Tasawwuf - তাসাউফ Telegram channel photo

Tasawwuf - তাসাউফ

@tasawwufofficialPublic Channel

তাসাউফ সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও অলাভজনক একটি উদ্যোগ।এটি কোনো দল,গোষ্ঠী বা সংগঠন, কারো সাথে যুক্ত না।তাসাউফ ,আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়া অশ্লীলতা,বিশেষ করে পর্নোগ্রাফির ভয়াবতা সম্পর্কে সচেতনা সৃষ্টির একটি প্ল্যাটফর্ম মাত্র। 🔘 FB: www.facebook.com/tasawwufofficial

ধর্মবাংলাভারত

414

Last views

27.6k (27,556 subscribers)
সদস্য
—
Rating
82
Total Posts
Oct 21, 2026, 4:02 AM
আপডেট হয়েছে
Apr 1, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameTasawwuf - তাসাউফ
Username@tasawwufofficial
Categoryধর্ম
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য27,556
Channel TypePublic Channel
Created১ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated২১ অক্টো, ২০২৬ • গত পরশু
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#233288-54
ভাষার র্যাঙ্কিং
#553-4
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#4641-3

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 27.6K30 Days growth: -1460.5%
09/2109/2610/0110/0610/1110/1610/20
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
21:09:202627,702
22:09:202627,702
23:09:202627,702
24:09:202627,702
25:09:202627,702
26:09:202627,702
27:09:202627,702
28:09:202627,702
29:09:202627,702
30:09:202627,702
01:10:202627,702
02:10:202627,702
03:10:202627,702
04:10:202627,702
05:10:202627,702
06:10:202627,702
07:10:202627,702
08:10:202627,702
09:10:202627,702
10:10:202627,702
11:10:202627,702
12:10:202627,702
13:10:202627,607
14:10:202627,607
15:10:202627,607
16:10:202627,607
17:10:202627,607
18:10:202627,607
19:10:202627,607
20:10:202627,556
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 30:03:202627,969
Week of 06:04:202627,884
Week of 13:04:202627,899
Week of 20:04:202627,853
Week of 27:04:202627,853
Week of 04:05:202627,853
Week of 11:05:202627,877
Week of 18:05:202627,877
Week of 25:05:202627,877
Week of 01:06:202627,793
Week of 08:06:202627,793
Week of 15:06:202627,793
Week of 22:06:202627,740
Week of 29:06:202627,740
Week of 06:07:202627,740
Week of 13:07:202627,825
Week of 20:07:202627,825
Week of 27:07:202627,824
Week of 03:08:202627,834
Week of 10:08:202627,834
Week of 17:08:202627,761
Week of 24:08:202627,730
Week of 31:08:202627,730
Week of 07:09:202627,738
Week of 14:09:202627,702
Week of 21:09:202627,702
Week of 28:09:202627,702
Week of 05:10:202627,702
Week of 12:10:202627,607
Week of 19:10:202627,556
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
April 202627,853
May 202627,877
June 202627,740
July 202627,824
August 202627,730
September 202627,702
October 202627,556
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
202627,556

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1মাননীয় প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman, আমাকে ক্ষমতা দিন মাত্র এক মাসের জ3.4K
  2. #2এসব আজকে ইগনোর করছেন, একদিন ঠিকই পস্তাবেন। পাকিস্তান সরকার এবং সেনাবাহ3.1K
  3. #3তুমি সাবধান হও!3.1K
  4. #4এই দৃশ্যটি শুধু কিছু অসহায় ছানার গল্প নয়,এটি আমাদের সময়ের এক নির্মম3.0K
  5. #5প্রথম আলোর অপ-সাংবাদিকতা!3.0K
  6. #6🆕 [এমন আরো দেখুন...](https://t.me/TasawwufOfficial/8509)2.9K
  7. #7লম্বা লম্বা কথা বললে কখনোই ক্ষমতায় যেতে পারবো না: খালিদ হোসেন হাফি2.8K
  8. #8💔2.7K
  9. #9🌸 কেউ যাদু করেছে কিনা কিভাবে বুঝবেন?2.7K
  10. #10গুনাহে পতিত হওয়ার কারণসমূহ2.7K

সাম্প্রতিক পোস্ট

Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

২২ অক্টো, ২০২৬, ২৩:০৭

এবার পূজা উপলক্ষ্যে অন্য যেকোন বারের চেয়ে মুসলিম উম্মাহর ঈমানি করুণ হালতের বাস্তবতা ভয়াবহভাবে সামনে এসেছে। রিদ্দা মহামারি আকারে মুসলিমদের চিন্তার জগতে ছড়িয়ে পরেছে।

ঈমান ও কুফরের সীমারেখা তাদের সামনে আজ মুছে গেছে। ঈমান ও কুফরের সীমারেখা তাদের কাছে গুরুত্বহীন। আল্লাহ ও তার রাসুলের নির্দেশ নয়, ঈমান আজ তাদের মনে করা বস্তুতে পরিণত হয়েছে। এজন্য তারা নির্দ্বিধায় "আমি মনে করি" বাক্যে নিজেদের ঈমান ও ইসলামকে আটকে ফেলছে।

কুফর ও শিরকের ভয়াবহতা ও অপরাধ তাদের কাছে লঘু হয়ে গেছে। যেই অপরাধ আল্লাহ সবচেয়ে বড় জুলুম হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, যেই অন্যায়কে আল্লাহ ক্ষমার অযোগ্য বলে ঘোষণা দিয়েছেন, সেই বিষয়টিই আজ তাদের কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।

আচ্ছা আপনার জন্মে অংশীদার দাবি করছে একাধিক পুরুষ। সেই উপলক্ষ্যে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আপনার কাছে কি সেই আয়োজন উৎসবের বিষয় হতে পারে?

মিডিয়াগুলোর আচরণও একটু খেয়াল করুন। এরা পূজায় অংশগ্রহণকে মুসলিম সমাজে নরমালাইজ করার জন্য নামধারী মুসলিম আর নায়িকা গায়িকাদের অংশগ্রহণকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করছে। শিরকের মত জঘন্য ও ঘৃণ্য বিষয়কে মুসলিম সমাজে উপভোগ্য করে তোলার জন্য লিবারেল ও সেকুলার সিস্টেম সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।

এই সিস্টেম হল রিদ্দার সিস্টেম। যেখান থেকে রিদ্দা উৎপন্ন হয়। এই রিদ্দাহ সরাসরি আল্লাহ কিংবা ইসলামকে অস্বীকার করে না। কিন্তু ঈমান ও কুফরের সীমারেখা মুছে দেয়। শিরক ও তাওহিদকে একাকার করে ফেলে। আল্লাহর নির্ধারিত হালাল হারামের সীমানাকে বিলুপ্ত কিংবা গুরুত্বহীন করে দেয়।

আধুনিক এই রিদ্দার মহামারি নিয়ে ইনশাআল্লাহ হিউম্যান বিয়িং ২ এ বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

~ইফতেখার শিফাত
4140014
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৮:০৬

হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ এ যা বুঝলাম, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের সবাই নাস্তিক।

জামাত, বিএনপি, এনসিপি এমনকি দেশের ৯০% মুসলমানের মধ্যে ৫০%ই নাস্তিক।
7590044
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

২২ অক্টো, ২০২৬, ০৯:৩৪

দুর্গাপূজা গেল। একটা হিসাব বাকি রয়ে গেল।

প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেছে। ঢাকের শব্দ থেমে গেছে। প্যান্ডেলের বাঁশ খুলে নিয়ে যাচ্ছে মিস্ত্রিরা।

কিন্তু একটা জিনিস বিসর্জন হয়নি।

এই কয়দিনে কত মুসলমান মণ্ডপে ঢুকলাম, হাতে প্রসাদ নিলাম, মুখে তুললাম, ছবি তুলে লিখলাম "সম্প্রীতি"। সেই মুখগুলো কি রাতে একবারও ভাবল, কী খেলাম, কার নামে খেলাম?

কেউ ভাবেনি। কারণ আমাদের শেখানো হয়েছে, এটাই সম্মান।

এবার আমি আপনাকে চৌদ্দশ বছর পেছনে নিয়ে যাব। শেষ লাইন পর্যন্ত আসুন। কারণ শেষে এসে আপনার মনে হবে, আমরা পুরো হিসাবটাই উল্টো করে শিখেছি।

মদিনার রাস্তা। একটা লাশ যাচ্ছে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসা ছিলেন, হঠাৎ উঠে দাঁড়ালেন। সাহাবিরা চমকে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, এ তো ইহুদির জানাজা! তিনি তাকালেন। বললেন, সে কি একটা প্রাণ নয়?

একটা ইহুদির লাশের জন্য আসমানের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটা উঠে দাঁড়ালেন।

নাজরান থেকে খ্রিস্টানরা এলো। তিনি তাদের বসালেন মসজিদে নববীতে। প্রার্থনার সময় হলে বললেন, করো, এখানেই করো। ইহুদিদের সাথে সনদ লিখলেন: তোমাদের দ্বীন তোমাদের, তোমাদের জান মাল আমার জিম্মায়। আর একটা কথা রেখে গেলেন, যেটা শুনলে বুক কেঁপে ওঠে: যে কোনো চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমের ওপর জুলুম করবে, কিয়ামতের দিন আমি নিজে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াব।

এটা সম্মান। যে সম্মানে জীবন বাঁচে, ইজ্জত বাঁচে, ইনসাফ বাঁচে।

এখন প্রশ্ন। এই মানুষটা, যিনি ইহুদির লাশের জন্য দাঁড়িয়ে যান, তিনি কি কখনো তাদের উপাসনায় গিয়ে দাঁড়িয়েছেন?

মক্কার কুরাইশরা একদিন ঠিক এই প্রস্তাবটাই নিয়ে এলো। খুব নরম সুরে। বলল, এত ঝগড়া কেন? এক বছর তুমি আমাদের দেবতার পূজা করো, এক বছর আমরা তোমার আল্লাহর ইবাদত করব। মিলেমিশে থাকি।

চিনতে পারছেন প্রস্তাবটা? এটাই আজকের "সম্প্রীতি"।

জবাব নবীজি দিলেন না। জবাব এলো আসমান থেকে। একটা পুরো সুরা নাজিল হলো, আর তার শেষ লাইন: লাকুম দীনুকুম ওয়া লিয়া দীন। তোমাদের দ্বীন তোমাদের, আমার দ্বীন আমার।

একই মানুষ। প্রতিবেশীর জন্য জান দিয়ে দিতে রাজি। তার পূজায় এক পা ফেলতে রাজি নন।

তখনকার সম্মান মানে ছিল, তোমাকে রক্ষা করব। এখনকার সম্মান মানে হয়ে গেছে, তোমার প্রসাদ খাব। আমরা শুধু সম্মানের সংজ্ঞা বদলাইনি, আমরা ইমানের জায়গায় প্রসাদ বসিয়ে দিয়েছি।

আল্লাহ নিজে বলেছেন, যারা দ্বীন নিয়ে তোমাদের সাথে লড়েনি, তাদের সাথে সদাচরণ আর ইনসাফ করতে তিনি নিষেধ করেন না। এক আয়াত। আর সেই একই আল্লাহ বলেছেন, যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে, তা তোমাদের জন্য হারাম। আরেক আয়াত। একই কিতাব। আমরা প্রথমটা দিয়ে দ্বিতীয়টা মুছে দিয়েছি, আর নাম দিয়েছি উদারতা।

এবার আমার কথা।

আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। যে পথ ছেড়ে এসেছি, সেটা আমি চিনি। সেই পথ ছাড়তে কী কী হারাতে হয়, সেটাও জানি। তাই যখন দেখি জন্মসূত্রে পাওয়া ইমানটাকে কেউ মণ্ডপের গেটে জুতার মতো খুলে রেখে ঢুকে যাচ্ছে, আমার কলিজা ছিঁড়ে যায়। আমি যেটার জন্য সব ছেড়েছি, সেটা কারও কাছে এক থালা প্রসাদের দাম।

স্পষ্ট করে বলছি, কেউ ভুল বুঝবেন না।

আমার হিন্দু ভাই আমার দেশের মানুষ। একই মাটি, একই ছাদ, একই আকাশ। তাঁর নিরাপত্তা আমার দায়িত্ব। তাঁর বিপদে আমি সবার আগে দৌড়াব। তাঁর ইজ্জতে কেউ হাত দিলে আমি রুখে দাঁড়াব। নবীজি আমাকে তাই শিখিয়েছেন।

কিন্তু আমি মুসলমান। আমি আমার পবিত্র কোরআন মানব। আমার আল্লাহর কথা মানব। তাঁকে সম্মান দিতে তাঁর মণ্ডপে ঢুকতে হয় না। তাঁর প্রসাদ খেতে হয় না। সম্মান দিতে ইমান বন্ধক রাখতে হয় না।

ভালোবাসা দেব। ইনসাফ দেব। জীবন দিয়ে হলেও নিরাপত্তা দেব। ইমান দেব না।

~ মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)
1,2600076
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

২১ অক্টো, ২০২৬, ২০:৫৯

Photo1/2
বাংলাদেশী মুসলিমরা যখন পূজায় গিয়ে দ্বীন, ইমান বিসর্জন দিচ্ছে ঠিক তখনই আসামে দুইদিনে অন্ততঃ ১১শ মুস'লিম পরিবারকে ঘরছাড়া করা হল। আরো ভাল করে পূজা উপভোগ করুন।

ছবিতে গড়াগড়ি খাওয়া লোকটা আসামের একজন হতভাগা মুসলিম। নিজের পৈতৃক আদিনিবাস ও তিলে তিলে ঘরা বসতবাড়িকে চোখের সামনে চূর্ণবিচূর্ণ হতে দেখে সহ্য করতে না পেরে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছেন!

ধন্যবাদ...
1,52000109
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

২১ অক্টো, ২০২৬, ১১:৪৩

কোনটা বেশি জরুরী? নারী নিজেকে ঢেকে রাখা নাকি পুরুষের দৃষ্টি অবনত রাখা?

আপনার প্রশ্নটা এমন, দুই নামাজের কোনটা ফরজ, ফজর না জোহর?

~শায়খ আতিক উল্লাহ (হাফি.)
1,6700092
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

২১ অক্টো, ২০২৬, ০৭:৩৮

Photo1/2
বাংলাদেশে চিকিৎসার মোট ব্যয়ের বড় অংশই বহন করতে হয় রোগী ও তাঁদের পরিবারকে। বিশ্বব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের ৭৯.৩১ শতাংশ এসেছে রোগীর নিজস্ব পকেট থেকে। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ টাকা স্বাস্থ্যব্যয়ের মধ্যে প্রায় ৭৯ টাকা সরাসরি রোগী বা তাঁর পরিবারকে দিতে হয়েছে। প্রতিবেশী ভুটানে এই হার ছিল মাত্র ২৫.৪৬ শতাংশ।

নিজের পকেট থেকে চিকিৎসার খরচ বেশি হওয়ায় অসুস্থতার সময় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। বিশেষ করে হাসপাতালে ভর্তি, ওষুধ কেনা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যয় পরিবারের ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে।
1,7000048
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৯ অক্টো, ২০২৬, ১৭:৪৮

(শেষ পর্ব) আমি কি এতই খারাপ? আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন না??

আল্লাহ বলছেন, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং হক্ব কথা বলো! আমরা এই কাজটা করলে কি হবে?

একথা আল্লাহ বলছেন ঠিক পরের আয়াতে। আল্লাহ বলছেন, "ইয়ুছলিহ লাকুম্ আ'মালাকুম" তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করবেন। আমলগুলোর ইছলাহ করে দেবেন। যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তারা নিশ্চয় ইলেকট্রোপ্লেটিং এর কথা জানেন। লোহার একটা ত্রুটি হল খোলা জায়গায় রাখলে মরিচা ধরে যায়। লোহার এই ত্রুটি দূর করার জন্য অন্য ধাতু যেমন রুপার প্রলেপ দেওয়া হয়। উদাহরণ হল ঘড়ির কাটা! আল্লাহ এই আয়াতে আমাদের আমলের ত্রুটি সংশোধন করে দেওয়ার কথা বলছেন। আমরা যদি আল্লাহকে ভয় করি আর সত্য কথা বলি তাহলে আমাদের প্রয়োজনীয় আমল আল্লাহ আমাদের দিয়ে করিয়ে নিবেন। এরপরও আমাদের ভুল ত্রুটি থাকবে, গুনাহ হবে।

এই আয়াতে তাই আল্লাহ আরো বলছেন, "অইয়াগফির লা কুম যুনূবাকুম্", অর্থাৎ পাপগুলো মুছে দেওয়া হবে! আল্লাহু আকবর।
শুধু তাই নয় পাপের মূলোৎপাটন করে দ্বীনের প্রকৃত নির্যাস পেতে হলে আমাদেরকে আরো কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। জাহেল বন্ধু - যারা খারাপ, অশ্লীল, অনৈসলামিক কাজে উৎসাহ যোগায় তাদের সঙ্গ ত্যাগ করা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কেননা এসব বন্ধুর ব্যাপারে আল্লাহ বলেনঃ
"বন্ধুবর্গ সেদিন একে অপরের শত্রু হবে, তবে খোদাভীরুরা নয়।" [৪৩:৬৭]
এছাড়াও খারাপ কাজে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে এরকম স্থানগুলো এড়িয়ে চলা, গান বাজনা-মুভি-আবর্জনাস্বরূপ গল্প উপন্যাসের সমস্ত উৎস ধ্বংস করা এবং অবশ্যই অবশ্যই কৃত পাপকাজের বোঝা সরাতে বেশি বেশি ভালো কাজের দিকে মনোযোগ দেওয়া। এমন মানুষগুলোর সান্নিধ্যে থাকা যারা আপনাকে দ্বীনের পথে অনুপ্রাণিত করবে, যারা আপনাকে শোধরে দিবে এবং যারা আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসবে।

দ্বীন ইসলাম একটা ফলদায়ক বৃক্ষের মত যা আপনাকে ক্ষুধায় ফল দিবে, ক্লান্তিতে ছায়া দান করবে। কিন্তু সেজন্য প্রয়োজন সেই বৃক্ষের পরিচর্যা। যে অন্তরে আল্লাহর দ্বীন গেঁথে যাবে সে অন্তর থেকে ফিতনা আর পাপের উপকরণগুলো আপনা থেকেই বেরিয়ে পড়বে। তারপরও আমরা ভুল করে ফেলি, প্রবৃত্তির তাড়নায় পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে যাই। একমাত্র আল্লাহর ক্ষমা আর দয়া ছাড়া এ থেকে উত্তরণের কোন পথ আমাদের নেই। ক্ষমা মানে কি? ক্ষমা মানে হল আল্লাহ আমাদের অতীতের সমস্ত পাপ মুছে তা পূণ্যে পরিণত করবেন। খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) রাসূল (সঃ) এর হাতে বাইয়াত করার সময় বলেছিলেন, আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে যত পাপ আমি করেছি তা ক্ষমার জন্য দু'য়া করুন। রাসূল (সঃ) বলেছিলেন, ইসলাম অতীতের সকল গুনাহর খাতা নিশ্চিহ্ন করে দেয়! আল্লাহু আকবর।
আমরা খুব করে চাইব আল্লাহ যেন আমাদেরকে তার দ্বীনের পথে অটল থাকার তৌফিক দেন। আমরা মনে প্রাণে আল্লাহর কাছে দোয়া করব যেন তিনি আমাদের অন্তরটাকে পাপমুক্ত করে তাঁর দ্বীনের সাথে বেঁধে নেন। একদিন আপনি নিজেই পরিবর্তনটা আচঁ করতে পারবেন। মসজিদ থেকে স্বলাত শেষ করে যখন একা একা বাসায় ফিরবেন, ঠান্ডা পানিতে ওযু করে যখন জায়নামাযে দাঁড়াবেন, কোন পাপকাজের সংস্পর্শে এলেই যখন কিছু একটার বাধা অনুভব করবেন তখন আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনি একা নয়। কেউ একজন আপনার সাথে আছেন। কেউ একজন আপনাকে দেখছেন। মহান আল্লাহর সাথে এই মুরাকাবাহ, আপনার তাক্বওয়া, একটু একটু করে গড়ে উঠা ঈমানই তখন শয়তান আর প্রবৃত্তির সাথে লড়াই করে আপনাকে ঠিকিয়ে রাখবে। আল্লাহ আমাদের সেই অবস্থায় মৃত্যুর তৌফিক দান করুন যে অবস্থায় আমরা আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট আর আল্লাহও আমাদের উপর সন্তুষ্ট। আমীন।

|| সমাপ্ত

পূর্বের পর্বঃ https://t.me/TasawwufOfficial/8546
2,3300010
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৯ অক্টো, ২০২৬, ১৩:০৮

Photo1/2
হিন্দু ছেলে মাদ্রাসা ছাত্রীকে নির্জন গ্রামের রাস্তায় একা পেয়ে পোশাক ছিড়ে ধর্ষN চেষ্টা করেছে। আজকের ঘটনা।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে জোরপূর্বক পোশাক ছিঁ'ড়ে ফেলার চেষ্টার অভিযোগে সুরেশ কান্তি দাশ (২৫) নামে এক যুবককে আ'টক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাটকোলামুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক সুরেশ কান্তি দাশ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
2,0500046
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৮ অক্টো, ২০২৬, ২১:২৩

Photo1/2
"বিবাহে মাহর অতিরিক্ত বাড়িয়ে দেওয়া মাকরূহ। আর তা বিবাহের বরকত কম হওয়া এবং বিবাহকে কঠিন করে তোলার অন্যতম কারণ"।
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
[যাদুল মাআদ: ৫/২৪৮]
.
@TasawwufOfficial
2,3600033
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১৯:০২

কলকাতায় পূজোর মন্ডপে পদদলিত হয়ে ১৭ জন "হিন্দু” মারা গেছে। সেই পোস্টের নিচে অসংখ্য আলহামদুলিল্লাহ কমেন্ট দেখলাম।

বাংলাদেশের কক্সবাজারে ইনানিতে এক রিসোর্টে আগুন লেগে ১০ জন “মুসলমান" পর্যটক মারা গেছেন। সেই পোস্টের কমেন্টের নিচে অসংখ্য আলহামদুলিল্লাহ দেখলাম।

সৌদিতে দুই জন বাংলাদেশীকে “কথিত” অভিযোগ তুলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, অ্যামবাসিতে না জানিয়ে, দেশে খবর না পাঠিয়ে তড়িঘড়ি করে জবাই করে ফেলা হলো। সেই পোস্টের নিচেও আলহামদুলিল্লাহ দেখলাম।

আমি না আসলে এখন আর জানি না...

আলহামদুলিল্লাহ শব্দের অর্থ কী,
এটা কখন ব্যবহার করতে হয়,
এটা কেন ব্যবহার করতে হয়,

এত জঘন্য, এত জঘন্য, এতই জঘন্য কেমনে হইতে পারে একটা বিশেষ শ্রেণীর মানুষ?

কেমনে?
2,2100068
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১৩:১০

Photo1/2
এই জরিমানা কি মোহাম্মদপুরের সেন্টজুসেফসহ এখানকার এই খৃস্টান স্কুলগুলোকে করা হবে?
এখানে প্রতিদি সকালে এবং দুপুরে যেই জ্যাম হয় তা অসহনীয়। এই পথে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ কঠিন ভোগান্তির শিকার হন প্রতিদিন। এখানে একেকজন বাচ্চার জন্য একটি করে গাড়ি। আশে পাশে আরও কয়েকটি স্কুলের স্কুলভ্যান, স্কুলবাস। সবমিলিয়ে যানজট হয় অকল্পনীয়। কোনো মায়ের সন্তান এমন ম্যাজিস্ট্রেট কি আছে যে এদের জরিমানা করবে?
পারবে না।
কারণ এখানে কয়েকটি স্কুল খ্রীস্টানদের।
কবি নীরব।
2,3800046
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৭ অক্টো, ২০২৬, ২৩:২৬

রাত ২.১৫ বাজে। এখনো জেগে আছেন? তাহলে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কবিতা আপনার জন্য!

.

"জেগে আছো, তবে ফেরেশতাগণ লেখার মতন কিছু পায় নাই
—এ জেগে থাকার চেয়ে ঘুমানোই তোমার জন্য বেশি ভালো, ভাই।
সময়ের এই পরিক্রমায় শেখার মতন কত কিছু পাই!"

- হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কবিতা। কবি আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীবের অনুবাদ।

ব্যাখ্যা:

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কবিতাটি এই সময়ে কতো প্রাসঙ্গিক। এই মুহূর্তে আমরা মোবাইল হাতে নিয়ে কী করছি, শুধু শুধু স্ক্রল করছি। সময় নষ্ট করছি। ডান কাঁধের ফেরেশতা নেক আমল লেখার মতো কিছু পাচ্ছে না আমার কাছ থেকে। তাহলে ঘুমানোই উত্তম।

তারউপর যদি এমন হয়, বাম কাঁধের ফেরেশতা এই মধ্যরাতে আমার গুনাহর খাতায় শুধু গুনাহ লিখতেই আছে, তাহলে তো জেগে থাকার চেয়ে আমার ঘুমই উত্তম।

~আরিফুল ইসলাম
2,5000059
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৬ অক্টো, ২০২৬, ২২:৩৪

এপিটাফ_উস্তাদ_মুহাম্মাদ_হুবলস.pdf27.5 MB
লেখক : সাজিদ ইসলাম
প্রকাশনী : বুকমার্ক পাবলিকেশন
বিষয় : আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা, দাওয়াহ, দ্বীনের পথে আহ্বান।

চোখ ধাঁধানো এই আলোর শহরে উদ্দেশ্যহীন আমাদের এই জীবনগুলোতে সম্বিৎ ( জ্ঞান, হুঁশ, বুদ্ধি ) ফিরে পাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে কিছু ঝাঁকুনি, ধাক্কার দরকার পড়ে। এই বইটি সেই ধাক্কা হিসেবে কাজ করবে।

🛍️ সামর্থ্যবান হলে বইটি কিনে পড়ুন:

@tasawwufofficial
2,1800013
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৩৪

বাংলাদেশের কোথাও গরু জবাই কিংবা গরুর গোশত রান্না নিষিদ্ধ হতে পারবে কেন!

বাংলাদেশের ইঊনিভার্সিটির শিক্ষকদের মাঝে ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির চরের সংখ্যা অত্যধিক পরিমাণে বেশি। বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনে ও দেশের সমস্ত সমস্যার পেছনে যারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। যার নমুনা নিয়মিত ফুটে উঠছে এখন।

বাংলাদেশে গরুর গোশত খাওয়ার বিরোধীরা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুকিপূর্ণ বলে আমি মনে করি। কারণ, ওনাদের গরু বিষয়ক তৎপরতা চরম আগ্রাসী ও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের জাতীয় নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশকে গ্রাস করার জন্য মনস্তাত্ত্বিক আগ্রাসনের অংশ হিসাবে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের জাতিগত বিদ্বেষমূলক আইন এদেশের মানুষের ওপর ইনিয়ে-বিনিয়ে চাপানোর প্রচেষ্টার অংশ হলো ওদের এসকল তৎপরতা।

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে খাবারের ওপর বিধি-নিষেধ কেন থাকবে! আমেরিকার সমস্ত ইঊনিভার্সিটিতে অগণিত Vegan আছেন। কখনো তো দেখলাম না যে, UC Berkeley এর ডাইনিং হলে বিফ নিষিদ্ধ করা হয়েছে! আপনার কোনো আইটেমে সমস্যা থাকলে সেটি এড়িয়ে চলুন। নিজের পছন্দ অন্যের ওপর চাপাবেন না। দেশদ্রোহী হবেন না। ইণ্ডিয়ার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না।

ধন্যবাদ।

~রিভান এম
2,7000039
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৫ অক্টো, ২০২৬, ০৮:৩৯

(পর্বঃ ০২) আমি কি এতই খারাপ? আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন না??

সমাধান কি? সমাধান অনেক। সমাধান খোঁজার মানসিকতার চেয়ে বেশি জরুরী সমাধানকে সমাধান হিসেবে মেনে নেওয়ার মানসিকতা! নিজেকে আল্লাহর কাছে সঁপে দেওয়া। আন্তরিক তাওবা আর চেষ্টা করা। আল্লাহর কাছে খুব বেশি করে চাওয়া তিনি যেন আমাদেরকে দ্বীনের পথে রাখেন। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত স্বলাত আদায় করলেই আমাদের অনেকবার সূরা ফাতিহা পাঠ করার সুযোগ হয়। আল্লাহর সামনে বারবার বলার সুযোগ হয় 'ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম।' আবু বকর (রা) রাসূল (সঃ) এর নিকট এসে বললেন, আমাকে একটি দোয়া শিক্ষা দিন যা আমি স্বলাতে পাঠ করতে পারি। রাসূল (সঃ) বললেন, "বল, আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসি জুলমান কাছীরান ওয়ালা ইয়াগফুরুজজুনুবা ইল্লা আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম। (হে আল্লাহ! আমি আমার নাফসের উপর বেশি বেশি জুলুম করেছি, আর তুমি ব্যতিত গুনাহসমূহ কেউ ক্ষমা করতে পারেনা, সুতরাং তুমি তোমার নিজ গুণে আমাকে মার্জনা করে দাও এবং তুমি আমার প্রতি রহম কর, তুমি তো মার্জনাকারী দয়ালু।"

চিন্তা করুন আবু বকর (রাঃ) যিনি রাসূল (সঃ) এর পর উম্মাহর শ্রেষ্ঠ একজন মুসলিম, যিনি দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন তাকে রাসূল (সঃ) শিখিয়েছেন "হে আল্লাহ! আমি আমার নাফসের উপর বেশি বেশি জুলুম করেছি!" তাহলে আমাদের অবস্থা কেমন হওয়া উচিত? আল্লাহু আকবর! আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।
আরেকবার সাহাবীদের মধ্যে অন্যতম এবং জ্ঞান গরিমায় উত্তম ব্যক্তিত্ব মুয়ায (রাঃ) কে রাসূল (সঃ) বললেন, "হে মুয়ায! আমি তোমাকে ভালোবাসি।" মুয়ায (রাঃ) বললেন, "এবং আমিও আপনাকে ভালোবাসি হে আল্লাহর রাসূল।" তখন রাসূল (সঃ) বললেন, "প্রতিবার স্বলাতে এই দোয়াটি পড়তে ভুলো না, 'রাব্বি আ'ইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা। (হে আল্লাহ আপনার যিকরে, আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে এবং আপনার ইবাদাত করার কাজে আমাকে সাহায্য করুন।")
দোয়াটির দিকে খেয়াল করলে দেখব যাকে রাসূল (সঃ) অত্যধিক ভালোবাসতেন তাকে বলছেন সে যেন ইবাদাত করার কাজে আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন। কেননা আমরা যদি প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর সাহায্য না পাই তাহলে আমাদের কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহর ইবাদাত করার। তাই আমাদের উচিত হবে বেশি বেশি আল্লাহর সাহায্য কামনা করা যাতে তিনি আমাদের উপর যা আরোপিত করেছেন তা যেন আমরা সঠিকভাবে মেনে চলতে পারি। কারণ প্রতিটা মানুষেরই সীমাবদ্ধতা এবং কাঁধে পাপের বোঝা রয়েছে। আল্লাহ বলেন,
"…. মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।" [সূরা নূরঃ ৩১]
"আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অনন্তর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং অধিক আমলকারীকে বেশি করে দেবেন আর যদি তোমরা বিমুখ হতে থাক, তবে আমি তোমাদের উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি
।" [সূরা হুদঃ ৩]

" মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা কর-আন্তরিক তওবা। আশা করা যায়, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন আল্লাহ নবী এবং তাঁর বিশ্বাসী সহচরদেরকে অপদস্থ করবেন না। তাদের নূর তাদের সামনে ও ডানদিকে ছুটোছুটি করবে। তারা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্ব শক্তিমান।" [সূরা আত তাহরীমঃ ৮]

এই আয়াতগুলো নির্দেশ করছে যে আমরা যদি আল্লাহকে ভয় করে তাঁর কাছ থেকে পুরস্কার আশা করতে চাই তাহলে আমরা যেন আন্তরিক তাওবা করি, পাপ কাজ ছেড়ে দেই, অতীতের পাপের জন্য অনুতপ্ত হই এবং পাপ কাজে আর ফিরে না যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। তাহলে মহান আল্লাহ আমাদের জান্নাতে দাখিল করবেন ইনশাআল্লাহ। আর আমরা নিশ্চয় জানি আমাদের রাসূল (সঃ) দিনে শতবারেরও বেশি আল্লাহর কাছে তাওবা করতেন। আল্লাহু আকবর।
তাই পাপ কাজের তাওবা করে আবারও পাপ কাজে ফিরে যাওয়া কিংবা দ্বীন পালনের পাশাপাশি পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে গেলে আমাদের উচিত হবে তাওবার মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া। আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করা। মুসলিমের একটা হাদিস থেকে আমরা পাই রাসূল (সঃ) বলেছেন, আল্লাহ রাতে তাঁর হাত প্রসারিত করেন যারা দিনে পাপ কাজ করে তাদের তাওবা কবুল করতে। আবার দিনে তাঁর হাত প্রসারিত করেন রাতে যারা পাপ কাজ করে ফেলে তাদের তাওবা কবুল করতে। আল্লাহু আকবর।
সমাধান আরো আছে। যেমন আল্লাহ বলেছেন সূরা আহযাবে,
"হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল।" [৩৩:৭০]
"তিনি তোমাদের আমল-আচরণ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।" [৩৩:৭১]

চলবে ইনশাআল্লাহ
পর্ব২ঃ https://t.me/TasawwufOfficial/8538
2,6900022
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৪ অক্টো, ২০২৬, ১৯:১৭

Photo1/2
দোকানের নাম খেয়াল করুন
(আল আক্বসা)
প্রোঃ নাম (লিটন কুমার দাস)

রংমহল টাওয়ার সিলেট।
2,7000056
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৩ অক্টো, ২০২৬, ২০:০৬

"বেশি বাড়াবাড়ি করলে হিন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ গঠন করব!"

হেদু চৈতালী যখন এই রাষ্ট্রবিরোধী হুমকি দিল, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাউ'আ বলেছিল, "হয়তো স্লিপ অব টাং!"

অথচ রঠার ছবিতে কালি দেওয়ার অভিযোগে মুসলিম যুবকদের রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

একই রাষ্ট্রে একজনের মুখে আলাদা প্রদেশ গঠনের হুমকি হয়ে যায় কথার ভুল, আর অন্যদিকে ছবিতে কালি দেওয়ার অভিযোগে যুবকদের হতে হয় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি!

কোন লেভেলের মাদারবোর্ডদের রাষ্ট্রক্ষমতায় দিয়েছেন, টের পাচ্ছেন?
3,0900089
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৩ অক্টো, ২০২৬, ১৬:৩৫

ছবিটা আজারবাইজানের একটা স্কুল থেকে তোলা হয়েছে, ছবিটায় যে বাচ্ছাকে অসহায় ভাবে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে, তার অপরাধ সে সরকারের নির্ধারিত স্কুল ড্রেসকোড মেনে স্কুলে আসেনি।

সেই নির্ধারিত ড্রেস কোডটি কি?

সেই নির্ধারিত স্কুল ড্রেসকোডটি হচ্ছে এই বাচ্ছার পরনে যে ড্রেস দেখতে পাচ্ছেন তার থেকে শুধু হিজাবটা বাদ দিলেই সেটা নির্ধারিত স্কুল ড্রেসকোড হয়ে যাবে।

এটা কখন কার্যকর হয়েছে?

গত জুনে সরকার একটা বিল পাশ করে যেখানে বলা হয়েছে অফিসিয়াল ড্রেস কোডের বাইরে কোন ড্রেস পরিদান করে কেউ স্কুলে আসতে পারবেনা, সেটা স্টুডেন্ট এবং টিচার সবাই। এই কোডের কোথাও হিজাব শব্ধটি উল্লেখ নেই।

কিন্তু আজারবাইজা একটা মুসলিম প্রধান দেশ সেখানের মেয়েরা ছোট বেলা থেকে ইসলামিক মডীস্টি অনুযায়ী শালিন ড্রেস পড়ে থাকেন। যে শালিনতার একটা অংশ হচ্ছে হিজাব।

এখন অফিশিয়াল ড্রেসকোডের কোথাও হিজাব উল্লেখ না থাকয় হিজাব পড়ে স্কুলে গেলে সেটা মূলত সরকারের নতুন নিয়মে ড্রেসকোড ব্রেক করে। সো তারা অনেক বাচ্ছাকে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে, অনেক জায়গায় তাদেরকে স্কুলে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এবং অনেক জায়গায় শিক্ষকদের চাকরি চলে গেছে বা নিজেরাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছে যারা হিজাব পড়েন।

ঘটনা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, গত এক সপ্তাহে এটা এখন দেশের সবচেয়ে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে এই ড্রেসকোডের বিরুদ্ধে। Meduza রিপোর্ট বলছে আজকে প্রায় ৩৫ জঙ্কে গ্রেপ্তার করেছে।
তুর্কিয়েতে আজারবাইজান এম্বাসির সামনে বিক্ষোভ হয়েছে, সাথে ধর্মপ্রান আজারবাইজানের মানুষ মনে করছে এটা মূলত তাদের ধর্মিয় অনুভতীকে টার্গেট করা হয়েছে। যার মূল ভিক্টিম হচ্ছে ইসলামিক আদর্শ।

মধ্যে প্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং স্যস্টিমেটিক্যাল্লি স্পেসিফিক গ্রুপকে টার্গেট করার পেছনের কারিগর কারা সেটা যদি আপনি এখনো না বুঝেন তবে অপেক্ষা করেন এ বিপদ খুব দ্রুতই আপনাকে গ্রাস করতে আসছে।
2,4400058
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১৩ অক্টো, ২০২৬, ০৯:৫১

দুইটা ব্যক্তিগত অবজারভেশন। স্যাম্পলিং সীমাবদ্ধ; তাই কনক্লুশন টানবো না।

◧ ০১. ভার্সিটির মেয়েদের পর্দা, সতীত্ব আর ফ্রি-মিক্সিং নিয়ে দিনরাত ফুলটাইম ফেসবুক গরম করে রাখা গুরাবা ও অনলাইন মুজাহিদ ফেইক আইডি গুলোর পেছনে থাকা মানুষজন বেশিরভাগই সম্ভবত খাস বাংলায় ভন্ড, বেদ্বীন ও নোংরা পর্যায়ের দুশ্চরিত্র।

দাওয়াতি টোনের বদলে 'ভার্সিটির মেয়ে' নিয়ে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে লেখালেখি করা যতজনকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তাদের মধ্যে হাতেগোনা দুই-তিনজন বাদে বেশিরভাগই এখন পর্যন্ত দুশ্চরিত্র, বাটপার, লুইচ্চা, তালাকবাজ ও বেনামাজী প্রমানিত হয়ে খুবই বাজেভাবে এক্সপোজড হয়েছে।

◧ ০২. মানুষ হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই ত্রুটিযুক্ত। এখানে দাওয়াতী ইনটেনশনের বাইরেও নির্দিষ্ট বিষয়ে যারাই অতিরিক্ত সেনসিটিভিটি বা ট্রিগারনেস দেখায়, তাদের মধ্যে নির্দিষ্ট করে সে বিষয়েই গুরুতর সমস্যা থাকার সম্ভাবনা প্রকট।

ফ্রি-মিক্সিং নিয়ে অনলাইন-অফলাইনে কঠিন অ্যাক্টিভিজম করা বহু মানহাজি বড় ভাইয়ের পর্দার আড়ালে 'বেপর্দা' গার্লফ্রেন্ডের কোলে মাথা রেখে ফুচকা খাওয়ার প্রমাণও হাতেই আছে—যেগুলো নিয়ে লাড়া দিলে ভার্সিটির মেয়েদের নিয়ে চিন্তিত অনেক বড় বড় ইসলামি লেখক, সেলিব্রেটি, ক্যাম্পাস কমিউনিটিও ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে দুই দিনে।

ব্যক্তিগত মন্তব্য একটাই, আমরা সবাই ত্রুটিযুক্ত। অন্যদের নিয়ে তীর্যক মন্তব্য করার আগে তাই নিজেদের দিকেও তাকানো জরুরী।

আক্রমণ নয়; বরং অন্যদের সংশোধনের নিয়তে অ্যাক্টিভিজম (পোস্ট-কমেন্ট) দরকার। নয়তো আল্লাহ্ হয়তো এক সময় আমাকে সে বিষয় দিয়েই লাঞ্ছিত করবেন, যা নিয়ে মানুষের সামনে আমি এখন সবচেয়ে সেনসিটিভ।

দিনশেষে আমরা সবাই পর্দার সামনে ও আড়ালে ভিন্ন মানুষ। তাই কেবল অন্যদের দোষ ধরার বদলে তাদের দোষ গুলো কিভাবে কমানো যায়, সেটা নিয়ে আন্তরিক ফিকির জরুরি।

আমাদের ভার্সিটিগুলোতে মেয়েদের অবস্থা ভালো না; বুঝলাম; এখন এদেরকে এক লাফে গালি দিয়ে শত্রু না বানিয়ে কিভাবে তদের এই অবস্থার উন্নতি করা যায় সেই চিন্তা করা প্রয়োজন। দিনশেষে এরা আমাদেরই বোন, মুসলিম ঘরের সন্তান।

লেখাঃ আদনান আব্দুল্লাহ
2,5100041
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১২ অক্টো, ২০২৬, ২৩:৪৬

Photo1/2
জাতি যখন বিপদে, ঠাকুর তখন বিলেতে।
2,0300078
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১২ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৫৯

হিদায়াহ অনেক দামি জিনিস।
সবাই পায় না।
যারা পায়, তারাও সবাই ধরে রাখতে পারে না।
.
খুব ভয় পাওয়া উচিত। প্রচন্ড রকম বিনয়ী হওয়া উচিত। মাথানত করে সিজদাহয় পড়ে কাঁদা উচিত। দুনিয়ার সবকিছু নিয়ে নিলেও, আল্লাহ যেন হিদায়াহটা কেড়ে না নেন।
2,1600086
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১২ অক্টো, ২০২৬, ০৮:৪৯

(পর্বঃ ০১) আমি কি এতই খারাপ? আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন না??

অনেক আগে এক ভাই আমার কাছে একটা প্রশ্ন করেছিল। সে জানিয়েছিল সে নামাজ পড়ে, তার মুখে লম্বা দাড়ি, সে দ্বীন পালন করে। কিন্তু গোপনে সে পাপকাজে লিপ্ত হয়। তার করণীয় কি? সে মনে প্রাণে চায় পুরোপুরি দ্বীনে প্রবেশ করতে!
এমন অনেক সময় হয় যখন পাপ আমাদের অন্তরে কাঁপন ধরায়। ভীত সন্ত্রস্ত করে। নিজেকে মুনাফিক মুনাফিক লাগে। মনে হয় এত পাপ কি আল্লাহ ক্ষমা করবেন? জাহান্নামই তাহলে ঠিকানা?
আলহামদুলিল্লাহ। নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত হওয়া, নিজের ভেতর মুনাফিকির বিষয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকা একজন মানুষের সততার পরিচায়ক ইনশাআল্লাহ। কারণ একজন মুসলিম যখন নিজের অন্তরে মুনাফিকির ভয় করে তখন এটা নির্দেশ করে যে, তার অন্তর এখনো নির্জীব হয়ে যায়নি এবং ঈমান রক্ষায় সে এখনো যথেষ্ট তৎপর! ইবরাহীম (আঃ) বলেছিলেন, "যখন নিজের কথার সাথে কাজের সামঞ্জস্য খুঁজতে যাই, তখন আমি নিজের কপটতার ব্যাপারে ভয় করি।" আল হাসান আল বসরি মুনাফেকি নিয়ে বলেছিলেন, "মুমিন ছাড়া কেউ মুনাফিকির ভয় করেনা আর মুনাফিক ছাড়া কেউ এর থেকে নিজেকে নিরাপদ ভাবেনা।"

ইবনে আল কায়্যিম (রহঃ) বলেন, "একজন মানুষের ইলম আর বিশ্বাস যত পাকাপোক্ত সে তত বেশি মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে ভয় করে।"
এমনকি উম্মাহর দলনেতা এবং সালাফরাও মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভয় করতেন। হযরত উমার (রাঃ) হুজাইফা (রাঃ) কে বলেছিলেন, "আমি তোমাকে কসম কেটে বলছি! রাসুল (সঃ) কি আমার নাম মুনাফিকদের সাথে রেখেছেন?" আল্লাহু আকবর।

উমার (রাঃ) ও মুনাফিকির ভয় করতেন। আল্লাহর বড় বড় আওলিয়ারাও নিজেদের মধ্যে মুনাফিকির ভয় করতেন। ইবন আবি মুলায়কাহ বলেন, "আমি রাসূল (সঃ) এর ত্রিশ জন সাহাবির সাক্ষাত পেয়েছি যারা মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাওয়ার ভয় করতেন।"
দিনের পর দিনের জাহেল জীবন থেকে হঠাৎ করে দ্বীন পালন করা, দ্বীনের অনুশাসন মেনে চলাটা কতোটা কঠিন সেটা যার উপর দিয়ে যায় সেই বুঝে! কেননা মানুষকে দুর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে আর আমাদের চারপাশে ঘিরে রয়েছে ফিতনা আর শয়তানের হাজারো ফাঁদ। আমাদের মনে রাখা উচিত জাহান্নামকে ঘিরে আছে কামনা বাসনার ধোঁকা আর জান্নাতকে ঘিরে আছে দুঃখ-কষ্ট, দুঃসময়!

এই সমাজে একটা ছেলে ইসলামের অনুশাসনে জীবন সাজানোর চেষ্টা করলে চারপাশের বন্ধু বান্ধব, পরিবার, আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে যে ব্যবহারটা আসে তা খুবই বেদনাদায়ক। সবচেয়ে বেদনাদায়ক যখন কেউ তার জাহেল জীবনের বিভিন্ন কাজের কথা তুলে ধরে তাকে অপমান আর অপদস্ত করে। তার দ্বীন নিয়ে হাসি তামাশা করে 'দুইদিনের হুজুর' বা এধরনের ট্যাগ লাগায়। এধরনের আচরণ একজন মানুষকে হতাশ করে তোলে যার ফলশ্রুতিতে সে একসময় দ্বীন ছেড়ে জাহেল জীবনে ফিরে যায়। আপনার বন্ধুটিকে কি অপরাধে অপমান করছেন? সে আল্লাহর দ্বীনকে মেনে নিয়েছে বলে? সে আপনার মত জাহেলিপনায় মত্ত না থেকে আল্লাহর দ্বীনের অনুশাসনে জীবন সাজানোর চেষ্টা করছে বলে? কত বড় জাহেল ছিল আপনার বন্ধু? কত বড় পাপী ছিল সে? গানের পাগল ছিল? মুভি দেখতো? তার গার্লফ্রেন্ড ছিল? আপনার সাথে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে অশ্লীল-অসার আড্ডা কিংবা গোপনে দুএকটা পর্ণ দেখতো? এর চেয়ে বেশি কিছু? কিন্তু সে কি আল্লাহর কাছে তাওবা করেনি? সে কি এসব কাজ থেকে এখন দূরে নয়? অথচ আপনি এখনো যে জাহেল ছিলেন সেই জাহেলই আছেন। কাকে অপমান করছেন আপনি?

আবু সুফীয়ান (রাঃ) ইসলাম গ্রহণের আগে ছিলেন মক্কার মুশরিকদের নেতা। মুশরিক থাকা অবস্থায় নিজের মেয়ে উনাকে নাপাক মুশরিক বলে পাটিতে বসতে দেননি। আপনার বন্ধুটি কি এর চেয়ে বড় পাপী ছিল? হযরত উমার (রাঃ) ছিলেন কাফের, মদ পান করতেন, কেউ মুসলিম হয়েছেন বলে জানতে পারলে পিটিয়ে আধমরা করে ফেলতেন। সেই উমার (রাঃ) পরবর্তীতে হলেন জান্নাতি সাহাবি এবং খলিফা! আপনার বন্ধুটি কি এরচেয়েও বড় গোমরাহ ছিলেন? রূপকথার মত করে যে খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর বীরত্বগাঁথা শুনেন তিনিই ছিলেন একসময় মক্কার মুশরিকদের দলে এবং মুসলিমদের দ্বীনের পথে বাধা সৃষ্টিকারী! বলা হয়ে থাকে উহুদ যুদ্ধে মুসলিমদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল এই খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর বীরত্ব! আর এই খালিদ বিন ওয়ালিদই (রাঃ) পরবর্তীতে ইসলামে এসে হয়েছেন অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম বীর! আপনার বন্ধুটি কি এর চেয়েও খারাপ ছিল? যে ছেলেটি আল্লাহর দ্বীনের পথে আসতে চাইছে তাকে সাহায্য করতে না পারেন নিরুৎসাহিত করবেন না। তাকে ব্যঙ্গ করবেন না! যত বড় পাপই হোক কারো পাপগুলো নিশ্চয় আল্লাহর দয়ার চেয়ে বড় নয়! জান্নাত আর জাহান্নাম উভয়েই পাপিষ্ট রয়েছে; তবে পার্থক্য হল জান্নাতের পাপিষ্টরা দুনিয়াতে তাওবা করে নিজেদের পাপগুলো ক্ষমা করিয়ে নিয়েছে! আর জাহান্নামের পাপিষ্ঠরা দুনিয়াতে নিজেদের পাপেই সন্তুষ্ট থেকেছে!


চলবে ইনশাআল্লাহ

▫️ যৌবন নিয়ে কিছু কথা
▫️ অশ্লীলতার সমাধান
2,6000041
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

১১ অক্টো, ২০২৬, ১৬:১৬

জাতির নতুন আব্বা নাকী রবীন্দ্রনাথ?

২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় গোপালগঞ্জের এক প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষক শেখমুজীবের স্মৃতি স্তম্ভে বাম হাত দিয়ে ফুল দিয়েছিলো ।

সেই অপরাধে সেই শিক্ষকের নামে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এ মামলা হয়, ওই শিক্ষক এক বছর জেল খাটে ।

শেখ মুজিব জাতির আব্বা ছিলো, বাম হাত দিয়ে ফুল দেওয়ার মতো অপরাধ কেন করবা?

হাসিনা গেল, শেখমুজীব ও গেলো, এখন জাতির আব্বা রবীন্দ্রনাথ । জাতির আব্বার ছবিতে কালী লাগাইসে, এখন আর ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টে মামলা হবে না, ডাইরেক্ট রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা ।

হাও ডেয়ার ইউ? জাতির আব্বার ছবিতে কালি লাগাও?

রবীন্দ্রনাথ আব্বা না শুধু, রবীন্দ্রনাথ রাষ্ট্র ।

রবীন্দ্রপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ।
ভারত, ভাগ্য, বিধাতা । জয়ো হে ।
2,3100057
Tasawwuf - তাসাউফ logo
Tasawwuf - তাসাউফ

০৯ অক্টো, ২০২৬, ২৩:৩৯

Photo1/2
তুমি সাবধান হও!
অনলাইনে তোমার শেয়ার করা টেক্সট, ছবি, ভিডিও যেন না হয় তোমার মৃত্যুর পরের জীবনের জন্য আযাবের কারণ।
সংগৃহীত

ফলো: @tasawwufofficial
3,0800054

Showing 30 of 82 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Tasawwuf - তাসাউফ টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Tasawwuf - তাসাউফ (@tasawwufofficial) tgdio-এ ধর্ম ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ২৭,৫৫৬ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Tasawwuf - তাসাউফ (@tasawwufofficial) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @tasawwufofficial-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Tasawwuf - তাসাউফ কি ভালো ধর্ম চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Tasawwuf - তাসাউফ-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ২৭,৫৫৬ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই ধর্ম চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Tasawwuf - তাসাউফ-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @tasawwufofficial পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।