রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth Telegram channel photo

রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

🎈আমাদের কার্যক্রম নিয়ে জানতে ভিসিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট motherandchildcarebd.com 🎈যে কোন প্রশ্নে যোগাযোগ করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে: Mother & Child Care BD (https://www.facebook.com/motherandchildcarebd?mibextid=ZbWKwL)

ধর্মবাংলাভারত

201

Last views

3.4k (3,360 subscribers)
সদস্য
—
Rating
89
Total Posts
Oct 22, 2026, 7:16 PM
আপডেট হয়েছে
Apr 8, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel Nameরৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth
Username@mother_and_child_care_bd
Categoryধর্ম
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য3,360
Channel TypePublic Channel
Created৮ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated২২ অক্টো, ২০২৬ • ২০ ঘণ্টা আগে
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#124590-9747
ভাষার র্যাঙ্কিং
#330-29
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#2115-226

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 3.4K30 Days growth: +381.1%
09/2309/2810/0310/0810/1310/1810/22
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
23:09:20263,322
24:09:20263,322
25:09:20263,322
26:09:20263,322
27:09:20263,322
28:09:20263,322
29:09:20263,322
30:09:20263,322
01:10:20263,322
02:10:20263,322
03:10:20263,322
04:10:20263,322
05:10:20263,322
06:10:20263,322
07:10:20263,322
08:10:20263,322
09:10:20263,322
10:10:20263,322
11:10:20263,322
12:10:20263,322
13:10:20263,322
14:10:20263,350
15:10:20263,350
16:10:20263,350
17:10:20263,350
18:10:20263,350
19:10:20263,350
20:10:20263,350
21:10:20263,350
22:10:20263,360
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 06:04:20263,050
Week of 13:04:20263,050
Week of 20:04:20263,050
Week of 27:04:20263,088
Week of 04:05:20263,088
Week of 11:05:20263,091
Week of 18:05:20263,091
Week of 25:05:20263,091
Week of 01:06:20263,087
Week of 08:06:20263,087
Week of 15:06:20263,087
Week of 22:06:20263,087
Week of 29:06:20263,162
Week of 06:07:20263,162
Week of 13:07:20263,162
Week of 20:07:20263,162
Week of 27:07:20263,162
Week of 03:08:20263,217
Week of 10:08:20263,217
Week of 17:08:20263,254
Week of 24:08:20263,251
Week of 31:08:20263,251
Week of 07:09:20263,302
Week of 14:09:20263,322
Week of 21:09:20263,322
Week of 28:09:20263,322
Week of 05:10:20263,322
Week of 12:10:20263,350
Week of 19:10:20263,360
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20263,088
May 20263,091
June 20263,087
July 20263,162
August 20263,251
September 20263,322
October 20263,360
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20263,360

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1ফেসবুকে চলমান যে নরমাল বনাম সিজার বিতর্ক চলছে, তার প্রেক্ষিতে আমরা দেখ1.4K
  2. #2Post #25061.3K
  3. #3তখন কন্ট্রাকশন আবার রেগুলার হতে লাগল, কিন্তু আপুর মনে হচ্ছিল একটু কমিয678
  4. #4১–৭ আগস্ট বিশ্ব ব্রেস্টফিডিং সপ্তাহ।647
  5. #5কদিন উনার প্রাণপ্রিয় স্ত্রী ICU তে মৃত্যুর সাথে লড়াই করে। পরবর্তীতে আল639
  6. #6🔸রৌদ্রময়ী প্রিনেটাল কোর্সের একজন পার্টিসিপ্যান্ট হবু মায়ের প্রশ্ন:635
  7. #7এখন খুব মনে হয়, নতুন মায়ের খাওয়াদাওয়া নিয়ে বাসার মানুষদের একটু সচেতন হ611
  8. #8এই ভালোবাসা আর মিউচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং যদি কোন সংসারে উভয়ের মধ্যে ন588
  9. #9সহজ ডেলিভারির জন্য পেলভিক ফ্লোর পেশী মজবুত থাকার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ570
  10. #10আল্লাহ প্রদত্ত নরমাল ডেলিভারি মা ও শিশুর জন্য সবসময়ই বেস্ট। কিন্তু রিস548

সাম্প্রতিক পোস্ট

রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১৯:১৮

Photo1/2
প্রতি ব্যাচে খাদ্য ও পুষ্টি ক্লাসের পর হবু মায়েদের ডেইলি ডায়েট চার্ট তৈরি করার টাস্ক দেয়া হয়। মায়েরা এতে হবু বাবাদের সহযোগিতা নিতে পারেন।

উৎসাহ, উদ্দীপনার সাথে চলমান ২৮তম লাইভ ব্যাচের মায়েরাও ডেইলি ডায়েট চার্ট টাস্কের ছবি শেয়ার করছেন ব্যাচের সাপোর্ট গ্রুপে। নিউট্রিশনিস্ট ও দৌলা (প্রসব সঙ্গী) ফারইয়াব হাসান সকলের চার্ট দেখে প্রয়োজনীয় ফিডব্যাক জানান।
201003
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১৮:৩৩

Photo1/2
গর্ভধারণের পর থেকেই যে জিনিসটা নিয়ে মায়েরা সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় ভুগেন তা হলো লেবার ও প্রসব।

কেমন হবে সেই সময়টা? সব ঠিকঠাকমতো হবে তো?

লেবার পেইন কেমন হবে? কীভাবে সেই সময় নিজেকে সামলাতে হবে?.............আরো জানুন👇
213002
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৭ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৫৫

“তুমি যদি আমার কথা না শোন এক্ষুনি আমি চলে যাবো, আর আসবো না”

“আমি হারিয়ে যাবো, তখন বুঝবে। আম্মু কোথায় পাবে?”

কি খুবই কিউট আর সাধারণ একটা থ্রেড তাইনা?

আমরা মায়েরা আমাদের বাচ্চাদের প্রায়ই এমন হুমকি বা ভয় দেখিয়ে থাকি, অল্প সময়ের জন্য শান্ত করতে বা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। কিন্তু আমরা কি জানি, এই কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে চাওয়া আপাতদৃষ্টিতে কিউট লাগা থ্রেডের প্রভাব বাচ্চার মনোজগতের ওপর কিভাবে পড়ে?

অনেক বাচ্চারাই এমন ভয় দেখানোর সাথে সাথে নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। দুষ্টুমি ফেলে শান্ত হয়ে বসে। এটা কি আসলেই খুব ভালো কোনো কিছু?

সে প্রচন্ড ভয় পাচ্ছে। ভয় পাচ্ছে হারিয়ে ফেলার। যা তার মধ্যে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। এতে কি সে Separation Anxiety-তে ভুগবে না? মা-কে যেকোনো কারণে চোখের আড়াল করলেই কি তার অবচেতন মনে এই ভয়গুলো আবার দানা বাঁধবে না?

“আমি শান্ত হয়ে না থাকলে বা মায়ের মন মত না চললে মা আমাকে আর ভালোবাসবে না, ফেলে চলে যাবে।"

এই অনিরাপত্তাটাই তার মানসিক শান্তি ও স্থবিরতা কেড়ে নিতে যথেষ্ট। শিশুর কাছে তখন মায়ের ভালোবাসা তখন আর 'নিঃশর্ত' মনে হতে থাকে না। একটা নিষ্পাপ জানকে এমন Insecurity-তে ভোগানোটা মোটেই গুড প্যারেন্টিং নয়।

একটা বয়স পর্যন্ত বাচ্চাদের ব্রেইনের প্রি-ফন্টাল কর্টেক্স পরিপক্ব থাকে না। ফলে তারা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এর ওপর যদি যোগ হয় বাইরে থেকে অহেতুক কিছু ভয়, সেটা তার ছোট্ট ব্রেইনের ওপর কেমন জুলুম তৈরি করবে ভেবে দেখবেন।

পরবর্তী জীবনে এগুলোই তাকে existential crisis, Low Self-Esteem, Trust Issues ও Insecurity-তে ভোগাতে পারে। এমনকি এটা সাব-কনশাসলি তাকে সারাজীবন ভোগাবে।

👉 বাচ্চাদের জেন্টাল ওয়েতেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় –

▪️তাকে Natural Consequences শেখানো যেতে পারে। যেমন, "তুমি ভাত না খেলে আমি চলে যাব।" না বলে তাকে বলা যেতে পারে, "তুমি এখন ভাত না খেলে পেটে ক্ষুধা লাগবে, তখন কিন্তু আমরা খেলতে পারব না কারণ তোমার শরীরে শক্তি থাকবে না।"। এই মেথডটা আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার বেবির খুব ছোটবেলা থেকে প্রাক্টিস করি। আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো রেজাল্ট পাচ্ছি।

▪️তার সাথে “টাইম-আউট" এর বদলে "টাইম-ইন" মেথড ফলো করা যেতে পারে। যেমন, বাচ্চা খুব বেশি চিৎকার বা দুষ্টুমি করলে তাকে একা ফেলে চলে যাওয়ার হুমকি না দিয়ে, তাকে জড়িয়ে ধরে শান্ত করা উচিত।

তার চোখের লেবেলে নেমে এসে চোখে চোখ রেখে বলতে পারেন, "আমি দেখছি তোমার খুব রাগ হচ্ছে বা তুমি উত্তেজিত। চলো আমরা দুজনে একটু শান্ত হয়ে বসি।" বাচ্চা শান্ত হলে তারপর তাকে বোঝানো যে কোন আচরণটা ভুল ছিল। আমি দেখেছি “আমার চোখের দিকে তাকাও” বলার সাথে সাথেই সে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসে যায়।

▪️ইতিবাচক নির্দেশ দেওয়া (Positive Phrasing) খুবই সহজ ও কার্যকরী একটা পন্থা। বাচ্চাদের "না" বা "করো না" বলার চেয়ে সে কী করবে তা বলে দেওয়া বেশি কার্যকর।

"সোফায় লাফালাফি করো না" বলার চেয়ে বলুন, "তুমি নিচে এসে মেঝেতে লাফাতে পারো।"

"খেলনা না গোছালে ওগুলো ফেলে দেব" না বলে বলুন, "চলো আমরা দুজনে মিলে একটা প্রতিযোগিতা করি, কে কত দ্রুত খেলনাগুলো বাক্সে রাখতে পারে!"

▪️আবেগকে স্বীকৃতি দেওয়া, কিন্তু সীমানা নির্ধারণ করা (Setting Boundaries)। বাচ্চার দুষ্টুমির পেছনের কারণটা বোঝার চেষ্টা করা দরকার। যেমন: "আমি জানি তোমার এখন আরো খেলতে ইচ্ছা করছে (আবেগের স্বীকৃতি), কিন্তু এখন আমাদের ঘুমানোর সময়। কাল সকালে আবার আমরা খেলবো ইনশাআল্লাহ (সীমানা নির্ধারণ)।"

▪️ভালো কাজের প্রশংসা করা (Positive Reinforcement)। বাচ্চা যখনই কোনো ভালো আচরণ করবে বা কথা শুনবে, তখনই তার প্রশংসা করা উচিত। যেমন: "আজকে তুমি নিজে নিজে হাত ধুয়েছ, আমার খুব ভালো লেগেছে।" এতে সে পজিটিভ আচরণ করার জন্য উৎসাহিত হবে।

⭕ সহজ স্বীকারোক্তি –
আমরা মায়েরা অনেক সময়ই ক্লান্তি, মানসিক চাপ বা একা একা বাচ্চা সামলোর ধকল সহ্য করতে না পেরে ধৈর্য হারিয়ে ফেলি ও এমন কথা বলে ফেলি। আমাদের উচিত নিজেদের শারীরিক স্বাস্থ্যের মানসিক স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেওয়া এবং প্রয়োজনে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেওয়া। কখনও এমন হয়ে গেলে নিজেকে দোষারোপ না করে পরবর্তীতে যেন এমন না হয় সেদিকে ফোকাস করা দরকার।

শিশুকে শাসন করার ভিত্তি হওয়া উচিত নিরাপত্তা ও ভালোবাসা, ভয় বা আতঙ্ক নয়।

রেজওয়ানা রাজ্জাক
দৌলা (প্রসবসঙ্গী)
মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার বিডি
3540015
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১৯:২১

একজন ৬ মাসের গর্ভবতী মা এসেছেন ফলোআপে । এটাই উনার প্রথম বাচ্চা ।

খুব বিমর্ষ মুখে বললেন - ম‍্যাডাম , একটা কথা বলি ?
বললাম - বলেন ।

উনি আতংকিত চেহারা বানিয়ে বললেন - ম‍্যাডাম , ডেলিভারির সময় নাকি প্রসবের রাস্তা ছিড়ে যায় ? ভয়ংকর কষ্ট হয় বলে । আমার তো রীতিমত ভয় লাগতেছে ।

ফাইল থেকে চোখ তুলে উনার দিকে তাকালাম । মোটামুটি কেঁদে ফেলার অবস্থা উনার । এত ভয় পেয়েছেন ।

আমি প্রশ্ন করলাম - কে বলেছে এসব আপনাকে ?

কান্না কান্না মুখ করে বললেন- পাশের বাসার ভাবী । উনার নাকি এত কষ্ট হয়েছে মনে করলেও নাকি তার এখনো ভয় লাগে !

কেমন লাগে বলেন তো ?

এই যে পাশের বাসার পন্ডিত ভাবী , চাচী , মুরুব্বী আপনাদের বলছি -

আপনাদের কি খেয়ে দেয়ে কাজ নেই ? অকারণে মানুষকে ভয় দেখান ! আপনার যা হয়েছে একই ঘটনা যে সবার ঘটবে সেটা কিভাবে শিওর হলেন ? পন্ডিতি একটু কম করা যায় না ?

মানুষকে ভালো কথা বলে সাহস দিতে না পারলে ঐ মুখটা বন্ধ রাখবেন, প্লিজ ! আপনাদের উল্টাপাল্টা কথায় কত রোগী মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে যায় কোন আইডিয়া আছে ? ফলশ্রুতিতে রোগীরা কত ধরণের ক্ষতির মধ্য দিয়ে যায় !

কারও প্রসবের সময় কী হয়েছিল, সেটা অন্য একজনের ক্ষেত্রেও হুবহু হবে এমন কোনো কথা নেই।

কারও প্রসব স্বাভাবিকভাবে হয়, কারও ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা হতে পারে। কারও সামান্য ছিঁড়ে যেতে  পারে, আবার অনেকের একেবারেই হয় না। পরিস্থিতি নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয় ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর।

তাই নিজের অভিজ্ঞতা অন্যের গায়ে মাপবেন না।
আর শুধু এটুকুই না। আরো কত যে অদরকারি কথা আপনারা বলতে পারেন …বাপরে

“তোমার পেট এত ছোট কেন?”

“পেট তো অনেক বড়, দুইটা নাকি ?”

“এখন ঘুমিয়ে নাও, বাচ্চা হলে আর ঘুমাতে পারবে না!”

“আসল কষ্ট তো সামনে!”

এই কথাগুলো শুনতে শুনতে একজন হবু মা অকারণেই আতঙ্কিত হয়ে যেতে পারেন।

এই কথাগুলো আপনার কাছে হয়তো নিছক আড্ডার কথা। কিন্তু একজন গর্ভবতী মায়ের কাছে এগুলোই সারাদিনের দুশ্চিন্তা হয়ে যেতে পারে। পরে প্রেশার বেড়ে গিয়ে রোগীর অবস্থা হয়ে যেতে পারে খারাপ।

তাই যদি বলতেই চান ভয় দেখানোর কথা না বলে সাহসের কথা বলুন । হবু মা যেন একটু আশ্বস্ত হয় তেমন কিছু বলুন ।

যদি তা না পারেন তাহলে চুপ থাকুন।

এত কিছু বলার পরেও যদি আপনারা কোন হবু মাকে ভয় দেখান… তাহলে আপনি কিংবা আপনারা একেকজন বাংলা সিনেমার সবচেয়ে বড় কুটনী রিনা খান ……🤨

ডা. ফাহমিদা মাহবুবা বন্যা
390009
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৫ অক্টো, ২০২৬, ২০:০৮

যে দেশে শিশুর জন্মের আগেই সরকার প্রস্তুত করে রাখে তার প্রথম উপহার!

একটা শিশু পৃথিবীতে আসবে। তার জন্য ছোট ছোট জামা, মোজা, কম্বল, বিছানার চাদর, গোসলের জিনিসপত্র—কত কিছুই না লাগে! নতুন বাবা-মায়ের কাছে এগুলো কেনার আনন্দ আছে, আবার খরচের চাপও আছে।

কিন্তু কেমন হয়, যদি একটি দেশের সরকারই হবু মায়ের হাতে তুলে দেয় নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় নানা জিনিসে ভরা একটি বাক্স?

ফিনল্যান্ডে এমনটাই হয়!

সেখানে হবু মায়েদের জন্য রয়েছে একটি বিশেষ সরকারি উদ্যোগ, যার নাম ম্যাটারনিটি প্যাকেজ (Maternity Package)। ফিনিশ ভাষায় একে বলা হয় *Äitiyspakkaus*। এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত ‘বেবি বক্স’ নামে।

বাক্সটি শুধু দেখতে সুন্দর নয়, এর পেছনের ভাবনাটাও অসাধারণ।

## একটি বাক্সে নবজাতকের প্রথম দিকের অনেক প্রয়োজন

ফিনল্যান্ডের এই প্যাকেজে থাকে নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় নানা জিনিস। যেমন—ছোট ছোট পোশাক, টুপি, মোজা, মিটেনস, কম্বল, বিছানার চাদর, তোয়ালে এবং শিশুর যত্নে কাজে লাগে এমন কিছু সামগ্রী। প্যাকেজের উপকরণ ও নকশা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়।

বাক্সটির আরেকটি মজার দিক আছে। এর ভেতরে একটি ম্যাট্রেসও থাকে। উপযুক্ত বিছানার ব্যবস্থা হিসেবে বাক্সটিকে নবজাতকের ঘুমানোর জায়গা হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। তবে শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সময় নিরাপদ ঘুমের নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

অর্থাৎ, একটি পরিবারের নতুন সদস্যকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে সরকারও পাশে থাকছে।

## কীভাবে শুরু হয়েছিল এই উদ্যোগ?

গল্পটা কিন্তু আজকের নয়। এর শুরু ১৯৩৮ সালে।

সেই সময় ফিনল্যান্ডে শিশুমৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বেগ ছিল। পাশাপাশি, অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার প্রয়োজনও ছিল। তাই সরকার মাতৃত্বকালীন অনুদানের ব্যবস্থা চালু করে। এর একটি উদ্দেশ্য ছিল, হবু মায়েরা যেন গর্ভাবস্থার শুরুতেই চিকিৎসকের কাছে যান এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নেন।

শুরুতে এই সুবিধা মূলত কম আয়ের মায়েদের জন্য ছিল। পরে ১৯৪৯ সাল থেকে তা সব মায়ের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

এখানে একটি বিষয় লক্ষ করার মতো—সরকার শুধু শিশুর জন্মের পর কিছু জিনিস দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেনি। বরং এই সুবিধার সঙ্গে গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার বিষয়টিকেও যুক্ত করেছে।

অর্থাৎ, উপহার দেওয়ার পাশাপাশি মায়ের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার একটি উদ্যোগও ছিল এটি।

## শুধু বেবি বক্স নয়, মায়ের পাশে থাকার ব্যবস্থাও আছে

ফিনল্যান্ডে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য রয়েছে মাতৃত্ব ও শিশুস্বাস্থ্য ক্লিনিক। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পাশাপাশি গর্ভাবস্থা, শিশুর যত্ন ও পরিবারের সুস্থতা নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়।

বেবি বক্স পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্যও নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। সাধারণভাবে, গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাস শেষ হওয়ার আগে চিকিৎসক বা মাতৃত্ব ও শিশুস্বাস্থ্য ক্লিনিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হয় এবং গর্ভাবস্থা অন্তত ১৫৪ দিনের হতে হয়। তবে এটি ফিনল্যান্ডের নির্দিষ্ট সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ; সবার ক্ষেত্রে একই নিয়মে প্রযোজ্য নয়।

আরেকটি বিষয় হলো, মা চাইলে বেবি বক্সের পরিবর্তে নগদ অর্থও নিতে পারেন। অর্থাৎ, পরিবার নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায়।

## আমাদের দেশে এমন উদ্যোগ নিয়ে ভাবা যায় না?

বাংলাদেশে একটি শিশুর জন্মের আগে ও পরে পরিবারকে অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। চিকিৎসার খরচ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মায়ের পুষ্টি, নবজাতকের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র—সব মিলিয়ে অনেক পরিবারের ওপর আর্থিক ও মানসিক চাপ তৈরি হয়।

এমন পরিস্থিতিতে অন্তত সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কিছু শিশুপণ্য, মাতৃস্বাস্থ্যবিষয়ক নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং নিয়মিত চেকআপের বিষয়ে সহায়তা নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগ কেমন হতে পারে?

অবশ্য ফিনল্যান্ডের ব্যবস্থাকে হুবহু বাংলাদেশে চালু করলেই একই ফল পাওয়া যাবে, এমন নয়। আমাদের দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ এবং মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। কিন্তু উদ্যোগটির মূল ভাবনা থেকে আমরা শিখতে পারি—মা ও শিশুর যত্নকে শুধু ব্যক্তিগত পরিবারের দায়িত্ব হিসেবে না দেখে, সামাজিক অগ্রাধিকার হিসেবেও বিবেচনা করা যায়।

একটি শিশুর জীবনের শুরুটা যেন পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যের কারণে অযথা কঠিন না হয়ে যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা জরুরি।

কারণ, একটি শিশুর জন্ম শুধু একটি পরিবারের জীবনে নতুন অধ্যায় নয়; সে আমাদের সমাজেরও নতুন সদস্য।

ফিনল্যান্ডের এই বেবি বক্সের গল্প তাই শুধু একটি বাক্সের গল্প নয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, শিশুর জন্মের আগেই তার সুস্থ ও নিরাপদ জীবনের প্রস্তুতি শুরু করা সম্ভব।
437009
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১৭:১৬

ল্যাক্টেশন কন্সাল্টেন্সি দিয়েছিলাম জান্নাত আপুকে৷ আপুর এটা ২য় বেবি৷ প্রথম বেবিকে তিনি ৫ মাসের বেশি ব্রেস্টফিডিং করাতে পারেন নি,কি ভুল ছিল, কেন হলোনা বুঝতে পারেন নি তাই ২য় বেবি হওয়ার পর তিনি সার্ভিস নেয়া শুরু করেন৷

২য় বেবিকে তিনি ২ বছর ফিডিং করাতে চান৷ অনেক গুলো পজিশন শিখিয়ে দিয়েছিলাম কিন্তু বেবি ডিপ ল্যাচ করছিলোনা৷ আপু ও বুঝতে পারছিলেন না যে কেন হচ্ছেনা৷ তারপর হল অনেক অনেক ল্যাক্টেশনের ভিডিও শেয়ার এবং অনেক অনেক ডিস্কাশন!

এরপরও মাঝে মাঝে আবার ট্র‍্যাক হারিয়ে ফেলা, কনফিউশান, সব কিছু শেষে আলহামদুলিল্লাহ আপু সাকেস্ফুল হলেন৷ বেবি এখন এক্সক্লুসিভ ফিডিং করে আলহামদুলিল্লাহ৷ আল্লাহ মায়েদের প্রতিটা চেষ্টার উত্তম প্রতিদান দিন৷

তাসনিম সুশান আজাদ
দৌলা (প্রসবসঙ্গী)
মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার বিডি
417005
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১২:২৭

নিজের যত্ন নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। মায়েরা নিজেদের শারীরিক, মানসিক, পুষ্টিকর খাবার নিয়ে উদাসীন। মায়েরা বাচ্চা, বাচ্চার বাবার যত্ন নিলেও নিজের যত্ন মোটেও নেন না। এর ফলে মায়েরা অবসাদ ও ক্লান্ত থাকেন । আসুন জেনে নেই কি কি কারণে একজন মা দিনের পর দিন ক্লান্তি ও অবসাদ এ ভুগতে থাকে ⤵️
397004
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৪ অক্টো, ২০২৬, ২০:১২

বিয়ে হয়েছে, বেবি হয়নি বা হবে এমন কাউকে আমি না চাইতেও পরামর্শ দিয়ে ফেলি প্রিনেটাল কোর্স করার। এর যা উপকার পেয়েছি আমি ১০০ ভাগ প্রকাশ করা হয়তো সম্ভব না। অনেকে ফি দেখে পিছিয়ে পড়েন, অথচ মিনিমাম কয়েকবার হলেও আল্ট্রা করান। দুটোর খরচ প্রায় একই।

প্রিনেটাল কোর্স করলেই যে নরমাল হবেই, সিজার হবেনা বিষয়টা এমন না। সিজার লাগলেও আপনি জানবেন কেন হচ্ছে, ডাক্তারের কথা শুনে ঘাবড়ে যাবেন না। নরমালের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসের সাথে অতিরিক্ত মেডিকেল হস্তক্ষেপ চাননা প্রকাশ করতে পারবেন, যদিও তারা থোরাই কেয়ার করে।

নিজের কথা যদি বলি, আমি লেবারের লাস্ট স্টেইজে হসপিটালে গিয়েছিলাম। অবশ্যই নিজ থেকে পাকনামি করে নয়, দৌলা (প্রসবসঙ্গী) ফারইয়াব হাসান আপুর গাইডলাইন অনুযায়ী গিয়েছি, সাথে ছিলো রপ্ত করা জ্ঞান যেটা আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। এক্ষেত্রে বাবুর নড়াচড়া খেয়াল রাখতে হবে, পানি ভাঙলে ঘরে বসে থাকা যাবেনা।

হসপিটালে আয়া, ডেলিভারির ডাক্তার সহ সবাই বকাবকি করলেও ঘাবড়ে যাইনি। পিভি চেক করার সময় স্টেশন জিজ্ঞেস করেছি যেটা দিয়ে বুঝেছি বাবুর মাথা কতটুক পর্যন্ত এসেছে। এই পিভি চেকের বিষয়টা ডাক্তাররা কখনো ক্লিয়ার করে বলেনা তারা কি কি দেখে, কেবল সার্ভিক্স ওপেন কতটুকু সেটাই বলেন।

পুশিং স্টেজে ব্রিদিং এক্সারসাইজের সুফলটা ভালো করে পেয়েছি। স্যালাইনের জরুরত ছিল না, যেটা প্রকাশ করতে পেরেছি যে চাইনা, যদিও তারা পাত্তা দেয়নি। এই বিষয়গুলোও কোর্সের মাধ্যমে জেনেছি, শিখেছি।

আমি প্রতিনিয়ত প্রিনেটাল কোর্স করার জন্য রীতিমতো ঠেলি অনেককে, শুধু কোর্সটাকে প্রোমোট করি না, প্রোমোট করি এ সম্পর্কিত নলেজ রাখাকে।

Mother & Child Care BD এর প্রিনেটাল কোর্সটা একদম একের ভিতর সব গাইড বইয়ের মতো, তাই হাইলি রেকমেন্ডেড ফর অল উডবি মম'জ।

ফেরদৌস জাহান মুমু

প্রিনেটাল কোর্স পার্টিসিপ্যান্ট ও দৌলা (প্রসবসঙ্গী) ক্লায়েন্ট,
মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার বিডি
4920018
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৩ অক্টো, ২০২৬, ১৯:১৬

লেবার সহযোগী ভেবে চিন্তে সিলেক্ট করবেন। অদক্ষ সহযোগী নিবেন তো সিজার করতে বাধ্য করবে।

আজ এক বোনের অনেক কষ্ট করে লেবারের প্রায় শেষের দিকে এসে সি-সেকশন করতে হয়েছে কারন সাথের মানুষজন আর ধৈর্য ধরতে পারেননি এবং মাকেও অস্থির করে দিয়েছে সিজার সিজার করে।

ডাক্তার নরমাল সাপোর্টিভ হলেও রোগীর সঙ্গে থাকা লোকজনের জন্য ন্যাচারাল বা নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হয়না অনেক সময়।

তাই যারা মা হতে যাচ্ছেন তাদের বলব এমন মা, খালা, শাশুড়ী,ননদ বা কাওকেই রাখবেন না যিনি অধৈর্য,  বুঝেনা, অদক্ষ,অসহযোগী। প্রাকৃতিক প্রসব তাড়াতাড়ি হয়না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করিয়ে দেওয়ার মতোও বিষয় না এটা।

আপনার লেবার সহযোগীকে যথেষ্ট কাউন্সিলিং করে প্রস্তুতি নিবেন। বুদ্ধিমান দক্ষ সহযোগী সাথে নিলেন তো অর্ধেক যুদ্ধ জিতে গেলেন। আর যদি ভিতু, তাড়াহুড়ো করবে এমন মানুষ সাথে নেন তো সিজার করিয়ে ছাড়বে। আর পরে শুধু আফসোস করবেন যে কেন আরেকটু ধৈর্য ধরলাম না।

আমি আমার মা, বোন এবং হাজবেন্ডকে বলেছিলাম  আমার লেবার চলাকালীন রুমে আমি নিরিবিলি থাকবো। কাওকে জানিয়ে কেবিনে যাতে ভীড় না হয়। অ্যাকটিভ লেবারে গিয়ে ব্যাথায় সিজার করে ফেলতে চিতকার করবো তোমরা শক্ত থাকবে।

আমার কথা শুনবে না যতক্ষন বাচ্চা ভালো থাকবে, হার্টবিট ভালো থাকবে, ততক্ষন আমার যতই কষ্ট হোক তোমরা সি-সেকশানের সিদ্ধান্ত দিবে না। অবশেষে ৪৩ঘন্টার (এক্টিভ স্টেজ ১০-১২ ঘন্টা) লেবার পার করে আল্লাহ আমাকে সুস্থ সন্তান দিয়েছিলেন আলহামদুলিল্লাহ।

উম্মে সাওদা

রৌদ্রময়ী প্রিনেটাল কোর্স পার্টিসিপ্যান্ট, ব্যাচ ২১
5350011
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১৩ অক্টো, ২০২৬, ০৮:০৯

"লেবার শুরু হচ্ছে না, ইডিডি চলে আসছে। কি করবো আপু?"
– "মাইলস্ সার্কিট এক্সারসাইজ করুন।"

৩৭ সপ্তাহের পর থেকে প্রাকৃতিকভাবে লেবার শুরু হওয়ার ও আর্দশ বেবি পজিশনিং এর জন্য করা অন্যতম ইফেক্টিভ একটা এক্সারসাইজ মাইলস সার্কিট। ইউটিউবে বাংলা ভাষায় এই ব্যায়ামের কোনো ভিডিও নেই। তাই অনেকেরই স্টেপগুলো ধরতে কষ্ট হতো।

মাইলস্ সার্কিটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে একটি ফ্রি পিডিএফ ছিল। হবু মায়েদের সুবিধায় পিডিএফটি বাংলায় অনুবাদ করে দিয়েছেন মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার বিডির দৌলা রেজওয়ানা রাজ্জাক।

দৌলা রেজওয়ানাকে ধন্যবাদ এমন গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স বাংলা ভাষায় সহজলভ্য করতে সহযোগিতা করার জন্য।

Mother & Child Care BD ওয়েবসাইটে পাচ্ছেন ই-বুকটির ফ্রি ডাউনলোড কপি।
লিংক কমেন্টে।
470005
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

১২ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৫৬

⭕প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নটা ঠিক irrelevant হয়ে যাচ্ছে কিনা। একটা বিষয়ে কনফিউশন কাজ করছে।

আমি এখন ৩২সপ্তাহে আছি।
লেবারের ল্যাটেন্ড পিরিওডে। আমি কি হাঁটাহাঁটি,সিড়ি ভাঙ্গা ইত্যাদি ইনলেট ওপেনিং ব্যায়ামের দিকে বেশি ফোকাস করবো নাকি পরবর্তি এ্যাকটিভ লেবার/ট্রানজিশনের কথা ভেবে পর্যাপ্ত এনার্জি রিস্টোর অর্থাৎ খাওয়া দাওয়া, ঘুম, রিল্যাক্সাশন এগুলোর দিকে মনোযোগ দিবো?

মেইনলি আমি হাঁটাহাঁটি কখন করবো আর বডিকে রিল্যাক্স/রেস্ট কখন দিবো এটা নিয়ে একটু কনফিউজড হয়ে গেছি।

কিছু মনে করবেন না আমার প্রশ্নে কাইন্ডলি।

-ফারিয়া
মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার বিডি প্রিনেটাল কোর্স পার্টিসিপ্যান্ট, রেকর্ড ব্যাচ

⭕উত্তর: ওয়ালাইকুম সালাম আপু।

মাশাল্লাহ খুবই রিলেভ্যান্ট প্রশ্ন।

পেইন কখন আসছে এর ওপর অনেকটা নির্ভর করবে আপনি কী করবেন। রাত বা ন্যাপ নেয়ার সময় হলে ঘুম/রেস্ট নিবেন। এরপর এক্টিভ থাকবেন।

"একটা key line মনে রাখবেন, প্রেগন্যান্সিতে always listen to your body. আপনার শরীর রেস্ট চাইলে রেস্ট নিবেন। এনার্জি আছে ফীল করলে এক্সারসাইজ করবেন। লেবার প্রগ্রেস শুধু ব্যায়ামেই হয় না, রেস্ট নিলেও হয়।"

-রাবেয়া রওশীন
ইন্সট্রাক্টর, মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার বিডি প্রিনেটাল কোর্স

📍 প্রশ্ন ও উত্তরটি নেয়া হয়েছে আমাদের প্রিনেটাল রেকর্ডেড ব্যাচের সাপোর্ট গ্রুপ থেকে।
4980012
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখাও একান্তই প্রয়োজন। সব ধরনের পরিস্থিতি মাথায় রেখে ভারসাম্যপূর্ণ উপায়ে মায়েদের জানার সুযোগ করে দেয়া উচিত।

রাবেয়া রওশীন
প্রিনাটাল ইন্সট্রাক্টর ও দৌলা
রৌদ্রময়ী স্কুল
319003
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

প্রেগন্যান্সি গ্রুপগুলোতে প্রায়ই পোস্ট দেখা যায় যেখানে জিজ্ঞেস করা হয় কোন ডাক্তার প্রিনাটাল ভিজিটে সময় দিয়ে কথা শোনেন বা কার নরমালের প্রতি আন্তরিকতা বা ব্যবস্থা কেমন। সেখানে কেউ হয়ত এসে একজন ডাক্তারের নাম সাজেস্ট করল যার কাছে উনি হয়ত খুব ভালো সার্ভিস পেয়েছেন, ঠিক তার পরের কমেন্টেই দেখা যায় আরেকজন এসে বলছে যে উনি তেমন সময় দেন না, অনেক ব্যস্ত ইত্যাদি। আবার কখনো প্রশ্ন দেখা যায় সিজারের পর নরমালের চেষ্টা করেন এমন ডাক্তার কে আছেন।

সেখানে কেউ একজন ডাক্তারের নাম বলার পরের কমেন্টেই অন্য কেউ হয়ত এসে বলছে যে উনি তেমন চেষ্টা করেন না, আমি গিয়েছিলাম কিন্তু উৎসাহিত করেননি।

অদ্ভূত না? আসলে বিষয়টা কী?

আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে প্রশ্নের উত্তরগুলো দেই। যার ভালো অভিজ্ঞতা সে অন্যকে সেভাবেই সাজেস্ট করবে আবার যার খারাপ অভিজ্ঞতা সে অন্যকে ওই পথ মাড়াতেও না করবে।

আমাদের প্রত্যেকের শারীরিক, মানসিক গঠন আলাদা। আমাদের মা হওয়ার প্রক্রিয়াটা কেমন হবে তার অনেকটাই নির্ভর করে এসবের ওপর। ডাক্তার একজনকে নরমালের জন্য উৎসাহ দিয়েছে আরেকজনকে দেননি এর পেছনেও এই কারণগুলো অনেকটাই জড়িত থাকে।

একই কথা বলা যায় নরমাল ডেলিভারিকে উৎসাহিত করা আর সিজারকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে। কারো শরীর হয়ত নরমাল ডেলিভারির জন্য উপযোগী। তার জন্য নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হয়েছে। কিন্তু কারো হয়ত কম্পলিকেশন আছে। তার জন্য শত চেষ্টাতেও নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হয়নি। যার সহজেই নরমাল ডেলিভারি হয়েছে সে হয়ত এ ব্যাপারে অন্যকে প্রবল উৎসাহিত করবে। তার কথায় অনেকসময় অন্য পক্ষের কমপ্লিকেশন বিবেচনার দিকটা উঠে আসে না।

অন্যদিকে কেউ হয়ত প্রেগন্যান্সি ও ডেলিভারি নিয়ে অনেক নেগেটিভ ঘটনা শুনেছে। তাই নিজের পক্ষে সম্ভব কি না এটা না ভেবেই সরাসরি সিজার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছে। অথবা লেবার পেইনটাকেই হয়ত তার অনেক ভয় লাগে।

আমরা যখন মানুষকে নরমাল ডেলিভারিতে উৎসাহিত করতে চেষ্টা করব তখন সব পক্ষের কথা মাথায় রেখেই করতে চেষ্টা করব। আমাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত যারা নরমাল ডেলিভারিকে ভয় পেয়ে সিজার করাতে চায় তাদের মনের অকারণ ভীতি দূর করতে চেষ্টা করা। এরপর হচ্ছে, যারা নরমাল ডেলিভারি করাতে আগ্রহী তাদের এ ব্যপারে তৈরি হতে সাহায্য করা। এক্ষেত্রে জ্ঞান অর্জন করা ও সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়ার বিকল্প নেই। সুষম পুষ্টি ও শারীরিকভাবে একটিভ থাকা একজন মাকে সুস্থ ও কম ঝুঁকির মাঝে রাখবে। মা যত সুস্থ ও কম ঝুঁকির মাঝে থাকবেন উনার ভালো অভিজ্ঞতা হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে।

আমার নিজের দুইটি প্রাকৃতিক প্রসবের অভিজ্ঞতা আছে, আলহামদুলিল্লাহ। আমি নিজে প্রাকৃতিক প্রসবের একজন আন্তরিক সমর্থক। কিন্তু একই সাথে আমার চাইল্ডবার্থ এডুকেশনের ট্রেনিং-এ আমি এটাও শিখেছি যে সব মেডিকেল হস্তক্ষেপেরই নিজ নিজ জায়গা আছে। আমরা যেমন মায়েদের শেখাতে চেষ্টা করি প্রাকৃতিক উপায়ে কিভাবে লেবার পেইনের সাথে কোপ করা যায়, তেমনি এটাও তাদের জানাতে চেষ্টা করি যে প্রয়োজন হলে তাদের মেডিকেল হেল্প নিতে হবে। কখন মা মেডিকেল সহায়তা নেবেন আর কখন না নিয়েও লেবার ও ডেলিভারি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যেতে পারবেন এ ব্যপারে জ্ঞান রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রৌদ্রময়ী স্কুলের সাথে প্রিনাটাল কোর্স নেয়ার বিগত চারটি ব্যাচের অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, নরমাল ডেলিভারি সকলের জন্য সম্ভব হয় না। এবং প্রিনাটাল কোর্স করার উদ্দেশ্যও সকলের এটা হয় না। নিশ্চিত সিজার লাগবে জেনেও অনেকে এই কোর্স করতে আসেন গর্ভকালীন সময়, নিউট্রশন, নবজাতকের যত্ন, খাওয়ানো ইত্যাদি বিষয়ে জানতে। আমাদের একজন স্টুডেন্ট মা ছিলেন যিনি বলেছিলেন অনেককিছু জানার সুযোগ পাওয়ার পরও প্রেগন্যান্সিতে কাজে লাগাতে পারেননি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে। কিন্তু বাচ্চাকে খাওয়ানোর ক্লাসগুলো থেকে অনেক উপকৃত হয়েছেন মাশাল্লাহ। একজন মা ছিলেন যিনি ডিপ্রেশনে ভোগার কারণে প্রেগন্যান্সিতে নিজের যত্নটাই ঠিক মতো নিতে পারতেন না। এক জোড়া ডাক্তার দম্পতি ছিলেন যারা খুব উৎসাহী ছিলেন মাশাল্লাহ। আপুটার শেষ দিকে পানি কমে যায়, নরমালের জন্য আরো এক সপ্তাহ অপেক্ষা করার পর সিজারের সিদ্ধান্ত নেন। একজন আপু প্রিনাটাল কোর্সে জয়েন করেন পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশনের ক্লাস করার জন্য। পরবর্তীতে কোর্স করে VBAC-র জন্য অনুপ্রানিত হন এবং উনার সফল VBAC হয় আলহামদুলিল্লাহ। চতুর্থ ব্যাচের একজন আপু বলেছেন উনার সবচেয়ে ভালো লেগেছে সি-সেকশনের ক্লাস, উনি এই ক্লাস করে বুঝতে পেরেছেন কেন উনার আগে সিজার হয়েছিল।

অজ্ঞতা আমাদের মাঝে ভয় আর হতাশা তৈরি করে। নরমাল ডেলিভারির প্রতি অকারণ ভীতি দূর করার জন্য ও মায়েদের গাইড করার জন্য যেমন আমাদের নরমাল ডেলিভারি প্রমোট করা প্রয়োজন, তেমনি জেনে-বুঝে নেয়া সিজারের সিদ্ধান্তও আমাদের জন্য কল্যাণ আর আত্মবিশ্বাসের কারণ হতে পারে এই জ্ঞান তাদের মাঝে দেয়াটাও প্রয়োজন। সেই সাথে, নরমালের জন্য আন্তরিক ডাক্তার খোঁজ করা যেমন জরুরী, তেমনি চিকিৎসা পেশার সাথে জড়িতদের প্রতি আমাদের
314006
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

যেহেতু আমার প্রসব অনেক দীর্ঘায়িত ছিল। তাই বাবুর হার্টবিট মনিটর করা জরুরি ছিল। শেষের দিকে কিছুটা হার্টবিট কমে গেলে আমাকে দ্রুত অক্সিজেন দেয়। উনারাও একটু চিন্তিত ছিলেন বুঝতে পারছিলাম।

কিন্তু আমাকে কিছুই বুঝতে দিচ্ছিলেন না। অনেক ভাল ব্যবহার করছে আর সাহস দিছে। আমি যে এতদিন ধৈর্য্য ধরছি, তখনও চিতকার করিনি, কষ্ট করে সহ্য করছি, কো অপারেট করছি এসব বলে আমাকে এপ্রেশিয়েট করতেছিল। আমি শুধু আল্লাহর উপর ভরসা করছিলাম।

আমাকে অনেকক্ষণ থেকেই বলছিল এইতো আর একটু। কিন্তু হচ্ছিল না। ধরেই নিচ্ছিলাম আরো সময় লাগবে। তখন এনেস্থিসিয়া দিয়ে, সামান্য একটু সাইড কেটে দিলেন। এর পরেও অনেকক্ষণ পুশ করতে হয়েছে। উনারা বলছিলেন এইতো মাথা দেখা যাচ্ছে, আরেকটু।

কিন্তু ওই মূহুর্তে মনে হচ্ছিল আমি আর পারব না, সব শক্তি শেষ হয়ে গেছে। তারপরেই কিভাবে যেন লাস্ট একটা পুশ দিলাম আর একদম গরম কিছু বের হবার অনুভূতি, এক মূহুর্তেই সব ব্যাথা যন্ত্রণা গায়েব।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অশেষ রহমতে আমার ভেতর থেকে আরেকটা প্রাণ বের হয়ে আসলো। উনারা বলছিলেন এইতো হয়ে গেছে। সাথে সাথেই আমি আলহামদুলিল্লাহ পড়ি। মনে হচ্ছিল আমি বুঝি সেই মূহুর্তে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলাম।

শরীর একদম ছেড়ে দিয়েছিল। তখন হুট করে তার কান্নার শব্দে মনে হল আমার চেতনা ফিরে এল। তারপর সব স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম।

তখন সময় ৫ টা বেজে ৪৯ মিনিট, ২২ ডিসেম্বর। আমার কলিজার টুকরার প্রথম ভয়েস শুনি, ওর কান্নার শব্দ সুবহান আল্লাহ। সেই মূহুর্তের অনুভূতি প্রকাশ করা অসম্ভব। ওকে প্রথমে আমার পেটের উপর উবু করে শুইয়ে দিছিল, তখন কান্না করছিল আমার জানপাখিটা।

পরে ওকে নিয়ে নাড়ি কাটছিল, ওজন দিচ্ছিল। আমি অস্থির হয়ে বলছিলাম ওকে আমার কাছে দাও। তারপর আমার বুকে দিল আমার কলিজার টুকরাকে।

আমি প্রথম দেখলাম আমার মেয়েকে, আমার কলিজার টুকরার চাঁদের মত মুখ, মাশা আল্লাহ। কিভাবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করব বুঝে উঠতে পারিনা। সুবহান আল্লাহ, আল্লাহু আকবার।

জেসমিন
রৌদ্রময়ী প্রিনেটাল কোর্স পার্টিসিপ্যান্ট, ব্যাচ ১৮
3720021
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

তখন কন্ট্রাকশনের ধরণ দেখে সিদ্ধান্ত নেই আর বাসায় থাকব না। ম্যাটার্নিটি তে এডমিট হয়ে যাই, এরপর যা হবার হবে। আম্মু আর হাজব্যান্ড কে নিয়ে রওনা দেই। প্রায় রাত ১০ টার দিকে ভর্তি হয়ে যাই।

এরপরের মুহূর্তগুলো ছিল সীমাহীন ধৈর্য্যের পরীক্ষা। রাত বাড়ছিল, কনট্রাকশন এর তীব্রতা বাড়ছিল, কন্ট্রাকশনের গ্যাপ কমছিল। প্রতিটা ব্যথার সময় আমি মনে মনে আল্লাহকে ডাকছিলাম।

— দু'আ, দুরুদ পড়ছিলাম। সূরা 'আবাসার ২০ নং আয়াত পড়ছিলাম। আর মনে মনে আল্লাহ কে বলছিলাম আমি জানি তুমি আমার সাধ্যের বাইরে কিছুই দেবে না। আমাকে সহ্য করার ক্ষমতা দাও, সহজ করে দাও।

যখন কনট্রাকশন আসত আমি এক্টিভ থাকতাম। হাঁটাহাঁটি করতাম আবার কখনো দেয়ালে হাত দিয়ে সব শক্তি দিয়ে ঠেলা দিতাম। কখনো বেড শক্ত করে ধরে দাড়াতাম, উঠা বসা করতাম।

এভাবে পেইন ম্যানেজ করছিলাম। সেদিন সন্ধ্যা থেকেই জোর করে আমাকে অনেক ফল খাইয়েছিল আমার হাজব্যান্ড। খেতে পারছিলাম না তবুও আনারস, খেজুর বারবার খাওয়াইছে। এর কারণে খুব এসিডিটি হচ্ছিল।

আমার এত ব্যাথা, কন্ট্রাকশন অথচ সামান্য ব্লাডি শো বা পানি দেখা দেওয়া এমন কিছুই ছিল না।
এসিডিটির কারণে একসময় বমি করে দেই। এত কষ্ট হইছে আর পেটে চাপ পড়তেছিল তখন মনে হচ্ছিল জান টাই বের হয়ে যাবে।

তবে ওই প্রেসারের কারণে আমার মিউকাস প্লাগ দেখা দেয়। তখন একটু আনন্দ লাগছিল এই ভেবে যে, আরেক ধাপ এগোল।

এভাবে রাত প্রায় ৩ টা বেজে গেছে। তখন আরও বেশি কন্ট্রাকশন। তবুও চেক করে দেখলেন মাত্র ৫ সেমি ডায়ালেট হইছে। শুনে খুব কষ্ট লাগছিল। মনে মনে বলছিলাম, আল্লাহ ৩ দিন ধরে ব্যাথা সহ্য করে ধৈর্য্য ধরে আছি।

এত ব্যাথার তীব্রতা তাও আমি চিল্লাপাল্লা করিনি। তোমার উপর তাওয়াক্কুল করে আছি, আর কত সহ্য করতে হবে মাবুদ! ডেলিভারি সহযোগী রাও বারবার এপ্রেশিয়েট করছিলেন কারণ পাশের বেডে একজন ছিলেন যিনি অনেক চিৎকার করছিলেন।

আর আমি যেহেতু ৩ দিন উনাদের অবজারভেশনে আছি তাই তারা আমার সবকিছুই জানেন। প্রথমে তারা বলছিলেন সকাল অব্দি ওয়েট করতে। কিন্তু অনেক বেশি কন্ট্রাকশন হচ্ছিল আর সে তুলনায় খুব বেশি ডায়ালেট হচ্ছিল না।

আর যেহেতু কয়েকদিন ধরে আমি লেবার পেইন সহ্য করতেছি সেজন্য আরো ওয়েট করলে হয়ত আর শক্তিই থাকবে না পুশ করার। এসব ভেবেই হয়ত আর ওয়েট না করে স্যালাইন দিলেন।

এর কিছুক্ষণ পরে একটা ইঞ্জেকশন দিলেন স্যালাইনের ভেতর, সম্ভবত অক্সিটোসিন। সেটা দেওয়ার সাথেই আমার কন্ট্রাকশন এত বেশি বেড়ে গেল যে এটা আমার জীবনের সব ব্যাথা কে ছাড়িয়ে গেল। আমি বসে ছিলাম বেডে।

সে অবস্থায় আমি যে উঠে দাড়াব পেইন ম্যানেজের জন্য সেই ক্ষমতা আমার হচ্ছিল না। এমনকি নড়াচড়া করা অসম্ভব মনে হচ্ছিল। উনারা আমাকে শুতে বলছিল কিন্তু শুইলে আর সহ্য করতে পারছিলাম না।

সেসময় কে আমি কিভাবে ডিস্ক্রাইব করব জানিনা। এই প্রথমবার আমি আর সহ্য করতে না পেরে কেদে ফেলছি। বলছি আমাকে এটা কি দিলেন আমি সহ্য করতে পারছি না আন্টি। তার কিছুক্ষণ পর চেক করে দেখলেন আমি ফুললি ডায়ালেটেড।

এরপর লেবার রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। মাঝে যে গ্যাপ ছিল কন্ট্রাকশন এর ৩০ সেকেন্ড মত, সেই গ্যাপে আমি প্রায় দৌড়ে লেবার রুমে যাই। কারণ ব্যাথা আসলে আমি কিছুই করতে পারছিলাম না।

এত তীব্র ব্যাথা সুবহানাল্লাহ, এটা বর্ণনা করার ক্ষমতা কারো নাই। লেবার রুমে ঢোকার এক্সাক্ট সময়টা আমি মনে করতে পারি না। তবে ফজরের আযানের আগেই, প্রায় সাড়ে চারটার দিকে হবে। আমি তখন ভাবছিলাম—এবার হয়তো কষ্ট শেষ। যেহেতু ফুললি ডায়ালেটেড, এখন শুধু কয়েকটা পুশ করলেই আমার বাবু আসবে।

আমার পাশের বেডের আপুর ডেলিভারি হতে ১০ মিনিটও লাগেনি। তাই আমিও ভেবেছিলাম, ইনশাআল্লাহ দ্রুতই হয়ে যাবে। কিন্তু না, এখানেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা আমার জন্য আরেকটা পরীক্ষা লিখে রেখেছিলেন।

কনট্রাকশন এলে স্বাভাবিকভাবেই পুশ করার প্রবণতা চলে আসছিল। তাই যখন ব্যথা আসছিল, আমি পুশ করছিলাম। উনারা বলাবলি করছিল বাচ্চার মাথা তো অনেক উপরে, সময় লাগবে অনেক। শুনে আমার কেমন লাগছিল বুঝাতে পারব না।

তবুও এক মূহুর্তের জন্য ধৈর্য্যহারা হইনি। নরমাল ডেলিভারি এমন এক জার্নি, যেখানে ধৈর্য্য হারালেই আপনি হেরে যাবেন। এটা ধৈর্য্য আর তাওয়াক্কুল এর পরীক্ষা।

ডেলিভারি আপনাকেই করতে হবে, অন্যরা শুধু সাহায্য করবে। সহযোগীরা আমাকে সাহস দিচ্ছিল, পুশ করতে থাকেন ইন শা আল্লাহ প্রেসারের কারণে মাথা নিচে নামবে।

এরই মধ্যে ফজরের আযান দেয়। আযানের সময় দু'আ কবুল হয় তাই সেসময় আমি বারবার আল্লাহ কে ডাকছিলাম আল্লাহ সহজ করুন। আমার আম্মু আমার মাথার কাছে দাড়িয়েছিল।

সহ্য করতে না পেরে আম্মু বারবার বাইরে চলে যাচ্ছিল আবার আসছিল, দু'আ পড়ছিল। এভাবে এক ঘণ্টা কেটে যায়। শরীরের ভেতর সব শক্তি যেন নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছিল। আমি তখব ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, এক মানুষ।

তখন বলেই ফেললাম— এতক্ষণ ধরে পরিশ্রম করছি তাও আমার বাবু আসছে না কেন? আর তো পারছিনা। আমি কি মারা যাব? আমার সাথে উনারাও দু'আ পড়ছিলেন আর কিছুক্ষণ পর পর বাবুর হার্টবিট চেক করছিলেন।
334002
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

১৯ ডিসেম্বর ২০২৪, আমার তখন ৩৯ সপ্তাহ রানিং। সে পর্যন্ত আমার কোন ফলস পেইন বা কোনরকম কোনো অস্বস্তি হয়নি। সেদিন আমি আর আমার ছোট বোন বাসায় ছিলাম। আব্বু-আম্মু ঢাকায়, আব্বুর রেগুলার চেকআপের জন্য।

দুপুরে রান্না করতে করতে হঠাৎ কোমরে হালকা চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলাম। একেবারে পিরিয়ডের মতো ব্যথা। ভাবলাম, হয়তো ফলস পেইন। যেহেতু ডেলিভারির সময় এগিয়ে আসছে। বডি এভাবেই প্রিপেয়ার হচ্ছে।

প্রিন্যাটাল কোর্স করার কারণে আমার বেসিক ধারণা ছিল—তাই ভয় পাইনি। সেই হালকা ব্যথা দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলতেই থাকল, থামছিল না। তখন মনে হলো—না, এটা হয়তো রিয়েল পেইন।

বাসায় শুধু ছোট বোন ছিল, তাই কাউকে কিছু জানালাম না। হাজব্যান্ড তখন দূরে। তাকেও বলিনি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে সে কি আঁচ করেছে জানিনা। দুপুরের পরই সে নিজে থেকে রওনা দিল।

আমাকে ফোন করে বলল, আমি আসছি। তো সন্ধ্যা নাগাদ ব্যথা আরও স্পষ্ট হচ্ছিল। মাগরিবের সালাতের পর থেকে ব্যাথা বাড়তে লাগল। এবার ব্যাথা কিছুক্ষণ থাকে আবার চলে যায়। আমি এক আপুকে সব জানালাম, যিনি প্রিন্যাটাল কোর্স করেছেন।

উনি বললেন— এটাই আসল কনট্রাকশন। সময় মেপে দেখো, কতক্ষণ পরপর আসছে। তখন আমি ব্যথার সময় কাউন্ট করছিলাম। আর সাথে সাথে হসপিটাল ব্যাগও গুছাচ্ছিলাম।

এরপর আমার হাজব্যান্ড বাসায় পৌঁছাল। ব্যাথা ও অনেক বাড়ল এবং তাকে সব বললম। সে দ্রুত সবকিছু গুছিয়ে হসপিটালে যাবার ব্যবস্থা করে। যতবার ব্যাথার তীব্রতা বাড়ছিল আমি হাটাহাটি করছিলাম, শক্ত কিছু ধরে থাকতাম। এতে পেইন কিছুটা ম্যানেজ হয়।

এভাবে ম্যাটার্নিটি ক্লিনিকে পৌছাই। সেখানে যাবার পর পেইন একদমই কমে গেল। তারপর সেখানকার FWV আপা চেক করে বললেন মাত্র ১ সেমি ডায়ালেট মানে কিছুই হয়নি। ভর্তি হয়ে যেতে বললেন আর বললেন মনে হচ্ছে কাল সকালের আগে কিছুই হবে না।

যেহেতু ওখান থেকে আমার বাসা কাছে আর তখন ব্যাথা ছিল না তাই আমি এডমিট না হয়ে বাসায় ফিরে আসি। রাতের বেলা মাঝেমধ্যে ব্যথায় ঘুম ভাঙছিল। আবার ব্যাথা কমলে ঘুমিয়ে যাচ্ছিলাম। এভাবেই প্রথম রাত কাটল।

২০ ডিসেম্বর, সকালেও ব্যথা চলছিল। তবে অনেকটা গ্যাপে। আমি প্রিন্যাটাল ক্লাসে শেখা টেকনিক গুলো কাজে লাগাচ্ছিলাম। আসলে সেই নলেজ না থাকলে হয়তো আমি আতঙ্কিত হয়ে যেতাম।

আগেই এডমিট হয়ে যেতাম, বা সিজার করতে রাজি হয়ে যেতাম। বুঝতেই পারতাম না কিভাবে পেইন ম্যানেজ করতে হয়। কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে, কখন ই বা আর দেরি করা যাবে না। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে ধৈর্য আর জ্ঞান দিয়েছেন।

যেহেতু ব্যাথা তখনো সহ্য করার মত তাই আমি বাসায় অপেক্ষা করছিলাম কিন্তু বাচ্চা ঠিক আছে কিনা জানার জন্য আমার ডাক্তারের কাছে যাই ফিটাল হার্টবিট, প্রেসার এসব চেক করার জন্য।

আলহামদুলিল্লাহ সবকিছু ভালো ছিল। তাই আবার বাসায় ফিরে এলাম। সন্ধ্যার পর ব্যথা বাড়তে লাগল। পুরো রাত ঘুমাতে পারিনি। ব্যথার তীব্রতা বেড়েই যাচ্ছিল।

এটা ছিল ২য় রাত, আমি তখনো ধৈর্য ধরে ছিলাম। আমার আম্মু ভয় পাচ্ছিল ২ দিন ধরে ব্যাথা নিয়ে বসে আছি এজন্য। বারবার বলছিল— “অন্য কেউ হলে এতক্ষণে সিজার করে ফেলত!”

কিন্তু আমার প্রথম থেকে নিয়্যাত ছিল। তাওয়াক্কুল ছিল সাথে আমি জানি কতটা সময় অপেক্ষা করা যাবে। সেজন্য আমার উপর কেউই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারেনি। আমি যথেষ্ট কনফিডেন্ট ছিলাম।

৩য় দিন, অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর, সকাল থেকেই অনেকটা বিধ্বস্ত লাগছিল যেহেতু ঘুম ভাল হয়নি। কিন্তু আমার ফিটনেস ভাল থাকার কারণে তখনো যথেষ্ট শক্তি ছিল।

প্রেগন্যান্সির আগে থেকে, পুরো প্রেগন্যান্সির সময়ই আমি পুষ্টিকর খাবার খেয়েছি। আমার পুরো প্রেগন্যান্সিতে আলহামদুলিল্লাহ কোন জটিলতা ছিল না। একদম হেলদি একটা প্রেগন্যান্সি ছিল। যতটুকু ওজন বাড়া দরকার, তার বেশি ওজন ও বাড়েনি।

তাই খুব একটা ক্লান্ত ও লাগত না। যাই হোক ২১ তারিখ থেকে বেশ খারাপ লাগছিল। ব্যাথাও অনেক বেড়ে গেল।

অন্য সময় কন্ট্রাকশন আসলে হাঁটতাম। কিন্তু সালাতে দাঁড়িয়ে তো হাঁটা সম্ভব না। তাই সালাতে দাঁড়িয়ে যখন ব্যাথা আসত শরীর ঝাকুনি দিয়ে উঠত। আমার হাজব্যান্ড পাশেই বসে থাকত আর খেয়াল রাখত আমার।

সেদিন এত ব্যাথা বাড়ল, তখন সে আমার হাত ধরে হাঁটছিলাম প্রায় সারাদিনই যাতে আমার কষ্ট টা একটু কমে। হাজবেন্ডের সাপোর্ট এ সময় অনেক বেশি ভরসা দেয়, সাহস দেয়। ওই সময় কিছুই খাওয়ার ইচ্ছে থাকেনা।

কিন্তু খেতে হবে কারণ সামনে অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন। তাই জোর করেই খাচ্ছিলাম একটু করে। খেজুরটা খাচ্ছিলাম, এটা অনেক এনার্জি দেয়।

বিকেলে আবার চেক করতে গেলাম সব ঠিকাছে কিনা? এক মামী ছিলেন FWV। উনি চেক করে বললেন বাবুর হেড এংগেজ হইছে। আরেকটু ব্যাথা সহ্য কর। ইন শা আল্লাহ তুমি পারবে। আর ফিটাল হার্টবিট ও ঠিক ছিল।

আমার আম্মু ভয় পাচ্ছিল জন্য আমি মামীকে জিজ্ঞেস করি। ৩ দিন ধরেও ব্যাথা হয়? মামী অনেক সাহস দিছিলেন, বললেন একেকজনের ব্যাথা একেক রকম। এরকম অনেকের ই হয়। পরে বাসায় এসে মাগরিবের পর ব্যাথা আরো বেড়ে যায়।
322000
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

Photo
গর্ভাবস্থায় মনে বিভিন্ন প্রশ্ন এসে জমা হচ্ছে? আস্থাভাজন কারো থেকে জানার সুযোগ পাচ্ছেন না?

চলে আসুন আমাদের Ask a doula ফ্রি সেশনে! একজন সার্টিফাইড চাইল্ডবার্থ এডুকেটর ও লেবার-ডেলিভারি সাপোর্ট পারসন (দৌলা) থেকে জেনে নিন মনের জানা-অজানা প্রশ্নগুলোর উত্তর।
4030012
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth logo
রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth

০৭ সেপ, ২০২৬, ২১:০৬

সাধ্যে থাকলে ছোট বাচ্চাদের মায়েদের ঘুমের দাওয়াত দিতাম আমার বাসায়। একটা মৃদু ঠান্ডা রুম, পরিষ্কার বিছানা, নরম বালিশ, পর্দা টেনে দেয়া হালকা অন্ধকার। ফোনটা পাশে রাখতে হবে না। ঘড়িও দেখতে হবে না। শুধু এসে নিশ্চিন্তে শুয়ে পড়বে।

বাচ্চাদের কয়েক ঘণ্টার জন্য আমি দেখে রাখতাম। কখন খাবে, পানি চাইবে, খেলবে, কাঁদবে সব আমি সামলে নিতাম। মাকে শুধু বলতাম, তুমি ঘুমাও। তোমাকে এখন কিছু ভাবতে হবে না। এট লিস্ট ঘন্টা দুয়েক।

কারণ ছোট বাচ্চার মায়েদের ঘুমটা শুধু ঘুম না। বছরের পর বছর তাদের ঘুমের একটা অংশ যেন সবসময় জেগে থাকে। বাচ্চা একটু নড়লে চোখ খুলে যায়, কাশলে কান খাড়া হয়ে যায়, রাতে গায়ে চাদর আছে কি না দেখতে হাত বাড়ে। শরীরটা ঘুমায়, কিন্তু মায়ের ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ঘুমাতে পারে না।

তাই সাধ্যে থাকলে এমন একটা ব্যবস্থা বানাতাম, যে আমার বাসায় একজন মা কয়েক ঘণ্টার জন্য অন্তত এই বিশ্বাস নিয়ে চোখ বন্ধ করতে পারে যে তার বাচ্চা ভালো আছে, নিরাপদে আছে, তাকে এখন কারও প্রয়োজন নেই।

ঘুম ভাঙার পর পাশে এক কাপ গরম চা থাকত। কোনো তাড়া থাকত না। ইচ্ছা হলে চা খেয়ে আবারও ঘুমানো যেত। আমি অনেক কিছু রান্না করতে পারি না, তবে খাবারের ব্যবস্থা অবশ্যই থাকত।

মায়েদের জন্য অনেক কিছু করার কথা আমরা ভাবি। আমার মাঝেমধ্যে মনে হয়, ক্লান্ত একটা মাকে কয়েক ঘণ্টার নিশ্চিন্ত ঘুম উপহার দিতে পারাটাও হয়তো খুব সুন্দর একটা ভালোবাসা। কখনো কখনো খাবারের চেয়েও ঘুম বেশী প্রয়োজনীয় হয়ে উঠে।

নাবিলা নোশীন সেজুতি
4820047

Showing 30 of 89 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth (@mother_and_child_care_bd) tgdio-এ ধর্ম ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ৩,৩৬০ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth (@mother_and_child_care_bd) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @mother_and_child_care_bd-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth কি ভালো ধর্ম চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ৩,৩৬০ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই ধর্ম চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

রৌদ্রময়ী Prenatal and Childbirth-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @mother_and_child_care_bd পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।