Truth Seekers🧠 Telegram channel photo

Truth Seekers🧠

@subtitlewithbotolPublic Channel

দাজ্জালী ফিতনা, এলিট সোসাইটি এবং জায়োনিস্টসহ নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত উন্মোচন করতে সর্বদা প্রস্তুত💝

রাজনীতিবাংলাভারত

42

Last views

6.9k (6,890 subscribers)
সদস্য
—
Rating
119
Total Posts
Oct 21, 2026, 10:50 PM
আপডেট হয়েছে
Apr 4, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameTruth Seekers🧠
Username@subtitlewithbotol
Categoryরাজনীতি
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য6,890
Channel TypePublic Channel
Created৪ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated২১ অক্টো, ২০২৬ • গত পরশু
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#117421+363
ভাষার র্যাঙ্কিং
#308-2
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#2171+1

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 6.9K30 Days growth: +911.3%
09/2209/2710/0210/0710/1210/1710/21
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
22:09:20266,799
23:09:20266,799
24:09:20266,799
25:09:20266,799
26:09:20266,799
27:09:20266,799
28:09:20266,799
29:09:20266,799
30:09:20266,799
01:10:20266,799
02:10:20266,799
03:10:20266,799
04:10:20266,799
05:10:20266,799
06:10:20266,799
07:10:20266,799
08:10:20266,799
09:10:20266,799
10:10:20266,799
11:10:20266,799
12:10:20266,799
13:10:20266,799
14:10:20266,794
15:10:20266,794
16:10:20266,794
17:10:20266,794
18:10:20266,794
19:10:20266,794
20:10:20266,794
21:10:20266,890
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 30:03:20266,634
Week of 06:04:20266,629
Week of 13:04:20266,629
Week of 20:04:20266,629
Week of 27:04:20266,574
Week of 04:05:20266,574
Week of 11:05:20266,847
Week of 18:05:20266,847
Week of 25:05:20266,847
Week of 01:06:20266,800
Week of 08:06:20266,800
Week of 15:06:20266,800
Week of 22:06:20266,800
Week of 29:06:20266,783
Week of 06:07:20266,783
Week of 13:07:20266,783
Week of 20:07:20266,893
Week of 27:07:20266,893
Week of 03:08:20266,854
Week of 10:08:20266,854
Week of 17:08:20266,868
Week of 24:08:20266,835
Week of 31:08:20266,835
Week of 07:09:20266,822
Week of 14:09:20266,799
Week of 21:09:20266,799
Week of 28:09:20266,799
Week of 05:10:20266,799
Week of 12:10:20266,794
Week of 19:10:20266,890
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 20266,574
May 20266,847
June 20266,783
July 20266,893
August 20266,835
September 20266,799
October 20266,890
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
20266,890

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1🚨 আপনার একটু সহানুভূতি, একটি জীবন বাঁচাতে পারে842
  2. #2Post #4206812
  3. #3আজকের সরকার আসলে বৈশ্বিক ব্যাংকার ও সামরিক-শিল্প গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে, 755
  4. #4করোনার সময় গণহারে কভিড ভেক্সিনেশনের বিপক্ষে অনেক ডাক্তারের অবস্থান ছিল751
  5. #5যুদ্ধ বাধিয়ে রাষ্ট্রগুলোকে দুর্বল এবং দেউলিয়া বানানো হচ্ছে। এরপর রাষ্ট748
  6. #6https://www.facebook.com/botol2728/videos/1706183003598647/?app=fbl746
  7. #7মার্কিন স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র এবং পরিবেশ গবেষক ডেন উ745
  8. #8https://www.facebook.com/botol2728/videos/1205556020917783/?app=fbl729
  9. #9১.এ যুদ্ধের শুরুতেই সারা পৃথিবীর ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা722
  10. #10Post #4177704

সাম্প্রতিক পোস্ট

Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:৫৭

Video
Enter the Pizza Gate Bold New PEDOGATE DOCUMENTARY 270
181000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:৫২

Video
The RISE FALL OF BANI ISRAIL NEW SIGNS OF JUDGEMENT DAY 720
185000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:৪৫

Video
THE HIDDEN HISTORY OF CHRISTMAS 720
184001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:৪৪

Video
The Government Has Manipulated Our Weather for Decades720
179001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:৪০

Video
Secret societies devil worships
171001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:২৫

Video
DAJJAL EXPOSED EVERYTHING YOU NEED TO KNOW ABOUT THE ANTICHRIST
169000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১০:৫৭

হবে না। কুফরি করতে হবে। আল্লাহকে অস্বীকার করতে হবে। হয়ত যাদুবিদ্যা কুফরি হবার পিছনে এটা অন্যতম একটা কারন। অধিকাংশ যাদুকররা নির্বোধ হয়, এরা বিশ্বাস করে না যে "আন্নাল কুয়্যাতা লিল্লাহি জামিয়্যা"। ওরা তো সবার আগেই আল্লাহকে অবিশ্বাস করে কেননা ওয়াহদাতুল উজুদ, হুলুল, ইত্তেহাদ এদের কোর টেনেট। এরা নিজেরাই তো নিজেদের এবং প্রকৃতির ইলাহ মনে করে, মা'বুদ মনে করে। এদের আকিদাই হচ্ছে 'আনা আল হাক্ক', নাউজুবিল্লাহ্। এজন্য এক কাব্বালিস্ট র‍্যাবাইকে বলতে দেখি কাব্বালার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে নিজেকে জায়ান্ট বা তার চেয়েও ক্ষমতাশালী ভাবা, আমরা নাকি ফুল পটেনশিয়ালিটির ব্যপারে অজ্ঞ, যাদুকররা এ ব্যপারে অজ্ঞ না। আমরা আসলে সুফি মরমীদের কথা ও বিশ্বাসের আন্ডারলেইং তাৎপর্য বুঝিনা তাই অনেকে এদের কথায় বিভ্রান্ত হয়, কেউবা বিশ্বাস করে, কেউবা এদেরকে অন্ধভাবে সম্মান করে।

যাদুর ব্যপারে সত্য হচ্ছে কাফিররা যতকিছুই করুক না কেন, সব কিছুর পরিবর্তনকারী এবং সবকিছুর ক্ষমতা এক আল্লাহরই। যাদুও তারই নির্দেশ ব্যতিত কার্যকরী হয় না।

আজ মুসলিম উম্মাহর মধ্যেও প্যাগানিজমের প্রতি বেশ আকর্ষন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকে জ্ঞানী ভাব নেওয়ার জন্য কিংবা স্রেফ তাওহীদের অবিশ্বাসের দরুন ওয়াহদাতুল উজুদকে বেছে নিয়েছে। সুফিবাদের কথা না-ই বা বললাম। ওরা তো খাটি শয়তানি শিক্ষাকে আরবি শব্দে মুড়িয়ে শতশত বছর মুসলিমদের মধ্যে প্রচার করে চলছে। শয়তানের দেওয়া অনুভূতি অভিজ্ঞতাকে বানিয়েছে

ফানাফিল্লাহ বাকাফিল্লাহ। শয়তানের সাথে Roohan Visit M الله সম্পর্ক, শয়তানের পরিচয়লাভের তরিকাকে বানিয়েছে ইল্মে মারিফাতুল্লাহ (মারেফাতের ইল্ম)। শয়তানের কাছে আত্মসমার্পনের জন্য এখন এসে গেছে কোয়ান্টাম ম্যাথড, যারা সরাসরি জানিয়ে শুনিয়েই অকাল্ট প্যাগান ফিলসফির প্রচার চালাচ্ছে। 'মুসলিম' শব্দের অর্থ আল্লাহর নিকট আত্মসমার্পনকারী। আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি ধ্যান/সাইকাডেলিক ড্রাগ প্রভৃতির দ্বারা সরাসরি শয়তানের নিকট আত্মসমার্পনের জন্য আহব্বান করা হয়। শয়তানের কাছে এবং সমস্ত প্রকৃতির কাছে আত্মসমার্পনের মাধ্যমে নিজেকে সৃষ্টিকর্তার অংশ মনে করাকে শেখানো হয়। অর্থাৎ এরা শুধু কাফিরই বানায় না, বরং সবচেয়ে নিকৃষ্টতম তাগুতে পরিনত করে। তাগুত হচ্ছে সে যে নিজেকে ইলাহ মনে করে, নিজেকে রবের আসনে বসায়।

وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : «إن الشيطان يَجْرِي مِنَ الْإِنْسَانِ مَجْرَى الدِّمِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মানুষের মধ্যে শয়তান (তার) শিরা-উপশিরায় রক্তের মধ্যে বিচরণ করে থাকে। [১]

[১] সহীহ: বুখারী ২০৩৮, মুসলিম ২১৭৪, আবু দাউদ



Ref:


https://m.youtube.com/watch?v=qb-PgFwPwhc

https://m.youtube.com/watch?v=jgxu3GBhnSk

https://m.youtube.com/watch?v=wrf007m6wlo

৫.

https://m.youtube.com/watch?v=LtT6Xkk-kzk

৬.

https://m.youtube.com/watch?v=AYDgmpiE-VO

৭,

https://m.youtube.com/watch?v=Gqij_2kjJcg https://m.youtube.com/watch?v=wDJIsscCoGE

৮.

https://m.youtube.com/watch?v=Xy9-AM6QE70

৯

https://m.youtube.com/watch?v=3FqmVITeiwQ

১০,

https://oodiaat.blogspot.com/2018/12/blog-post_41.html

১১.

https://steemit.com/life/@ericvancewalton/altered-states-of conscious-my-fifth-float-in-the-sensory-deprivation-tank

https://journals.sagepub.com/doi/pdf/10.2190/IC.29.2.d

https://bigthink.com/21st-century-spirituality/the-altered-states-of-sensory-deprivation

১২.

https://m.youtube.com/watch?v=kRF9n7U1G3w

১৩, https://m.youtube.com/watch?v=SQjd535lLx0 https://m.youtube.com/watch?v=kiAc408Yk78

১৪, https://m.youtube.com/watch?v=Z1HJVA7BJDU

১৫.

https://m.youtube.com/watch?v=VCeNUH4RYOM

https://m.youtube.com/watch?v=np_to60ghXE

https://m.youtube.com/watch?v=WYQwYrUMnrI

https://m.youtube.com/watch?v=pgj_b_pW3Zw https://m.youtube.com/watch?v=22vOkSWiNwQ

১৬,

https://aodiaot.blogspot.com/2019/05/hoshem-al-ghaili-occult-worldview_28.html

YouTube

WHAT THE DMT ALIENS LOOK LIKE

This video is intended for educational and documentary purposes only.The content shared reflects personal experiences and subjective interpretations during altered states of consciousness. It is not medical advice, nor a recommendation to use any substance.…

230002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১০:৫৭

এর থেকে অদ্ভুত এক ওয়াননেসের অনুভূতি জাগ্রত হয়। আমরা আছি একরকমের এক ওয়াননেসের অনুভূতি জাগ্রত হয়। আমরা আছি একরকমের সিমুলেশনের মধ্যে [১৪]। তার মতে এই অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত কারন এটা সমস্ত ধর্মীয় মতবাদগত পার্থক্যকে ধবংস করে মানবতাকে এক করে। সবাইকে একক সত্যের (ওয়াহদাতুল উজুদের আকিদার) দিকে নিয়ে যায়। [৮]

সুতরাং আশাকরি পাঠকরা বুঝতে পারছেন সায়েন্টিফিক, ফিলোসফিক্যাল ফাউন্ডেশন কোথা থেকে এসেছে, কোথা থেকে ওয়াহদাতুল উজুদের আকিদা এসেছে, যেটায় আজ দেওবন্দি/কওমী আলিমরা পর্যন্ত বিশ্বাস করে। একদম খাটি স্যাটানিক এক্সপেরিয়েন্স থেকে এসব আকিদা ও বিশ্বাসব্যবস্থার উন্মেষ।

ট্যারেন্স ম্যাকানার ডিএমটি ট্রিপে সার্পেন্ট/রেপ্টিলিয়ান এবং টিকটিকি সদৃশ কিছু প্রানীদেরও দেখা হয়, এদের কেউ কেউ অসমম্ভব উন্নত সভ্যতা/প্রযুক্তির ধারক। ভিডিওতে সরাসরি শয়তান জ্বীনদেরকেই দেখানো হয়েছে [৯]। ম্যাকান্না খুব হতাশ এ ব্যপারে যে মানুষ কোটিটাকা খরচ করে এলিয়েনদের দেখা পেতে বর্হিজগতে খুজছে, অথচ এই জগতে দাড়িয়েই এলিয়েনদের দেখা পাওয়া যায়। আউটার স্পেস বাদ দিয়ে ইনার হায়ার ডিমেনশনাল স্পেস নিয়ে গবেষনা করা উচিত।

একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই আউটার স্পেস ও এলিয়েন কন্সেপ্ট হয়ত এই ইনার ডিমেনশনাল স্পেস থেকেই এসেছে। সাতটি ইউনিভারসাল হার্মেটিক প্রিন্সিপ্যাল এর একটি হচ্ছে As Above so below! অর্থাৎ ভেতর যা বাহির তাই, বাহির যা ভেতরও তাই। সে অনুযায়ী প্রাচীন প্যাগান ফিলসফাররা যখন এই স্পিরিচুয়াল রেল্ম ভ্রমন করে তখন তাদের মনে ম্যাক্রো পর্যায়েও একই কল্পনার অবতারণা ঘটায়। একইভাবে আউটার স্পেসে এলিয়েন ফ্যান্টাসিও একইভাবে আছে। ট্রান্সেনশন হাইপোথেসিস [১০] অনুযায়ী, এখন আর এলিয়েনদের খুজে না পাওয়ার কারন, তারা উন্নত হতে হতে এখন আউটার স্পেসে এক্সিস্ট করা বাদ দিয়ে ইনার স্পেসে চলে গেছে। সুতরাং সাইকাডেলিক [১২] জার্নিতে দেখা শয়তানদেরকে এলিয়েন বললেও সমস্যা নেই।

শয়তান এর থেকে আসা অভিজ্ঞতাই আজকের জ্ঞান-বিজ্ঞান-দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু এবং উৎস। হিন্দু বৌদ্ধ বৈষ্ণব (ধর্মচক্র) এবং সিক্রেট সোসাইটিগুলোর নিগূঢ় তত্ত্বের মূলভিত্তি [১৩]। সমগ্র বাতেনিয়্যাহ সম্প্রদায়গুলোর মূল ভিত্তি। আপনার কি মনে হয়, আজকে যে সিমুলেশন হাইপোথেসিস জেগে উঠেছে, হাশেম আল ঘাইলির মত সেলিব্রেটি বিজ্ঞানবোদ্ধারা ভিডিও ফিল্ম বানাচ্ছে, এসবের ভিত্তি কি [১৬]?

যাদুবিদ্যা, যাদুকরদের সাথে সাইকাডেলিক এক্সপেরিয়েন্সের গভীর সখ্যতা আছে। তাদের কুফরি দর্শন, বিশ্বাস এবং কর্মের ব্যপারে আত্মবিশ্বাসী এবং যাদুবিদ্যার কার্যনীতি বোঝার জন্য এই অভিজ্ঞতা লাভের বিকল্প নেই। শামান, উইক্কানরা স্পিরিট মলিকিউল বিভিন্ন গাছগাছড়া থেকে নিয়ে এরূপ হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ তৈরি করে। এক হলিউড ফিল্মে চমৎকারভাবে দেখিয়েছিল এক লোকের মৃত স্ত্রীকে ফিরে পাবার জন্য এক ডাইনীর কাছে গিয়ে এরকম হ্যালুসিনোজেণীক ড্রাগ সেবন করে। একইভাবে "এ ডার্ক সং" ফিল্মে কাব্বালার চেয়েও ইন্টেন্স ম্যাজিক্যাল আর্ট ওয়ার্কের শরণাপন্ন হয় এক এক সন্তানহারা মা, সন্তানকে ফিরে পেতে। অবশেষে চেতনার ওপারে গিয়ে শয়তানের কাছে নিজেকে সমার্পন করে। চেতনার ওপারে গিয়ে উইচক্র্যাফট প্র্যাক্টিশনার রিয়ালিটিকে জ্বীন শায়াত্বীনের চোখে দেখতে পায়। শয়তান জ্বীনজাতির কাছে ম্যাটারের সলিডিটি বলে কিছু নেই। এদের কাছে সবকিছুই এনার্জি। একজন উইচ বা সর্সারার চেতনার ওই ঘোরে গিয়ে বস্তু/মানুষ এবং প্রকৃতির সমস্তকিছুর মধ্যে ইন্টারকানেকশন দেখতে পায়, বায়ুমণ্ডলের যে ভ্যাকুয়াম আমরা আশপাশে দেখি, ওই অবস্থায় সেটার অনুপস্থিতি নিজেকে সৃষ্টিজগতের মধ্যে সচেতন একক অভিন্ন স্বত্ত্বা ভাবায়। যেহেতু ইগো আমিত্বের বিশ্বাসকে ভেঙ্গে ফেলতে হয় এবং নিজের চেতনাকে সমগ্র এনার্জেটিক প্যাটার্নে দেখা সৃষ্টির চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ ভাবতে বাধ্য করে, তখন নিজের ইন্টেনশান বা অভিপ্রায় ব্যবহার করে প্রকৃতিতে পরিবর্তন ঘটানোর বিশ্বাস জন্মায়, তারা ন্যাচারকে হাইলি প্রোগ্রামেবল মনে করে। নিজেকে তখন ন্যাচারের পার্টিসিপেন্ট না রেখে নিজেই প্রকৃতিকে চালনা বা ম্যানিফেস্ট করবার সম্ভাবনা এবং বিশ্বাস তৈরি হয়। অর্থাৎ প্রকৃতিতে প্রোগ্রাম হয়ে না থেকে নিজেই প্রোগ্রামার হয়ে প্রকৃতির নীতিতে হস্তক্ষেপ করে নিজের স্বার্থানুযায়ী কাজ করার বিশ্বাস তৈরি করে। তবে এসব অভিজ্ঞতা/অনুভূতির সবার আগে নিজেকে প্রকৃতি এবং শয়তান জ্বীনদের (DMT plasma being) কাছে আত্মসমার্পন করতে হবে। আমিত্ব বলে কিছু রাখা যাবে না, কোন ধর্ম বিশ্বাসে আবদ্ধ থাকা যাবে না। অর্থাৎ কাফির হতেই হবে। মারভেলের ডক্টর স্ট্রেঞ্জ মুভিতে সর্সারার সুপ্রীম ডক্টর স্টিভেন স্ট্রেঞ্জকে যাদুবিদ্যার প্রথমেই বলে, "আপনি নদীর স্রোতকে কিছুতেই পরাস্ত করতে পারবেন না। আপনাকে অবশ্যই ওর স্রোতকে ব্যবহার করতে হবে নিজের জন্য। এজন্য অবশ্যই আত্মসমার্পন করতে হবে", "Silence your ego, and your power will rise"। এজন্য সাধারন কেউ কাফির না হয়ে হাজার ইন্টেনশান আর রিচুয়াল করলেই যাদু সফল হতে
170000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১০:৫৭

আম্রিকান হিপ্পিদের মধ্যে প্যাগান আধ্যাত্মিকতার বিশ্বাস সবচেয়ে বেশি কারন ওদের কাছে ড্রাগ ডালভাত। অনেক হতাশাগ্রস্ত বিষন্ন মাদকাসক্ত সাইকাডেলিক পান করে জীবনকে নতুন আঙ্গিকে দেখতে শুরু করে। এদের মধ্যেই এখন আধ্যাত্মিকতা বেশি। ওরা যে মেডিটেশনে যে থার্ড আই এ্যাক্টিভেশনের কথা বলে সে অবস্থায় পৌছবার আগেই 'চেতনার ওপারে' যেতে হয়। এ গোটা ব্যপারটি যে স্যাটানিক এতে কোন সন্দেহ নেই কারন বহু নিউএজার মেডিটেশন প্র্যাক্টিশনার ধ্যানের ঘোড়ে শয়তান জ্বীনদের ভয়ংকর চেহারাতেই দেখেছে। কেউ বা শয়তানের আক্রমনের স্বীকারও হয়েছে।

অসাধারন একটি টেস্টিমোনি দেখুন, যেখানে এক স্পিরিচুয়ালিস্ট চেতনার ওপার ভ্রমনের অভিজ্ঞতা বলছে সাইকাডেলিক ব্যবহারের পর, তিনি সেখানে অসংখ্য এলিয়েনদেরকে দেখে [৪]। তারা নাকি মানুষের উপকারী বন্ধু।

DMT[৫] কে স্পিরিচুয়াল কমিউনিটিতে Spirit Molecule বলেও ডাকা হয়। ওরাই বলে এটা নাকি সহজে স্পিরিটদের জগতে যাবার দরজার মত [২০]।

ডিএমটিকে বলা হয় Dimethyltryptamine। এটা সবচেয়ে শক্তিশালী ড্রাগ যেটা গভীরভাবে চেতনাকে আচ্ছন্ন করে। মানুষ, কিছু প্রানী এবং কিছু গাছপালায় এই উপাদান পাওয়া যায়। ডিএমটি অন্য যেকোন হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগের চেয়ে শক্তিশালী। এক ম্যাথম্যাটিশিয়ান তার ডিএমটি ট্রিপ নিয়ে বলেন, ডিএমটি পান করে তিনি মাতাল অবস্থায় এমন এক জগতে পৌঁছান যেখানে শুধুই ফ্যাক্টাল কম্পিউটার গ্র্যাফিক্সের মত কিছু দেখতে পান। সেগুলো খুবই দ্রুতগতির ছিল। অর্থাৎ তার অস্তিত্বগত চেতনা ওইরকম জগতে যায়। তার মনে হয়েছে কোন ইন্টেলিজেন্স এন্টিটির ধারাবাহিক স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী সব হয়। অর্থাৎ হলোগ্রাফিক ভিজুয়ালাইজেশনের মত যা দেখেন তা যেন কারও দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আশপাশটা জীবন্ত প্রানী জাতীয় কিছু দ্বারা পরিপূর্ন। এরপরে বললেন, ম্যাজিক মাশ্রুম খুব গভীর কিছু দেখায় না, সেগুলো আমাদের অর্ডিনারি রিয়ালিটিকেই স্বাভাবিকভাবে দেখায়, পার্থক্য হচ্ছে সমস্ত বস্তুকে ভাইব্রেটরি এনার্জি মনে হয়। এলএসডি ব্যবহারে তিনি অনেক জিওমেট্রিক প্যাটার্ন দেখেন, যেগুলো দেখে মনে হয়েছে এগুলো কিছুটা ইউক্লিডীয়ান জিওমেট্রি [৬]। সুতরাং আজ আমরা যে ফ্রাক্টাল ম্যান্ডেলব্রটের ইনফিনিট এ্যানিমেশন/ম্যাথম্যাটিকস দেখতে পাই সেটা অরিজিন কি সেটা খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে। সেদিন কম্পিউটারে লিনাক্স মিন্ট ইন্সটল করে অবাক হই, ওরা প্রোগ্রাম তালিকায় এটাকে ডিফল্টভাবে দিয়েছে।

ডাকোটা নামের জনৈক স্পিরিচুয়ালিস্ট (সাবেক নাস্তিক) সরাসরি ওই জগতে দেখা প্রানী বা ইন্টেলিজেন্ট বিংদেরকে সরাসরি

Demon (শয়তান) বলেন। তার পরামর্শ হচ্ছে পরামর্শ হচ্ছে চেতনার ওই পর্যায়ে পৌছে তাদের কাছে নিজেকে সমার্পন করতে হবে, কমপ্লিট সাবমিশন অর্থাৎ পুরোপুরি আত্মসমার্পণ। ইগো বলে কোন কিছুই রাখা যাবেনা। তিনি বলেন, যারাই সাইকাডেলিক ট্রিপে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা লাভ করে তারা নিজেদেরকে সমার্পন করেনি ওই spirit being দের কাছে। তার এক বন্ধু আত্মসমার্পন না করায় মনে হয়েছে জাহান্নামের মধ্যে আটকে গেছে, পাজল্ড লুপের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। ডিএমটি পান করে ডাকোটা অজস্র এলিয়েন বিংদের দেখেছে, তিনি বলেন এই ডিএমটি বিংদের সাক্ষাৎ লাভ খুবই একটা সাধারন ব্যপার। অনেকে এদেরকে স্পিরিট গাইড, এলিয়েন,elf, elves ইত্যাদি অনেক নামেই ডাকে। তিনি ওই অবস্থায় কিছু সর্পিল প্রানীদেরকে দেখেন যারা নাকি তার পেটেও প্রবেশ করো তার মতে এই স্বত্ত্বারাই আমাদের ত্রিমাত্রিক জগতে ভূত বা শয়তান হিসেবে ম্যানিফেস্ট করে, শুধু মাত্র আমাদের ইগোর জন্য। এই বিং বা সত্ত্বা গুলো আমাদের অস্তিত্বের মতই সত্য। আমরা তাদের ভয় পাই বলে আমাদের নেগেটিভ ইন্টেনশন ওরা গ্রহন করে শক্তি পায় এবং পজেস করে। এদেরকে ভয় করা যাবে না, বরং গোটা রিয়ালিটি কিরূপ তা জানতে হবে নিজের অস্তিত্বের ব্যপারে আসলটা জানতে হবে, যখন নিজেদের ইগো থেকে সম্পূর্ন মুক্ত হওয়া যাবে তখন অশুভ বলে কোন কিছুই থাকবে না। তখন এই এলিয়েন বা স্পিরিট বিংদের কাছেও নিজেদের সমার্পনের মাধ্যমে তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবার ধারনা থেকে বের হওয়া যাবে। আমরা যে ত্রিমাত্রিক সলিড রিয়ালিটি এবং বস্তু দেখি, সেসব আসলে মিথ্যা। এগুলো শুধুই মেন্টাল প্রজেকশন। রিয়ালিটির এই স্ট্যান্ডার্ড শুধুই মানব মস্তিস্কের ট্রান্সলেশনের ফল। গাছপালা, পশুপাখি, জড়বস্তু সমস্তকিছুর থেকে নিজের সত্ত্বাকে আলাদা মনে হয় বাহির থেকে, কিন্তু আসলে সবকিছু এক। এক অস্তিত্ব (ওয়াহদাতুল উজুদ)। এই ডিএমটি বিংরাই হচ্ছে বাইবেলে উল্লিখিত ডিমন (শয়তান)। আমরাই এই পার্থক্য এবং ভাল মন্দের, ঘৃনা ভালবাসার পার্থক্য তৈরি করছি ইগোর কারনে। আসলে ওই এলিয়েন বা স্পিরিট বিং আমার আপনারই অংশ। তাদেরকে মন্দভাবে ধরলে তারা আপনার কাছে মন্দভাবেই ধরা দেবে। খ্রিষ্টান ধর্ম এই ইগোই জাগ্রত করে। এই ইগোর মৃত্যু সম্ভব আত্মসমার্পনের মাধ্যমে [৭]। রিয়ালিটি আমাদের চোখের দেখা দৃশ্যের মত সলিড না বরং সব কিছু নন ফিজিক্যাল এনার্জেটিক। এই ত্রিমাত্রিক ম্যাটেরিয়াল জগতে যেরূপ সবকিছু আলাদা, আসল জগতে সব কিছু ইন্টারকানেক্টেড,
139000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১০:৫৭

প্রনয়ানম, দমের সাধনা, মোরাকাবা ইত্যাদি। এগুলো তারা মারেফাত এর ইল্মের স্তরে রেখেছে। অর্থাৎ ইল্মে মারেফাতুল্লাহর (আল্লাহর পরিচয়) নামে শয়তানের পরিচয়/দীদার লাভের শিক্ষা দিচ্ছে। বেরেলভী কারা যারা বোঝেন না তাদের বুঝতে সুবিধা হবে, যদি বলি মেইনস্ট্রিম পীর-মুরিদগনের নেটওয়ার্ক। যাহোক, অল্টার্ড স্টেইট অব কনসাস্নেস শুধু সুডোসায়েন্টেফিক পরিমণ্ডলেই ছেয়ে আছে এমনটি নয়। আইজ্যাক নিউটন থেকে আইনস্টাইন প্রত্যেকেই চেতনার এই স্তরে পৌছতেন, যাতে নতুন থিওরি প্রসব করতে পারেন। আইনস্টাইন চেতনার ওপারে যাবার প্রক্রিয়াকে নাম দিয়েছেন মাইন্ড এক্সারসাইজ! যখনই ওই স্তরে পৌঁছতেন, ফিরে আসতেন নতুন কোন থিওরি বা ইক্যুয়েশন নিয়ে। ম্যাটারকে ভাইব্রেটরি এনার্জেটিক ফিল্ডের তত্ত্বটিও এই হ্যালুসিনোজেনিক এক্সপেরিয়েন্স থেকেই এসেছে। এর প্রেক্ষাপটে আজ পদার্থবিজ্ঞানীগন বলছেন, Everything physical is really non physical!

এবার আসি, চেতনার ওপারে এমন কি হয় যার দরুন এরূপ মিস্টিক্যাল অভিজ্ঞতা সৃষ্টি হয়!?

ব্যপারটা বোঝা খুবই সহজ।

এসকল ড্রাগের প্রভাবে অথবা মেডিটেটিভ স্তরের (অল্টার্ড) মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা শয়তান জ্বীনদের একটা দরজা তৈরি করে দেয় Enlightenment seeker'দের মস্তিষ্কের উপর [২০]। শয়তান চাইলে ওদের জগতের সাথে মানব চেতনার সংযোগ ঘটাতে পারে। নিজের উপর নিয়ন্ত্রনহীনতার সময়ে শয়তান পুরোপুরি মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয়।

তখন শয়তানের ইচ্ছেমত স্বপ্নীল ঘোর সৃষ্টি করে যা ইচ্ছা দেখায়, অকৃত্রিম অনুভূতি সৃষ্টি করে। শয়তান জ্বীনদের ফিজিক্যাল ডাইমেনশন যেরূপ দেখতে সেইরূপ প্রজেকশন তৈরি করে মাথায়, অথবা সরাসরি জ্বীনদের চোখে ওদের জগত যেরূপ, সেটাই মানব মস্তিষ্কে দেখায়। মেডিটেশনের মাধ্যমে একবারেই ওই পর্যায়ে পৌছানো একটু কষ্টসাধ্য। মেডিটেশন বা যোগ ধ্যানে এজন্য ধীরে ধীরে ওই অবস্থায় যাওয়া হয়। ইয়োগা প্র্যাক্টিশনাররা ধ্যানের এক এক ধাপকে চক্র বা এনার্জি এক্সেস পয়েন্ট সক্রিয় করা বলে। তারা কুণ্ডলিনী এনার্জিও বলে যা কিনা মানুষের গোপনাঙ্গের দিকে সুপ্তাবস্থায় থাকে, সেই এনার্জিকে ধীরে ধীরে জাগ্রত করে পেট, এরপরে বুক এরপরে গলা এবং সবশেষে মাথা পর্যন্ত উঠিয়ে নেওয়া হয়। মস্তিষ্কে সে এনার্জি পৌছানো তথা তাদের ভাষায় ক্রাউন চক্রকে সক্রিয়করনের দ্বারা যোগী আত্মউপলব্ধি লাভ করে বা সিদ্ধিলাভ করে। অর্থাৎ সে 'চেতনার ওপারে' পৌছে ইনফিনিট ওয়াননেস অনুভব করে। ওয়াহদাতুল উজুদ বা Monism এর আকিদা হৃদয়ে প্রোথিত হয়। ইতোপূর্বে থার্ড আই, ধ্যান নিয়ে আলোচনা করেছিলাম তাই আবারো একই কথায় ফিরতে চাই না [১]। যাইহোক, পরিষ্কার দেখছেন ধ্যানযোগে চেতনার ওপারে পৌছানো একটু কষ্টসাধ্য বিষয় কিন্তু hallucinogenic drugs/সাউন্ড ওয়েভ বা বাইনিউরাল বিটস [১৫] দিয়ে খুব সহজেই পৌছানো যায়। ধ্যানের মাধ্যমে যে ব্যক্তি নিজের আসল অস্তিত্বের প্যান্থেইস্টিক স্বরূপ অনুভব করতে সক্ষম হয়, সেই লোক Know Thyself এর আসল হাকিকত বুঝতে পারলো। ঐ লোককে তখন এনলাইটেন্ড বলা হয়। আত্মসিদ্ধি লাভ করেছে। সুফিদের এক গুরু ওই অনুভূতি লাভ করেই আনাল হাক্ক(আমিই সত্য/আল্লাহ্) বলত। একইভাবে হিন্দু যোগীরা নিজেকেই পরমাত্মা বলে। আমার কাছে একজন বাবা লোকনাথের ব্যপারে কিছু তথ্য দিয়ে তার কথার ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন। তিনি খুব সম্ভবত ঈমানি ব্যপারে সন্দেহে নিপতিত হয়েছিলেন।

লোকনাথ নিজেকে পরমাত্মা দাবি করত, তাছাড়া অনন্ত অসীম, সর্বত্রব্যাপী সৃষ্টিকর্তাও বলত এমনকি রনে বনে জঙ্গলে বিপদে পড়লে তাকে স্মরণ করার কথাও বলতেন (উইকিপিডিয়া)। তার এরূপ কথার ব্যাখ্যা আশা করি বুঝতে পারছেন। ওই চেতনার ওই স্তরে পৌছে তার মধ্যে প্যান্থেইস্টিক ধারনার সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য নিজেকে পরমাত্মা, সর্বত্রবিরাজমান ঈশ্বর দাবি করে। তার এরূপ দাবি শুনে খুব বেশি অবাক হবার কিছু নেই।

আমাদের দেশের কোয়ান্টাম ম্যাথড চেতনার ওই স্তরে নিয়ে "গড রিয়েলাইজেশন" এর কোর্স করায় বলে জানিয়েছিল Law of attraction[২] এর প্রচার কারী এক শয়তান। যারা কোয়ান্টাম ম্যাথডের সাথে সম্পৃক্ত তারা "কমান্ড সেন্টার" টার্মের সাথে খুব পরিচিত। তিনি প্রথমে ভিজ্যুয়ালাইজ করতে বলেন এক ব্যক্তিকে, পরবর্তীতে আপনাআপনিই ধ্যানের মধ্যে এক লোক হাজির হয় যাবতীয় দিক নির্দেশনার জন্য। হয়ত এটাই সক্রেটিসের বলা Daemon! এসব ব্যপারে ওদের অফিশিয়াল কিতাবেই বিস্তারিত আছে।

প্রাচীন জংলি শামানরা গাছগাছড়া এবং মাশরুম দিয়ে চেতনার ওপারে যেত ওদের পূর্বপুরুষদের কথিত আত্মাদের সাথে যোগাযোগ এর জন্য। এই বিষয়টিকেই সুন্দরভাবে দেখিয়েছে ব্ল্যাক প্যান্থার মুভিতে। ফিল্মের নায়ককে একরকমের লতানো উদ্ভিদ পিষে খাওয়ানো হয় ঐতিহ্যগত কারনে মৃত পূর্বপুরুষের সাথে দেখা করার জন্য। ম্যাট্রিক্স ফিল্মেও শামানদের চিন্তাধারার প্রতিফলন রয়েছে। থাকাটাই স্বাভাবিক, কারন নির্মাতার পিতা একজন শামানিস্ট।
131000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২২ অক্টো, ২০২৬, ১০:৫৭

চেতনার ওপারে (Altered State of consciousness)

সারা পৃথিবীতে প্যাগান বিলিফ সিস্টেমের পুনর্জাগরন আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই অবস্থা মূলত এ মুহূর্তে প্রয়োজন সাধারন মানুষকে কুফরে আকবরের দিকে নেওয়ার জন্য, শয়তানের আনুগত্য এমনকি পূজার জন্য। এজন্য আজকে প্যাগান স্পিরিচুয়ালিটির দিকে সারা পৃথিবীকে ঝুকে পড়তে দেখা যাচ্ছে। আমেরিকায় ওয়াননেসের (ওয়াহদাতুল উজুদ) আহব্বান/ইনফিনিট লাভরিলিজিয়নের ছড়াছড়ি। এমনকি নায়ক-নায়িকা গায়ক-গায়িকারা থেকে শুরু করে ফিজিসিস্ট সকলেই এ পথে আহব্বান করে। তাদের বিশ্বাস ব্যবস্থার সত্যতার সবচেয়ে বড় দলিল হচ্ছে 'চেতনার ওপারের' অভিজ্ঞতা অথবা অল্টার্ড স্টেইট অব কনসাসনেস [১৮]।

এটা সেই মিস্টিক্যাল অনুভূতি যার জন্য অনেক সংগঠন ধ্যান-যোগসাধনা এবং প্যাগান স্পিরিচুয়ালিটির দিকে আহব্বান করে।

চেতনার অপরদিকের অভিজ্ঞতা লাভের পর অজস্র হার্ডকোর নাস্তিকও থেইজমে ফিরে আসার নজির আছে। এটা এমন এক অভিজ্ঞতা যেটা অর্জনের পর প্যাগান স্পিরিচুয়ালিটির সত্যতাকে অস্বীকার করা কষ্টকর হয়ে যায়। এ অভিজ্ঞতা লাভের পথ অনেক। গভীর ধ্যান সবচেয়ে সস্তা পথ। একটু খরচার পথও খোলা আছে। বিভিন্ন সাইকাডেলিক ড্রাগ (এলএসডি/ফিলোেসাইবিন/ডিএমটি/সাইকাডেলিক ম্যাজিক মাশরুম/আয়োহুয়াস্তকা ইত্যাদি) খুব সহজেই এই অভিজ্ঞতার দ্বারে নিয়ে যাবে। আরো ব্যায়বহুল পথও আছে। সেন্সরি ডিপ্রাইভেশন চেম্বার [১১] বা আইসোলেশন চেম্বার। ১২ ইঞ্চি লবন পানির স্তরের অন্ধকার চেম্বারে শুয়ে থাকলেই হবে। সাজেক্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই সমস্ত সচেতন অনুভূতিগুলো অচেতন হয়ে যাবে এবং অজানা জগতে প্রবেশ করবে। অনেকে বিষাক্ত প্রানীর বিষের (যেমন জেলিফিশ) প্রভাবেও ওই অনুভূতি লাভ করেছে শোনা যায়। এটা কাউকে NDE [১৯] এর অভিজ্ঞতা দান করে। পশ্চিমাদের মুখে Astral Projection, Outer body experience, clairvoyance ইত্যাদি যত শব্দই শোনেন না কেন, প্রায় তার সবই 'চেতনার ওপারের' ভিন্ন ভিন্নমাত্রার অভিজ্ঞতা। অল্টার্ড স্টেইট অব কনসাসনেসে সবাই যে একই রকম অভিজ্ঞতা লাভকরবে, তেমনি নয়। সবচেয়ে সাধারন (কমন) অভিজ্ঞতা হচ্ছে একটা স্বপ্নিল ঘোরে পৌঁছানো, যেটা আলো দ্বারা পরিপূর্ন। সমস্ত বস্তুর রঙ খুব উজ্জ্বল এবং মনে হয় সেসব থেকে আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে। সমস্ত বস্তুকে যেন ভেদ করে যাওয়া যায়। অর্থাৎ সমস্ত বস্তুই যেন ননসলিড পেনেট্রেবল এনার্জি। অসংখ্য স্পাইরাল, ফ্যাক্টাল ইনফিনিট প্যাটার্ন, বিভিন্ন জিওমেট্রিক স্ট্রাকচার ইত্যাদি। এই অভিজ্ঞতা লাভকারী সমস্ত বস্তু এবং নিজের ব্যক্তি স্বত্ত্বার মধ্যে একটা বন্ধন অনুভব করে, যেটা মহাবিশ্বের সর্বত্র বিস্তৃত। একধরনের অকৃত্রিম ভালবাসার যেন সমস্ত বস্তুকে ছেয়ে আছে। এরকম অবস্থায় গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সমস্তকিছুকে সচেতন বলে মনে হয়। অর্থাৎ যেন সব কিছুর জীবন আছে। নিজেকে মহাবিশ্বের একপ্রাণ বা একস্বত্ত্বার অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে হয়। এক পিউর ওয়াননেসের (ওয়াহদাতুল উজুদ) অনুভূতি। এ অনুভূতি ওই অভিজ্ঞতালাভকারী ব্যক্তি স্বত্ত্বাকে এই সৃষ্টিজগতের Co-Creator (সহযোগী স্রষ্টা) বা নিজেকে ডিভাইন বা সরাসরি সৃষ্টিকর্তা ভাবতে বাধ্যকরে। এজন্য এদের মুখে I Am অনুভূতির কথা শুনবেন। এমনও হয়েছে যে কোন সাইকাডেলিক ড্রাগ গ্রহণকারী এমন দেখেছে যে গাছপালা যেন তার সাথে কথা বলছে [১৭]। অকৃত্রিম ভালবাসা দিয়ে আশির্বাদ করছে। মিস্টিক/অকাল্টিস্টদের ভাষায় এই অভিজ্ঞতার জগত হচ্ছে ইনার স্পেস বা স্পিরিচুয়াল রেল্ম। অনেকে এটাকে হায়ার ডাইমেনশনাল জার্নি, সাইক্যাডেলিট ট্রিপ বলে।

এ অভিজ্ঞতা গভীর প্রকৃতিবাদ এবং সর্বেশ্বরবাদের দিকে নিয়ে যায়। এ বিশ্বাস বা আকিদা হৃদয়ে গভীরভাবে প্রোথিত হয়। আব্রাহামিক ধর্মের কোন টিতে থাকলে সেটার উপর আর বিশ্বাস থাকে না। কারন তারা নিজেদের অভিজ্ঞতায় বিপরীত মতাদর্শের সত্যতাকে চোখে দেখে। এ অভিজ্ঞতা

যাদুশাস্ত্রকেন্দ্রিক মিথ্যা কুফরি আকিদাকে অনেক শক্ত করে। যাদুকররা এ অভিজ্ঞতা লাভের দরুন বলত, স্রষ্টার "are a সাথে এক (সংযোগ/সান্নিধ্য) হতে কোন ধর্ম লাগে না। খ্রিষ্টান ইহুদী কিংবা মুসলিম হবার কোন প্রয়োজন নেই। খ্রিষ্টান ডমিনেটেড শতকে খ্রিষ্টানরা যখন এরূপ ধর্মদ্রোহীতামূলক কথা যাদুকরদের থেকে শুনলো, তাদেরকে ধরে ধরে কচুকাটা করতে লাগলো। হাজারো ডাকিনী বিদ্যা চর্চাকারীদেরকে পুড়িয়ে মারারও ঘটনা বিগত হয়েছে।

গ্রীক সর্বেশ্বরবাদী দর্শন থেকে NAFS আসা সুফিবাদে ফানাফিল্লাহ বলা হয়। সুফিদের ভাষায় ওই মেডিটেটিভ স্তরে গিয়ে সুফিসাধক আল্লাহর সাথে একাকার (ফানা) হয়ে যায়। সালাফি অনেক আলিম বলেন ওটা ফানাফিল্লাহ নয় বরং ফানাফিশাইত্বন (অর্থাৎ শয়তানের সাথে একাকার হওয়া।) এ ব্যপারে সালাফি আলিমগনের অবস্থান শুদ্ধ। এই মিস্টিক্যাল অভিজ্ঞতা আরবি শব্দানুসারে আল আকিদাতুল ওয়াহদাতুল উজুদ-হুলুল ওয়াল ইত্তেহাদের বিশ্বাস হৃদয়ে সৃষ্টি করে। আহমাদ রেজা বেরেলভী সাহেবের অনুসারী সকল বুজুর্গগন এজন্য মেডিটেইশনে গুরুত্বারোপ করেন। তাদের অভিধানে সমস্ত প্যাগান কার্যক্রমের আরবি ভার্সন আছে। আছে ষড়চক্র বা লাতাইফের যিকির,

YouTube

WHAT THE DMT ALIENS LOOK LIKE

This video is intended for educational and documentary purposes only.The content shared reflects personal experiences and subjective interpretations during altered states of consciousness. It is not medical advice, nor a recommendation to use any substance.…

148001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২১ অক্টো, ২০২৬, ১৭:২৫

মনসান্টো: দ্যা মোস্ট ইভিল করপোরেশন অন আর্থ ৩

উপমহাদেশের মানব ও সমাজ প্রেমিক এবং একনিষ্ট গবেষক ও নর্মদা আন্দলনসহ অসংখ্য কর্পোরেট বিরোধী আন্দলনে ভুমিকা রেখে চলছেন যে মানুষটি তার উক্তি দিয়ে মনসান্টো: দ্যা মোস্ট ইভিল করপোরেশন অন আর্থ এর তৃতীয় পর্ব শুরু করলাম:
আামদেরকে ওয়ার ইন্ডাস্টি কর্তক (যারা রাসায়নিক অস্ত্রসহ সকল প্রকার যুদ্ধ উপকরণ তৈরী করেছে এবং সমগ্র বিশ্বকে তাদের স্লেভে পরিণত করছে) নির্ধারণ করে দেয়া কৃষি ব্যবস্থার বাইরে এসে নতুন উপায় অবলম্বন করতে হবে। ২য় বিশ্বযু্দ্ধের পর কেমিক্যাল তথা রাসায়নিক অস্ত্র কৃষি-রাসায়নিক শিল্পে পরিবর্তিত হয়েছে। তখন তারা বলেছে যে, রাসায়নিক সার ও কীটনাষক ছাড়া কোন প্রকার খাদ্য রনরাপত্তা থাকবেনা। এখন সেই একই শিল্প প্রতিষ্ঠান মনসান্টোর হার্বিসাইড(আগাছা নাষক- যা পরিবেশ ধ্বংসের জন্য দায়ী) বিক্রির জন্য জিএমও প্রডাক্ট রেডি সয়াবিন ও কর্ন (গম, ভুট্টা,ধান) গ্রহনের কথা বলছে। (বন্দনা সেবা)

১৯৭০ সালে আমেরিকান ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন (FDA) কর্তক Aspartame (কৃত্রিম সুইটয়োর) এর প্রভাবের উপর পচিালিত গবেষনায় দেখা যায় Aspartame ব্যবহারের ফলে ইদুরের শরিরে টিউমার ও ব্রেনে গর্ত তৈরী করছে। কিন্তু এটি বাধা দেয়ার জন্য মনসান্টো সহযোগী G.D. Searle শতাধিক গবেষনা পেপার উপস্থাপন করে তাতে দেখানো হয়েছে Aspartame স্বাস্থর জন্য নিরাপদ।

G.D. Searle কর্তক ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন এর বিপরিদে এরকম ভুয়া গবেষনা পেপার উপস্থাপন করার জন্য FDA ব্যাপক পরিসরে অনুসন্ধান অভযান পরিচালনা করে। এই অনুসন্ধান অভিযান চলাকালীন সময়ে মনসান্টো সহযোগী Gerald Ford এবং George W. Bush এর ডিফেন্স সেক্রেটারী হিসেবে দায়ত্ব পালনকারী Donald Rumsfeld কে মনসান্টো কোম্পানির CEO হবার অফার প্রদান করে। মনসান্টো corporation এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল Donald Rumsfeld এর রাজনৈতিক প্রভঅব কোম্পানির স্বার্থে ব্যবহার করে ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন এর অনুসন্ধানকে বাধা প্রদান করা।

অনুসন্ধান চলাকালীন কয়েকমাস পর FDA এর অনুসন্ধানকারী গ্রুপের প্রধান Samuel Skinner কে মনসান্টো সহযোগী G.D. Searle এর ল-ফর্মে যোগ দান করার অফার প্রদান করে। Samuel Skinner অধিক অর্থ ও সুযোগের লোভে তার অনুসন্ধানী দায়িত্ব থেকে রিজাইন দিয়ে ল-ফার্মে যোগ দান করেন। মনসান্টো কর্তক এই কৌশলের কারণ ও পর্যাপ্ত অনুসন্ধান এর অভাবে এটি বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৮০ সালে FDA এর নতুন কমিশনার Dr. Jere Goyan তার অনুসন্ধান সম্পন্ন করেন । অনুসন্ধানে Aspartame এর ক্ষতিকর প্রভাবের জন্য মার্কেটে সরবরাহ বন্ধ করার জন্য পিটিশন দায়ের করেন। কিন্তু Donald Rumsfeld মনসান্টো এর সিইও হবার পর Ronald Reagan কে তার অনুকুলে কাজ করার জন্য লবিং করে। Ronald Reagan পিটিশন দায়েরের পর রিগান Dr. Jere Goyan কে এফডিএ এর কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে Dr. Arthur Hayes কে এফডিএ এর প্রধান নিযুক্ত করেন। তিনি প্রধান হবার পরে মনসান্টো এর নিজস্ব ভূয়া গবেষনাপত্র এর রেজাল্ট অনুসারে Aspartame স্বাস্থ্যর জন্য নিরাপদ এবং তা প্রসেসড খাবার ও পানীয়তে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেন।

Dr Jere Goyan অনুসন্ধানী রিপের্ট প্রকাশ করে যে, aspartame ৮৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্র অতিক্রম করলে তা ভেঙ্গে Diketopiperazines (DKP), methyl (wood) alcohol, and formaldehyde এর ন্যয় ভয়ানক টক্সিকে পরিণত হয়।

সকল মামলা ও পিটিশনে কৌশলে জয়ী হবার পরও aspartame এর বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা চলতে থাকে। ফলে ১৯৮৫ সালে মনসান্টো তার কম্পানির নাম পরিবর্তন করে NutraSweet Company।

অনেক প্রখ্যাত বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা যখন এসপারটেইম এর টক্সিক ইফেক্ট তথা ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করছে তখন মনসান্টো
এর বিরুদ্ধে National Cancer Institute কে ঘুষ প্রদান করে তাদের ভূয়া রিসার্স পেপারকে সমর্থন প্রদান করে। aspartame ্রে কতিপয় প্রভাবের মধ্য রয়েছে "mania, rage, violence, blindness, joint-pain, fatigue, weight-gain, memory-loss, deafness। এসকল প্রভাব ছাড়া এর ব্যবহার জণিত কারণে যে সকল রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে তাহল diabetes, MS, lupus, epilepsy, Parkinson's, tumours, miscarriage, infertility, fibromyalgia, infant death, Alzheimer's সোর্স: এফডিএ

পরবর্তিতে FDA এবং সরকারী স্বাস্থ্য সংস্থঅগুলোর প্রধান সম্পর্কে এমন ধারণা করা হল যে, যে ব্যাক্তিই্ এইসকল প্রতিষ্ঠঅনের প্রধান হবে তাকে বা তাদেরকে হয় মনসান্টো অথবা তাদের গ্রুপেরই কোন pharmaceutical এ সার্ভিস প্রদান করতে হয়।

চলবে.........
Save_archive21

https://www.facebook.com/share/1KTvPmsXQF/

Facebook

Log in or sign up to view

See posts, photos and more on Facebook.

271000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

২১ অক্টো, ২০২৬, ১০:১২

যেকোনো আয়ুর্বেদিক ওষুধের জন্য পেজে নক দেবেন। https://www.facebook.com/SoloIbdulPage

.
আইডি পিন পোস্ট
https://www.facebook.com/61554224670601/posts/122161695218140822/?app=fbl
.
পিন পোস্ট
https://www.facebook.com/100090620317406/posts/573027659061240/?app=fbl

Facebook

Log in or sign up to view

See posts, photos and more on Facebook.

293001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৯ অক্টো, ২০২৬, ২০:১০

কালকে পোস্ট করেছিলাম আপার আইডি নিয়ে ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান কস্তুরি রঙ্গন সে এই পন্টিফাইল একাডেমির সদস্য। সেখান থেকে আসার পর তিনি এই নতুন এডুকেশন সিস্টেম ভারতে লাগু করেন, যা ছিল পোপের গবেষণাগারে এবং সেটা ইকোনমিক ফোরাম দ্বারা স্বীকৃতি পেয়ে সাধারণ মুরগিদের পর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আরো অনেক কিছুই বাদ গিয়েছে সেটা অন্যদিন....
সেভ_ রিপোস্ট
#ভ্যাটিকান #গণজাগরণ #পোপ
457002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৯ অক্টো, ২০২৬, ২০:১০

• গোপন আর্কাইভ ও বিজ্ঞানের আসল ইতিহাস লোপাট: এই বিজ্ঞান সংস্থাটির মূল কাজ নতুন কোনো আবিষ্কার করা নয়, বরং পৃথিবীর প্রাচীন ও আধুনিক বিজ্ঞানীদের এমন সব আবিষ্কারের পেটেন্ট বা পাণ্ডুলিপি কিনে নেওয়া বা বাজেয়াপ্ত করা যা চার্চের তত্ত্বের বিরুদ্ধে যায়। যেমন ফ্রি-এনার্জি (বিনামূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন), প্রাচীন সভ্যতার উন্নত প্রযুক্তির প্রমাণ ইত্যাদি ভ্যাটিকান তাদের এই সংস্থার বিজ্ঞানীদের দিয়ে যাচাই করে এবং বিপজ্জনক মনে হলে তা চিরতরে তাদের মাটির নিচের গোপন আর্কাইভে (Apostolic Archive) লুকিয়ে ফেলে।

• নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার ও বিশ্ব জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ (Population Control):
এই একাডেমিটি নিয়মিত জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ রক্ষা নিয়ে সেমিনার করে। "জলবায়ু পরিবর্তন" বা "বৈশ্বিক উষ্ণতা" আসলে একটি অজুহাত। এই বিজ্ঞান সংস্থার আড়ালে বিশ্ব নেতারা এবং পোপের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমানোর (Depopulation) এবং একটি বৈশ্বিক ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার (New World Order) প্রতিষ্ঠার নকশা তৈরি করছেন। তারা এমন কিছু ভ্যাকসিন বা কৃত্রিম খাদ্য প্রযুক্তির অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা করে যা গোপনে মানবজাতির প্রজনন ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আর তাদের এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিল্লু বিজ্ঞানী। এটাতো অন্তত কন্সপিরেসি মনে হবে না??

এখানে পদার্থবিদ হোক, রসায়নবিদ হোক, বা চিকিৎসা বিদ হোক সকলেই শুধু জলবায়ু নিয়েই কাজ করে, খুব চিন্তা তাদের। পোপকে আইডিয়া সাজেস্ট করে।

জলবায়ু গবেষক; ২০১৫ সালের ঘোষণায় Potsdam Institute for Climate Impact Research-এর পরিচালক হিসেবে উল্লেখিত। বিজ্ঞানভিত্তিক জলবায়ু নীতি নিয়ে তাঁর কাজ গুরুত্বপূর্ণ।
আরও গুরুত্বপূর্ণ, ২০২৩ সালের Climate Policies for All People and for Nature ঘোষণার প্রস্তুতকারীদের মধ্যে ছিলেন ভারতের-
Veerabhadran Ramanathan
বায়ুমণ্ডল ও জলবায়ুবিষয়ক বিজ্ঞানী এবং পন্টিফিক্যাল একাডেমির সদস্য। তিনি বিজ্ঞান, ধর্ম ও নীতিনির্ধারণের সহযোগিতা নিয়ে সরাসরি লিখেছেন। তাঁর মতে, ধর্মীয় নেতৃত্বের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা জলবায়ু বিষয়ে জনসমর্থন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। সমর্থন তো পাচ্ছে অন্তত আমাদের দেশে।

Paul Crutzen
নোবেলজয়ী বায়ুমণ্ডলীয় রসায়নবিদ এবং একাডেমির সদস্য। ওজোন স্তর ও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নিয়ে তাঁর গবেষণা। এই যে স্কুলে পড়ানো হয় ওজোন স্তর ফুটো হয়ে গেছে পৃথিবী খুব তাড়াতাড়ি ধ্বংস হবে। এই ভ্যাটিক্যালি গবেষণা হয়।

Johan Rockstrom
২০১৫ সালের ঘোষণায় Stockholm Resilience Centre-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে। পৃথিবীর পরিবেশগত সীমা বা planetary boundaries নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি পরিচিত।

Jeffrey Sachs
অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ। ঘোষণায়,তাকে Columbia Universityর Earth Institute-এর পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন মানে 2030 এর এজেন্ডা নিয়ে তাঁর কাজ।

Hans Joachim Schellnhuber
জলবায়ু গবেষক; ২০১৫ সালের ঘোষণায় Potsdam Institute for Climate Impact Research-এর পরিচালক হিসেবে উল্লেখিত। বিজ্ঞানভিত্তিক জলবায়ু নীতি নিয়ে তাঁর কাজ।

এছাড়াও joachim von Braun, Sr Helen Alford, Marcelo Suárez-Orozco এবং Cardinal Peter Turkson। এনারাও জলবায়ু নিয়ে কাজ করছেন, মানুষকে বোঝাতে হবে যে গো...বালের warming হচ্ছে।

এবার এক নজরে এখানে কে কে ফান্ড করে সেটা দেখে নিন-
২০১৫ সালের একই ঘোষণার স্বাক্ষরকারীদের তালিকা পরীক্ষা করলে একটি বহুমাত্রিক নেটওয়ার্ক দেখা যায়। সেখানে ছিলেন-
Columbia University-র Earth Institute-এর সঙ্গে যুক্ত Jeffrey Sachs।
জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।
World Council of Churches ও Religions for Peace-এর প্রতিনিধিরা।
Ericsson-এর শীর্ষ কর্মকর্তা Hans Vestberg।
পরিবেশ ও জলবায়ু গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা।
বিভিন্ন ফাউন্ডেশন ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

এবার সমস্ত কিছু ভুলে মনে করুন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল গুলো কি কি? আমরা জানি ১৭ টি গোল রয়েছে! তা WEF কি গবেষণা করে? মোটেই না? জাতিসংঘ কি গবেষণা করে? মোটেই না! তারা হচ্ছে পলিসি বিক্রেতা, ফেভিকলের আঠা দিয়ে লাগিয়ে দেওয়ার জন্য।

এই পন্টিফিক্যাল সাইন্স একাডেমিতে SGD এর প্রত্যেকটা জিনিস নিয়ে গবেষণা হয়, সে আপনি যেই ফিল্ডের বিজ্ঞানী হোন না কেন! পোপের আদেশ মাথার উপর। তারপর সেই লক্ষ্যমাত্রায় স্থির করে প্রতিবছর সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে পোপ বার্তা পাঠায় যে এই বছর এই জিনিসটার টার্গেট! তারপরে ইকোনমিক ফোরাম থেকে সেটা যায় জাতিসংঘে, জাতিসংঘ থেকে প্রত্যেকটা দেশে নিজের নিজের পাপেট গুলো তাদের দেশে সেই পলিসি লাগু করে! এই হচ্ছে গোল গোল খেলা।
433000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১১:৩৩

BlackRock, Vanguard আর State Street কোনো “ষড়যন্ত্র” নয়—এটি আধুনিক পুঁজিবাদের যৌক্তিক ফল। ইনডেক্স ফান্ড ও প্যাসিভ বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতা কয়েক হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। তবে এই বিশ্বে শুধু এই ৩ কোম্পানিই নয় এদের সমগোত্রীয় আরো বেশ কিছু কোম্পানি রয়েছে তাদের একই কাজ। যেমন:- NVidia, Tencent, Fidelity, JP Morgan যদি এদের কোনো কোম্পানি মনে করেন তাহলে আপনি ভূল। পরের ৪ কোম্পানির হাতে প্রায় ১২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশী অর্থ রয়েছে। যা বংলাদেশের মোট GDP এর ৩০ গুনের বেশী।
এরা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড—স্থিতিশীলতা আনে, কিন্তু একটি একক ব্যর্থতার বিন্দু (Single Point of Failure) ও তৈরি করে।
প্রশ্ন হলো: আমরা কি সত্যিই মুক্ত বাজারে বাস করি—নাকি কয়েকটি হাতে কুক্ষিগত পুঁজির কাঠামোতে?
“যে কেউ যে কোনো শেয়ার বাজারে টাকা বিনিয়োগ করে, সে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই তিন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতির সাথে যুক্ত।”
এখন মূল কথায় আসি যতগুলো কোম্পানির নাম বললাম: Vanguard, State Street, Black Rock, JP Morgan Investment, Fidelity এগুলোর সবার মালিক/ CEO এবং সকল মূল নেতৃত্ব দান কারি সকল কর্মকর্তা সবাই ✡️ ইহুদী বাদি জা*য়োনিষ্ট। এখন কেনো ই*সরায়েল এতো শক্তিশালী.? কেন ইস*রায়েলের বিরুদ্ধে কোনো দেশ টু শব্দ করতে পারে না.? কেন আমেরিকা ইস*রায়েলের পা চাটে.? কেন ই*সরায়েলের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অস্ত্র পাঠায়,সেনা পাঠায় তাদের জন্য যুদ্ধ করে.? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি আপনি এখোনো না পান তাহলে আপনি কচু গাছের ডালে ছাই দিয়ে দড়ি পাকাইয়া গলায় দিয়া মইরা যান। আপনার মতন বোকাচোদার বেঁচে থাকার দরকার নাই.!
রিপোস্ট
184001
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১১:৩৩

বিশ্বের আসল মালিক কারা? কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার নয়, বরং এই তিন কোম্পানি! “BlackRock, Vanguard & State Street — এই তিন ছায়া যারা নিয়ন্ত্রণ করে আমার আপনার জীবনের প্রতিটা গতিবিধি এবং বিশ্ব অর্থনীতির নাড়িভুড়ি.!

✡️ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অদৃশ্য শক্তি:-
আপনি সকালে যে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, যে গাড়িতে চড়ে অফিস যান, যে খাবার খান—এর পিছনে সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে কাজ করছে তিনটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান: BlackRock, Vanguard, আর State Street Global Advisors। এরা পণ্য তৈরি করে না, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর “মালিক”।

তারা আসলে কী করে?
এরা এসেট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম—অর্থাৎ কোটি কোটি মানুষ, পেনশন ফান্ড, বীমা কোম্পানির টাকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শেয়ার, বন্ড ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করে।
• BlackRock: $১৫ ট্রিলিয়নের বেশি সম্পদ পরিচালনা করে (২০২৩)। জার্মানি বা জাপানের GDP-এর চেয়েও বেশি।
https://youtu.be/ZxZO0jd8VoU?si=cASQ5FTfTseARgZd
· Vanguard: $৮ ট্রিলিয়নের বেশী মিউচুয়াল ফান্ড আর ETF-এর জন্য বিখ্যাত।

https://youtu.be/aYpZmOXZ0pY?si=BurPNujAjJnQHOXX
· State Street: $৬ ট্রিলিয়নের বেশী SPY ETF (S&P 500 ট্র্যাক করে) এর জন্য পরিচিত।
মিলে এরা $৩০ ট্রিলিয়নের বেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করে—যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ছাড়া যে কোনো দেশের GDP-এর চেয়ে বেশি।

🔺তাদের ক্ষমতার মূল উৎস শেয়ারহোল্ডার হিসেবে মালিকানা।
১. তারা ✡ বিশ্বের বড় কোম্পানিগুলোর শীর্ষ শেয়ারহোল্ডার। টেক দুনিয়ায় Apple, Microsoft, Amazon, Google, Tesla খাদ্য ক্ষেত্রে Coca-Cola, Pepsi, Nestlé, Unilever ঔষধ ক্ষেত্রে : Pfizer, Johnson & Johnson অর্থ ও শক্তিতে : JPMorgan, ExxonMobil বিনোদন জগতে: Netflix, Disney, Spotify যে ছোট বড় কোম্পানিই বলুন না কেন সবার শীর্ষ শেয়ার হোল্ডার: Black Rock, Vanguard ও State Street....
আপনি যখন Vanguard-এর কোনো ফান্ডে বিনিয়োগ করেন, তখন আপনি পরোক্ষভাবে Apple বা Tesla-এর “মালিক”—আর এই প্রতিষ্ঠানগুলো হল আপনার কণ্ঠস্বর।
তাদের আরেকটা বিষয় হচ্ছে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে তাদের কাছে কোম্পানির বোর্ড নির্বাচন, CEO-এর বেতন, কৌশলগত সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। এই ভোটগুলো প্রায়শই নির্ণায়ক।

🔺এই “বিগ থ্রি” বা এই ৩ কোম্পানি-এর স্বার্থ অভিন্ন
এরা একে অপরের শেয়ারহোল্ডারও। ফলে প্রতিযোগিতার চেয়ে স্থিতিশীলতা আর দীর্ঘমেয়াদী লাভ তাদের লক্ষ্য—যা তাদের একটি শক্তিশালী ব্লক হিসেবে কাজ করতে দেয়।
https://youtu.be/fmuykG2w6to?si=bEjqy0urx4w6rJa8
আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি সেক্টরে তাদের ছোঁয়া রয়েছে। টুথপেস্টে: Colgate-Palmolive—BlackRock ও Vanguard শেয়ারহোল্ডার। খাবারে: Nestlé, Kraft Heinz, Mondelez—এদের পিছনে এই তিন প্রতিষ্ঠান। পোশাকে: Nike, Adidas, H&M—এদের শেয়ার এদের মালিকানায়। গাড়িতে: Toyota, Ford, Volvo—এদের শেয়ারহোল্ডার এরা। ইন্টারনেট জগতে: Google, Apple, AT&T, Verizon—সবখানে তাদের বিনিয়োগ।
সুতরাং, তারা পণ্য তৈরি করে না—কিন্তু যে কোম্পানির পণ্য আপনি ব্যবহার করেন, তার সিংহভাগেরই তারা বৃহত্তম মালিক।
এদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাঃ-
১. Aladdin প্ল্যাটফর্ম (BlackRock)
এটি শুধু সফটওয়্যার নয়—বিশ্ব অর্থনীতির “স্নায়ুকেন্দ্র”। $20 ট্রিলিয়নের বেশি সম্পদ এটি দিয়ে পরিচালিত হয়।
২. ETF বিপ্লব
iShares (BlackRock) আর Vanguard-এর ETF-গুলো S&P 500-এর মতো ইন্ডেক্সে বিনিয়োগ সহজ করেছে—কিন্তু এর ফলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাজারো কোম্পানির বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার হয়ে উঠেছে।
৩. ESG ও কর্পোরেট গভর্নেন্স
এরা কোম্পানিগুলোকে পরিবেশবান্ধব নীতি, বৈচিত্র্য, টেকসই উন্নয়নের দিকে ঠেলে দেয়। ভালো লাগলেও, এটি একটি অদৃশ্য শক্তি দ্বারা বিশ্বব্যাপী কর্পোরেট নীতি নির্ধারণ করে।
৪. সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে সম্পর্ক
2008 ও 2020-এর সংকটে ফেডারেল রিজার্ভ BlackRock-এর সহায়তা নেয়। এর সাবেক কর্মকর্তারা বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন—“রিভলভিং ডোর” নীতি প্রভাবিত করে।
🔺সমালোচনা ও ঝুঁকি
1. অলিগোপলি: তিনটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এত ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার জন্য হুমকি।

2. স্বার্থের সংঘাত: Coke ও Pepsi—দুটোরই মালিক একই গ্রুপ হলে প্রতিযোগিতা কমে, দাম বাড়ে।
3. গণতন্ত্রের জন্য চ্যালেঞ্জ: নির্বাচিত না হয়েও এরা নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে।
4. সিস্টেমিক ঝুঁকি: এদের কোনো একটি পড়লে বিশ্ব অর্থনীতি ধসে পড়তে পারে।

এরা অদৃশ্য, কিন্তু সর্বব্যাপী
Video Thumbnail
168000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

===
সে কারণে সম্প্রতি নতুন এক প্রযুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন Princeton University এর physicists Igor Savukov ও Michael Romalis । সম্ভবত এটিই হাতে বহনযোগ্য MRI মেশিন এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবে। সেই সঙ্গে fMRI মেশিনের দাম কমিয়ে দিতে পারবে ১০০ ভাগের এক ভাগ।তাদের দাবি, বিশাল আকৃতির MRI চুম্বকের বদলে super sensitive atomic magnetometer ব্যবহার করা হবে।অতি ক্ষুদ্র চুম্বকীয় ক্ষেত্র সনাক্ত করতে পারবে এই ম্যাগনেটোমিটার।
===
হিলিয়াম গ্যাসের মধ্যে রাখা উত্তপ্ত পটাশিয়াম বাষ্প থেকে প্রথমে একটি চুম্বকীয় সেন্সর তৈরি করেছেন Savukov ও Michael Romalis । পরে পানির নমুনায় (মানব দেহের অনুকরণ করতে) একটি দুর্বল চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে ওই পানিতে রেডিও পাল্স পাঠান তারা।এতে পানির অনু কম্পিত হয়।
==
কম্পিত পানির অনু প্রতিধ্বনিত হয়ে পটাশিয়াম ইলেকট্রন গুলো একইভাবে কম্পিত করবে। এই কম্পন শনাক্ত করা যাবে আরেকটি লেজার দিয়ে। এভাবে তারা এক গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল পান: দুর্বল চুম্বকীয় ক্ষেত্রও প্রতিধ্বনি তৈরি করতে পারে,যা সেন্সর সনাক্ত করতে পারে। এর মাধ্যমে প্রমাণ সাইজের দানবীয় চুম্বকীয় ক্ষেত্র কে দুর্বল ক্ষেত্র দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যাবে। শুধু তাই নয়,মুহূর্তেই ছবি তুলতে পারবে এটি (যেখানে প্রতিটি ছবি তুলতে MRI মেশিন লাগে অন্তত ২০ মিনিট)।
===
তারা তত্ব দিয়েছেন, MRI ছবি তোলা একসময় ডিজিটাল ক্যামেরার মতো সহজ হয়ে যাবে। (তবে এক্ষেত্রে কিছু বাধা ও রয়েছে। একটি সমস্যা হলো, যার ছবি তোলা হবে ও মেশিন দুটোকেই বাইরে বিচ্যুত হওয়া চুম্বক ক্ষেত্রগুলো থেকে রক্ষা করতে হবে)।
==
Handheld বা হাতে ধরা যোগ্য MRI মেশিন যদি বাস্তবে পরিণত হয়, তাহলে তাদের হয়তো ছোট আকারের কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট বাক্যাংশ, শব্দ বা বাক্য ডিকর্ড করতে সক্ষম সফটওয়্যার লোড করা যাবে। এ ধরনের যন্ত্র হয় তো বিজ্ঞান কল্পকাহিনী গুলোতে দেখানো অত্যাধুনিক টেলিপ্যাথিক যন্ত্রের মত অতটা সূক্ষ্ম না হলেও তার কাছাকাছি কিছু একটা হবে।
===
to be continue...
295002
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

===
কেউ মিথ্যা বলছে নাকি বলছে, নাকি বলছে না, তা নির্ধারণের জন্যেও কিছু নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা চালান তিনি। এসব পরীক্ষা-বিশ্লেষণে সঙ্গতিপূর্ণ সফলতার হাত ৯৯% পাওয়ার দাবি করেন (যেমন কলেজ শিক্ষার্থীদের তিনি বিভিন্ন তাসের পরিচয় সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলতে বলেছিলেন)।
==
মিথ্যা সনাক্তে এ প্রযুক্তির আপাত সফলতার হার দাবী সত্ত্বেও সমালোচকরা ইঙ্গিত করেন, fMRI আসলে মিথ্যা ধরতে পারে না। তাদের দাবি, কেউ যখন মিথ্যা কথা বলে,তখন এ প্রযুক্তি শুধু তার মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়িয়ে দেয়। আবার যন্ত্রটি ভুল ফলাফলও দিতে পারে। যেমন কোন ব্যক্তি যদি সত্য কথা বলার সময় খুব দুশ্চিন্তায় থাকে, তাহলে এরকম ভুল ফলাফল পাওয়া যাবে।
তারমানে fMRI শুধু কোনো ব্যক্তির দুশ্চিন্তা সনাক্ত করতে পারে এবং ভুলভাবে দেখায় যে তিনি মিথ্যা কথা বলছেন।
==
Universal Translator
সার্বজনীন অনুবাদক।
***
চিন্তারত মস্তিস্কের চমকপ্রদ ছবির ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের স্ক্যান সম্পর্কে অনেকে সমালোচনাও করেছেন। কারণ বিচ্ছিন্ন, স্বতন্ত্র চিন্তা পরিমাপে এগুলো সাধারণভাবে খুব স্থূল। আমরা যখন সরল কোন মানসিক কাজ করি, তখন সম্ভবত কয়েক লাখ নিউরন একসঙ্গে সক্রিয় হয়। fMRI এই কর্মকান্ডকে শুধু একটি blob বা ফুটকি হিসাবে পর্দায় ফুটিয়ে তোলে।
==
বিজ্ঞান কল্পকাহিনীতে মাঝেমধ্যে universal translator ,ইউনিভার্সেল ট্রান্সলেটর দেখানো হয়। এই যন্ত্র কোন ব্যক্তির চিন্তা পড়তে পারে। এরপর তা সরাসরি ঢুকিয়ে দিতে পারে অন্য আরেকজনের মনে। কিছু সাইন্স ফিকশন উপন্যাসে এলিয়েন টেলিপ্যাথরা তাদের চিন্তা আমাদের মনে ঢুকিয়ে দেয়। আমাদের ভাষা না বুঝলেও কাজটা করতে পারে এলিয়েনরা।১৯৭৬ সালে নির্মিত সায়েন্স ফিকশন সিনেমা, ‘Future World” এ এক মহিলার স্বপ্ন টিভি পর্দায় সরাসরি দেখানো হয়েছিল। ২০০৪ সালে Jim Carrey তার মুভি, “External Sunshine of the Spotless Mind এ দেখায় চিকিৎসকেরা যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতি চিহ্নিত করে সেগুলো মুছে ফেলছেন।
===
“That’s the kind of fantasy everyone in this has” “এই ক্ষেত্রটি নিয়ে সবার মধ্যে এরকম ফ্যান্টাসি রয়েছে’, এমন মন্তব্য করেন জার্মানির Leipzig এর Max Plank institute এর নিউরোসায়েন্টিস্ট John Haynes। He further said, “But if that's the device you want to build then I am pretty sure you need to record from a single neuron” ( Douglas Fox, New Scientist magazine, May 4, 2006) “তবে আপনি যদি এরকম কোন যন্ত্র বানাতে চান,তাহলে আমি নিশ্চিত, আপনাকে প্রতিটি নিউরন নিয়ে আলাদা কাজ শুরু করতে হবে”।
===
তিনি আরও বলেন যে, “একটি নিউরন থেকে আসা সংকেত সনাক্ত করা যায় না বলেই এখন কিছু মনোবিজ্ঞানী পরবর্তী বড় কাজটি করার চেষ্টা করছেন। সেটি হল আলাদা বস্তুর কারণে সৃষ্ট fMRI প্যাটার্ন কে আলাদা করা ও অসুবিধা কমিয়ে এনে প্রতিটি শব্দকে আলাদাভাবে শনাক্ত করে “dictionary of thoughts ” বা চিন্তার অভিধান বানানো।
===
কিছু কিছু ছোট বস্তুর যেমন Carpentry tools দিয়ে সৃষ্ট fMRI প্যাটার্ন সনাক্ত করতে পেরেছেন Carnegie-Mellon University এর Marcel A.Just। তার দাবি, তিনি চিন্তার প্যাটার্নের বারোটি ধরন (12 categories ) শনাক্ত করে এই বারটি ধরনের মধ্যে কোনটি ভাবনার সঙ্গে জড়িত, তা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে পেরেছেন।
==
তার সহকর্মী কম্পিউটার বিজ্ঞানী Tom Mitchell নির্দিষ্ট পরীক্ষায় fMRI স্ক্যান এর মাধ্যমে পাওয়া মস্তিষ্কের জটিল প্যাটার্ন সনাক্ত করতে নিউরাল নেটওয়ার্কের মতো কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন।
==
কিন্তু আমরা কখনো চিন্তার অভিধান (Dictionary of thoughts) তৈরি করতে পারলেও সার্বজনীন অনুবাদক বা universal translator তৈরি করা আরো বহু দূরের ব্যাপার। সার্বজনীন অনুবাদক আমাদের মন থেকে আরেকজনের মনের ভেতর সরাসরি চিন্তা ঢুকিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে fMRI মেন্টাল ট্রান্সলেটর কে অনেকগুলো কঠিন ধাপ পার হতে হবে। প্রথমে mental translator কে নির্দিষ্ট fMRI প্যাটর্ন চিনে সেগুলো ইংরেজিতে রূপান্তর করতে হবে। তারপর ইংরেজি শব্দগুলোকে ঢুকিয়ে দিতে হবে লক্ষ্যবস্তুতে বা অন্যের ব্রেনে। সেই ক্ষেত্রে এই ধরনের যন্ত্র যদিও সম্পূর্ণভাবে Start Trek দেখা “mind meld ”- এর সঙ্গে কোনক্রমেই মিলবে না কিন্তু তারপরও এটি স্ট্রোক আক্রান্তদের জন্য খুবই উপকারী হয়ে উঠবে।
====
Handheld MRI Scanners.
হাতে বহনযোগ্য এমআরআই স্ক্যানার।
***
এত কিছুর পরও প্রমাণ সাইজের fMRI কার্যক্ষেত্রে টেলিপ্যাথির ক্ষেত্রে আরেকটি বড় বাধা।যন্ত্রটি অনেক বড়, আবার এর দামও কয়েক মিলিয়ন ডলার। আবার এটি কয়েক টেসলাস (teslas) তথা বিপুল পরিমাণ ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে।ফলে দুর্ঘটনাক্রমে যন্ত্রটি চালু হওয়ায় হাতুড়ি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ বাতাসে উড়ে গিয়ে একবার কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছিলেন।
236000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

==
Nuclei গুলোর arrangement উল্টে গেলে তারা অতি ক্ষুদ্র রেডিও প্রতিধ্বনি বা radio pulse নিঃসরণ করে, যা সনাক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়।যেমন মস্তিষ্কের সক্রিয়তার সঙ্গে অক্সিজেনের ব্যবহার জড়িত।
==
কাজেই MRI মেশিন অক্সিজেন যুক্ত রক্তের উপস্থিতি শূন্য করে চিন্তার প্রক্রিয়া আলাদা করতে পারে। Simply MRI can isolate the process of thinking by zeroing in on the presence of oxygenated blood. যেখানে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত যত বেশি ঘনীভূত হবে, মস্তিষ্কের ওই অংশে মানসিক সক্রিয়তা তত বেশি হয়। (বর্তমানে “functional MRI machines বা fMRI মস্তিষ্কের অতি ক্ষুদ্র এলাকার সেকেন্ডের ভগ্নাংশের সময়ে এক মিলিমিটারজুড়ে অক্সিজেনযুক্ত রক্তের উপস্থিতি শূন্য করে ফেলতে পারে।এ কারণে জীবন্ত মস্তিষ্কে চিন্তার ধরন সনাক্ত করতে এই যন্ত্র গুলো আদর্শ হয়ে উঠেছে)।
==
MRI lie Detectors
**
MRI মেশিন ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা একদিন হয়তো জীবন্ত মস্তিষ্কের বিস্তৃত রূপরেখার পাঠোদ্ধার করতে পারবেন। Mind reading এর সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে কেউ মিথ্যা বলছে কিনা, তাও নির্ধারণ করা যাবে।
===
১৯৩১ সালে মনোবিজ্ঞানী William Marston এক লোকের রক্তচাপ পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন,মিথ্যা বলার সময় রক্তচাপ বেড়ে যায়। (রক্তচাপ সম্পর্কে এই পর্যবেক্ষন আসলে আরো অনেককাল আগের। সেকালে কোন সন্দেহভাজনকে প্রশ্ন করার সময় তদন্তকারী তার হাত ধরে রাখত)। এ ধারণাটি কাজে লাগানো হয়েছিল বেশ দ্রুতই। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগও শিগগিরই নিজস্ব Polygraph Institute গড়ে তোলে।
==
কিন্তু সাইকোপ্যাথরা মিথ্যা ধরার যন্ত্র কে বোকা বানাতে পারে।কারণ নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের মধ্যে কোন অনুশোচনা হয় না তাই Polygraph এ কোনও পরিবর্তন আসে না।
==
সবচেয়ে মারাত্বক ঘটনাটি ছিল CIA এর ডাবল এজেন্ট Aldrich Ames এর। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে তিনি বিপুল অর্থ পকেটস্থ করেন। আবার অসংখ্য মার্কিন এজেন্টের নাম,ঠিকানা ও মার্কিন নিউক্লিয়ার নেভির গুপ্ত খবর পাচার করতেন তিনি। বেশ কয়েক দশক CIA র একের পর এক লাইডিটেক্টর পরীক্ষায় পার হয়ে পার পেয়ে যাচ্ছিলেন Ames। ঐ সময় একইভাবে পার পেয়ে যাচ্ছিলেন সিরিয়াল কিলার Gary Ridgway। সে ঐ সময় Green River Killer হিসেবে কুখ্যাত ছিল কারন সে অন্তত ৫০ নারীকে হত্যা করেছিলেন।
===
এদিকে ২০০৩ সালে U.S. National Academy of Sciences issued a scathing report on the reliability of the lie detectors. সেখানে কোন লাইট ডিটেক্টর কে বোকা বানানোর ও নির্দোষ মানুষকে মিথ্যাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করার তালিকাও করা হয়।
===
তবে লাই ডিটেক্টর যদি শুধু দুশ্চিন্তার মাত্রা পরিমাপ করে, তাহলে মস্তিষ্ক পরিমাপের ব্যাপারটি কি? What about measuring the brain itself? Huh?
==
মিথ্যা ধরার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কার্যকলাপ খতিয়ে দেখার ধারণা সূচনা হয় বেশ কয়েক বছর আগে। North Western University এর Peter Rosenfeld সেটি করেন। পর্যবেক্ষণে তিনি দেখতে পান, মানুষের মিথ্যা বলার প্রক্রিয়ায় EEG স্ক্যানে আলাদা প্যাটার্ন দেখা যায়।ওই মানুষ যখন সত্য কথা বলে, তার তুলনায় P300 wave এই প্যাটার্নের পার্থক্য পাওয়া যাচ্ছে। (মস্তিষ্ক যখন কোন অভিনব বা সাধারনের বাইরে কোন কিছুর মুখোমুখি হয়, তখন প্রায়ই এই P300 wave উদ্দীপিত হয়)।
===
MRI স্ক্যান ব্যবহার করে মিথ্যা সনাক্তের ধারণাটি এসেছে University of Pennsylvania এর Daniel Langleben এর মাথা থেকে। তিনি বলেন, The brain, in telling a lie, first had to stop itself from telling the truth and then create a description. He says, “when you tell a deliberate lie you have to be holding in mind the truth. So this stands to reason it should mean more brain activity. In other words lying is hard work .
===
অর্থাৎ মিথ্যা বলার সময় মস্তিষ্ক প্রথমে সত্য বলা থেকে নিজেকে থামিয়ে দেয় এবং তারপর ছল চাতুরির আশ্রয় নেয়। তিনি বলেন, “আপনি অনর্গল মিথ্যা কথা বলেন, তখন আপনাকে সত্য কথা মাথায় রাখতেই হবে।কাজেই এতে বোঝা যায়,এতে মস্তিষ্কের সক্রিয়তা আরো বাড়ে”। অন্য কথায় মিথ্যা বলা বেশ পরিশ্রমের কাজ।
==
কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার মাধ্যমে ও তাদের মিথ্যা কথা বলার অনুরোধ জানানোর মাধ্যমে, Langleben দেখতে পান, মিথ্যা বলার সময় মস্তিষ্কের বেশ কিছু জায়গায় সক্রিয়তা বেড়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে brain এর frontal lobe (এখানে উচ্চতর চিন্তা ঘনীভূত হয়), temporal lobe ও limbic system (এখানে আবেগগুলো প্রক্রিয়াজাত হয়) বিশেষত, সামনের The cingulated gyrus (এটি সংঘাতের সমাধান ও প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত) অস্বাভাবিক কার্যকলাপ খেয়াল করেন তিনি( San Francisco Chronicle, November 26, 2001)।
168000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

===
CIA এর আর্থিক সহায়তায় অসংখ্য গোপন গবেষণার সাংকেতিক নাম ছিল Star Gate like Sun Streak, Grill Frame, Center lane ইত্যাদি । গবেষণাটি শুরু হয় ১৯৭০ সালে। When CIA came to know that Soviet Union was investing 60 million rubles a year on, “phychotronic” research মানে সোভিয়েত ইউনিয়ন সাইকোট্রনিক গবেষণায় বছরে ৬০ মিলিয়ন রুবল খরচ করছে, তখন CIA গবেষণা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় তারাও। তাদের আশঙ্কা ছিল, সোভিয়েত হয়তো ESP or extrasensory perception ব্যবহার করে মার্কিন সাবমেরিন ও সেনা ঘাঁটি, গুপ্তচর শনাক্ত করতে ও গোপন নথিপত্র করতে পারবে।
===
CIA এর জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় ১৯৭২ সালে।Russell Targ and Harold Puthoff of the Stanford Research Institute or SRI মিলে CIA এর পক্ষে কাজ শুরু করেন। They were engaged in a, “Psychic warfare’। দুই দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে এই Stargate project এ।
সেখানে বেতনভুক্ত ছিল ৪০ জনের বেশি কর্মী, ২৩ জন remote viewers যারা দূরের জিনিষ বুঝতে পারে আর তিনজন সাইকিক, psychics।
===
CIA ১৯৯৫ সালে American Institute For Research (AIR) এই কর্মসূচির মূল্যায়ন করতে বলে। জবাবে এসব কর্মসূচি স্রেফ বন্ধ করার সুপারিশ করে AIR। এই প্রতিষ্ঠানের David Goslin লেখেন, “There’s no documented evidence it had any value to the intelligence community” “গোয়েন্দাদের কাছে এর কোন মূল্য আছে বলে এখনো কোন তথ্য প্রমান পাওয়া যায়নি”।
শেষ পর্যন্ত CIA সিদ্ধান্ত পৌঁছে, Star Gate এমন কোন তথ্যই আবিষ্কার করতে পারেনি।
==
Brain Scan
ব্রেন স্ক্যান
***
একই সময় বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, মস্তিষ্কের কাজের পেছনে কিছু পদার্থ বিজ্ঞান আছে। উনিশ শতকে তারা সন্দেহ করেন, মস্তিষ্কের ভেতর বৈদ্যুতিক সংকেত স্থানান্তরিত হয়। ১৮৭৫ সালের Richard Caton আবিষ্কার করেন, মাথায় ইলেকট্রোড (electrode) স্থাপন করে মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত অতি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত সনাক্ত করা যায়। এটা পরে electroencephalograph বা EEG উদ্ভাবনের দিকে নিয়ে যায়।
===
Theoretically মস্তিষ্ক একপ্রকার ট্রান্সমিটার, যার মাধ্যমে আমাদের চিন্তা অতি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত ও electromagnetic wave রূপে ছড়িয়ে পড়ে। এই signal ব্যবহার করে অন্যের চিন্তা পড়ার কিছু সমস্যাও আছে। প্রথমত,signal গুলো খুব দুর্বল, যা milliwatt পরিসরে। দ্বিতীয়তঃ এ সংকেত অর্থহীন কথাবার্তায় ভরা, যা এলোমেলো গোলমাল থেকে আলাদা করা যায় না। শুধু আমাদের চিন্তার crude বা স্থূল তথ্য এই গোলমাল থেকে সংগ্রহ করা যায়।
==
তৃতীয়তঃ এসব সংকেতের মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক অন্যদের মস্তিষ্ক থেকে একই রকম বার্তা গ্রহণ করতে পারে না। Because brain has no antenna .সর্বশেষে আমরা যদি এই দুর্বল সংকেত কোনভাবে গ্রহণ করতে পারতাম, তবু সেগুলো বোধগম্য করে তোলা যেত না। সাধারন Newtonian ও Maxwellian physics ব্যবহার করে রেডিওর মাধ্যমে টেলিপ্যাথি সম্ভব বলে মনে হয় না।
===
অনেকের বিশ্বাস টেলিপ্যাথি হয়তো fifth force as it’s called the “psi” force.
তবে তাদের কাছে এই psi সম্পর্কে কোন সুদৃঢ় ও পুনরায় পরীক্ষা করার মত প্রমাণ নেই।
===
এর পর একটি প্রশ্ন উঠে আসে তাহলো যে Quantum theory দিয়ে টেলিপ্যাথি কি ভাবে পর্যালোচনা করা যায়?
==
বর্তমান বিজ্ঞান নতুন নতুন quantum যন্ত্রপাতির সঙ্গে পরিচিত হয়েছে ।এর মাধ্যমে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চিন্তাশীল কোন মস্তিষ্কের ভেতর দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে পারা যাচ্ছে।
==
শীর্ষস্থানীয় এই quantum revolution হল PIT বা positron – emission- tomography এবং MRI, magnetic resonance imageব্রেইন ক্স্যান। এই PET scan করা হয় রক্তে radioactive চিনি ঢুকিয়ে।
==
এই চিনি মস্তিষ্কের সেসব অংশে ঘনীভূত হয়, যে অংশগুলোর চিন্তা প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকতে শক্তি দরকার। তেজস্ক্রিয় চিনি পজিট্রন নিঃসরণ করে (anti-electron), যা খুব সহজে যন্ত্রপাতি দিয়ে সনাক্ত করা যায়। তাই এভাবে জীবন্ত মস্তিষ্কে প্রতি কণার পথের নকশা যা antimatter দ্বারা সৃষ্ট প্যাটার্ন বোঝা যায়। এভাবে চিন্তার প্যাটার্নও সনাক্ত করা যায়। আবার মস্তিষ্কের কোন অংশে কোন কাজে জড়িত, তাও নিখুঁতভাবে আলাদা করা যায়।
===
MRI মেশিনও একই ভাবে কাজ করে, পার্থক্য হলো এটি আরও নিখুঁত। কোনও রোগীর মাথা একটা বড় ডোনাট আকারের (doughnut-shaped) চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে রাখা হয় ।চুম্বকীয় ক্ষেত্রটি মস্তিষ্কের ভেতরের পরমাণুর nuclei ক্ষেত্র রেখায় সমান্তরালভাবে সাজায়।রোগীকে একটা রেডিও পালস পাঠিয়ে এসব nuclei কম্পিত হয়।
128000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

==
লিখিত ইতিহাসে এছাড়াও আরো কিছু telepathic জীবজন্তু দেখা মেলে।
১৫৯১ সালের প্রথমদিকে Morocco নামের একটি ঘোড়া ইংল্যান্ডে বিখ্যাত হয়ে ওঠে। তার মাধ্যমে ঘোড়ার মালিক ধনী হয়ে যান। দর্শকসারি থেকে লোক বাছাই করে, বর্ণমালার অক্ষরগুলোর নির্দেশ করে, এক জোড়া ছক্কার সংখ্যাগুলো যোগ করে দেখাত। ঘোড়াটি এতই উত্তেজনা সৃষ্টি করে যে শেক্সপিয়ার তার ‘Love’s Labour’s Lost’ নামের এক নাটকে, ‘the dancing horse’ নামে অমর করে রেখেছেন তাকে।
===
আবার সীমিত অর্থে জুয়াড়িরাও কিন্তু মানুষের মন পড়তে পারে। কোন ব্যক্তি যখন আনন্দদায়ক কিছু দেখে, তখন স্বভাবত তার চোখের তারা বড় হয় । অন্যদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু দেখলে ওই ব্যক্তির (বা কোন গাণিতিক হিসাব করলে) চোখের তারা সংকুচিত হয়ে আসে। জুয়াড়িরা তার উল্টোদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড়ের চোখের তারার এই বড় হওয়া বা সংকুচিত হওয়া দেখে তার আবেগ বুঝতে পারে। জুয়ারিরা কালো রঙের চশমা পরার অন্যতম কারণ চোখের তারা (Poker- faced opponents )অন্যদের কাছ থেকে গোপন করা।
==
আবার একটি লেজার রশ্মি কোন ব্যক্তির চোখের তারায় ফেলে তার প্রতিবিম্ব কোথায় পড়েছে তা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিটি কোথায় তাকিয়ে আছে তা নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা যায়। লেজার লাইটের বিন্দুর প্রতিবিম্বের গতি বিশ্লেষণ করে কোন ব্যক্তি কিভাবে ছবি স্ক্যান করে, তাও জানা যায়। এই দুটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে কোন ব্যক্তির ছবি স্ক্যান করার সময় তার অনুমতি ছাড়াই তার আবেগীয় প্রতিক্রিয়া বোঝা যায়।
===
Psychical Research.
সাইকিক গবেষণা
**
টেলিপ্যাথি ও অন্যান্য প্যারানরমাল (paranormal) ঘটনা নিয়ে প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালায় Society for Psychical Research । ১৮৮২ সালে লন্ডনে গড়ে তোলা হয় এ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। (Mental telepathy শব্দটি ওই বছর প্রথম ব্যবহার করেন ওই সোসাইটির সহযোগী F. W.Myers)।
সোসাইটির সাবেক প্রেসিডেন্টদের বেশ কয়েকজন ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম নামকরা ব্যক্তি।
==
সোসাইটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক গবেষক Dr. Joseph Banks Rhine সাইকিক ঘটনাগুলো নিয়ে প্রথম পদ্ধতিগত ও যথাযথ গবেষণা শুরু করেন। যুক্তরাষ্ট্রের Duke university in North Carolina ১৯২৭ সালে Rhine (এখন Rhine Research Center নামে পরিচিত) গড়ে তোলেন তিনি। কয়েকদশক ধরে তিনি ও তার স্ত্রী Louisa প্রথমবারের মতো কিছু বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা চালান যুক্তরাষ্ট্রে।
==
And She published wide varieties of parapsychological phenomena in peer- reviewed publications.এসব পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের প্যারাসাইকোলজিক্যাল (Parapsychological) ঘটনা ছিল। সেগুলো কিছুই জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে। Rhine তার প্রথম বইতে, “Extrasensory perception” বা শব্দটি প্রথম চালু করেন।
===
Rhineএর গবেষনাগার আসলে সাইকিক গবেষনার একটা মানদন্ড ঠিক করে দিয়েছে। তার সহযোগী Dr.Karl Zener পাঁচটি সংকেত এর কার্ড সিস্টেম (five symbol card system) তৈরি করেন। এটি এখন Zener cards নামে পরিচিত।
===
টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা পরীক্ষা করতে এই Zener cards ব্যবহার করা হয়। যদিও অধিকাংশ ফলাফলে টেলিপ্যাথির কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি । তবে অতি অল্প সংখ্যক পরীক্ষা থেকে মনে হয়, কম হলেও প্রাপ্ত তথ্য- উপাত্তের সঙ্গে টেলিপ্যাথের তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে, যেগুলোকে সত্যিকার অর্থে এখনও ব্যাখ্যা করা যায় নাই।
===
১৯২৭ সালে Rhine , Lady Wonder কে বিশদভাবে পরীক্ষা করে বলেন, “There is left then only the telepathic explination that transference of mental influence by an unknown process. Nothing was discovered that failed to accord with it, and no other hypothesis proposed seems tenable in view of the results” (Randi,p,51). মানে ‘এই টেলিপ্যাথির একমাত্র ব্যাখ্যা হলো, অজ্ঞাত কোন প্রক্রিয়ায় মানসিক প্রভাব স্থানান্তর করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে মিলতে পারে, এমন কিছুই পাওয়া যায়নি। আবার ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত অন্য কোন অনুমানও এখানে ধোপে টেকে না’।
অবশ্য পড়ে Melbourne Christopher ঐ Lady Wonder এর টেলিপ্যাথিক ক্ষমতার সত্যিকারের উৎস উদঘাটন করেন। ঘোড়ার মালিক খুবই সুক্ষভাবে চাবুকের মাধ্যমে ঘোড়ার কাছে বার্তা পাঠাত। এভাবে লেডি ওয়ান্ডার তার খুর ঠক ঠক করা থামাতো
===
Telepathy and Star Gate.
টেলিপ্যাথি ও স্টার গেট।
**
প্যারানরমাল ঘটনায় আগ্রহের পারদ ভয়াবহ বেড়ে যায় ঠান্ডা যুদ্ধের সময়। সে সময় টেলিপ্যাথি, মননিয়ন্ত্রণ ও দূরবর্তী দর্শন নিয়ে অসংখ্য গোপন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। (অন্যের মন পড়ে শুধু মনের মাধ্যমে দূরের কোনো জায়গায় দেখার পদ্ধতিকে বলা হয় remote viewing বা দূরবর্তী দর্শন)।
136000
Truth Seekers🧠 logo
Truth Seekers🧠

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১১:০০

চলুন মানুষের মনের কথা পড়ি। বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা

Telepathy
টেলিপ্যাথি।

আমরা যদি মানুষের মনে কথা জানতে পারি কেমন হয়? যদি একজন আরেকজনের সাথে দুরদূরান্ত থেকে কোনও মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে কেবল মনে মনে কথা বলতে পারি তাহলে সেটা কেমন হবে? একসময় কি মানুষ ভাবতে পেরেছে মোবাইল ফোনে তারা কথা বলতে পারবে? এখন কিন্তু এটি স্বাভাবিক।
==
তবে মানুষ যদি আরেক জনের মন পড়তে পারে, যদি বুঝতে পারে কে সত্য কথা বলছে কে মিথ্যা কথা বলছে বা কে কি ভাবছে তাহলে তো কেল্লা পতে!
==
তবে অনেকের মতে টেলিপ্যাথের মতো সত্যিকার Lie detector সাধারণ সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে অস্বস্তির মুখে ঠেলে দেবে। কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ মিথ্যা সমাজে একটি social grease এর মতো কাজ করে, যা সমাজের চাকা সচল রাখতে সহায়তা করে।আমাদের বস, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,স্বামী বা স্ত্রী, প্রেমিকা ও সহকর্মীদের যে প্রশংসা করি, তা যদি কোনভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন হয়, তাহলে আমাদের সম্মান হয়তো মুহূর্তেই ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে। সত্যিই লাই ডিটেক্টর আমাদের পারিবারিক সব গোপনীয়তা, গুপ্ত আবেগ, অবদমিত ইচ্ছা ও গোপন পরিকল্পনা ফাঁস করে দিতে পারে।
==
বিজ্ঞান কলামিস্ট David Jonez বলেন, প্রকৃত লাই ডিটেক্টর, “like the atom bomb, it is best reserved as a sort of ultimate weapon” পারমাণবিক বোমার মতো। একে চূড়ান্ত অস্ত্র হিসাবে সংরক্ষিত রাখাই ভালো। একে যত্রতত্র মোতায়েন করা হলে সামাজিক জীবন অসম্ভব হয়ে উঠবে”।
==
“ছলচাতুরি থেকে সত্যকে আলাদা করতে পরীক্ষার ব্যাপারে তীব্র আকাঙ্ক্ষা বিজ্ঞানে নিন্দিত হবে”, বলে সতর্ক করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের neurobiologist , Steven Hyman। He says, “ There is an incredible hunger to have tests to separate truth from deception ,science be damned”.
===
যাইহোক এনিয়ে আজকে চলুন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে আলোচনা করি।
এই Telepathy র বিষয়টি বহু পূর্ব থেকেই মানুষ করায়ত্ত করতে চেষ্টা করেছে এবং অনেক সময় বহু আশ্চর্যজনক ঘটনাও ঘটেছে।
সেই সকল ঘটনা থেকে কিছু ইতিহাস ছোট করে বলে নেই।
***
সেই ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত Astounding Science Fiction নামে একটি ম্যাগাজিনে American-Canadian writer A. E. van Vogt সাহেব Slan নামে একটা science fiction novel লেখেন। লেখাটি সেই সময় বেশ সাড়া ফেলে দেয়। Novel টি ১৯৪১ সালের সেরা novel হিসাবে Retro-Hugo Award পায়।
==
নভেলে একটি ভবিষ্যত পৃথিবীর কল্প কাহিনী বলে যেখানে মানুষে মধ্যে দুটো দল হয়ে যাবে। এক দল মানুষ কে বলা হয়েছে the norm বা সাধারন জনগোষ্ঠি আরেকটা দল থাকবে যারা the Slan । এই Slan দলের মানুষের টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা থাকবে এবং তারা মানুষের সব গোপন তথ্য জেনে যাবে। এই Slan দলের মূল চরিত্র Jommy Cross কে নিয়ে Novel টা এগিয়ে গেছে। আমি উপন্যাসটি বর্ননা করছি না। কেবল বললাম যে ঐ প্রথম একটা টেলিপ্যাথিক সমাজের কথা উঠে আসে মানুষের চিন্তার জগতে।
==
Telepathy এর মাধ্যমে নিরবে কথা আদান প্রদান মানুষের Mind reading ক্ষমতা এ্যকাডেমিক ফিল্ডে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
==
Telepathy বিষয়টি আরও ব্যাপকতা লাভ করে Isaac Asimov এর Foundation নামক এক science fiction series এর মাধ্যমে । সিরিজটি ১৯৫১ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ভাবে প্রকাশ হয়। যেখানে Hari Seldon নামক এক ব্যাক্তি কে চরিত্রায়ন করা হয়, psychohistorian হিসাবে। যিনি তৎকালীন The Galactic Empire এর দু:শাসন দেখে ভবিষ্যত বুঝতে পারেন যে মানুষ জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।তাছাড়া তিনি জানতে পারেন Mule নামে এক টেলিপ্যাথ এই Galactic সম্রাজ্যের সবাইকে নিয়ন্ত্রন করে সম্রাজ্যটিকে ধ্বংস করে দেবে। তাই তিনি বিভিন্ন গ্রহের জ্ঞানী,বিজ্ঞানীদের নিয়ে Foundation নামে একটি মিশন পরিচালনা করেন যাতে করে তারা মানব সভ্যতার সকল জ্ঞান,তথ্য সংরক্ষন করে নতুন করে মানবসভ্যতা নির্মান করতে পারেন। মূলত এই নভেলের মূল থীমই হলে psychohistory নির্ধারন করা। অর্থাৎ মানুষের টেলিপ্যাথিক বিশাল ক্ষমতা অর্জন যা মানব উন্নয়নে কাজে লাগবে।
===
বাস্তব ইতিহাসে অন্যতম বিখ্যাত এক টেলিপ্যাথির ঘটনা ঘটে ১৮৯০ সালে। Clever Hans নামের একটি ঘোড়া ১৮৯০ এর দিকে European দর্শকদের বিস্মিত করে। দর্শকদের অবাক করে দিয়ে Clever Hans জটিল সব গণিত কষে ফেলতে পারতো। কেউ যদি Clever Hans কে জিজ্ঞেস করতো ৪৮ থেকে ৬ ভাগ করো, তাহলে ঘোরাটি ৮ বার খুর দিয়ে শব্দ করত। ১৯০৭ সালে psychologist Oskar Pfungst কিছু কঠিন পরীক্ষা চালান। শেষ পর্যন্ত Clever Hans এর গোপন রহস্য উদঘাটিত হয়।
ঘোড়াটি আসলে তার প্রশিক্ষকের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি খেয়াল করত। শিক্ষকের অভিব্যক্তির সূক্ষ্ম পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সে পায়ের খুড়(hoofs) দিয়ে আঘাত করত। অভিব্যক্তির পরিবর্তন হলে সে খুর চালানো থামাত। Clever Hans মানুষের মন পড়তে পারত বা পাটিগণিত করতে পারত না; প্রকৃতপক্ষে সে লোকজনের মুখের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষক ছিল।
162003

Showing 30 of 119 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Truth Seekers🧠 টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Truth Seekers🧠 (@subtitlewithbotol) tgdio-এ রাজনীতি ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ৬,৮৯০ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Truth Seekers🧠 (@subtitlewithbotol) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @subtitlewithbotol-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Truth Seekers🧠 কি ভালো রাজনীতি চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Truth Seekers🧠-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ৬,৮৯০ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই রাজনীতি চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Truth Seekers🧠-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @subtitlewithbotol পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।