২৬ • ৬ দিন আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#361101-944
ভাষার র্যাঙ্কিং
#926-1
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#2994-7

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 2.3K30 Days growth: -502.1%
09/1709/2209/2710/0210/0710/1210/16
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
17:09:20262,399
18:09:20262,382
19:09:20262,382
20:09:20262,382
21:09:20262,382
22:09:20262,382
23:09:20262,382
24:09:20262,382
25:09:20262,382
26:09:20262,382
27:09:20262,382
28:09:20262,382
29:09:20262,382
30:09:20262,382
01:10:20262,382
02:10:20262,382
03:10:20262,382
04:10:20262,382
05:10:20262,382
06:10:20262,382
07:10:20262,382
08:10:20262,382
09:10:20262,382
10:10:20262,382
11:10:20262,382
12:10:20262,382
13:10:20262,382
14:10:20262,382
15:10:20262,382
16:10:20262,349
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 13:04:20262,628
Week of 20:04:20262,628
Week of 27:04:20262,584
Week of 04:05:20262,584
Week of 11:05:20262,584
Week of 18:05:20262,562
Week of 25:05:20262,562
Week of 01:06:20262,562
Week of 08:06:20262,562
Week of 15:06:20262,562
Week of 22:06:20262,562
Week of 29:06:20262,498
Week of 06:07:20262,498
Week of 13:07:20262,498
Week of 20:07:20262,498
Week of 27:07:20262,498
Week of 03:08:20262,498
Week of 10:08:20262,498
Week of 17:08:20262,428
Week of 24:08:20262,428
Week of 31:08:20262,411
Week of 07:09:20262,399
Week of 14:09:20262,382
Week of 21:09:20262,382
Week of 28:09:20262,382
Week of 05:10:20262,382
Week of 12:10:20262,349
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20262,628
May 20262,562
June 20262,562
July 20262,498
August 20262,411
September 20262,382
October 20262,349
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20262,349

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1এখন তারেক রহমানের নের্তৃত্বাধীন বিএনপি ভারতের এমন আবদার কতটুকু রাখবে ন986
  2. #2ইসরায়েল একটি এক বছরের শিশুকে অপহরণ করে এবং দশ ঘণ্টা ধরে বাবার সামনে স937
  3. #3তারেক রহমান নের্তৃত্বাধীন বিএনপির কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে কি কি চাইছে 933
  4. #4বর্তমান যুদ্ধে ইরান কেন একা?!907
  5. #5কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আপেল707
  6. #6লালসার শিকার একাধিক নারী উদ্যোক্তাও : এদিকে কক্সবাজারে উদ্যোক্তাসহ অধি653
  7. #7Spider man 4 new days625
  8. #8২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ - ২০ ঘন্টাই কারেন্ট থাকেনা। গরমে ঘেমে জাইঙ্গা ভিজা 624
  9. #9কুকুরের কামড়ানি থেকে কেউ বাদ যায়নি!613
  10. #10কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আপেল425

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

০৭ অক্টো, ২০২৬, ২২:৪০

Photo1/2
বিএনপির নিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবী 😬😬🤣
181002
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

০৭ অক্টো, ২০২৬, ২২:৩৯

Photo1/2
কখন সহবাস করতে হবে সেই টাইম টাও নির্ধারণ করে দেন প্লিজ😆😆
179000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

০৫ আগ, ২০২৬, ০০:৪৯

Video
কুকুরের কামড়ানি থেকে কেউ বাদ যায়নি!
613000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

০৩ আগ, ২০২৬, ১৪:৪১

২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ - ২০ ঘন্টাই কারেন্ট থাকেনা। গরমে ঘেমে জাইঙ্গা ভিজা যায় তারপরও চুপ থাকি কারণ আমি বিম্পি করি!

১৫০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার ২৩০০ টাকা দিয়ে কিনি তারপরও কোনো প্রতিবাদ করিনা কারণ আমি বিম্পি করি!

দেশে হাজার হাজার সমস্যা আছে এগুলা কোনো সমস্যাই না প্রধান সমস্যা হইলো জামায়াত-এনসিপি কারণ আমি বিম্পি করি!

লিডার ১৭ বছর হিজরত করে দেশে এসে বললো আমি সুপ্ত বাকি সব গুপ্ত। লিডার যা বলবে তাই ঠিক কারণ আমি বিম্পি করি!

আমি গর্বিত, আমি বিম্পি করি।
624000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

৩০ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৫৯

এখন তারেক রহমানের নের্তৃত্বাধীন বিএনপি ভারতের এমন আবদার কতটুকু রাখবে নাকি আদৌ রাখবেনা— তা বোঝার জন্য অপেক্ষা করতে হবে তারেক রহমানের ভারত সফর অব্দি। যদি বিএনপি ভারতের জন্য আনফ্যামিলিয়ার এনভায়েরমেন্ট তৈরী করে তাহলে আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মাঝে আপনি খুব দ্রুত বিএনপিকে ইন্টারন্যাশনাল অ্যারেনায় অজনপ্রিয় ও কোণঠাসা হয়ে পড়তে দেখবেন। আর যদি ভারতের জন্য একটি ফ্যামিলিয়র এনভায়রনমেন্ট তৈরী করা হয়, সেক্ষেত্রে আপনারা আবারও পূর্বের ষোলো বছরের পুনরাবৃত্তি দেখতে পাবেন।
986002
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

৩০ এপ্রি, ২০২৬, ০৫:৫৯

তারেক রহমান নের্তৃত্বাধীন বিএনপির কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে কি কি চাইছে ভারত..?

৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান ভারতের চোখে একজন অত্যন্ত বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হলেও ১২ই ফেব্রুয়ারি পূর্ববর্তী নির্বাচনী প্রচারণার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে ভারত বিরোধী বক্তব্য এড়িয়ে চলায় জিয়াউর রহমান বা বেগম খালেদা জিয়ার নের্তৃত্বাধীন বিএনপির ঐতিহ্য থেকে ব্যাপারটিকে ব্যতিক্রম বলেই মনে করছে ভারত। ফলশ্রুতিতে তারেক রহমানের বিজয়ের পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই প্রথম বিদেশী নেতা— যিনি তাঁকে ফোন করে অভিনন্দন জানান। ইতিমধ্যে ভারত তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে সকল ধরণের ভিসা পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে।

কিন্তু ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের মনে এখনও একটি প্রশ্ন রয়ে গেছে। তা হলো: নির্বাচনে তারেক রহমানের ভারত বিরোধী বক্তব্যের অনুপস্থিতি কি শুধুই নির্বাচনী কৌশল ছিল নাকি এটি ছিল ভারতের ব্যাপারে বিএনপির নীতির একটি প্রকৃত পরিবর্তন..? এই বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়ার জন্য ভারত একটি লিটমাস চেকের ব্যবস্থা করেছে।

তারেক রহমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির গতিপথ পরীক্ষা করে দেখতে ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে ভারতের জন্য সৃষ্ট ক্ষতির বিষয়টিকেই ‘লিটমাস চেক’ হিসেবে বিবেচনা করছে ভারত। কারণ ভারত মনে করে যে, ইউনুস সরকার বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তির মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে ভারত থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিল। ভারত চাইছে, তার অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ— ইউনুস আমলের ওইসব চুক্তিগুলির ব্যাপারে ভারতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করুন তারেক রহমান নের্তৃত্বাধীন বিএনপি। কেবলমাত্র তাহলেই ভারত নিশ্চিত হবে যে, নির্বাচনের সময়ে তারেক রহমানের ভারত বিরোধী বক্তব্য এড়িয়ে চলা কোনো কৌশল নয়, বরং ছিল নীতির পরিবর্তন।

চলুন জেনে নেই ভারত কোন কোন চুক্তির ব্যাপারে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করছে।

১. ভারতের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক চুক্তিটি হচ্ছে চীন-বাংলাদেশ ড্রোন ও সামরিক চুক্তি, যা নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ২০২৬ সালের ২৭শে জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং চীনের সিইটিসি (চাইনিজ ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ কর্পোরেশন) এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রামের এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোনে একটি বেসামরিক ও সামরিক ড্রোন প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৫ সালে ভারতকে তাদের নিজস্ব স্পেশাল ইকোনোমিক জোনের জন্য ঠিক এই একই স্থান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল শেখ হাসিনা। ভারত চাইছে, বিএনপি সরকার যেন চীনের সাথে বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের জয়েন্ট ড্রোন প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটি স্থাপনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে।

২. ভারতের ভাষ্যমতে- ইউনুস সরকার বহু বছর যাবত চলে আসা একটি নিষেধাজ্ঞা ভেঙেছে। সেটি হলো: পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের সরাসরি বাণিজ্য সম্পর্ক পুনঃস্থাপন, ১৪ বছর পর সরাসরি বিমান চলাচল এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক সংলাপ।

ভারত এব্যাপারে নিশ্চয়তা পেতে চায় যে, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সাথে কোনোপ্রকার উচ্চতর মিলিটারি ডিপ্লোম্যাসি চালাবেনা।

৩. ইউনুস সরকার স্পষ্টভাবে চীনের কাছে তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে একটি ৫০ বছর মেয়াদী নদী ব্যবস্থাপনা মহাপরিকল্পনা চেয়েছেন, যা উজানের শক্তি হিসেবে ভারতের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। ভারত চাইছে, তিস্তা নদীর চুক্তি বিষয়ক আলোচনা কেবলমাত্র ভারত বাংলাদেশের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকুক।

৪. ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে; যা ১৯৯১ সালে তাদের আগের সর্বোচ্চ ১৮টি আসনের প্রায় চারগুণ।

জামাতে ইসলামি কতগুলি আসন পেয়েছে- এটি ভারতের নিকট গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো জামায়াতের প্রায় ৭০ শতাংশ আসনই এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সীমান্তবর্তী পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম বিভাগের খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী থেকে। এই ভৌগোলিক কেন্দ্রীভবনকে একটি কাঠামোগত নিরাপত্তা উদ্বেগ হিসেবে দেখছে ভারত। ভারতের বিভিন্ন স্টেট ঔন্ড থিংক ট্যাঙ্ক বলছে: জামাত ইসলামির বেল্ট এরিয়াগুলিতে কাজ করবে ভারত।

৫. বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে নেপাল ও ভুটানে স্থলপথে যাতায়াতের অধিকার এবং বাংলাদেশের অনুন্নত পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত জেলাগুলোতে লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগ করতে চায় ভারত।

৬. ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে কোনো আলোচনাই শিলিগুড়ি করিডোরের প্রসঙ্গ ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না। এই করিডোরটি ভারতের প্রায় ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি ভূখণ্ড, যা উত্তর-পূর্বের আটটি রাজ্যকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।

ভারত বিএনপি সরকারের নিকট নিশ্চয়তা পেতে চায় যে, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কোনো প্রতিকূল সামরিক উপস্থিতি অথবা এমন কোনো অবকাঠামো স্থাপন করা হবেনা, যা এই সংকীর্ণ পথে দ্রুততম সময়ে শক্তি প্রদর্শনে সক্ষম। কারণ এমনটি হলে তা ভারতের অখণ্ডতার জন্য অস্তিত্বের সংকট সৃষ্টি করে।
933000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

২৫ মার্চ, ২০২৬, ০৬:২৯

Video
ইসরায়েল একটি এক বছরের শিশুকে অপহরণ করে এবং দশ ঘণ্টা ধরে বাবার সামনে সিগারেট দিয়ে শিশুটিকে পুড়িয়েছে, এবং তার পায়ে পেরেক ঢুকিয়েছে।

ওসামা আবু নাসার আল-মাঘাজির পূর্ব সীমান্তের কাছে ছিলেন, যখন ইসরায়েলি সৈন্যরা গুলি চালায়। একটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন তাকে তার ১৮ মাস বয়সী ছেলে কারিমকে মাটিতে রেখে চেকপয়েন্টের দিকে হাঁটতে বাধ্য করে, যেখানে তাকে কাপড় খুলে আটক করা হয়।

পরে সৈন্যরা শিশুটিকে নিয়ে আসে। সাক্ষীদের মতে এবং চিকিৎসা প্রতিবেদনের অনুযায়ী, তারা কারিমের পা সিগারেট দিয়ে পুড়িয়েছে এবং তার পায়ে একটি ধাতব পেরেক ঢুকিয়েছে।

১০ ঘণ্টা পর রেড ক্রসের মাধ্যমে কারিমকে মুক্তি দেওয়া হয়। তার বাবা এখনও আটক রয়েছেন। পরিবারটি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে তার মুক্তির জন্য হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তিনি তার মানসিক চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেন, যা এই ঘটনার আগেই চলছিল।

এটি কোনো অভিযোগ নয়। এটি একটি ছোট শিশুকে নিয়ে চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য।

সূত্র: মোহাম্মদ আবাদ
937005
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২২

বর্তমান যুদ্ধে ইরান কেন একা?!

লেখক আদহাম শাকাওয়ী ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানী এর সেই চিঠির জবাবে লিখেছেন, যেখানে তিনি ইসলামী বিশ্বকে নীরবতা ভাঙার আহ্বান জানান এবং বলেন যে উম্মাহর ভবিষ্যৎ তার ঐক্যের উপর নির্ভরশীল।

লরিজানি তার চিঠিতে আরও বলেন:
“কিছু বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া এবং কেবল রাজনৈতিক অবস্থানের সীমার মধ্যে, কোনো ইসলামি দেশই ইরানের জনগণের পাশে দাঁড়ায়নি।”

এর জবাবে শারকাওয়ি লিখেছেন—
জনাব আলি লারিজানি:
আপনারা যদি জিজ্ঞেস করেন— “কেন আমরা আপনাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাই না?” — তা আশ্চর্যের নয়।
আসলেই আশ্চর্যের বিষয় হলো— এত রক্তের পরও আপনারা এ প্রশ্ন করছেন!

আপনার নিজের হাতই এই কাজ করেছে, আর আপনার মুখই তা ঘোষণা করেছে— এটাই আপনার কাজের ফল।

১. কে ছিল, যে সারা বিশ্বের সামনে গর্ব করে বলত— সে চারটি আরব রাজধানী দখল করে রেখেছে? আপনারাই কি নন?

২. কে আমেরিকার ট্যাংকের পিঠে চড়ে ইরাকে প্রবেশ করেছিল, তারপর দাবি করেছিল যে তারা নিপীড়িতদের সাহায্য করতে এসেছে? আপনারাই কি নন?

৩. কে আফগানিস্তানে আমেরিকার জন্য পথ খুলে দিয়েছিল এবং তাদের দখলকে স্থায়ী করতে সহায়তা করেছিল? আপনারাই কি নন?

৪. কে “হাশদ” বাহিনীকে ছেড়ে দিয়েছিল, যাতে তারা আমাদের শহরের রাস্তায় আমাদের রক্ত পান করে? আপনারাই কি নন?

৫. কে সিরিয়ায় তেরো বছর ধরে আমাদের হত্যা করেছে এবং সেই ভূমিকে মিলিশিয়া ও ভাড়াটে যোদ্ধাদের মঞ্চ বানিয়েছে? আপনারাই কি নন?

৬. আর কে সিরিয়াতে রাশিয়াকে ডেকে এনেছিল, যখন একা মানুষের প্রতিরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছিল? আপনারাই কি নন?

৭. আর কে আমাদের দেশ সিরিয়াকে চারদিক থেকে বোমাবর্ষণ করেছে— যেখানে কোনো পার্থক্য করা হয়নি বেসামরিক ও সামরিক, শিশু ও যোদ্ধার মধ্যে? আপনারাই কি নন?

আপনাদের হাত আমাদের রক্তে রঞ্জিত।
তাই আজ আর মিথ্যা রক্তমাখা জামা এনে বলবেন না— “ওকে নেকড়ে খেয়ে ফেলেছে!”
বরং আপনারাই সেই গল্পের নেকড়ে ছিলেন!

আমরা আপনাদের বিপদে আনন্দিত হই না, কিংবা বিদ্রূপও করি না— কিন্তু এটি আল্লাহর ন্যায়বিচার!

আর আমরা আনন্দিত হই যখন আপনারা সিয়োনিস্টদের ওপর আঘাত করেন— কারণ আপনারা তাদের বিরুদ্ধে লড়ছেন নিজেদের প্রকল্পের জন্য, আমাদের জন্য নয়।

কারণ যখন আমরা তাদের হাত থেকে বেঁচে ছিলাম, তখনও আপনাদের হাত থেকে বাঁচিনি।
আর যখন তারা আমাদের হত্যা করেছে, তখন আপনারা আমাদের সাহায্য করেননি!
907000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১১ মার্চ, ২০২৬, ১৮:১৮

Photo1/2
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আপেল মাহমুদ। প্রবাদ আছে—কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। অনেকের মতে, তার চরিত্র এই প্রবাদ বাক্যের মতো। বঙ্গবন্ধুর নামে কক্সবাজার সৈকতের নামকরণ করে একসময় দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিলেন আপেল মাহমুদ। পরবর্তীতে…
707000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১১ মার্চ, ২০২৬, ১৮:১৮

লালসার শিকার একাধিক নারী উদ্যোক্তাও : এদিকে কক্সবাজারে উদ্যোক্তাসহ অধিক পরিচিত ১৫ তরুণীকে আপেলের ডেরায় নিয়মিত আসা-যাওয়া করতে দেখা যায়। এদের প্রায় সবাই তার লালসার শিকার হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ৫ ভুক্তভোগী সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

তাদের কারও দাবি, সায়মনে ফ্ল্যাট কিনে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আপেল। কারও দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা করেছেন। এদের মধ্যে দুজন সহযোগিতা পেলে তার বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান। স্পা সেন্টার থেকে কাউকে পছন্দ হলে দুজন কথিত সাংবাদিক এসে আপেলের কথা বলে তাকে নিয়ে যান। অতিথিদের পাশাপাশি তারাও মাঝে মাঝে শারীরিক সম্পর্ক করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদক ধরে আত্মসাৎ ও ঘুস আদায় : ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর সুগন্ধা হাইপেরিয়ান সি ওয়ার্ড নামের একটি আবাসিক হোটেলের কার্যালয়ে ইয়াবার একটি চালান রাখা হয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আপেল মাহমুদসহ ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবাসহ হোটেলের এক স্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো শাহজাহান নামের এক পরিচালকের। পরে আপেল মাহমুদের সঙ্গে ১০ লাখ টাকায় বিষয়টি রফাদফা হয়।

আরও অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাস্থলে প্রায় ২০ হাজার ইয়াবা থাকলেও মামলায় মাত্র ২০০ পিস ইয়াবা জব্দ দেখিয়ে হোটেলের এক স্টাফকে আসামি করা হয়। এসব পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আপেল গড়ে তুলেছেন রোহিঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দাগি অপরাধীদের জড়ো করে ‘সাংবাদিক বাহিনী’। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মাদকসহ নানা অপরাধে ডজন ডজন মামলা রয়েছে। তাদের সংখ্যা অন্তত ৩০ জন। এসব দাগি অপরাধীরা ইতোমধ্যে ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের প্যাডে আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই বলে ৫ জন স্বাক্ষরসহ একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

এসব বিষয় জানতে চাইলে এসপি আপেল মাহমুদ প্রতিবেদককে বড় ভাই সম্বোধন করে বলেন, আপনি হলেন আমার বড় ভাই, আপনার কাছে সারেন্ডার করছি। আমি ফেসবুক থেকে সবকিছু এখন ডিলিট করে দিচ্ছি। ভয়ে বাঁচার জন্য এসব করেছি।

তিনি বলেন, আপনি যা বলেন তার বাইরে আমি চলব না। কলিজার ভাই আমার, আপনি যেমন নির্দেশ দেবেন তেমন করে চলব, আর কোনো কথা বলব না। আমি আমার ঊর্ধ্বতনদের বলেছি সাংবাদিকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এসব হচ্ছে, আপনিও একটু তাই বলে দেন।
653000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১১ মার্চ, ২০২৬, ১৮:১৮

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আপেল মাহমুদ। প্রবাদ আছে—কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। অনেকের মতে, তার চরিত্র এই প্রবাদ বাক্যের মতো।

বঙ্গবন্ধুর নামে কক্সবাজার সৈকতের নামকরণ করে একসময় দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিলেন আপেল মাহমুদ। পরবর্তীতে বিভিন্ন বিতর্ক ও অভিযোগে বারবার সমালোচনার মুখে পড়েন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সম্প্রতি কক্সবাজারে তার কর্মকাণ্ড ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকলেও তিনি নানা অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে—কটেজ জোনের পতিতালয় ও অবৈধ স্পা থেকে মাসোয়ারা আদায় করেন আপেল মাহমুদ। একেকটি কটেজ ও পতিতালয় থেকে তাকে প্রতি মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসোয়ারা দিতে হয়। এসব হাব থেকে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা তোলা হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই সৈকতের একটি অংশ ভাড়া দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় একটি স্টিল কোম্পানির বিজ্ঞাপন বসানোর ক্ষেত্রেও অনুমোদন না নিয়েই কাজটি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুমোদন ছাড়া ৩০ লাখ টাকায় বিচ ভাড়া দেন আপেল : সম্প্রতি দেশ যখন ভোটের ব্যস্ততা পার করছিল, ঠিক তখন ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের পাহারায় লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার লোহার খুঁটি দিয়ে জুলফিকার নামে একটি রড কোম্পানির বিজ্ঞাপন বসাতে দেখা গেছে। এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, অ্যাডিশনাল ডিআইজি আপেল মাহমুদের নির্দেশে এটি বসাতে সহযোগিতা করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। হোয়াটসঅ্যাপে এর ছবি পাঠিয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট (এটিএম) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া বিচ এলাকায় কোম্পানির বিজ্ঞাপন বসানোর সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ট্যুরিস্ট পুলিশের কয়েকজন সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, জেলা প্রশাসন অনুমোদন দিচ্ছে না, তাই আপেল মাহমুদকে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে তার সহযোগিতায় জুলফিকার স্টিল এসব বিজ্ঞাপন বসিয়েছে। বিষয়টি আপেল মাহমুদকে তাৎক্ষণিক অবগত করলে আর কখনো এমন ভুল করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে কয়েকটি বিজ্ঞাপনসমৃদ্ধ স্টিলের খুঁটি সরিয়ে ভিডিও করে প্রতিবেদকের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। যদিও সবশেষ ৩ মার্চ রাতে সরেজমিন বিচ ঘুরে জুলফিকার স্টিলের বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড অক্ষত দেখা গেছে।

এখানেই শেষ নয়, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার, অভিযোগ কেন্দ্র, পুলিশ বক্স এমনকি সরকারি জেট স্কি অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন এসপি আপেল মাহমুদ। লাবণী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে স্থাপিত একটি ওয়াচ টাওয়ার রেস্টুরেন্টে রূপান্তর করে অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়া হয়। অগ্রিম হিসাবে নেওয়া হয় ৮ লাখ টাকা। রেস্টুরেন্টটির নাম দেওয়া হয় অর্ণব ক্যান্টিন। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সেটিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যান্টিন নামে চালানো শুরু করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কটেজ জোনের পতিতালয় ও অবৈধ স্পা থেকে মাসোয়ারা আদায় করেন আপেল মাহমুদ। একেকটি কটেজ ও পতিতালয় থেকে তাকে প্রতি মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসোয়ারা দিতে হয়। এসব হাব থেকে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা তোলা হয়। কথিত কয়েকজন দালাল ও স্থানীয় নামধারী সাংবাদিকের মাধ্যমে এসব টাকা তোলা হয়। এসব দালালদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সায়মন হেরিটেজ বিলাসবহুল রেস্টুরেন্টে নিয়মিত আড্ডা দেন আপেল। বিষয়টি স্বীকার করেছেন সায়মন হেরিটেজ কর্তৃপক্ষ। দালালদের সঙ্গে প্রতি রাতে বসে মাদকের আসর। যা সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

ধর্ষণের অভিযোগ আপেলের বিরুদ্ধে : ২৮ অক্টোবর ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে অভিযান চালিয়ে লায়লা পরী নামে এক মেয়েকে জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার করে উখিয়া থানা পুলিশ। উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিক সাংবাদিকদের কাছে ওই মেয়ে ভিডিও বার্তায় জানান, তাকে তার স্বামী রাকিব আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে প্রভাবশালী মানুষের সঙ্গে বিছানায় যেতে বাধ্য করতেন। তার মধ্যে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি আপেল মাহমুদ একজন।

ওই ভিডিও বার্তায় লায়লা দাবি করেন, ২ সপ্তাহ আগে জুসের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাকে কলাতলীর একটি হোটেলে নিয়ে আপেল মাহমুদ ধর্ষণ করেন। পরের দিন সকালে এসে তাকে রুম থেকে নিয়ে যান তার স্বামী।

ওই দিন প্রতিবেদক মেয়েটির ছবি আপেল মাহমুদকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে তাকে চেনেন কিনা জানতে চাইলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে তার ক্যারিয়ার ধ্বংস না করার জন্য অনুরোধ জানান। পরে নিজেকে রক্ষায় অপকৌশল হিসাবে গোপনে ওই নারীর বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেন এবং একাধিক নিউজ ডকুমেন্ট করে রাখেন।
425002
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১১ মার্চ, ২০২৬, ১৮:১৭

Photo1/2
#education হাসিনার অপরাধ সাম্রাজ্যের একচিলতে কাহিনীঃ মেঘনা ভার্সিটির ছুটিতে বাড়িতে যাবে বলে বিকাশ থেকে টাকা তোলার জন্য বাইরে বের হয়েছিল--- এবং সাথে কিছু কেনাকাটাও করবে। কিন্তু বাজারের কাছাকাছি এলে সাদা পোশাকধারী কিছু লোক মেঘনাকে জোর করে মাইক্রোতে তুলে ফেলে…
250000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১১ মার্চ, ২০২৬, ১৮:১৬

কারাগারে পুলিশের এসপি আলেপ এবং মশিউর তাদেরকে প্রচন্ড টর্চার করে আর বলে- এর আগে বহু হুজুরকে এই চেয়ারে বসিয়ে টর্চার করেছি, টেনে টেনে দাঁড়ি ছিড়ছি। এবার তোদেরকেও করব।

মেয়ে দুটো ভয়ে জড়োসড়ো হয়।

এভাবেই দীর্ঘ সাড়ে ৬ বছর তারা জেলে অমানবিক জীবন কাটায়।

র‍্যাব, ডিবির চোখে তাদের অপরাধ একটাই তারা দুজন বোরকা পরতো, নামাজ পড়তো।

দুটো মেয়েই গরিব পরিবারের ছিল। তাদের ধরলে কেউ জোর দিয়ে ছাড়াতে আসতে পারবে না। তাই সহজেই জঙ্গী নাটকের বলী বানায় তাদেরকে।

দীর্ঘ সাড়ে ৬ বছর পর এখন নিরপরাধ মেয়ে দুটো ছাড়া পেয়েছে। ছাড়া পেয়ে সেইসব নির্মম অত্যাচার এবং জঙ্গী নাটকের পেছনের ঘটনাগুলো শেয়ার করছে।

এই হলো হাসিনার অপরাধ সাম্রাজ্যের একচিলতে কাহিনী।
381000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১১ মার্চ, ২০২৬, ১৮:১৬

#education হাসিনার অপরাধ সাম্রাজ্যের একচিলতে কাহিনীঃ
মেঘনা ভার্সিটির ছুটিতে বাড়িতে যাবে বলে বিকাশ থেকে টাকা তোলার জন্য বাইরে বের হয়েছিল--- এবং সাথে কিছু কেনাকাটাও করবে।

কিন্তু বাজারের কাছাকাছি এলে সাদা পোশাকধারী কিছু লোক মেঘনাকে জোর করে মাইক্রোতে তুলে ফেলে--- এরপর চোখ বাঁধে।
মেয়েটা চিৎকার করতে শুরু করলে ওরা তার ঠোঁট টেপ দিয়ে আটকিয়ে দেয়।
মেয়েটা বুঝতে পারে না তাকে কেন এভাবে তুলে নেওয়া হচ্ছে। সে ইশারায় জিজ্ঞেস করতে থাকে কেন তাকে তুলে আনা হলো। কিন্তু কোন উত্তর পায় না।

মাইক্রোটি মিরপুর সনির ওখানে এসে মেঘনার মোবাইল কল দিয়ে মেঘনার বান্ধবী মৌকে ডেকে আনে তাদের কাছে । মৌ কাছে এলে ওকেও ঠিক একই কায়দায় সেখান থেকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে চোখমুখ বেঁধে ফেলে।
তারা দুজন বুঝতে পারে না তাদের সাথে কী হচ্ছে। চোখমুখ বাঁধা থাকায় হাতের আঙ্গুল নেড়ে জিজ্ঞেস করছিল কেন তাদের সাথে এরকম করা হচ্ছে।
কিন্তু এবারেও কোন উত্তর দেয় না দুর্বৃত্তরা ।

অনেকক্ষণ যাবত গাড়ি চালিয়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় নরসিংদীর একটা পরিত্যাক্ত বাড়িতে।
সেখানে এনে চোখ মুখের বাঁধন খুলে দেয়।

মেয়ে দুটো কেঁদে কেঁদে আকুতি জানায়- আমরা কিচ্ছু করি নাই, প্লিজ আমাদের ছেড়ে দেন, আমরা বাড়িতে যাব।

দুর্বৃত্তরা কিছু শর্ত দিয়ে তাদেরকে কিছু কাজ করতে বলে। নয়তো বড় ঝামেলায় পড়বে বলে হুমকি দিতে থাকে।

টানা ৩ দিন মেয়ে দুটোকে সেখানে রাখা হয়। চারপাশে মাকড়সার জাল, নোংরা পানি, ঘুটঘুটে অন্ধকার--- নেই বিদ্যুৎ।

৩ দিন পর মেয়ে দুটো দেখতে পায় বাড়িতে ড্রোন পাঠানো হয়েছে।
ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে আবারও বাড়িতে যাবার আকুতি জানায় তারা। কিছুক্ষণপরই দেখতে পায় বাইরে পুলিশ, র‍্যাব, ডিবির শত শত লোকজন দাঁড়িয়ে আছে।
মেয়ে দুটো বুঝতে পারে না কী হচ্ছে ওদের সাথে। ওরা কান্নারত কন্ঠে বারবার বলতে থাকে- প্লিজ, আমাদেরকে বাড়িতে যেতে দেন।

বাইরে থেকে র‍্যাবের লোকেরা বলে- যেতে দিব, আগে আত্মসমর্পণ করো--- নইলে তোমার স্বামীকে তোমার সামনে গুলি করে মেরে ফেলা হবে।
মেঘনার বিয়ে হয়েছে মাত্র কিছুদিন আগে। স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকিতে সে কাঁদতে থাকে অনবরত।

বাইরে থেকে তখনও বারবার বলা হয় আত্মসমর্পণ করো, কীভাবে করতে হবে সেটাও বলে দেয়।

মেয়ে দুটো তাদের নির্যাতন আর চাপের মুখে নিরুপায় হয়ে বারান্দায় এসে ওদের কথামতো হাত উপরে তুলে আত্মসমর্পণের মতো করে।

ভেবেছিল এটা করলেই তাদেরকে ছেড়ে দিবে--- কিন্তু নাহ! এখান থেকেই শুরু হয় তাদেরকে নিয়ে জঙ্গী নাটকের প্রথম ধাপ।

ওইদিনই টিভি, পত্রিকায় রাতারাতি নিউজ হয়- র‍্যাব, এবং ডিবির চৌকস অভিযানে দুজন নারী জঙ্গী নরসিংদীর পরিত্যক্ত বাসা থেকে ধরা হয়েছে।

অথচ মেয়ে দুটো এসবের কিছুই জানে না।
সেখান থেকে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশ লাইনে। পুলিশ লাইন থেকে ডিবির ছোটো ছোটো খোপ খোপ আয়নাঘরে।

সেখানে নিয়ে মেয়ে দুটোকে প্রচন্ড মারধর করা হয়। কখনো জোরে চড় মারে, কখনো মোটা মোটা লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটায়, কখনো আবার টুঁটি চেপে ধরে।

মেয়ে দুটো ব্যথায় যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে শুধু। চিৎকার করে বলে- আমরা নিরপরাধ, আমরা কিচ্ছু করি নাই।

ডিবি অফিসাররা বলে- তোরা কিছু করিস নাই সেটা তো আমরাও জানি। কিন্তু দেশের মানুষকে তো বোঝাতে হবে যে তোরা নারী জঙ্গী তাই তোদেরকে এখন মারতে হবে।

তারপর মেরে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে জানালার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। ভাত খাওয়ার সময় হলে একটা হাতের হ্যান্ডকাফ খুলে দেয়। সেটা দিয়ে কোনরকম দু এক লোকমা ভাত খেতো মেয়ে দুটো।

এমনকি ওয়াশরুমে গেলেও হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে দরজা খুলে রাখে।

কিছুদিন পর তাদের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্যে আসে। ১৬৪ ধারা মানে স্বীকারোক্তি দেয়া তারা যে জঙ্গী।

দুজন ডিবির লোক মোটা মোটা লাঠি নিয়ে তাদের সামনে বসে বলে- এই পেপারে সাইন করলে তোদরেকে ছেড়ে দিব। আর না করলে লাঠি দিয়ে পিটাবো।

মেয়ে দুটো বুঝতে পারে না ১৬৪ ধারা কী, এই পেপারেই বা সাইন করতে বলছে কেন?

এতদিনে হিংস্র হায়নাদের ছলাকলা ওরা বুঝতে পারে তাদেরকে ছাড়া হবে না, এই পেপারে সাইন করলে আরও বেশি ক্ষতি হবে। তাই তারা সাইন করতে রাজি হয় না।

তারা ম্যাজিস্ট্রেটকে সবকিছু বলতে গেলেও তাদেরকে বাঁধা দেওয়া হয়। এমনকি জজকেও উপর থেকে কল দিয়ে বলা হতো র‍্যাব যেভাবে যেভাবে বলবে সেভাবেই রায় দিবেন।

তারপর ডিবির লোকজন তাদের অনবরত চড় থাপৃপর দিতে থাকে, তীব্র চড়ের চোটে মেঘনা নামের মেয়েটার কানের পর্দা ফেটে গিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।

লাঠি দিয়ে পিটাতে পিটাতে জোরপূর্বক ওই পেপারে সাইন করিয়ে নেয়।

তারপরই ডিবি অফিসাররা প্রেস ব্রিফিং করে দেশবাসীকে জানায়- নারী জঙ্গী দুজন স্বীকারোক্তি দিয়েছে তারা যে জঙ্গী।

অথচ কীভাবে যে তাদের থেকে এ স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছিল সেটা আর দেশবাসী জানলো না।

এরপর তাদেরকে পাঠানো হয় কারাগারে। কারাগারে গিয়েও শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয় তাদেরকে।
411000
বিশ্বের খবর logo
বিশ্বের খবর

১০ মার্চ, ২০২৬, ০৬:০৫

Photo1/20
ছাত্রলীগ নামা।
এই পোস্ট ছাত্রদলের ভাইদের জন্য। আপনাদের জাস্ট মনে করিয়ে দিতে চাই যাদের আপনারা পূনর্বাসন করতেছেন তারা আপনাদের সাথে কি রকম আচরণ করেছিল বিগত ১৭ বছরে!
খাল কেটে কুমির এনে দেশবাসীর সাথে নিজেদের ক্ষতি করিয়েন না ভাইয়েরা!
ছাত্রদলের কেউ এখানে থাকলে পোস্টে রিয়েক্ট দিবেন দয়া করে।
পোস্ট কালেক্টেড ফ্রম: সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ
399000

Showing 17 of 17 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

বিশ্বের খবর টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

বিশ্বের খবর (@bisserkhobor) tgdio-এ বিশ্ব সংবাদ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ২,৩৪৯ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে বিশ্বের খবর (@bisserkhobor) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @bisserkhobor-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

বিশ্বের খবর কি ভালো বিশ্ব সংবাদ চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে বিশ্বের খবর-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ২,৩৪৯ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই বিশ্ব সংবাদ চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

বিশ্বের খবর-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @bisserkhobor পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।