Hope Telegram channel photo

Hope

@hope24hoursPublic Channel

আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

455

Last views

18.4k (18,445 subscribers)
সদস্য
—
Rating
81
Total Posts
Oct 21, 2026, 12:49 AM
আপডেট হয়েছে
Apr 1, 2026
Created
Stats

আপনি বাংলায় বিষয়বস্তু দেখছেন। অন্যান্য ভাষায় বিষয়বস্তু দেখতে সাইটের ভাষা পরিবর্তন করুন।

Channel Information

Channel Information
Channel NameHope
Username@hope24hours
Categoryআধ্যাত্মিকতা
Languageবাংলা
Countryভারত
সদস্য18,445
Channel TypePublic Channel
Created১ এপ্রি, ২০২৬
Last Updated২১ অক্টো, ২০২৬ • গত পরশু
StatusActive

র্যাঙ্কিং

বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং
#208234+220
ভাষার র্যাঙ্কিং
#492+8
ক্যাটাগরির র্যাঙ্কিং
#1313-5

অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি

মোট: 18.4K30 Days growth: -260.1%
09/2109/2610/0110/0610/1110/1610/20
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - 30 Days
DateSubscribers
21:09:202618,471
22:09:202618,471
23:09:202618,471
24:09:202618,471
25:09:202618,471
26:09:202618,471
27:09:202618,471
28:09:202618,471
29:09:202618,471
30:09:202618,471
01:10:202618,471
02:10:202618,471
03:10:202618,471
04:10:202618,471
05:10:202618,471
06:10:202618,471
07:10:202618,471
08:10:202618,471
09:10:202618,471
10:10:202618,471
11:10:202618,471
12:10:202618,471
13:10:202618,457
14:10:202618,457
15:10:202618,457
16:10:202618,457
17:10:202618,457
18:10:202618,457
19:10:202618,457
20:10:202618,445
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Weekly
DateSubscribers
Week of 30:03:202617,989
Week of 06:04:202617,966
Week of 13:04:202617,970
Week of 20:04:202617,955
Week of 27:04:202617,955
Week of 04:05:202617,955
Week of 11:05:202617,890
Week of 18:05:202617,890
Week of 25:05:202617,890
Week of 01:06:202617,835
Week of 08:06:202617,835
Week of 15:06:202617,835
Week of 22:06:202617,795
Week of 29:06:202617,795
Week of 06:07:202617,795
Week of 13:07:202617,750
Week of 20:07:202617,750
Week of 27:07:202617,719
Week of 03:08:202617,719
Week of 10:08:202617,719
Week of 17:08:202617,685
Week of 24:08:202617,667
Week of 31:08:202618,343
Week of 07:09:202618,343
Week of 14:09:202618,471
Week of 21:09:202618,471
Week of 28:09:202618,471
Week of 05:10:202618,471
Week of 12:10:202618,457
Week of 19:10:202618,445
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Monthly
DateSubscribers
March 202618,054
April 202617,955
May 202617,890
June 202617,795
July 202617,731
August 202617,667
September 202618,471
October 202618,445
অংশগ্রহণকারীদের বৃদ্ধি - Yearly
DateSubscribers
202618,445

Top 10 posts

Most viewed posts from this channel

By views
  1. #1🌸সূরা আল-বাকারাহ্ এর প্রথম দশ আয়াতের তাফসীর গুলো একসাথে-1.8K
  2. #2আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:১৪1.7K
  3. #3❝ আপনি কি কুরআন শুদ্ধভাবে পড়তে পারেন? ❞1.7K
  4. #4আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:১৩1.7K
  5. #5জীবনে যদি অনেক বেশি বিপদে থাকেন। ঠিকঠাক মত আমল ও হচ্ছে না, দুআ, তাহাজ্1.6K
  6. #6গোপন পাপ1.5K
  7. #7আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৩1.5K
  8. #8আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:১৫1.4K
  9. #9দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে, বেশি বেশি দুরুদ আর দুআ করি ইন শা আল্লাহ। আশ1.4K
  10. #10কখনো কখনো মানুষের জীবনে বিপদ আসে। অধিকাংশ মানুষ বিপদকে নেতিবাচক দৃষ্টি1.4K

সাম্প্রতিক পোস্ট

Hope logo
Hope

২২ অক্টো, ২০২৬, ১৪:১৪

এবার পূজা উপলক্ষ্যে অন্য যেকোন বারের চেয়ে মুসলিম উম্মাহর ঈমানি করুণ হালতের বাস্তবতা ভয়াবহভাবে সামনে এসেছে। রিদ্দা মহামারি আকারে মুসলিমদের চিন্তার জগতে ছড়িয়ে পরেছে।
ঈমান ও কুফরের সীমারেখা তাদের সামনে আজ মুছে গেছে। ঈমান ও কুফরের সীমারেখা তাদের কাছে গুরুত্বহীন। আল্লাহ ও তার রাসুলের নির্দেশ নয়, ঈমান আজ তাদের মনে করা বস্তুতে পরিণত হয়েছে। এজন্য তারা নির্দ্বিধায় "আমি মনে করি" বাক্যে নিজেদের ঈমান ও ইসলামকে আটকে ফেলছে।
কুফর ও শিরকের ভয়াবহতা ও অপরাধ তাদের কাছে লঘু হয়ে গেছে। যেই অপরাধ আল্লাহ সবচেয়ে বড় জুলুম হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, যেই অন্যায়কে আল্লাহ ক্ষমার অযোগ্য বলে ঘোষণা দিয়েছেন, সেই বিষয়টিই আজ তাদের কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।
আচ্ছা আপনার জন্মে অংশীদার দাবি করছে একাধিক পুরুষ। সেই উপলক্ষ্যে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আপনার কাছে কি সেই আয়োজন উৎসবের বিষয় হতে পারে?
মিডিয়াগুলোর আচরণও একটু খেয়াল করুন। এরা পূজায় অংশগ্রহণকে মুসলিম সমাজে নরমালাইজ করার জন্য নামধারী মুসলিম আর নায়িকা গায়িকাদের অংশগ্রহণকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করছে। শিরকের মত জঘন্য ও ঘৃণ্য বিষয়কে মুসলিম সমাজে উপভোগ্য করে তোলার জন্য লিবারেল ও সেকুলার সিস্টেম সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।
এই সিস্টেম হল রিদ্দার সিস্টেম। যেখান থেকে রিদ্দা উৎপন্ন হয়। এই রিদ্দাহ সরাসরি আল্লাহ কিংবা ইসলামকে অস্বীকার করে না। কিন্তু ঈমান ও কুফরের সীমারেখা মুছে দেয়। শিরক ও তাওহিদকে একাকার করে ফেলে। আল্লাহর নির্ধারিত হালাল হারামের সীমানাকে বিলুপ্ত কিংবা গুরুত্বহীন করে দেয়।
আধুনিক এই রিদ্দার মহামারি নিয়ে ইনশাআল্লাহ হিউম্যান বিয়িং ২ এ বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। Iftekhar Sifat
455009
Hope logo
Hope

২২ অক্টো, ২০২৬, ১১:৩৭

Photo1/2
বির্ধমীদের আয়োজন আলোচনা সিরিজের সবগুলো পর্বের লিংক:

• পূজার সময় আমাদের করণীয়
• বিধর্মীদের তৈরি খাবার খাওয়ার বিধান
• পূজায় দেখতে যাওয়া, চাঁদা দেয়া, কমিটি করা এসবের বিধান কি শরীয়তে?
• লিখিত মাসয়ালা
• পূজায় অংশ গ্রহণ, পূজার কোনও উপরকণ বিক্রয় ,ভাড়া প্রদান
• হিন্দুদের পূজা উপলক্ষে ফার্নিচার, মাইক, সিসি ক্যামেরা, গাড়ি ইত্যাদি ভাড়া দেয়া জায়েজ আছে কি?
• অমুসলিম পূজার জন্য ফুল চাইলে তাকে তা দিলে কি গুনাহ হবে?
• দুর্গা পুজা দেখতে যাওয়া বা পুজার শুভেচ্ছা জানানো কি উদারতা?

এই সিরিজের লেখাগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। তাহলে অনেকেই উপকৃত হবে, ইনশাআল্লাহ।

আমাদের ফেসবুক পেইজ

@FatayatalHuda
470000
Hope logo
Hope

২১ অক্টো, ২০২৬, ১৪:১১

.
আমরা সাক্ষা দিচ্ছি..
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
"আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসুল।"
.
رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا وَرَسُولًا
"আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে নবী ও রাসুল হিসেবে সানন্দচিত্তে গ্রহণ করেছি।" - মুহাম্মদ আফসার
5900017
Hope logo
Hope

২১ অক্টো, ২০২৬, ১৪:১১

এই সময়ের কিছু জরুরী কথা
.
এক].
উম্মতের কোনো একজন সদস্য শি/রক করে জাহান্নামে চলে যাক—এটা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো সহ্য করতেন না। "মানুষ ইমান আনছেনা—এই দুঃখে তিনি মর্মপীড়ায় ভুগতেন। সেখানে উম্মতের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ পূজা ও শিরকের মাধ্যমে জাহান্নামের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, এটি কোনো আনন্দের খবর নয়। এতে আমরা আনন্দিত নই; বরং বিব্রত, দুঃখিত এবং মর্মাহত।
.
তবে আমাদের দাবি হলো; ঈমান ও শিরকের মাঝে ইলমিভাবে কোনো অস্পষ্টতা রাখা যাবে না। তাওয়ীলাতের কুয়াশা দিয়ে ঈমানের স্বচ্ছতায় কোনো প্রকার ধোঁয়াশা তৈরি করা যাবে না। দরদ ও সহমর্মিতার রেখা টেনে ঈমান-ইসলামের অকাট্য বিষয়গুলোকে ঝাপসা করে দিলে উম্মত বাঁচবে না ভাই; বরং দলে দলে আরও বেশি করে জাহান্নামের দিকে যাবে। অনেকে বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে জান্নাতে নেয়ার ফিকির করতেন আর আমরা সবাইকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিচ্ছি। তাদের জানা দরকার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে জান্নাতে নিতেন ঈমান ও আকিদার ইলম এবং তার ওপর আমল দিয়ে; শিরককে ঈমান বলে নয়। আমি আবারো বলছি শিরককে ইমান বলে নয়।
.
উম্মতকে বাঁচানোর সঠিক তরিকা হলো—শিরককে শিরক বলা এবং এর পরকালীন ভয়াবহতাগুলো সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা, যাতে উম্মত সতর্ক হতে পারে। যখন ফতোয়া হবে, মূর্তিপূজার শুভেচ্ছা দিলে বা দেবী দুর্গার বন্দনা গাইলেও ঈমান যায় না—তখন মানুষ শিরকের প্রতি দুঃসাহসী হয়ে উঠবে এবং অগণিত উম্মতকে তাদের অজান্তেই জাহান্নামের পথে টেনে নিয়ে যাবে। যা এখন ঘটে চলেছে।
.
দুই].
যে আদর্শের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে নেতৃস্থানীয়রা দলে দলে শিরকের দিকে ধাবিত হচ্ছে, সেই আদর্শের নাম ‘সেক্যুলারিজম’ (ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ)। তাই ব্যক্তি বা দল এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়; গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই আদর্শের টুটি চেপে ধরা এবং এর চলমান উদাহরণগুলো খুলে খুলে আলোচনা করা। আদর্শিক জায়গায় যদি আঘাত করা না যায়, তাহলে পূজার সিজন শেষে এই কট্টর সেক্যুলাররাই ঈদের সিজনে টুপি পরে পাক্কা মুসিলম হয়ে যাবে। আর আমরাও নিয়ম করে তিনবেলা ধোকা খেতে থাকবো। তাই সেক্যুলারিজমের মূল চরিত্র এবং তার কুফরি দাবি দাওয়াগুলো—জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। এটাই জাতিকে বাঁচানোর প্রাথমিক পথ।
.

তিন.
শিরক ও কুফরের ব্যাপারে ইসলামের সিদ্ধান্ত হলো—ইসলাম এই জমিনে এর উৎসব তো দূরের কথা, সাধারণ অবস্থায়ও তা মেনে নেয় না। তবে জোর করে নয়; কারণ জোর করে কাউকে ঈমানদার বানানো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, বরং তা হতে হবে সিস্টেম বা ব্যবস্থার মাধ্যমে। এখন যেমন পরাজিত হয়ে মুসলিমরা কুফরি ব্যবস্থার গ্যাঁড়াকলে পড়ে ঈমান হারাচ্ছে, ঠিক তেমনি কুফরও পরাজিত হয়ে নিজ জায়গা থেকে সরে আসবে। এটাই ইসলামের সোনালী যুগের ইতিহাস, এটাই কুরআনের ভাষ্য।
.

কিন্তু ইসলাম যদি প্রতিষ্ঠিত না থাকে এবং রাষ্ট্র যদি সেক্যুলার হয়, তবে ইসলামী রাষ্ট্র থাকলে যে মূলনীতি প্রয়োগ করা হতো; (জিজিয়া দিয়ে ধর্ম পালনের অধিকার) তা এখানে চলবে না। এখানে কী করতে হবে তা নিন্মোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত—‘
.
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ
.
‘‘তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোনো অন্যায় বা অসৎ কাজ হতে দেখে, তবে সে যেন তার হাত দিয়ে পরিবর্তন করে। আর যদি সেই সামর্থ্য না থাকে, তবে সে যেন তার মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে। আর যদি সেই সামর্থ্যও না থাকে, তবে সে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে (এবং তা দূর করার আকাঙ্খা রাখে)। আর এটি হলো ঈমানের সবচেয়ে দুর্বল স্তর।" (সহিহ মুসলিম: হাদিস নম্বর ৪৯ -ঈমান অধ্যায়)।
.
"মুসলিমদের শিরক করতে বিরত থাকার নসিহত করতে গিয়ে মুশরিকদের শিরকের অধিকার নিশ্চিত করার চেয়ে আমার কাছে চুপ থাকাই উত্তম। আমরা কাউকে যেমন মদ, জিনা বা চুরির অধিকার দিতে পারি না, ঠিক তেমনি শিরকের অনুমোদনও দিতে পারি না। আমরা বলতে পারি না—‘তোমরা যত পারো উৎসব করে শিরক করো।’ এটি নবীজির পুরো জীবনের দাওয়াতি দরদ ও অনুভূতির সাথে যায় না; এমনকি মানুষের প্রতি মানুষের দরদের জায়গা থেকেও তা মেলে না।" (সুরা তাওবার বিষয়বস্তুর কথা আলোচনা না-ই বা করলাম)।
.
চার].
.
আল্লাহর জমিনে শিরক হোক—তা আমরা চাই না। কেবল দলগত মুসলিম বা আক্ষরিক অর্থে ইসলামী আকাঙ্খা থেকে নয়; বরং রাসুলের উম্মতের প্রতি পূর্ণ দরদ ও জাহান্নামের ভয়াবহতার উপলব্ধি থেকেই আমরা এটা চাই না। তাই পৃথিবীর সমস্ত অমুসলিমদের প্রতি আমাদের আহ্বান—হে বনি আদমের সন্তানেরা! তোমরা ইসলামে এসো। ইসলাম তোমাদেরও দ্বীন, তোমাদেরও জীবনবিধান। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরো পৃথিবীর জন্য রহমত, সমগ্র মানবজাতির কল্যাণকামী। তাঁর ওপর ঈমান আনো, আল্লাহকে এক বলে মেনে নাও। নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।
579000
Hope logo
Hope

২১ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৪৭

Video
আপন করতে পারলে যিনি কখনো পর হন না।
5830010
Hope logo
Hope

২০ অক্টো, ২০২৬, ২০:০২

Photo1/2
যারা বিয়ে-শাদীর চিন্তা করছেন, তারা এই সিরিজের লেখাগুলো পড়ে নিলে বেশ উপকৃত হবেন, ইনশাআল্লাহ।

বন্ধন সিরিজের সকল পর্বের লিংক:

• পর্ব-১ (বিয়েতে মেয়েদের পছন্দের গুরুত্ব কতটুকু?)

• পর্ব-২ (যারা জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ধার্মিকতা ও সৌন্দর্য দুটোই চান)

• পর্ব-৩ (গরিব-অস্বচ্ছল ছেলেকে বিয়ে না করলে কি গুনাহ হবে)

• পর্ব-৪ (পাত্র/পাত্রী দ্বীনদার কি না, সেটি বুঝার কিছু উপায়)

• পর্ব-৫ (কেমন মেয়ে বিয়ে করবেন)

• পর্ব-৬ (বর-কনের মধ্যে কারো যদি খারাপ অতীত থাকে)

• পর্ব-৭ (বিয়েতে কুফু বা সমতা)

• পর্ব-৮ (কনে দেখার পদ্ধতি)

• পর্ব-৯ (ছেলের শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্যের সীমারেখা)

• পর্ব-১০ (বিয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ইস্তিখারার আমল)

• পর্ব-১১ (নির্দিষ্ট কাউকে চাওয়া)

• পর্ব-১২ (বিয়ের মোহরানা কেমন হওয়া উচিত)

• পর্ব-১৩ (বিয়ের সময় দেওয়া গয়না কি মোহরানার অংশ)

• শেষ পর্ব (বিবাহবহির্ভূত নারী-পুরুষের প্রেমের বিধান এবং রিলেশনে থাকা ব্যক্তিদের করণীয়)

এই সিরিজের লেখাগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। তাহলে অনেকেই উপকৃত হবে, ইনশাআল্লাহ।

@FatayatalHuda
7680011
Hope logo
Hope

২০ অক্টো, ২০২৬, ১৭:৫৪

♦️সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদন্ডের ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বেশি মিথ্যাচার হচ্ছে - মূল ঘটনাটা রাজনীতি বিশ্লেষক সাবিনা আহমেদ এর লেখায় পড়তে পারেন- (লিংক)- https://t.me/SocietyUncensored/11214
(লেখাটা সেকু্ল্যার এংগেল থেকে লেখা)

♦️শাস্তির মাত্রা নিয়ে অনেকে নানাকথা চলমান, এ বিষয়ে মাহবুব ভাইয়ের লেখাটা পড়তে পারেন- https://t.me/SocietyUncensored/11217

♦️আবার একদল লোক শাস্তির বিষয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করছে এই জায়গা থেকে যে সৌদি তে আমাদর অনেক বোন গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, সংখ্যাটা শতাধিক। এমন পাশবিকতার মাত্রা এমন ও অভিযোগ রয়েছে বাবা ছেলে মিলে খাদেমাকে ধর্ষণ করেছে। বেশ কিছু বোন অন্তঃসত্তা ও হয়ে এসেছে। এ বিষয়ে সৌদির দোষ এড়ানোর সুযোগ নেই। তবে বর্তমান ঘটনাটি ভয়াবহ শরীয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে, দুটি বিষয় এক না করি। শরিয়াহর শাস্তি প্রদান কে বিদ্বেষী জায়গা থেকে না দেখি। তবে যে কেউ আশা করতেই পারে সৌদি সকল ক্ষেত্রে শরীয়াহর শাস্তি কায়েম করবে।

♦️আবার এক বোনকে বলতে দেখলাম, যে তাদের চামড়া ছিলে শিরশ্ছেদ করা উচিত। আমরা একটা বিষয় মাথায় রাখব, শরীয়াহর শাস্তি যে মাত্রায় কায়েম করার বিষয় তার উপর ঘৃণা করা উচিত নয়। দুনিয়াতে শাস্তি প্রাপ্ত ও তওবা করা হলে আশা করা যায় তারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে।

♦️সর্বোপরি আমরা ইনসাফ করি। মুসলিম দেশগুলোতে নৈতিক অধপতন আমাদের কষ্ট দেয়। সৌদির বিরুদ্ধে যখন নৈতিক অধপতন ভিডিও আসে সেটাতে আমরা আরো বেশি কষ্ট পাই। তবে বিষয়টা যেন বিদ্বেষে পরিণত না হয়। এক চোখা না হয়। আমরা অভিযোগ করলে সব দিকে করব, বিদ্বেষের জায়গা থেকে নয়। হোক সেটা সৌদির পক্ষে বা বিপক্ষে। দেশ হিসেবে, নৈতিক অধপতন এর যে ধারাপ আমরা সৌদিতে দেখি তা যেনো আমাদের সৌদি বিদ্বেষীতে পরিণত না করে। আবার সৌদির বিষয়ে অন্ধের মত সাফাই গাওয়া উচিত নয়।

আর সবচেয়ে ভাল হয় চুপ থাকলে। ফিতনার সময়, সাধারণ হিসেবে চুপ থাকাই সেফ।
9160012
Hope logo
Hope

২০ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৫৭

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেন,

أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ

মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?

وَلَقَدْ فَتَنَّا الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۖ فَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ صَدَقُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْكَاذِبِينَ

আর অবশ্যই আমরা তাদের পূর্ববর্তীদেরও পরীক্ষা করেছি। অতঃপর আল্লাহ অবশ্যই প্রকাশ করে দেবেন কারা সত্যবাদী এবং কারা মিথ্যাবাদী।

(সূরা আল-'আনকাবুত, আয়াত ২-৩)

এই আয়াতগুলো কয়েকদিন আগে পড়ার সময় বুকটা ধক করে উঠে, যদিও আগে অনেকবার আয়াতগুলো পড়া হয়েছে। বারবার মাথায় এই আয়াতগুলো ঘুরতে থাকে। আমরা কি সত্যিই আল্লাহ্‌র দেওয়া পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইয়ামুল ক্বিয়ামাহতে তাঁর সামনে সত্যবাদী হিসেবে দাঁড়াতে পারবো?
.
This should be something that keeps us awake at night. - কপিড
9330016
Hope logo
Hope

১৯ অক্টো, ২০২৬, ২১:২৬

সোনার অক্ষরে লিখে রাখার মতো

হাসান বসরি (রহ.) তাঁর এক সঙ্গীকে দাফন করার পর একটি কবরের পাশে দাঁড়ালেন। তারপর তিনি তাঁর পাশে থাকা এক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন—

'তোমার কী মনে হয়, এই ব্যক্তি যদি আবার দুনিয়াতে ফিরে আসার সুযোগ পেত, তবে সে কী করত?'

লোকটি উত্তর দিল : 'সে ইস্তেগফার ও ক্ষমা প্রার্থনা করত, নামাজ পড়ত এবং আরও বেশি বেশি নেক আমল করার চেষ্টা করত।'

তখন হাসান বসরি (রহ.) বললেন— 'সে তো এই সুযোগটি হারিয়ে ফেলেছে, কিন্তু তুমি যেন এটি না হারাও।'

@Afiyah24hours
9050021
Hope logo
Hope

১৯ অক্টো, ২০২৬, ১৬:৩৯

একদা মদিনায় এক ব্যক্তি এক পরনারীকে জড়িয়ে ধরেন এবং চুম্বন করে বসেন!

আবু আল-যুসর (কা’ব বিন আমর)। তিনি সাধারণ কোনো মানুষ ছিলেন না; তিনি ছিলেন বদর যুদ্ধের একজন বীর সহযোদ্ধা।

জীবিকার তাগিদে তিনি মদিনায় খেজুর বিক্রি করতেন। অন্যদিকে, মদিনার এক নারী সাহাবীর স্বামী তখন আল্লাহর রাস্তায় দূরবর্তী এক জিহাদে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।

পরিবারের দেখভাল ও প্রয়োজনীয় সওদা করার অংশ হিসেবেই সেই নারী একদিন আবু আল-যুসরের দোকানে আসেন খেজুর কিনতে।

আবু আল-যুসর তাকে বলেন, "ঘরের ভেতরে আরও চমৎকার ও উন্নত মানের খেজুর আছে, আপনি ভেতরে আসুন।"

নারীটি সরল বিশ্বাসে ভেতরে প্রবেশ করতেই শয়তানের প্ররোচনায় আবু আল-যুসর এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং চুম্বন করে বসেন!

অনুশোচনার আগুন:
ঘটনাটি ঘটার পরমুহূর্তেই আবু আল-যুসরের ভেতরটা কেঁপে ওঠে। বদরী সাহাবীর বিবেক তাকে দংশন করতে শুরু করে।

জিহাদে যাওয়া ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে এই বিশ্বস্ততার খেয়ানত তাকে ভেতরে ভেতরে পুড়িয়ে ছারখার করে দিচ্ছিল।

তিনি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ছুটে গেলেন হযরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে। সব খুলে বলে পরামর্শ চাইলেন।

আবু বকর (রা.) বললেন, "আল্লাহ তোমার এই পাপ গোপন রেখেছেন, তুমিও তা গোপন রাখো এবং আল্লাহর কাছে খাঁটি মনে তাওবা করো।"

কিন্তু আবু আল-যুসরের বিক্ষিপ্ত মন শান্ত হলো না। তিনি ছুটলেন হযরত উমর (রা.)-এর কাছে। উমর (রা.)-ও তাকে একই পরামর্শ দিলেন—পাপ গোপন রেখে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে।

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে:
কারো পরামর্শেই যখন অন্তরের আগুন নিভল না, তখন তিনি সোজা চলে গেলেন মসজিদে নববীতে, স্বয়ং রহমতুল্লিল আলামিন রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে।

কোনো রাখঢাক না রেখে, নিজের সবটুকু লজ্জা ও সম্মান বিসর্জন দিয়ে কাতর স্বরে নবীজির কাছে নিজের অপরাধের স্বীকারোক্তি দিলেন।

নবীজি (সা.) একাগ্রতার সাথে পুরো ঘটনা শুনলেন। তিনি আবু আল-যুসরকে মসজিদ থেকে তাড়িয়ে দিলেন না, সেই নারীকে ডেকে বিচারসভা বসালেন না, কিংবা কোনো কঠোর দণ্ডও দিলেন না।

শুধু বললেন:
"আল্লাহর পথে যুদ্ধে যাওয়া তোমার এক ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে তুমি এমন আচরণ করলে?!"

নবীজির এই একটিমাত্র বাক্য আবু আল-যুসরের বুকে তীরের মতো বিঁধল। তিনি ভাবলেন, তিনি হয়তো চিরতরে ধ্বংস হয়ে গেছেন এবং কোনোদিনই আর আল্লাহর ক্ষমা পাবেন না।

আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ:

এরপর সালাতের ওয়াক্ত হলো। আবু আল-যুসর নবীজি (সা.)-এর সাথেই জামাতে ফরয সালাত আদায় করলেন।

সালাত শেষ হতেই আল্লাহর পক্ষ থেকে জিবরাইল (আ.) ওহী নিয়ে অবতীর্ণ হলেন। নবীজি (সা.)-এর চেহারা মোবারক উৎফুল্ল হয়ে উঠল।

তিনি আবু আল-যুসরকে ডেকে বললেন, "সুসংবাদ! আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করেছেন।"

সেদিন আবু আল-যুসরের এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই নাযিল হয়েছিল সূরা হুদের ১১৪ নম্বর বিখ্যাত আয়াত।

নবীজি (সা.) তাকে আয়াতটি তিলাওয়াত করে শোনালেন:
“আর আপনি সালাত কায়েম করুন দিনের দু’প্রান্তে ও রাতের প্রথমাংশে। নিশ্চয়ই সৎকাজ অসৎকাজকে মিটিয়ে দেয়। উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য এটি এক মহা উপদেশ।”

বিস্মিত ও অভিভূত হয়ে আবু আল-যুসর (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! এই ক্ষমা ও সুসংবাদ কি কেবলই আমার জন্য?"

নবীজি (সা.) উত্তর দিলেন:
"না, বরং আমার সমগ্র উম্মতের যারা এটি আমল করবে, তাদের সবার জন্য।"

হাদিসের রেফারেন্স:
• সহীহ বুখারী: হাদিস নম্বর ৪৬৮৭ ও ৫২৬
• সহীহ মুসলিম: হাদিস নম্বর ২৭৬৩
• মুসনাদে আহমাদ: হাদিস নম্বর ১৫৩৮৭ (যেখানে সাহাবীর নাম আবু আল-যুসর বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে)।

আমাদের শিক্ষা:
১. মানুষ মাত্রই ভুল ও পাপ হতে পারে, কিন্তু মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো পাপের পর সে তীব্র অনুশোচনায় ভোগে এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসে বা খাটি অন্তরে তাওবা করে।

২. আল্লাহ তাআলা দয়ালু ও ক্ষমাশীল। ফরয সালাত এবং সৎকর্ম মানুষের অজান্তে হয়ে যাওয়া ছোটখাটো পাপগুলোকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেয়।

৩. নিজের এবং অন্যের গোপন পাপ মানুষের কাছে কখনোই প্রকাশ না করে আল্লাহর কাছে গোপনে তাওবা করাই ইসলামের শিক্ষা।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত সালাত কায়েম করার এবং সব ধরনের পাপ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন। - সংগৃহীত।
1,0500033
Hope logo
Hope

১৮ অক্টো, ২০২৬, ১৪:০০

🌿 আলহামদুলিল্লাহ, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রাত্যহিক সুন্নাহ নিয়ে আমাদের —“প্রাত্যহিক সুন্নাহ” সিরিজের সমাপ্তি হলো।সুন্নাহ শুধু জানার বিষয় নয়; বরং ভালোবাসা দিয়ে জীবনে ধারণ করার বিষয়।আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজগুলোই যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ অনুযায়ী হয়, তখন সেই সাধারণ জীবনও হয়ে ওঠে ইবাদতময়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে আমার সুন্নাহকে জীবিত করল, সে যেন আমাকে ভালোবাসল। আর যে আমাকে ভালোবাসল সে আমার সাথেই জান্নাতে থাকবে।”
— জামে‘ আত-তিরমিজি, ২৬৭৮

সিরিজের সবগুলো পোস্ট একসাথে দেওয়া হলো। পড়ুন ,আমল করুন, জীবনটা সুন্নাহময় করে তুলুন এবং সাদাকায়ে জারিয়ার জন্য প্রিয় মানুষদের কাছে পৌঁছে দিন। ইং শা আল্লাহ্।

• পর্ব-০১ (পোশাক পরিধানের সুন্নাহ)
• পর্ব-০২ (খাবার গ্রহণের সুন্নাহ)
• পর্ব-০৩ (ঘুমানোর সুন্নাহ ও আদব)
• পর্ব-০৪ (ঘুম থেকে ওঠার সুন্নাহ)
• পর্ব-০৫ (ইস্তিঞ্জার সুন্নাহ)
• পর্ব-০৬ (গোসলের আদব ও সুন্নাহ)
• পর্ব-৭ (আতর ব্যবহারের সুন্নাহ)
• পর্ব-৮ (মিসওয়াকের সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-৯ (যানবাহনে আরোহণের সুন্নাহ সমূহ)
• পর্ব-১০(দস্তরখানের আমল এর সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-১১(সালাম দেওয়ার আদব ও সুন্নাহ সমূহ)
• পর্ব-১২ (কুরআন তিলাওয়াতের আদব ও সুন্নাহ সমূহ)
• পর্ব-১৩ (ফজরের পর না ঘুমানো)
• পর্ব-১৪ (আতিথেয়তার সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-১৫ (আযান সংক্রান্ত সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-১৬ (বৃষ্টি সংক্রান্ত সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-১৭ (দাওয়াত দেওয়া ও গ্রহণের সুন্নাহ)
• পর্ব-১৮ (মসজিদ থেকে বের হওয়ার সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-১৯ (মুসাফাহার সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-২০ (রোগী দেখার আদব ও সুন্নাহ)
• পর্ব-২১ ( বিয়ে সংক্রান্ত সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-২২ (সন্তান জন্মের পর সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব-২৩ (জুম'আর দিনের সুন্নাহসমূহ)
• পর্ব -২৪ ( বাড়তি কিছু সুন্নাহ)

@FatayatalHuda
969009
Hope logo
Hope

১৮ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৪৫

জীবন আসলে বেশ ছোট। এই ছোট্ট জীবনে চাইলেও দুনিয়ার সব বই তো পড়া সম্ভব না, এজন্য পড়তে চাইলে একটু বাছবিচার করেই পড়তে হবে। তবে এরপরও পড়তে হবে অনেক।
অর্থাৎ কাজ দুটা:
১) বেছে পড়া,
২) তবে অনেক পড়া।
.
ইলমের বৈশিষ্ট্যই এটা, যত অর্জন করবেন তৃষ্ণা তত বাড়বে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"منهومان لا يشبعان منهوم في العلم لا يشبع منه، ومنهوم في الدنيا لا يشبع منها
.
"দুই লোভী তৃপ্ত হয় না: জ্ঞানলোভী কখনো জ্ঞানার্জন করে তৃপ্ত হয় না আর দুনিয়ালোভী কখনো দুনিয়া পেয়ে তৃপ্ত হয় না"। [১]
.
যদি দেখা যায় যে জ্ঞান তৃষ্ণা আরও বাড়ছে না, তাহলে তো বিষয়টা প্রবলেমেটিক। অবশ্য কখনো কখনো রিডারস ব্লক লাগে। তখন কাটানোর চেষ্টাও করতে হয়।
.
একবার এমন ব্লকে ছিলাম, তখন শাইখ আলবানীর [রাহ.] এর রেকর্ড থেকে শুনেছিলাম যে তিনি ১০ হাজার বই পড়েছেন, যেগুলোতে শতাধিক খণ্ডের বইও আছে। অর্থাৎ এই শতাধিক খণ্ডের বইকে তিনি এক বই ধরে কাউন্ট করেছেন! এভাবে ১০ হাজার বই, সুবহানআল্লাহ।
এতে কিন্তু তাঁর ইলম পিপাসা কমে যায় নি।
আলহামদুলিল্লাহ এটা শুনে আমার নিজের ব্লক ছুটে গিয়েছিল।
.
কাজেই নিজেকে উদ্দীপ্ত করুন ও চাঙ্গা রাখুন, পড়তে ও জানতে থাকুন। অনেক বেশি না পারলেও অন্তত অল্প করে নিয়মিত পড়ুন, এতে পড়ার অভ্যাস জারি থাকবে ইন শা আল্লাহ।
.
[১) ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), শুআবুল ঈমান, হা: ৯৭৯৮, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাদিসটি সহীহ, হিদায়াতুর রুওয়াত: ১/১৬৯]
9650013
Hope logo
Hope

১৮ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৪৫

আমার ছোট ভাইদের আমি পরামর্শ দেব যে ছাত্রজীবন থেকেই দয়া করে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলুন। অনেকে ভাবেন যে একসময় চাকরি বা ব্যবসা করব, তখন হাতে ফ্রি টাইম থাকবে, সেসময় আমি বিভিন্ন দ্বীনি বিষয়ে জ্ঞানার্জন করব ইন শা আল্লাহ।
এটা চিন্তা হিসেবে সুন্দর তবে প্রায়োগিক না। বয়সের সাথে সাথে ঘাড় যেমন ভারি হয়ে যাবে, ফলে আগের মত মুখ গুজে বইয়ের মাঝে পড়ে থাকতে পারবেন না, তেমনি বিভিন্ন দায়িত্ব-কর্তব্যের ভিড়ে পড়ার সময় করে ওঠা অনেক কঠিন হবে।
যার অল্প বয়সে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে না, সে আসলে পরে আর সেভাবে গড়ে তুলতেও পারেনা।
.
কাজেই করণীয় হচ্ছে ছাত্র জীবনকে মূল্যায়ন করা। অবশ্যই নিজের একাডেমিক পড়াশোনাকে প্রায়োরিটি দিতে হবে। তবে এর পাশাপাশি সময় বের করে সিলেবাস বানিয়ে বা সিরিয়াল ধরে একের পর এক বই পড়ে যেতে হবে।
যদি এটা করতে পারেন তাহলে ইন শা আল্লাহ পরবর্তী জীবনেও আপনি জ্ঞান অন্বেষণ সর্বদা জারি রাখতে পারবেন।
কেননা আপনি কিছু অসাধারণ স্কিল ছাত্র জীবনেই শিখে ফেলেছেন যা আপনাকে পরেও এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। যেমন:
১) কাজের ফাঁকে সময় বের করা,
২) অধিক পঠন,
৩) প্রায়োরিটি সেট আপ,
৪) নিজের জন্য সিলেবাস বানানো ও টার্গেট নির্ধারণ,
৫) পড়াকে নিজের পাসটাইম বানানো ইত্যাদি।
903003
Hope logo
Hope

১৭ অক্টো, ২০২৬, ২১:২৮

Video
Young Brothers & Sisters
1,0100014
Hope logo
Hope

১৭ অক্টো, ২০২৬, ১৬:১৫

কারও ওপর যখন কোনো বিপদ আসে, সেই বিপদ থেকে মুক্তি ও স্বস্তি পাওয়ার একটি পদ্ধতি হলো, সে যেন বিপদটাকে আরও বড় কোনো বিপদে আপতিত হওয়ার চেয়ে ছোট মনে করে। সে হয়তো এর চেয়ে আরও বড় বিপদে আপতিত হতে পারত। তার আরও বেশি ক্ষতি হতে পারত। তারপর বিপদে ধৈর্যধারণের প্রতিদানের কথা স্মরণ করবে। আর আশা করা যায়, বিপদটি অতি দ্রুত চলেও যাবে। জীবনে বিপদ আসেই। জীবন কখনো নিরবচ্ছিন্ন সুখের দ্বারা ভরে থাকে না। সুখ ও দুখের এই পর্যায়ক্রমিক ধারাবাহিকতা না থাকলে শান্তি ও সুখ অনুভব করাও সম্ভব হতো না।

এ কারণে তার নিকট বিপদের অবস্থানকে সে যেন একজন মেহমানের অবস্থানের মতো মনে করে। এটা তো সাময়িক ও তাৎক্ষণিক। এর আগে সে কত কত সময় আনন্দে ও উল্লাসে কাটিয়েছে। কত কত মজলিস উৎসব ও সুখের জায়গায় গিয়েছে। এখন এই কষ্টের মেহমানকে একটু সয়ে নিতেই হবে।

এভাবে বিপদের সময় মুমিন তার অন্য সময়গুলোর কথাও স্মরণ করা উচিত। খুব ধৈর্যের সাথে আঘাত সয়ে নেবে। সামান্য অসতর্কতায় যেন মুখ থেকে কোনো খারাপ কথা বের না হয়। অন্তরে যেন কোনো ক্ষোভ বা ক্রোধের সৃষ্টি না হয়। এই বিপদ চলে যাবে। এই তো আবার ফজর উদিত হলো বলে, তখন রাতের এই অন্ধকার মিলিয়ে যাবে। অন্ধকার কেটে রাতের এই ভ্রমণকারী বেদনার অবসান হবে। এবং ধৈর্যের প্রতিদানের সূর্য উদিত হতেই সবাই নিরাপত্তার গৃহে আশ্রয় নেবে।

[হৃদয়ের দিনলিপি : ১৪০]
1,1000014
Hope logo
Hope

১৭ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৫১

এই মুহূর্তে অভিযান চালালে দেশের পর্যটন স্পটগুলোতে অন্তত ১০ হাজার ছেলে মেয়ে পাওয়া যাবে, যাদের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছর। অর্থাৎ যাদের আপনারা আন্ডার-এইজ (অপ্রাপ্তবয়স্ক) বলেন। এরা অধিকাংশই সহপাঠীর জন্মদিন বা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে প্রেমিক কিংবা জাস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে হোটেলে রাত যাপন করছে। শুধু কক্সবাজারেই পাওয়া যাবে দুই হাজারের বেশি।
.

বলা যায়, ইতোমধ্যে এদের অনেকেই নিজেদের সতীত্ব হারিয়েছে এবং তা আরও বেশি করে হারানোর নেশায় উন্মত্ত হয়ে আছে। এদের চলাফেরা দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায়, এরা নিজেদের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো ইচ্ছে করে মেলে ধরে, যেন অন্যরা আগ্রহী হয়ে ওঠে।
.

ঢাকা থেকে কক্সবাজার, সাজেক, বান্দরবান ও কুয়াকাটা রুটে যেসব বাস চলাচল করে, সেসব বাসে ওঠার সাহস হারিয়েছি অনেক আগেই। বাসে এদের আচরণ এতটাই আপত্তিকর যে, বাসের পাশাপাশি সিটে বসে এরা সব ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, এমনকি প্রকাশ্যেও। এছাড়া বেশ কিছু সমকামীকেও বাসে অসংলগ্ন আচরণ করতে দেখেছি। ডাবল ডেকোর ও স্লিপার বাসগুলো যেন একেকটি অনুমোদিত পতিতালয়—যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মেট্রোতেও ইদানিং চোখে পড়ছে। একটু সুযোগ পেলেই— শুরু করে দিচ্ছে।
.

বিগত বিশ বছর ধরে সহশিক্ষা, এনজিও বয়ান, নারীবাদ ও মুক্ত স্বাধীনতার নামে আমেরিকা ও জাতিসংঘের যে বয়ান এখানে ফুল প্রেসারে লোড করা হয়েছে—তা রিহার্সাল পর্ব শেষ করে এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। কতটা বাস্তব রূপ নিয়েছে, তার সামান্য উদাহরণ কুমিল্লার ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন।
.

বিগত কয়েক দশক ধরে এখানে প্রচারিত পশ্চিমা সাংস্কৃতিক ও সামাজিক রূপান্তরের স্থায়ী সমাধান না হলে এসব সামাজিক সংকট থামবে না; মজার বিষয় হলো; এসব ঘটনা ঘটার পর আমরা তাদের শেখানো ‘বুলি‘ দিয়েই একে-অপরকে দোষারোপ করতে থাকব।

.

"কুরআনের শিক্ষা হলো—এর বিপরীতে দৃঢ় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া এসব প্রক্রিয়া থামানো সম্ভব নয়। তাই কোনো আলেম যখন সেক্যুলার রাষ্ট্রের আশ্বাসের ওপর নির্ভর করে এসব সমস্যার সমাধান করতে চান, তখন প্রশ্ন জাগে—তারা কি সামাজিক ও বৈশ্বিক কাঠামোর এই বাস্তবতা বোঝেন না, নাকি স্বচেতনভাবে কুরআনের স্পষ্ট বয়ানকে এড়িয়ে যেতে চাচ্ছেন?

.
কুরআন বলছে:

وَلَا يَزَالُونَ يُقَـٰتِلُونَكُمْ حَتَّىٰ يَرُدُّوكُمْ عَن دِينِكُمْ إِنِ ٱسْتَطَـٰعُوا۟

তরজমা:

"তারা তোমাদের বিরুদ্ধে যু/দ্ধ করতেই থাকবে, যতক্ষণ না তারা তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দেয়—যদি তারা সক্ষম হয়।" (সূরা বাকারা, আয়াত ২১৭ এর অংশ)
.

ইবনে কাসীর (রহ.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন যে, কাফির ও মুশরিকদের মূল লক্ষ্য এবং অন্তরের চিরন্তন বাসনা হলো মুসলিম উম্মাহকে তাদের সত্য দ্বীন (ইসলাম) থেকে বিচ্যুত করা। (প্রয়োজনে যু/দ্ধ করে হলেও)। তাদের এই শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র কোনো সাময়িক বিষয় নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।

.
যাই হোক, জাতি দীর্ঘদিন ধরে চলা বুদ্ধিবৃত্তিক কুফরি আগ্রাসনের নেতিবাচক ফল এখন টের পাচ্ছে। তারা বুঝতে পারছে, তাদের অজান্তেই তাদের অনেক কিছু বদলে গেছে; কিন্তু কী করবে, তা বুঝে উঠতে পারছে না।
.

ঠিক এই মুহূর্তে প্রয়োজন কুফরি শক্তির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কুফরি সমাজবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টি করা। মসজিদের মিম্বর থেকে নরম আলোচনা বাদ দিয়ে স্পষ্টভাবে বলা প্রয়োজন যে— সমতাবাদ কুফর, মুক্তচিন্তা কু/ফর, নারীবাদ কু/ফর, এবং কু/ফর। - আফসার ভাই
1,1300013
Hope logo
Hope

১৬ অক্টো, ২০২৬, ২১:৪৪

কারো অন্তরে যখন দুনিয়া ঢুকে পড়ে তখন সবকিছুকে সে দুনিয়ার চশমা দিয়ে দেখে, দ্বীনটাকেও। দ্বীনের মাঝেও সে সুযোগ খুঁজবে কিভাবে দুই পয়সা ধান্ধা করা যায়। সুযোগ পেলে দ্বীনটা বেচেও দিবে। দ্বীন বেচা মানে বাজারে বসে দর কষাকষির পর নির্ধারিত মূল্যে দ্বীন কারো কাছে বেচে আসা, ব্যাপারটা এমন কিছু নয়। দ্বীন বেচা মানে হলো আখিরাতের চিন্তা অন্তর থেকে মুছে যাওয়া। দ্বীন বেচা মানে নির্ঝঞ্জাট একটা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার স্বপ্নে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠা, আরো একটু দুনিয়া কীভাবে অর্জন করা যায় সেই দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়া। দ্বীন বেচা মানে হলো দ্বীনের কথা আসলে--"একদম সময় পাই না"। দ্বীন বেচা মানে হলো-- 'আমি খুব ব্যস্ত'।
1,1400018
Hope logo
Hope

১৬ অক্টো, ২০২৬, ১৩:৪২

ইয়াহইয়া ইবনে মুআযের কাছে বসে একজন কুরআন তিলাওয়াত করছিলো। সূরা ত্বহার এই আয়াতটা এলো যে আয়াতে আল্লাহ তায়ালা মূসা ও হারুন আলাইহিমাস সালামকে ফিরআউনের কাছে পাঠানোর সময় নসীহত দিচ্ছিলেন:

فقولا له قولا لينا

তোমরা দুজন যাও। গিয়ে তাকে নরম ভাষায় বলো (যা কিছু বলার)।

ইয়াহইয়া কেঁদে ফেললেন আয়াতটা শুনে। লোকজন জানতে চাইলো কাঁদার কারণ কী? তিনি বললেন:

আমার আল্লাহ এমন পবিত্র সত্তা যিনি এমন লোকের সাথে নম্র হবার নসীহত দিচ্ছেন যে কিনা নিজেকে দাবী করে বলেছে 'আমিই আল্লাহ'। তাহলে ঐ ব্যক্তির সাথে আমার রব কেমন নরম হবেন যে কিনা আমার রবকে রব হিসেবে মেনে স্বীকৃতি দিয়ে বলে: তুমিই আল্লাহ। তুমি ছাড়া ইলাহ নাই।

[তাফসীরে বাগাভী]

কি সুন্দর কথা! আল্লাহ তায়ালা কত মহান কত দয়ালু সত্ত্বা আমাদের কল্পনায় এর কোনো স্থানই নেই। কোনো পরিমাপ নেই যা দিয়ে মাপজোখ করা যায়। আল্লাহ তায়ালার রহম এত সুবিশাল। আমাদের জিন্দেগীর প্রত্যেকটা রহস্যে আল্লাহ তায়ালার রহম আছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কল্যাণ ছাড়া কিছুই করেন না। কিছুই চান না। নইলে বান্দার এত এত নাফরমানির পরও কেন আল্লাহ তায়ালা বারংবার চান বান্দা ফিরে আসুক!

🌸দুআ কবুলের উত্তম সময় - জুমার দিনের আসর থেকে মাগরিব। হাতের কাজ গুছিয়ে দুআ করতে বসব, আর সূরা কাহাফ কি পড়েছি?
1,2900015
Hope logo
Hope

১৬ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৪৫

এই ঘটনাটা আগেও শেয়ার করেছি, আবারও শেয়ার করছি। প্রাসঙ্গিক তাই।

আমার এক ভাগ্নি, তখন তার বয়স কত হবে, ৪ কি ৫। তো একটা কিছু নষ্ট করসে আমার। কিন্তু আমি শিওর না। ধরলাম ওর নাম উমাইয়া। আমি বললাম, উমাইয়া মামনি! এই জিনিসটা এত সুন্দর করে ভাঙসে কে? মুখের এক্সপ্রেশনো ছিল খুব হাসি খুশি! ও বলে, মামা এটা তো আমি করসি!

তারপর আমি আরেকটা এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য, খুব কর্কশ ভাষায়, চোখ মুখ-কুঁচকে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খুব এ্যাগ্রেসিভ করে বললাম, উমাইয়া! তুমি একটা মেয়ে! এটা দেখতে যে, ও কি রকম রিএ্যাক্ট করে। দেখলাম, ও খুব চেঁতে গেসে। আমি ওকে কেনো মেয়ে বললাম!! ও নাকি মেয়ে না! আমি নাকি তাকে খারাপ কিছু বলেছি। হাহাহা! এরকম আমি মাঝে মধ্যেই করি। দেখার জন্য, কি রকম রিএ্যাকশন আসে।

তো কি বুঝলেন? সে আসলে শব্দ না, বরং আচরণের ভিত্তিতে রিএ্যাক্ট করছে। এটা শুধু বাচ্চাদের বেলায়ই প্রযোজ্য না, বরং বড়দের বেলায়ও। ছেলেদের বেলায়ও। কিন্তু মেয়েদের বেলায় আরো প্রকটভাবে, কারণ তারা তুলনামূলক বেশী ইমোশন ড্রিভেন। তারা আপনার এ্যাপ্রোচ, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখবে।

তুহিন খানদের দেখবেন যে, কাব্যিক ভাষায় মেয়েদের জামা-কাপড় খুলে ফেলার কথা বলছে। কখনোই আপনি দেখবেন না যে, এই জন্যে মেয়েরা কোন প্রতিবাদ করছে। তুহিন খান বলে কথা না, আরো যারা আছে এরকম সেলিব্রেটি - তাদের এই টাইপের কবিতা-গানের ভক্ত বরং মেয়েরাও কম না। কারণটা কি? কারণটা হল, এ্যাপ্রোচ, এক্সপ্রেশন। আপনি মানুষকে কোমল আচরণের মাধ্যমে ভুল পথে নিতে পারবেন, কিন্তু কঠোর আচরণের মাধ্যমে সৎ পথে নেয়াটা কঠিন।

এজন্য ধরুন আপনি খুব কঠোর ভাবে ভালো কথা বললেন, মানুষ রিএ্যাক্ট করবে। মেয়েরা আরো বেশী করবে, যদি বলেন ওইত তুই পর্দা করস না কেন? পর্দা না করলে এত এত গুনাহ, তুই জাহান্নামে যাবি। হ্যাঁ এই সম্ভাবনা আছে, যদি তাওবা না করে, আল্লাহ তা'আলা করুণ না করেন, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ তা'আলা তো ক্ষমাশীল এবং করুণাময়। কিন্তু যাকে বলছেন, সে সম্ভাবনা বেশী যে, আপনার কথা এ্যাসেন্সটা ধরতে পারবে না, বরং শুরুতে আপনার এ্যাপ্রোচটা তাকে হিট করবে। আর আপনি যদি কাছের কেউ না হন, তাহলে তো কথাই নেই। আপনি বলরাই বা কে?

তবে ক্ষেত্র বিশেষে কঠোরতারও দরকার আছে, কিন্তু যেখানে আপনি দায়িত্বশীল না, সেখানে কঠোরতা করা অবান্তর হয়ে যায় অনেক সময়। দায়িত্বশীলের উপর জোর করে হলেও ফরজ আদায় করিয়ে নেবার একটা বিষয় থাকে।

আবার কঠোরতারও, কিংবা অসৎ কাজের নিষেধেরও আর্ট আছে। আপনি কি আল্লাহর জন্য করছেন নাকি, নিজের মনের রাগ, খায়িশাত মিটানোর জন্য করছেন, এটার উপরও তাসির নির্ভর করে। আমি নিজে যে এগুলো খুব মেইন্টেইন করতে পারি, তাও না। তবে করা উচিত। - সংগৃহীত
1,3000017
Hope logo
Hope

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৪৬

ফুযাইল ইবন ইয়ায রহ. ছিলেন তাবেঈ-পরবর্তী যুগের একজন প্রসিদ্ধ আল্লাহওয়ালা, জগদ্বিখ্যাত আবিদ ও জাহিদ। বিশেষ করে হারামাইন শরীফাইনে দীর্ঘ ইবাদতের কারণে তিনি 'আবিদুল হারামাইন' নামে সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর সাহচর্য লাভ করা, তাঁর শিষ্য হওয়া-তৎকালীন সময়ে ছিল অত্যন্ত বড় সৌভাগ্যের বিষয়।

ফুযাইল ইবন ইয়ায রহ. নিজেই একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার একজন শিষ্য খুব অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি তাঁকে দেখতে গেলাম। তাঁর চেহারা দেখে বুঝতে পারলাম, মৃত্যুর সময় খুব কাছাকাছি। তাই আমি তাঁর পাশে বসে কালিমার তালকীন করতে শুরু করলাম।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার। 'তালকীন' বলতে মৃত্যুপথযাত্রীকে জোর করে 'কালিমা বলুন' বলা বোঝায় না। বরং তার পাশে বসে নিজে ধীরে ধীরে কালিমা পাঠ করা, যাতে তিনি শুনে নিজেও পড়ে নেন। কারণ তাকে চাপ দিলে যদি সে কোনো কারণে বলে বসে, 'আমি বলব না', তাহলে বিষয়টি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। এ জন্য শরিয়ত কোমল পদ্ধতির শিক্ষা দিয়েছে।

যাই হোক, ফুযাইল ইবন ইয়ায রহ. বলেন, আমি যখন কালিমার তালকীন করছিলাম, তখন হঠাৎ সে আমাকে বলল, 'আমি কালিমা চিনি না।'

আমি যেন বজ্রাহত হয়ে গেলাম। মনে হলো, এ কী বলল! যে মানুষটি এতদিন আমার সঙ্গেই ছিল, ইবাদত করেছে, যিকির-আযকার করেছে, সে আজ মৃত্যুর মুহূর্তে বলছে-আমি কালিমা চিনি না! আমি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে সেখান থেকে ফিরে এলাম। কিন্তু এরপর প্রায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত আমি স্বাভাবিক থাকতে পারিনি। রাতে ঘুম আসত না। চোখের পাতা এক করতে পারতাম না। বারবার দুঃস্বপ্ন দেখতাম। দীর্ঘদিন নির্ঘুম থাকার কারণে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। আমার মনে শুধু একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খেত-একজন মানুষ, যে এত ইবাদত করল, এত যিকির করল, তার পরিণতি কেন এমন হলো।

এরপর এক রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম, সেই শিষ্য জাহান্নামের আগুনে শাস্তি ভোগ করছে। আমি তাকে বললাম, 'তুমি তো আমার সবচেয়ে উত্তম শিষ্যদের একজন ছিলে। তোমার এই পরিণতি কেন হলো?'

সে উত্তর দিল, 'আমার তিনটি গুনাহ আমাকে ধ্বংস করেছে-

প্রথমত, আমি চোগলখুরি (নামীমাহ) করতাম। একজনের কথা আরেকজনের কাছে পৌঁছে দিয়ে মানুষের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করতাম।

দ্বিতীয়ত, আমার অন্তর হিংসায় (হাসাদে) পূর্ণ ছিল। অন্যের নিয়ামত আমি সহ্য করতে পারতাম না।

আর তৃতীয়ত, একবার অসুস্থতার সময় একজন চিকিৎসক আমাকে ওষুধ হিসেবে অল্প পরিমাণ মদ পান করতে বলেছিলেন। পরে সেই মদের প্রতি আমার আসক্তি তৈরি হয়। এরপর আমি গোপনে গোপনে তা পান করতে শুরু করি। [আয-যুনূব ওয়াল মাআ'সী তারিকুত-তাআ'সা]

প্রিয় ভাইয়েরা, দেখুন! লোকটি তিনটি বড় গুনাহে আসক্ত হয়ে পড়েছিল। গুনাহগুলো সে একদিন বা দুদিন করেনি; বরং সেগুলো তার স্বভাবে পরিণত হয়েছিল। আর গুনাহ যখন অভ্যাসে পরিণত হয়, তখন মানুষ অনেক সময় সেটাকে আর গুনাহ-ই মনে করে না। এটাই সবচেয়ে বড় বিপদ। এটাই ঈমানের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর।

তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজের আমলের হিসাব নেওয়া। আমরা কি কোনো গুনাহকে জীবনের অংশ বানিয়ে ফেলিনি? হয়তো কেউ মোবাইলে হারাম জিনিস দেখার নেশায় আক্রান্ত। কেউ বছরের পর বছর গীবত করে চলেছে। কেউ মিথ্যাকে স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত করেছে। কেউ অপবাদ, পরনিন্দা বা মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই অভ্যস্ত। আবার এমনও হতে পারে, আমাদের এমন কিছু গোপন গুনাহ রয়েছে, যা পৃথিবীর কেউ জানে না; কিন্তু আল্লাহ তাআলা সবই জানেন।
#খুতুবাত
Umayer Kobbadi
1,1900015
Hope logo
Hope

১৫ অক্টো, ২০২৬, ১৩:৫৮

মহব্বতের ছোট ভাই বলল, তার স্ত্রী পর্দা করতে চায়। বেশ মজবুত। কিন্তু তার মা নারাজ। মামা, চাচারা আসলে ছেলের বউ দেখতে চায়। চা নিয়ে তো সামনে যাওয়া দরকার। এসব নিয়ে নানা যন্ত্রণা চলছে।

বললাম, তোমার ভাগ্য খুব ভালো, এত ভালো একটা মেয়ে পেয়েছ। কিন্তু তোমার স্ত্রীর ভাগ্য কি ভালো?

-না ভাই।

-তুমি তো তাকে বিয়ে করে একটা বিপদে ফেলে দিয়েছ।

ছেলেটা স্বীকার করল।

প্রিয় ভাইয়েরা, ঘরে পর্দার পরিবেশ কায়েম না করে রেডিমেড দ্বীনদার মেয়ে বিয়ের চিন্তা একধরনের কাপুরুষোচিত কাজ। এই মেয়েটা একটা প্রতিষ্ঠিত দ্বীনী ঘরে বিয়ে হলে কত সুখে থাকত। আপনি তাকে বিয়ে করে তো একটা জাহান্নামে আনতে চাচ্ছেন।

আগে ঘরে দ্বীনী পরিবেশ কায়েম করুন। এটা ফেসবুকে পোস্টের মতো, বা বাংলা সিনেমায় নায়ক আলমগীর ফেরি করে কাপড় বিক্রি করতে করতে শিল্পপতি হয়ে যাওয়ার মতো আচানক কোনো ঘটনা না। এ জন্য ধৈর্য ধরে মেহনত করে যেতে হবে। নিয়মিত তালীম করতে হবে। সাপ্তাহিক মাস্তুরাতের তালীমের পয়েন্টে পাঠাতে হবে। মাঝেমধ্যে তিন দিনের জন্য বের হতে হবে।

মেহনত করুন। নাকি কান্না না করে পুরুষের মতো মেহনত করুন। ফল পাবেন ইনশাআল্লা - হোসাইন ভাই
@RijalatTaqwa
8820017
Hope logo
Hope

১৫ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৫২

বর্ণনাকারী: আবূ যার (রাঃ)

তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “কোন ভাল কাজকে তুচ্ছ ভেবো না, যদিও তা তোমার ভাইয়ের সাথে হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার কাজ হয়।” (মুসলিম ২৬২৬)

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস, হাদিস নং ৮০
হাদিসের মান: সহিহ
9230020
Hope logo
Hope

১৪ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৩৬

জীবনে সামান্য কিছু এদিক-সেদিক হলেই আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই, হতাশ হয়ে যাই। মনের ভেতর একটা অস্থিরতা লেগেই থাকে।
.
মনের এই অসুখের কথা বলা হয়েছে, একটা উপমা দিয়ে:
.
“মানুষের মন যখন আল্লাহকে ভুলে কেবল পার্থিব উপায়-উপকরণের (মাধ্যম বা মানুষের) ওপর ভরসা করতে শুরু করে, তখন সে আসলে এক মারাত্মক ফাঁদে আটকে যায়—ঠিক যেমন কোনো পাখি শিকারির পাতা জালে আটকা পড়ে।”
.
মুখে আমরা বলি, সব আল্লাহর ইচ্ছা। কিন্তু মনের ভেতর অন্য হিসাব চলে। ভাবি, এই চাকরিটা বা এই মানুষটার রেফারেন্স না পেলে আমার ভবিষ্যৎ নেই। টাকা না থাকলে সব শেষ। অমুক ডাক্তার ছাড়া আমাকে বাঁচানোর কেউ নেই। অজান্তেই আমরা ধরে নিই, ফলাফল দেওয়ার ক্ষমতা ওই মানুষ বা ওই মাধ্যমের হাতে। মনের অশান্তি শুরু হয় এখান থেকেই।
.
একটি হাদিস আছে:
.
“আল্লাহ তাআলা তাঁর ইনসাফের কারণে মনের শান্তি, স্বস্তি আর আনন্দকে রেখে দিয়েছেন সন্তুষ্টি ও দৃঢ় বিশ্বাসের (ইয়াকিন) মধ্যে। আর যাবতীয় দুশ্চিন্তা, দুঃখ আর হতাশাকে রেখে দিয়েছেন সন্দেহ ও ক্ষোভের মধ্যে।”
.
মন যতদিন মানুষের সাহায্য আর জাগতিক উসিলার দিকে তাকিয়ে থাকবে, ততদিন হতাশা আর মানসিক কষ্ট পিছু ছাড়বে না। যখন অন্তরে এই বিশ্বাস দৃঢ় হয় যে দুনিয়ার সবকিছু কেবল উসিলা, দেওয়া আর নিয়ন্ত্রণ করার মালিক একমাত্র আল্লাহ, তখন ভেতরটা হালকা হয়ে আসে।
.
চেষ্টা আপনি পুরোটাই করবেন, পার্থিব সব উপায় অবলম্বন করবেন। কিন্তু ভরসা রাখবেন শুধু আল্লাহর ওপর।
.
আল্লাহ তাআলার একটি বাণী আছে, যা তিনি দাউদ (আলাইহিস সালাম)-কে বলেছিলেন:
.
“দাউদ, তুমি কি জানো আমি কখন আমার বান্দার সব দায়িত্ব নিজের দায়িত্বে তুলে নিই? যখন সে তার মন থেকে অন্য সবকিছুর ওপর নির্ভরতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে, খাঁটি মনে শুধু আমার ওপর ভরসা করে।”
.
মাধ্যমের পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা যেন আসল রিজিকদাতাকে ভুলে না যাই। হাত দিয়ে চেষ্টা করুন, মন বেঁধে রাখুন আল্লাহর সাথে।- সুফিয়ান ভাই
1,2600027
Hope logo
Hope

১৪ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৩৬

Photo1/2
972000
Hope logo
Hope

১৩ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৩৪

খলিফাতুল মুসলিমীন উমর ইবনু আব্দিল আযিয রহিমাহুল্লাহর কাছে যাকাতের সম্পদ উত্তোলন করে আনা হলো। তিনি এগুলো দরিদ্রদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়ার আদেশ দিলেন। কর্মকর্তারা জানালেন ইসলামি খিলাফতের সীমানায় কোথাও কোনো দরিদ্র অবশিষ্ট নেই। কেউ যাকাত নিতে ইচ্ছুক নয়।

উমর এবার যাকাতের অর্থে সেনাবাহিনীর সামর্থ্য বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন। সেনাপতিরা জানালেন ইসলামি সেনাবাহিনী তো দুনিয়াকে জয় করার জন্য প্রস্তুত!

তিনি এবার যুবকদের বিয়ের ব্যবস্থা করতে বললেন। তারা তা-ই করলেন। যারা বিয়ে করতে চায় তাদের বিয়ে দিলেন। এরপরও অনেক যাকাত রয়ে গেলো। উমরের কাছে আবারো গেলে তিনি যাকাতের অর্থে নাগরিকদের মধ্যকার ঋণগ্রস্তদের ঋণ পরিশোধ করার নির্দেশ দিলেন। সব পরিশোধ করার পরও সম্পদ রয়ে গেলো।

এবার যারা অমুসলিম নাগরিক ছিলো তাদের কারো ঋণ থাকলে কিংবা প্রয়োজনগ্রস্থ তাদের প্রয়োজন পূরণ করা হলো। এরপরও যখন যাকাত রয়ে গেলো তখন আমীরুল মুমিনীন নির্দেশ দিলেন:

'এই সম্পদ দিয়ে গম কিনে পাহাড়ের চূড়ায় ছড়িয়ে দাও। যেন মুসলিমদের দেশে একটি পাখিও না খেয়ে আছে একথাও কেউ বলতে না পারে।'

রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম ওয়ারদ্বাহ।
1,1800026
Hope logo
Hope

১৩ অক্টো, ২০২৬, ০৫:৪৫

আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিন্তাযুক্ত ও পেরেশানির সময় এই দোআটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন:
.
" اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الهَمِّ وَالحَزَنِ، وَالعَجْزِ وَالكَسَلِ، وَالبُخْلِ وَالجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ "

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও কাপুরুষতা থেকে, ঋণের বোঝা থেকে এবং মানুষের আধিপত্য (দমন-পীড়ন) থেকে।”
.
প্রামাণিক তথ্যসূত্র:
সহীহ আল-বুখারী (হাদিস নং: ২৮৯৩, ৬৩৬৯),
সহীহ মুসলিম (হাদিস নং: ২৭০৬)
1,0900016
Hope logo
Hope

১২ অক্টো, ২০২৬, ১৯:৪৫

ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ যখন কুরআন পড়তে পড়তে এই আয়াতে পৌছলেন,
“মুত্তাক্বীরা থাকবে বাগান আর ঝর্ণাধারার মাঝে, প্রকৃত সম্মান ও মর্যাদার স্থানে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারীর নিকটে” (সূরা ক্বমার : ৫৪-৫৫) তখন তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন।

শায়খ মুহাম্মাদ রাশিদ রিদ্বা কুরআনে বিখ্যাত তাফসিরকারক। তিনি যখন এই আয়াতের তাফসির শেষ করলেন,
“…আপনিই দুনিয়া আর আখিরাতে আমার অভিভাবক, আপনি মুসলিম অবস্থায় আমার মৃত্যু দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুন” (সূরা ইউসূফ : ১০১) তখন তিনি মৃত্যুবরণ করলেন।

বিখ্যাত মুহাদ্দিস হাফিজ ইবনু হাজার আসক্বালানি রহিমাহুল্লাহর মৃত্যুটা হয়েছিল এই আয়াত পাঠের পর,
“পরম দয়ালু রবের পক্ষ হতে তাদেরকে বলা হবে ‘সালাম’” (সূরা ইয়াসিন : ৫৮)।

আমরা কুরআনকে ভালোবাসি, কুরআনে হক্ব আদায় করি, সহীহ ও সঠিকভাবে কুরআন পড়তে শিখি। আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন আমাদেরকেও কুরআনের সাথে মৃত্যুবরণ করার তৌফিক দান করুন।
1,1700021
Hope logo
Hope

১২ অক্টো, ২০২৬, ০৫:২৯

"মানুষ কী বলবে" বা "লোকে কী ভাববে", এই চিন্তা আমাদের অনেক ভালো কাজ আটকে দেয়।
.
আল-ফুযাইল ইবনে ইয়াদ (রহ.) বলেছেন:
.
"মানুষকে দেখানোর জন্য কোনো কাজ করা যেমন রিয়া, তেমনি 'মানুষ কী ভাববে' এই ভয়ে কোনো ভালো কাজ ছেড়ে দেওয়াও এক ধরনের রিয়া। আর খাঁটি নিয়ত হলো এই দুই ফাঁদ থেকেই মুক্ত থাকা।"
.
ধরুন, কেউ মানুষকে দেখানোর জন্য নফল নামাজ পড়ল বা দান করল। এখানে তার ভাবনায় মানুষ প্রাধান্য পেয়েছে।
.
আবার ধরুন, কারো মনে হলো গোপনে একটা দান করবে বা ফেসবুকে একটা ভালো কথা লিখবে। কিন্তু তারপর ভাবল, লোকে হয়তো তাকে শো-অফ মনে করবে, তাই কাজটাই বাদ দিল।
.
এখানেও নিয়তের কেন্দ্রে মানুষই রয়ে গেল। দুই ক্ষেত্রেই আল্লাহর সন্তুষ্টির চেয়ে মানুষের ভাবনা বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
.
ইখলাস চেনার উপায় কী? পাতার ওপরের অংশে যুন-নূন আল-মিশরি (রহ.) খাঁটি নিয়তের তিনটি লক্ষণ উল্লেখ করেছেন:
.
১. প্রশংসা ও নিন্দা সমান মনে হওয়া। মানুষ প্রশংসা করুক বা নিন্দা, তাতে ভালো কাজের গতি কমে না, বাড়েও না। কাজটা হয় শুধু আল্লাহর জন্য।
.
২. নিজের আমল ভুলে যাওয়া। ভালো কাজ করার পর তা নিয়ে অহংকার থাকে না, বড় কিছু করে ফেলেছি এমন মনে হয় না। বরং মনে হয়, আল্লাহ তাওফিক দিয়েছেন বলেই পেরেছি।
.
৩. প্রতিদান শুধু আখেরাতে আশা করা। দুনিয়ায় কারো কাছ থেকে ধন্যবাদ বা বাহবার প্রত্যাশা না রাখা। হিসাবটা থাকে শুধু আল্লাহর সাথে।
.
মানুষকে খুশি করার চেষ্টার কোনো শেষ নেই। যা-ই করা হোক, সবাইকে খুশি করা যায় না।
.
কিন্তু হিসাব যখন শুধু আল্লাহর সাথে থাকে, তখন মানুষের কথার বোঝা হালকা হয়ে যায়। কেউ প্রশংসা করল কি করল না, তাতে আর তেমন কিছু যায়-আসে না।
.
আল্লাহ আমাদের প্রতিটি কাজ শুধু তাঁর সন্তুষ্টির জন্য করার তাওফিক দিন। আমিন। - সুফিয়ান ভাই
1,2900017
Hope logo
Hope

১২ অক্টো, ২০২৬, ০৫:২৯

Photo1/2
1,010000
Hope logo
Hope

১১ অক্টো, ২০২৬, ১৩:৫১

.
উপরে উল্লিখিত হাদীসগুলো দ্বারা জানা গেলো যে, জামা‘আতে সলাত আদায়ের সময় যদি মুক্তাদী ইমাম সাহেবের সূরা ফাতিহা শেষে ‘আ-মীন’ বলা শুনে পূর্ণ মনোযোগ, ভীতি ও একনিষ্ঠতা সহকারে ‘আ-মীন’ বলে এবং তা যদি ফেরেশতাগণের ‘আ-মীন’ বলার সাথে মিলে যায় তাহলে তার পূর্বের সকল সগীরা গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। আর যদি তার ‘আমলনামায় সগীরা গুনাহ না থাকে তাহলে তার কাবীরা গুনাহ (যদি থাকে) হালকা করে দেয়া হবে, ইন্শা-আল্লা-হ। [১৩]
.
.
❒ রেফারেন্স:
.
[১] সহীহ মুসলিম : ৫৬৬।
[২] সুনান আবূ দাঊদ : ৯০৫; সহীহুত তারগীব : ২২১ হাদীসটি সহীহ।
[৩] সুনান আন্ নাসায়ী : ১৪৪, সুনান ইবনু মাজাহ : ১৩৯৬, হাদীসটির সহীহ।
[৪] সহীহুল বুখারী : ১৫৯, ১৬৪, সহীহ মুসলিম : ৫৬০, ৫৬১।
[৫] শারহু সহীহ মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১০৮।
[৬] শারহু সহীহ মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১০৮।
[৭] সহীহ মুসলিম : ৫৬৫।
[৮] সহীহ মুসলিম : ৫৬২।
[৯] গগণবিদারী চিৎকার করে নয়, স্বাভাবিক উচ্চ আওয়াজে বলতে হবে।
[১০] সহীহুল বুখারী : ৭৮২; সহীহ মুসলিম : ৯৪৭।
[১১] সহীহুল বুখারী : ৭৮০, সহীহ মুসলিম : ৯৪২।
[১২] সহীহুল বুখারী : ৭৮০-৭৮২, ৪৪৭৫, ৬৪০২; সহীহ মুসলিম : ৯৪২, ৯৪৪-৯৪৫।
[১৩] মিন মুকাফফিরাতিয যুনূব, পৃ. ২৩।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
লেখাঃ শাহাদাৎ হুসাইন খান ফয়সাল (রহ.)
1,270009

Showing 30 of 81 posts

রেটিং

লগইন প্রয়োজন

Frequently Asked Questions

Hope টেলিগ্রাম চ্যানেল কী বিষয়ে?+

Hope (@hope24hours) tgdio-এ আধ্যাত্মিকতা ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। র‍্যাঙ্কিং, রেটিং, রিভিউ ও সাম্প্রতিক পোস্ট দেখে সাবস্ক্রাইব করার আগে সিদ্ধান্ত নিন। এখন tgdio-এ প্রায় ১৮,৪৪৫ সাবস্ক্রাইবার আছে।

আমি কীভাবে Hope (@hope24hours) জয়েন করব?+

tgdio-এ চ্যানেল প্রোফাইল খুলে Join / Open in Telegram দিয়ে @hope24hours-এ বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করুন।

Hope কি ভালো আধ্যাত্মিকতা চ্যানেল?+

tgdio-এ জয়েনের আগে Hope-এর রেটিং, রিভিউ, র‍্যাঙ্কিং ও পোস্ট দেখুন। এখন tgdio-এ প্রায় ১৮,৪৪৫ সাবস্ক্রাইবার আছে। একই আধ্যাত্মিকতা চ্যানেলের সাথে তুলনা করুন।

Hope-এর স্ট্যাটস ও পোস্ট কোথায় দেখব?+

tgdio-এ @hope24hours পেজ খুলুন — সাবস্ক্রাইবার স্ট্যাটস, র‍্যাঙ্কিং, রেটিং ও পোস্ট। Stats লিঙ্ক দিয়ে গ্রোথ চার্ট দেখুন।